Tag: ডিভোর্স

  • ডিভোর্সের একমাস পরই নাটালির নতুন প্রেম!

    বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে বেশি দিন হয়নি, মাত্র এক মাস! এরই মধ্যে নতুন প্রেমিকের সঙ্গে ডেটিংও শুরু করেছেন ‘ব্ল্যাক সোয়ান’খ্যাত তারকা হলিউড অভিনেত্রী নাটালি পোর্টম্যান! 

    সম্প্রতি এমন খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম পিপলস ম্যাগাজিন। স্বামী বেঞ্জামিন মিলেপিডের সঙ্গে ডিভোর্সের পর ৪৩ বছর বয়সি অস্কারজয়ী এ অভিনেত্রী তার প্রেম জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। প্রেমিকের নাম টাঙ্গুই ডেস্টেবল। ফরাসি সংগীতশিল্পী এবং প্রযোজক তিনি। সংগীত জগতে যিনি ‘টেপার’ নামে পরিচিত। 

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিলিপিডের সঙ্গে নাটালির ১১ বছরের দাম্পত্য জীবন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। অবশ্য বিয়েবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন তারও আটমাস আগে। 

    নাটালির অভিযোগ, মিলিপিড বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত। এ কারণেই তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। নাটালি এবং মিলেপিডের প্রথম দেখা হয় ২০১০ সালে ‘ব্ল্যাক সোয়ান’ সিনেমার সেটে। এ সিনেমাটি অভিনেত্রীকে কেবল একাডেমি পুরস্কারই জিতিয়ে দেয়নি বরং ২০১২ সালে তিনি যে পুরুষকে বিয়ে করেছেন তার সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দেয়। এরপর তাদের ঘরে আসে দুই সন্তান, ১৩ বছর বয়সি আলেফ এবং ৮ বছর বয়সি আমালিয়া। কিন্তু পারিবারিক জীবনে বেশ অশান্তিতেই ছিলেন বলে জানিয়েছেন নাটালি। যদিও এ অভিনেত্রী তার ব্যক্তিগত জীবনকে বেশিরভাগ সময় গোপন রেখেছিলেন। 

    ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে ভ্যানিটি ফেয়ারের ৩০তম বার্ষিক হলিউড সংখ্যার জন্য এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনকে ঘিরে জল্পনা-কল্পনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘খুবই ভয়াবহ এবং এটি কন্টিনিউ করার কোনো ইচ্ছা নেই আমার।’ তখন থেকেই মূলত মিলেপিডের সঙ্গে ডিভোর্সের খবর চাউর হয়। বিচ্ছেদের চূড়ান্ত রায় আসার পর মোটেও দেরি করেননি নাটালি। ডেটিং শুরু করেছেন নতুন প্রেমিকের সঙ্গে। ৭ মার্চ প্যারিসের রাস্তায় ৪৪ বছর বয়সি টাঙ্গুইয়ের সঙ্গে বাহুবন্দি অবস্থায় হাঁটতেও দেখা গেছে তাকে। অবশ্য এ সম্পর্ককে এখনো বন্ধুত্বের পর্যায়েই রেখেছেন বলে নাটালির ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। 

    গত জুনে ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে বন্ধুত্বের মর্যাদা তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘বন্ধুত্বের মাঝেই আমি শক্তি খুঁজে পাই। আমার বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে চাই, যারা আমাকে বারবার খাদের কিনারা থেকে তুলে এনেছেন।’ মিলেপিডের সঙ্গে দাম্পত্য কলহ এবং বিচ্ছেদের পর নতুন বন্ধু টাঙ্গু তার ক্ষত কতটা সারিয়ে তুলতে পারবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    শাহনাজ হেনা

  • অঢেল সম্পত্তি এ আর রহমানের, ডিভোর্সের পর স্ত্রী পাবেন কত?

    ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন অস্কারজয়ী সংগীত শিল্পী-সুরকার এ আর রহমান। এই খবর প্রকাশের পরই এ গায়ক কত টাকার মালিক তা জানার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন তার অনুরাগীরা। কেননা বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শুধু বিয়ে নয়, বিচ্ছেদেও খরচ হয় কোটি কোটি টাকার।

    সংগীত জীবনের সাফল্য এ আর রহমানকে সারা বিশ্বে শুধু জনপ্রিয় করেনি, বানিয়েছেন ভারতের সেরা ধনী গায়কেরও একজন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ সংগীতশিল্পীর বিচ্ছেদের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি কত টাকার মালিক এমন প্রশ্ন ঘুরছে সামাজিকমাধ্যমে। 

    এ কারণে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডিএনএ’ গায়কের সম্পত্তির বিবরণের একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। বুধবার (২০ নভেম্বর) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ক্যারিয়ারে সাফল্য অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে এ আর রহমান গড়েছেন অঢেল সম্পদ। 

    ‘ডিএনএ’ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ আর রহমানের মূল সম্পত্তি প্রায় ১৭২৮-২০০০ কোটি রুপি। বিশাল পরিমাণ এ অর্থ আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে এ আর রহমানের বিজ্ঞাপন, কনসার্ট ও সিনেমায় গান করাকে।

    বর্তমানে একটি গান গাইতে এ আর রহমান ৩ কোটি এবং সিনেমার গান কম্পোজ করতে ১০ কোটি টাকা নেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হয়েও প্রচুর অর্থ আয় করছেন তিনি।

    যেহেতু বলিউডের বিয়ে আর বিচ্ছেদ মানেই কোটি কোটি টাকার হিসাব। তাই এ আর রহমান ভক্তরা প্রিয় গায়কের বিচ্ছেদের হিসাব কষতে বসেছেন। বিচ্ছেদের পর এ আর রহমান থেকে তার স্ত্রী সায়রা বানু কত টাকা পাবেন, তা নিয়েও মিডিয়ায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। 

    এদিকে সায়রা বানু ও এ আর রহমানের বিচ্ছেদের বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ পেলেও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি, ঠিক কত টাকায় তাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি আদালতে মিমাংসিত হয়েছে। তবে সে অর্থ যে কোটি কোটি টাকার বিশাল অংকেরই হবে তা এখনই আন্দাজ করে ফেলেছেন ভক্ত ও নেটিজেনরা।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) হঠাৎই এ আর রহমান ও সায়রা বানু মিডিয়ায় প্রকাশ করেন তাদের বিচ্ছেদের খবরটি। দীর্ঘ ২৯ বছরের দাম্পত্য ভেঙে যাওয়ার কারণ হিসেবে তারা জানান, অগাধ প্রেমের অভাব নয়, মানসিক চাপ ও নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব তৈরি হওয়াতেই তারা বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেক কেটে ডিভোর্স উদযাপন তরুণীর, ভিডিও ভাইরাল

    দাম্পত্য জীবন সবার জন্য সুখের হয় না। কারো কাছে প্রিয় মানুষটিই এক সময় হয়ে উঠে বিষাক্ত। যেতে হয় বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে। তৈরি হয় দূরত্ব। সেই দূরত্ব থেকে একটা সময় আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন কেউ কেউ। বেছে নেন ডিভোর্স।

    তবে সেই ডিভোর্স উদযাপন করতে দেখা যায় না খুব একটা। এবার ডিভোর্স উদযাপন করে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন পাকিস্তানের এক তরুণী। যেই ভিডিও আবার সামাজিক যোগযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয়েছে। যা ব্যাপক সারা ফেলেছে সামাজিক মধ্যমে। হচ্ছে পক্ষে বিপক্ষে নানা আলোচনা।

    ভিডিওতে দেখা যায় তরুণী তার বন্ধুদের উপস্থিতিতে ‘হ্যাপি ডিভোর্স’ লেবেলযুক্ত একটি কেক কাটছেন। শুধু কেক-ই নয় নিজের বিয়ের ওড়না ও ছবি ছিঁড়ে ফেলতে দেখা গেছে তাকে। এ সময় বেশ খুশি ছিলেন তিনি। যা অনেকেই ভালোভাবে নিচ্ছেন না। বিয়ের মতো একটা পবিত্র সম্পর্ক নিয়ে এভাবে মজা করাকে অন্যায় হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

