Tag: নরেন্দ্র মোদি

  • ‘জেন-জি’ই দেশের চালিকাশক্তি, তীব্র সমালোচনার মুখে সুর পালটালেন কঙ্গনা

    বিজেপির সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ‘জেন-জি’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোপের মুখে পড়েছিলেন। আখ্যা দিয়েছিলেন— জেন-জি নাকি ‘নর্দমার প্রজন্ম’। কিন্তু এবার সুর পালটালেন অভিনেত্রী। এবার তিনি বললেন— ‘ জেন-জি’ দেশের চালিকাশক্তি ও সম্পদ’। 

    এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কেন্দ্র করে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তরুণদের একাংশের আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত। সেই সময় জেন-জিদের ‘গাটার জেনারেশন’ বা ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। এমনকি তরুণদের ওই সব ভিডিওকে ‘বমি উদ্রেককারী’ হিসেবেও অভিহিত করেছিলেন কঙ্গনা। সেই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে আগের অবস্থান থেকে সরে আসেন অভিনেত্রী। এবার কঙ্গনা বলেন, জেন-জি আমাদের দেশের শক্তি এবং জাতির জন্য এক বিশাল সম্পদ। 

    তিনি আরও বলেন, আমাদের তরুণরা যেভাবে দেশের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের দূত হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছে, তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুবাইয়ে আটকা পড়ে মোদির সাহায্য চাইলেন অভিনেত্রী

    নিজ দেশে ফিরতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন ‘জান্নাত’খ্যাত বলিউড অভিনেত্রী সোনাল চৌহান। ইসরাইল ও আমেরিকার হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুবাই বিমানবন্দরে আটকা পড়েন তিনি।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ইরান ও ইরাকের আকাশপথ বন্ধ থাকায় এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগোর মতো বিমান সংস্থাগুলো তাদের ফ্লাইট বাতিল বা রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং আকাশপথ নিরাপদ হলে পুনরায় ফ্লাইট চালুর আশ্বাস দিয়েছে। মূলত ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় এ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। 

    এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে, যার ফলে দুবাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্টগুলোতে হাজারো যাত্রী আটকা পড়েছেন।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া এক বার্তায় সোনাল চৌহান লিখেছেন— মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি, চলমান সংকটের কারণে আমি বর্তমানে দুবাইয়ে আটকা পড়েছি। ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে এবং ভারতে ফেরার কোনো নিশ্চিত উপায় নেই। আমি নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য সরকারের নির্দেশনা ও সমর্থন কামনা করছি। সরকারের পক্ষ থেকে যে কোনো সহায়তা পেলে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ থাকব।

    দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনাল চৌহানের মতো আরও অসংখ্য যাত্রী আটকা পড়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের ভিড় এবং উৎকণ্ঠা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-রাশমিকাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি মোদির, কী লেখা আছে এতে?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানা আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের উদয়পুরে রাজকীয় অনুষ্ঠানমণ্ডপে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তারা নতুন জীবনের শুরু করতে যাচ্ছেন। এ বিশেষ মুহূর্তকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এর একটি শুভেচ্ছাবার্তা।

    চিঠিতে মোদি বিজয়–রাশমিকার উভয় পরিবারকে বিয়ের শুভক্ষণে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত। দেবরকোন্ডা এবং মন্দানা পরিবারকে এ আনন্দময় অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

    তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এটি বিজয় ও রাশমিকার জীবনের নতুন ও সুন্দর অধ্যায়ের সূচনা। সাত ধাপ একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা জীবনের সঙ্গী ও বন্ধু হিসেবে একে অপরের পাশে থাকবে। বিজয় বা রাশমিকা চলচ্চিত্র জগতে নতুন নন, কিন্তু তাদের বাস্তব জীবনের এ নতুন অধ্যায় প্রেম, স্নেহ এবং বন্ধুত্বে ভরা, যা রূপালী পর্দার জাদুকে ছাপিয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চিঠির শেষাংশে মোদি লিখেছেন, আগামী দিন, মাস ও বছরগুলো তাদের ভাগাভাগি করা স্বপ্ন এবং পরিপূর্ণতায় ভরে উঠুক। তারা একে অপরের শক্তি থেকে শিখবে, অপূর্ণতাকে আলিঙ্গন করবে এবং সত্যিকারের জীবনসঙ্গী হিসেবে দায়িত্ব ভাগাভাগি করে চলবে।