    তাদের যুক্তি বিবাহের সমাপ্তি যদি বেদনাদায়ক হয় তবুও এটি ফ্যাশন বিবৃতি হিসাবে বিবেচনা করা উচিত নয়। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘যদিও এটি একটি ভুল সম্পর্ক ছিল, বিবাহবিচ্ছেদ উদযাপন করা বিয়ের পবিত্রতাকে অসম্মান করে।’

    অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘একটি বিবাহবিচ্ছেদ নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই একটি বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা এবং নিন্দা করা উচিত, উদযাপন নয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সামান্থার সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য, সতর্ক করলেন নাগা

    বলিউড অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু ও অভিনেতা নাগা চৈতন্য দীর্ঘ চার বছর সংসার করার পর বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। আর তাদের এ বিচ্ছেদের মূল কারণ ছিল— সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন। 

    এদিকে তেলেঙ্গানার বন ও পরিবেশমন্ত্রী কোনডা সুরেখা দাবি করেছেন— সামান্থা ও নাগার বিচ্ছেদের পেছনে রয়েছে এক সুগভীর রাজনৈতিক চক্রান্ত। এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা নাগা চৈতন্য। রাজনীতিবিদকে তার মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন এ অভিনেতা। 

    এদিকে অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুও সুরেখার উদ্দেশে বলেছেন— তিনি যেন একজন নারী হিসেবে অন্য কোনো নারীর সম্মানহানি না করেন। 

    অবশেষে সামান্থার সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিলেন নাগা চৈতন্য। তিনি সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন— বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক এবং দুর্ভাগ্যজনক একটি সিদ্ধান্ত, যা একজনকে নিতে হয়। অনেক চিন্তাভাবনার পর, আমি এবং আমার সাবেক স্ত্রীর বিচ্ছেদের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আলোচনার ভিত্তিতে। তবে এ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ভিত্তিহীন এবং সম্পূর্ণ হাস্যকর গসিপ তৈরি হয়েছে। আমি আমার পূর্বের স্ত্রীর এবং সেইসঙ্গে আমার পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার কারণে এই সমস্ত কিছু নিয়ে নীরব রয়েছি। আজ মন্ত্রী কোনডা সুরেখা গেরুর যে দাবি করা হয়েছে তা কেবল মিথ্যাই নয়, এটি একেবারেই হাস্যকর এবং অগ্রহণযোগ্য। নারীরা সমর্থন ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য। মিডিয়ার শিরোনামের জন্য সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্তের সুবিধা নেওয়া এবং শোষণ করা লজ্জাজনক।

    সম্প্রতি তেলেঙ্গানার বন ও পরিবেশমন্ত্রী কোনডা সুরেখা দাবি করেছেন— সামান্থা ও নাগার বিচ্ছেদের পেছনে রয়েছে এক সুগভীর রাজনৈতিক চক্রান্ত। 

    মন্ত্রী আরও বলেন, এই চক্রান্তের পেছনে হাত ছিল তৎকালীন মন্ত্রী কেটি রামা রাওয়ের। এক রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যেই এমনটি দাবি করেন কোনডা সুরেখা।

    বনমন্ত্রী বলেন, কেটি রামা রাওয়ের জন্যই সামান্থার বিচ্ছেদ হয়েছে। উনি তৎকালীন সময়ে মন্ত্রী ছিলেন। বিভিন্ন অভিনেত্রীর ফোনে আড়িপাতা তার কাজ ছিল। সেই আড়ি পেতে অভিনেত্রীদের হাঁড়ির খবর খুঁজে বের করতেন তিনি। এরপর সেই গোপন তথ্য পাওয়ার পর অভিনেত্রীদের ব্ল্যাকমেইল করতেন! অভিনেত্রীদের মাদকের নেশা ধরাতে একপ্রকার বাধ্য করতেন। যে কারণে সংসার জীবনে বিচ্ছেদের পথে হাঁটা ছাড়া তাদের আর কোনো গতি থাকত না। এ কথা সবাই জানেন। সামান্থা জানে, নাগা চৈতন্য জানে, তাদের বাড়ির লোক জানে বলে জানান কোনডা সুরেখা।