    সম্প্রতি এই জুটি সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। ভক্তদের প্রিয় নাম বিরোশকে সম্মান জানিয়ে তারা লিখেছেন, কোনো পরিকল্পনার আগে ভক্তদের ভালোবাসাতেই তারা এক হয়ে গেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • থালাপতি বিজয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মোদিকে রাহুল গান্ধীর কড়া বার্তা

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা ছিল তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ ছবি ‘জন নায়াগান’। তবে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সময়মতো ছাড়পত্র না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে ছবিটির মুক্তি আটকে যায়। এই ছবির পরই পূর্ণাঙ্গভাবে রাজনীতিতে যোগদানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বিজয়। 

    এবার শেষ মুহূর্তে বিজয়ের ছবি মুক্তি আটকে দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ‘জন নায়াগান’ মুক্তিতে বাধা দেওয়ার কেন্দ্রীয় প্রচেষ্টাকে তামিল সংস্কৃতির উপর আক্রমণ বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। 

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে লোকসভার এই বিরোধী দলনেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনোই তামিল জনগণের কণ্ঠস্বর দমনে সফল হবেন না। 

    রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে যখন তিনি নির্বাচনমুখী তামিলনাড়ু সফরে রয়েছেন। এ সময় অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে পা বাড়ানো বিজয়ের তামিল সিনেমা ‘জন নায়াগান’ ঘিরে চলমান বিতর্ক রাজ্যের রাজনীতিতে বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এক্সে দেওয়া পোস্টে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘জন নায়াগান ছবি বন্ধ করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টা তামিল সংস্কৃতির উপর আক্রমণের শামিল। মি. মোদী, আপনি তামিল জনগণের কণ্ঠস্বর দমন করতে কখনোই সফল হবেন না।’ 

    বিজয় সম্প্রতি নিজের রাজনৈতিক দল ‘তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম’ (টিভিকে) প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবেশের আগে তার শেষ ছবি হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারণায় থাকা ‘জন নায়াগান’র মুক্তির নির্ধারিত তারিখ ছিল ৯ জানুয়ারি। কিন্তু সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সময়মতো ছাড়পত্র না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে ছবিটির মুক্তি আটকে যায়। 

    গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি পি টি আশা সিবিএফসিকে ‘জন নায়াগান’-কে ছাড়পত্র দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ সেই আদেশে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি এম এম শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি জি আরুল মুরুগানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ একক বিচারকের রায়ের বিরুদ্ধে সিবিএফসি-র আপিল গ্রহণ করে এবং এর মুক্তি স্থগিত রাখে। 

    এর আগে, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কেভিএন প্রোডাকশনস এলএলপি সিবিএফসিকে সেন্সর সার্টিফিকেট ইস্যু করার নির্দেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলে বিচারপতি আশা সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন, বোর্ড একবার সার্টিফিকেট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে চেয়ারপারসনের নিকট সেটি পুনর্বিবেচনা কমিটির কাছে পাঠানোর কোনো ক্ষমতা নেই। এই আদেশের বিরুদ্ধে সিবিএফসি তাৎক্ষণিকভাবে আপিল করে। 

    আদালত বর্তমানে ছবি মুক্তির স্থগিতাদেশ বহাল রেখে সিনেমার প্রযোজককে নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোদিকে ছেড়ে মমতার দলে যোগ দিলেন অভিনেত্রী পার্নো মিত্র

    বিনোদন জগতের তারকাদের রাজনীতিতে যোগদান নতুন নয়। সারা বিশ্বের অনেক তারকাই রাজনীতিতে এসে সাফল্য পেয়েছেন। টালিউড অভিনেত্রী পার্নো মিত্রও রাজনীতিতে সক্রিয় দীর্ঘ দিন ধরে। তিনি ভারতে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তবে নির্বাচনের আগমুহূর্তে দলবদল করে সবাইকে চমকে দিলেন অভিনেত্রী।

    অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয় পার্নোর পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে। পড়াশোনা করেছেন আলিপুর মাল্টিপারপাস গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুলে এবং পরে লেডি ব্র্যাবোর্ন কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১১ সালে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত সিনেমা ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে পার্নো মিত্রের। প্রথম সিনেমাতেই অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন এবং সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও অর্জন করেন। তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালন সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ডুব’ সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডে নাম লেখান।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী পার্নো মিত্র পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তার দলবদলের মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন। ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির বিজেপি ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন টালিউডের এ তারকা। পশ্চিমবঙ্গের আইন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে নাম লেখান পার্নো মিত্র।

    এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়েছিলেন পার্নো মিত্র। সে নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তাপস রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয় পাননি তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তার দলবদলের গুঞ্জন চলছিল। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সেই জল্পনায় বাস্তবে রূপ নিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী মৌবনীকে বিয়ের শুভেচ্ছাবার্তা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

    জাদু সম্রাট পিসি সরকারের মেজ মেয়ে অভিনেত্রী মৌবনী সরকারের গত মাসে ধুমধাম করে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। চন্দননগরের ছেলে সৌম্যর সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তিনি। বিয়ের পর আপাতত চুটিয়ে সংসার করছেন মৌবনী।

    এর মধ্যে এ নবদম্পতি ঘুরতে গিয়েছিলেন দার্জিলিংয়ে। যদিও ইতোমধ্যে চন্দননগরের অলিগলি ঘোরা হয়ে গেছে নববধূর। আগামী দিনে প্যারিস যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জাদুকরকন্যা। অদূর ভবিষ্যতে হানিমুনে সেখানেই যাবেন তারা। তবে তার আগে উত্তরবঙ্গে মিনি হানিমুন সেরে এসেছেন এ তারকা দম্পতি।

    এদিকে মৌবনী সরকারের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাধিক নামিদামি তারকা। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তিনি উপস্থিত না থাকলেও নবদম্পতিকে ভালোবাসা জানিয়ে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী।

    মৌবনী যে ছবিটি পোস্ট করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন— ‘মৌবনী এবং সৌম্য একসঙ্গে পথচলা শুরু করেছে। এই পথ যেন আরও সুন্দর হয়ে উঠুক এ কামনাই করি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নরেন্দ্র মোদি আরও লিখেছেন— একে অপরের প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধায় জীবনকে এগিয়ে নিয়ে চলুক ওরা। সারাজীবন একসঙ্গে কাটাক, আগামী প্রজন্মকে নিয়ে ভালো থাকুক। ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। অনেক ধন্যবাদ আমাকে নিমন্ত্রণ জানানোর জন্য।

    সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রীর পোস্ট করা ছবিটি দেখে বেশ স্পষ্ট হয়ে যায় প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত ছিলেন তার বিয়েতে। কিন্তু কোনো কারণে তিনি আসতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এমন বার্তা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা মৌবনী, সেটি সবার সঙ্গে শেয়ার করে ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন— এর থেকে আর খুশি কিছুতেই হওয়া যায় না। আমার এবং সৌম্যর বিয়ে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভালোবাসাসহ এই বার্তা পেয়ে ভীষণ খুশি। অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের আশীর্বাদ করার জন্য। আমাদের তরফ থেকে আপনাকে প্রণাম জানাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দক্ষিণে এবার মোদির বায়োপিক, চলছে শুটিং