    তেলেঙ্গানার বনমন্ত্রীর মুখে এ কথা শুনে ঝড় উঠেছে সামাজিকমাধ্যমে। নেটিজেনদের তীব্র নিন্দার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কোনডা সুরেখাকে। তেলেঙ্গানার বনমন্ত্রীকে নিন্দা জানিয়ে পালটা জবাব দিয়েছেন খোদ সামান্থা নিজেও।

    সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন এ অভিনেত্রী। সামান্থা পরিষ্কার ভাষায় জানিয়েছেন— তার ব্যক্তিগত জীবনকে যেন রাজনীতির আখড়ায় না টানা হয়।

    এ অভিনেত্রী আরও বলেন, আমার বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা অত্যন্ত ব্যক্তিগত। এ বিষয়টি সম্পর্কে কোনো রকম মন্তব্য করা থেকে দয়া করে দূরে থাকুন। ব্যক্তিগত বিষয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলি না মানে এই নয়— সে বিষয়ে যা তা যে কেউ বলতে পারবেন। 

    তিনি বলেন, আমি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে চাই— এই বিচ্ছেদ ছিল দুটি মানুষের যৌথ ভাবনার ফসল। এর সঙ্গে কোনো রকম রাজনীতি জড়িয়ে নেই।

    এরপর মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সামান্থা বলেন, ‘আর কোনডা সুরেখা একটা কথা বলি— আপনি নিশ্চয়ই জানেন, একজন রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে আপনার কোনো বক্তব্য অথবা মন্তব্য সমাজে কতটা ছাপ ফেলতে পারে। এ অভিনেত্রী বলেন, আপনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই— অন্যদের ব্যক্তিগত বিষয় ও জীবনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। অন্যদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে একটু দায়িত্বশীল হন।

    যদিও ইতোমধ্যে নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন বনমন্ত্রী কোনডা সুরেখা। তিনি বলেছেন, ‘আমার উদ্দেশ্য ছিল একজন নেতা কীভাবে নারীর প্রতি অবজ্ঞা করছে, তা বোঝানো। কিন্তু আপনার অনুভূতিতে আঘাত করা নয়, সামান্থা। আপনি যেভাবে নিজের দ্বারা দ্রুতগতিতে বেড়ে উঠেছেন, তার আমি প্রশংসা করি। যদি আপনি বা আপনার ভক্তরা আমার কথায় আঘাত পেয়ে থাকেন, আমি নিঃশর্তভাবে তা প্রত্যাহার করছি। দয়া করে অন্যথায় নেবেন না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিভোর্সের সমালোচনার মাঝেই অভিষেকের নতুন সিদ্ধান্ত

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ডিভোর্সের বিষয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে আলোচনা তুঙ্গে। যদিও সবটাই জল্পনা বলে শোনা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত নিজেদের বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে এ তারকা দম্পতির কেউ-ই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। অথচ ডিভোর্স জল্পনার মাঝেই বাড়ি কিনলেন অভিষেক বচ্চন।

    বলিউড শাহেনশাহ বাবা অমিতাভ বচ্চনের বাংলো ‘জলসা’র পাশেই নাকি নতুন বাড়ি কিনেছেন অভিষেক। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই সবার মনে একটিই প্রশ্ন—সংসারে অশান্তির মধ্যে নতুন বাড়ি কী করে কিনতে পারেন অভিষেক। তবে সেই প্রশ্নের কোনো উত্তরও দেননি এ অভিনেতা। 

    এর আগে তাদের ডিভোর্স জল্পনা আরও জোরালো হয়। কারণ তারা দুজনেই হাত থেকে বিয়ের আংটি খুলে ফেলেছেন। তা দেখে আরও বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে। জানা গেছে, এই সম্পত্তির কারণেই বচ্চন পরিবারের অন্দরে ভাঙন ধরেছে।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অভিষেক-ঐশ্বরিয়া দম্পতির ভাঙনের গুঞ্জন। তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা।

    যদিও এখনও পর্যন্ত বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি তারকা দম্পতির কেউই। শোনা যাচ্ছে সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়েই প্রাথমিক ভাবে মতপার্থক্য দেখা দেয় বচ্চন পরিবারে। যা নাকি মোড় নিয়েছে বিচ্ছেদের দিকে। যদিও সবটাই এখনও জল্পনা কেউ কোনও বিবৃতি দেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের এক বছর, যা বললেন পরীমনি

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। ভালোবেসে বিয়ে করেন চিত্রনায়ক শরিফুল রাজকে। দুই বছর যেতে না যেতে পরীমনি ডিভোর্স দিয়েছেন রাজকে। তাদের মধ্যকার বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রাজকে ডিভোর্স লেটার দেন অভিনেত্রী। তারপর আলাদা হয়ে যান এবং নিজেদের মতো করে জীবন শুরু করেন তারা।

    এই দুই বছরের বিবাহিত জীবনে একাধিকবার দাম্পত্যকলহের বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। তবে পৃথক সময় সেসব নিয়ে তারা কেউ কথা না বললেও গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলাদা হয়ে যান এই জুটি।

    এদিকে রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের সময় অভিনেতার সন্তান পূণ্যের মা পরীমনি। বিচ্ছেদের পর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে নিজের মতো করে জীবন শুরু করেন। মা-বাবা উভয়ের দায়িত্ব পালন করা শুরু করেন। আবার চলতি বছরের মে মাসেই একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন অভিনেত্রী। সবমিলে দুই সন্তানের সঙ্গে দারুণ সময় কাটছে তার।

    এ অবস্থায় বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পূর্ণ হয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমনির। এ কারণে অবশ্য নিজেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে বের হওয়ায় শুকরিয়াও আদায় করেছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করে পরীমণি লিখেছেন, ‘আজ এখন যখন আমি আমার দিকে দেখি, আমি দেখতে পাই একজন পরিপূর্ণ সুখী মানুষকে। এই জীবনে কষ্ট থাকুক। সেটা কেবল বড় হওয়ার কষ্ট। আমি সেই কষ্টটা আনন্দ নিয়েই করতে চাই। কিন্তু অন্যের ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট পেতে দেব না আর নিজেকে আমি। এই তো কেমন হাসতে খেলতে ওদের নিয়ে জীবন উদযাপন করছি।’

    এরপর দুই সন্তানকে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমার মানিকজোড়, একদিন আমরা সত্যি ওই আকাশ ছোঁব দেখিস।’

    অভিনেতা রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘আজ থেকে এক বছর আগে আমার জীবনের সেই ভুল মানুষকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এক বুক হাহাকার, হতাশা আর বুকের মধ্যে জাপটে ধরে ছিল আমার ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটা। কিন্তু দেখ, আজ আমরা একটু একটু করে নিজেদের মতো ভালো থাকতে শিখে গেছি। আজ আর সেই ভুল মানুষের কোনো অস্তিত্ব নেই আমাদের কারো জীবনে। না সেটা আমার বা আমার ছেলের।’

    সবশেষ এ অভিনেত্রী বিচ্ছেদের জন্য শুকরিয়া আদায় করে নিজেকে শুভেচ্ছা জানান এবং লেখেন, ‘শুকরিয়া। আমারা ভালো আছি। হ্যাপি ডিভোর্স অ্যানিভার্সারি পরী!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিভোর্সি বলে হেনস্তা করা যাবে?