    মাত্র তিন মাস আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক নির্মাণের ঘোষণা দেওয়ার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো শুটিং। এর আগে বলিউডেও নির্মিত হয়েছিল মোদির বায়োপিক। ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ নামের সেই সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০১৯ সালে। ওই সিনেমায় প্রধানমন্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেতা বিবেক ওবেরয়। এবার দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন রূপে মোদির জীবনকথা দর্শকদের সামনে তুলে ধরার প্রস্তুতি চলছে। 

     সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নরেন্দ্র মোদির জীবনীভিত্তিক এ সিনেমার নাম ‘মা বন্দে’। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ক্রান্তি কুমার চন্দ্র। এতে প্রধানমন্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় মালায়ালাম অভিনেতা উন্নি মুকুন্দন। পূজার মাধ্যমে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও শেয়ার করে নিয়েছে সিনেমার টিম।

    নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক ‘মা বন্দে’ সিনেমায় প্রধানমন্ত্রীর জীবন-সংগ্রাম, রাজনৈতিক কর্ম এবং মায়ের ভালোবাসা তুলে ধরা হবে। মোদি মাকে হারিয়েছেন ২০২২ সালে, তার জীবনে মায়ের অবদানও বিশেষভাবে দেখানো হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘মা বন্দে’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন মালায়ালাম অভিনেতা উন্নি মুকুন্দন। মোদির চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত অভিনেতা বলেন, আমি আহমেদাবাদে বড় হয়েছি। প্রথমে নরেন্দ্র মোদিকে চিনতাম আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। পরে ২০২৩ সালে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাই। তার বায়োপিকে অভিনয় করার সুযোগ পাওয়া আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের। তার রাজনৈতিক জীবন পর্দায় তুলে ধরার দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য এক পরম সৌভাগ্য।

    উন্নি মুকুন্দন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বলা একটি গুজরাটি উক্তি তাকে অনুপ্রাণিত করে— ‘ঝুকবানু নেহি’, যার অর্থ কখনো মাথা নিচু করা নয়, সবসময় শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোদির পা ছুঁয়ে সালাম ঐশ্বরিয়ার

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন অন্ধ্রপ্রদেশের পুট্টাপার্থিতে শ্রী সত্য সাঁই বাবার জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে অনুষ্ঠান মঞ্চে নরেন্দ্র মোদির পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এরপর সেই গুরু ও নিজের জাতপাত নিয়ে বক্তব্য দেন অভিনেত্রী। 

    ঐশ্বরিয়া বলেন, তিনি শুধু একটি ধর্ম ও একটি জাতকেই বিশ্বাস করেন। আর সেটি হলো— মানবতা ও ভালোবাসা। তিনি বলেন, আমি মনে করি, মানবতাই সব থেকে বড় ধর্ম। আর ঈশ্বর একটাই— তিনি সর্বত্র আছেন। সেই ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার মধ্যেই জীবনের সার্থকতা বলে জানান ঐশ্বরিয়া।

    বিশ্বসুন্দরী খেতাব পাওয়ার পর থেকেই ঐশ্বরিয়া নানা সামাজিক ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়েছেন। যদিও গত কয়েক বছর তাকে পোশাক নির্বাচন কিংবা চেহারার গড়ন নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু কোনো ধরনের নেতিবাচক কথায় মন দিতে চান না অভিনেত্রী।

    মানুষের জীবন গঠনে পাঁচটি কাজে এককের ওপর জোর দেন ঐশ্বরিয়া। তিনি বলেন, নিয়মানুবর্তিতা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা, শ্রদ্ধা এবং বৈষম্যের মধ্যেও ঐক্য— এই পাঁচটি একক দিয়েই মানুষের জীবন গঠিত হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসছে মোদির বায়োপিক, প্রধানমন্ত্রীর মা হবেন রাভিনা

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বায়োপিক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ক্রান্তি কুমার চৌধুরী। এতে প্রযোজনায় আছে সিলভার ক্যাস্ট ক্রিয়েশন্স। এটি মূলত একজন মা ও ছেলের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তৈরি জীবনীভিত্তিক সিনেমা। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    নরেন্দ্র মোদির জীবনীভিত্তিক সিনেমার নাম ‘মা বন্দে’। আর সেই বায়োপিকে মোদির প্রয়াত মা হীরাবেনের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে বলিউড অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডনকে। অন্যদিকে মোদির চরিত্রে দেখা যাবে মালায়ালাম অভিনেতা উন্নি মুকুন্দনকে। 

    এ বায়োপিক নিয়ে নির্মাতারা বলেছেন, নরেন্দ্র মোদির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো তুলে ধরতে সিনেমায় উন্নত ভিএফএক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অভিনেত্রী রাভিনারও শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বিষয়ে অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন বলেন, হীরাবেনের চরিত্রে অভিনয় তার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। সিনেমায় হীরাবেনের শৈশব, পারিবারিক সংগ্রাম এবং জীবনের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পরিবারকে ধরে রাখার গল্প উঠে আসবে।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসে মালায়ালাম অভিনেতা উন্নি মুকুন্দন বলেছেন, মোদির চরিত্রে অভিনয় করা তার কাছে সম্মানের। শৈশব থেকে গুজরাটে বেড়ে ওঠার সময় মোদিকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তার অভিনয়ে সহায়তা করবে বলে আশা করছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোদিকে ‘র‍্যাম্প মডেল’ রূপে দেখতে চান কঙ্গনা, হতবাক নেটিজেনরা

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এবার ‘র‍্যাম্প মডেল’ রূপে দেখতে চাইলেন বলিউড অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত। বললেন, শুধু পোশাক-আশাকের জন্য নয়, ব্যক্তিত্ব ও আদব-কায়দার জন্যই ফ্যাশন দুনিয়াকে মুগ্ধ করতে সক্ষম হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার ভাষায়, র‍্যাম্পে হাঁটলে ফ্যাশন দুনিয়ায় সাড়া ফেলতে পারবেন নরেন্দ্র মোদি। আর অভিনেত্রীর এমন দাবি শুনে হতবাক নেটিজেনরা। 

    সম্প্রতি দিল্লির একটি ফ্যাশন শোতে গিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত। সেখানে তিনি নিজেও একেবারে অন্য অবতারে র‍্যাম্পে হাঁটেন। ওই সময় এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়— রাজনীতির জগৎ থেকে কে সবচেয়ে ভালো র‍্যাম্পে হাঁটতে পারবেন? দুবার না ভেবেই কঙ্গনা রানাউত বলেন, অবশ্যই আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি অসাধারণ হাঁটবেন র‍্যাম্পে। ওঁর স্টাইল অসাধারণ।

    প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে কঙ্গনা বলেন, সব কিছু নিয়েই খুব ওয়াকিফহাল থাকেন উনি। শুধুই রাজনীতি নিয়ে নয়, সমাজের সব কিছু নিয়ে অবগত। তাই আমি মনে করি, ফ্যাশন শোতে তিনি দারুণ ‘শো-স্টপার’ হতে পারেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি দিল্লিতে পোশাকশিল্পী রাহুলের বিয়ের গহনা কেন্দ্র করে একটি ফ্যাশন শোতে যোগ দেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনিই ছিলেন ‘শো-স্টপার’। অভিনেত্রী এ দিন পরেছিলেন আইভরি রঙের একটি এমব্রয়ডারি করা শাড়ি। সঙ্গে ভারি সোনার গহনা। 

    কঙ্গনাকে এ রূপে দেখে তার অনুরাগীদের মনে পড়ে ‘ফ্যাশন’ সিনেমাটির কথা। সেই সিনেমায় এক র‍্যাম্প মডেলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কঙ্গনা। সেই সিনেমায় তার অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসা পেয়েছিল। বাস্তবেও বিভিন্ন ফ্যাশন শোতে হেঁটেছেন অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউতের শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’। এর পাশাপাশি রাজনীতির জগতেও ব্যস্ত অভিনেত্রী। ২০২৪ সালে বিজেপির হয়ে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন কঙ্গনা রানউত।

    বিনোদন ডেস্ক