    পান থেকে চুন খসলেই স্লেজিংয়ের শিকার হন ভারতীয় বাংলার সিনেমার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার।

    rnrn

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মধুমিতা বলেছেন, ঠিক কোন কাজটা করা উচিত, তিনি বুঝে উঠে পারছেন না। যাই করছেন, তাতেই সমালোচনার শিকার হচ্ছেন। 

    rnrn

    মধুমিতা বলেন, আমি এখন ইংরেজিতে কথা বলছি। যেটা দেখে লোকে বলবে, ‘দিদি বাংলায় কথা বলতে অসুবিধা হয়?’ আবার স্পষ্ট বাংলায় কথা বললে অবাঙালি বন্ধুরা অভিযোগ করবেন, তারা কিছু বুঝতেই পারছেন না। শাড়ি পরে ছবি দিলে বলবে, ‘সারা দিন ছোট পোশাক পরে এখন আবার শাড়ি পরেছে!’

    rnrn

    মধুমিতার অভিযোগ, ‘এত কথা বলছি দেখে বলা হবে, আমি নাটক করছি। আবার ধীরে কথা বললে বলা হবে, ন্যাকামি করছি।’

    rnrn

    মধুমিতা বলেন, ‘পুজা করলেও বলা হবে নাটক করছি। আমাদের মহিলাদের সব সময় কটাক্ষ করা হবে।’

    rnrn

    বিধবা নারীদের প্রসঙ্গ টেনে মধুমিতা বলেন, কাল যদি আমাকে কেউ হেনস্থা করে, তাহলে লোকে বলবে, ‘আরে ও তো বিধবা, একা থাকে।’ ডিভোর্সি আর একা থাকি বলে আমাকে হেনস্থা করার ছাড়পত্র পাওয়া যাবে?

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেনিফারের সঙ্গে ডিভোর্সের আনন্দে পার্টি দেবেন বেন

    দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর ঘর বাঁধেন হলিউড তারকা দম্পতি জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেকের। কিন্তু তাদের সেই সংসারও ভেঙে যাচ্ছে। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন বেন-জেনিফার।

    যত দিন যাচ্ছে তাদের গুঞ্জন বিচ্ছেদের যেন আরও ডানা মেলছে। এবার জানা গেল, জেনিফারের সঙ্গে বিচ্ছেদের আনন্দে নাকি জমকালো পার্টি দেবেন বেন। এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মারকা এ তথ্য জানিয়েছে। 

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্পর্কের বেড়াজাল থেকে বের হয়ে আসতে চাইছেন বেন। বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই তিনি পার্টি দেবেন। 

    আরও বলা হয়েছে, ‘নিজেকে নিয়েই ফের আনন্দে থাকতে চান বেন। তাই জর্জিয়ায় নিজের বাড়িতে একটি বড় পার্টির আয়োজন করবেন তিনি। সেখানে তার কাছের বন্ধুরা থাকবেন। মজার ব্যাপার হলো, ওই বাড়িতেই জেনিফারের সঙ্গে তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়েছিল।’

    যদিও অন্য একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, জর্জিয়া নয়, লাস ভেগাসে পার্টি দেবেন বেন। তবে যেখানেই দেন না কেন, বিষয়টি জেনিফারের জন্য পীড়াদায়ক। ২০২২ সালের ১৬ জুলাই বিয়ে করেছিলেন বেন-জেনিফার। ঘনিষ্ঠ সূত্রে তাদের বিচ্ছেদের কথা বারবার গণমাধ্যমে এলেও বিষয়টি নিয়ে তারা স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ-পরীমনির ডিভোর্স নিয়ে যে তথ্য দিলেন কাজী

    দাম্পত্য কলহের কারণে ভেঙে গেছে ঢাকাই সিনেমার তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনির সংসার। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    এর দুদিন পর ২০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে আসে তাদের বিচ্ছেদের খবর। এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বললেও ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে রাজকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানান পরী।

    এদিকে রাজের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়েছে। তাতে ডিভোর্স দেওয়ার চারটি কারণ উল্লেখ করেছেন পরীমনি। কারণগুলো হচ্ছে―মনের অমিল হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজ না নেওয়া এবং মানসিক অশান্তি।

    আরও পড়ুন:

    রাজকে পরীমনির ডিভোর্স দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলেছেন কাজী আবু সাইদ। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর আমাদের সঙ্গে পরীমনির পক্ষের মানুষ যোগাযোগ করেন। লেটারে উল্লিখিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর তার আইনজীবীর গুলশান অফিসে ডিভোর্স হয়। সেখানে আমার সহকারী আলী আশরাফও ছিলেন। আর পর দিন উত্তর বাড্ডার আলীর মোড়ের সাঁতারকুল রোডে আমার অফিস থেকে রেজিস্ট্রি করা হয় ডিভোর্স লেটার। তার পর ওই দিনই দুপুর ১২টার দিকে রাজের গ্রামের বাড়ির ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়।

    কাজী আরও বলেন, নিয়মানুযায়ী তিন মাস পর পর চিঠি পাঠানো হবে। রাজ যদি চিঠি গ্রহণ না করেন, তা হলে ৯০ দিন পর ডিভোর্স হয়ে যাবে তাদের। আর যদি তিন মাসের মধ্যে তারা সব মিটিয়ে ফেলেন, তা হলে ফের সংসার করতে পারবেন।

    কাজী আবু সাইদ বলেন, ডিভোর্সের খবর জানতেন না রাজ। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর নজরে আসে তার। বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজের ভাই পরিচয়ে একজন আমার অফিসে এসেছিলেন। তিনি কাবিননামার কপি ও ডিভোর্স সংক্রান্ত ডকুমেন্টস নিয়ে গেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের ডিভোর্স পার্টিতে নাচলেন রাখি

    পরিচয়ের তিন মাসের মাথায় আদিল ডুরানিকে বিয়ে করেন বলিউড অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত। গত বছরের জুলাই মাসে দুবাইয়ে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। সেই সময় এতটাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যে আদিলকে বিয়ে করার জন্য তিনি ধর্মান্তরিতও হন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন রাখি। নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন রাখি সাওয়ান্ত ফাতিমা। 

    rnrn

    কিন্তু বছর না ঘুরতেই রাখির করা মামলায় জেল খাটছেন আদিল! এর মধ্যে নিজেদের ডিভোর্স উদযাপন করেন অভিনেত্রী। রাখি সাওয়ান্তের এমন কাণ্ড দেখে একজন লিখেছেন- সে হতাশাগ্রস্ত। আবার অনেকে রাখিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    rnrn

    রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন বলিউডের বিতর্কিত অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত। তার পরনে লাল রঙের লেহেঙ্গা। মাথায় টিকলি, গলায় নেকলেস। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে রাখি বলেন- আমার ডিভোর্স হয়েছে। এটা আমার ব্রেকআপ পার্টি। এ কথা শেষ করেই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ঢোল বাদকদের বলেন ‘স্টার্ট’। তারপর নাচতে থাকেন এই অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করা বেশ কয়েকটি ভিডিওতে এ দৃশ্য দেখা যায়। ভাইরাল হয়েছে এসব ভিডিও।

    rnrn

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা থানায় স্বামী আদিলের বিরুদ্ধে ৪০৬, ৪২০ আইপিসি ধারায় মামলা করেন রাখি সাওয়ান্ত। তারপর পুলিশ আদিলের বিরুদ্ধে আইপিসি ধারা ৪৯৮ (এ), ৩৭৭ যুক্ত করেন। বিকৃত যৌনাচার, শারীরিক নির্যাতন, পরকীয়া, অর্থ-গহনা চুরি এবং পণ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রাখি। 

    rnrn

    পুলিশের তথ্যানুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে পরিচয় আদিল ও রাখির। এরপর একসঙ্গে একটি বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলেন দুজনে। নতুন গাড়ি কেনার জন্য ২০২২ সালের জুন মাসে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি তুলে নেন আদিল।

    বিনোদন ডেস্ক