Tag: গায়ক

  • যে কারণে গায়ককে অজু করতে বলেছিলেন এআর রহমান

    অস্কার বিজয়ী ভারতীয় সুরকার এআর রহমানের জন্মদিন আজ। আলোড়নকারী সুর তৈরিতে অতুলনীয় প্রতিভার প্রমাণ দিয়ে এসেছেন তিনি। তার জনপ্রিয় গানগুলোর একটি ‘কুন ফাইয়া কুন’। রণবীর কাপুর অভিনীত বলিউড সিনেমা ‘রকস্টার’-এর গান এটি। কবি ও গীতিকার ইরশাদ কামিলের লেখা এ গানে কণ্ঠ দেন জাভেদ আলী, এআর রহমান, মোহিত চৌহান ও নিজামি ব্রাদার্স।

    rnrn

    সম্প্রতি মিউজিক পডকাস্টে গানটির রেকর্ডিং অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন গায়ক জাভেদ আলী। জানিয়েছেন, অন্যান্য গানের মতোই ‘কুন ফাইয়া কুন’ গাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন তিনি। কিন্তু গানটি যে একটি প্রার্থনা, তাকে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছিলেন  এআর রহমান। তাই গান রেকর্ডিংয়ের আগে তাকে অজু করতে বলেন এআর রহমান, এরপর মাথায় টুপি পরে গানটি গান জাভেদ আলী।

    rnrn

    সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে জাভেদ আলী বলেন, আমার মনে আছে, আমি পাশেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ‘কুন ফাইয়া কুন’ গাইছিলাম আর রেকর্ডিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এআর রহমান তখন আমাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি অজু করেছেন? অনুগ্রহ করে প্রথমে এটি করুন।’ আমিও আন্তরিকভাবে তা-ই করেছি। এমনকি অজু করার পর টুপিও পরতে হয়েছিল, তখনই গানটি আমরা রেকর্ড করি।

    rnrn

    গানটি রেকর্ডিংয়ের পুরো সময়ে স্টুডিও ছিল ‘ব্ল্যাকআউট’, অর্থাৎ অন্ধকার করে রাখা হয়েছিল। শুধু একটি মোমবাতি জ্বলছিল। জাভেদ বলেন, পুরো স্টুডিও তখন অন্ধকার, আমাদের কাছে শুধু মোমবাতির আলো ছিল। ইরশাদ সাহেব (গীতিকার), এআর রহমান স্যার ও আমি—তিনজন মিলে গানটি রেকর্ড করেছি। মনে হয়েছিল, আমরা সবাই প্রার্থনা করছি এবং লোকেরা যখন গানটি শোনেন, তখনো এটি অনুভব করতে পারেন। এমনকি এখন যখন গানটি মঞ্চে পরিবেশন করি, তখনো আমি আমার মাথা ঢেকে রাখি।

    rnrn

    এআর রহমানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে জাভেদ আলী বলেন, তিনি শিল্পীদের অনেক স্বাধীনতা দেন। যদি কোনো গানে আমি যুক্ত থাকি, তিনি সত্যিই এটিকে সম্মান করেন। আমি তার কাছ থেকে অনেক কৌশল শিখেছি। তার আশপাশে একটা ঐশ্বরিক শক্তি আছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন গায়ক

    গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই এবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৩০ বছর বয়সি গায়ক পেড্রো হেনরিক। ব্রাজিলিয়ান গসপেল গায়ক পেড্রো হেনরিক ব্রাজিলের ফেইরা দে সান্তানা শহরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পারফরম করছিলেন। 

    rnrn

    এর আগে কলকাতার নজরুল মঞ্চে ২০২২ সালে পারফরম করার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে নির্মম মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ ওরফে কেকে। ঠিক একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হলো আবার! 

    rnrn

    আমেরিকার ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৩০ বছর বয়সি এই গায়ক ব্রাজিলের ফেইরা দে সান্তানা শহরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পারফরম করছিলেন। যেখানে তাকে মঞ্চের একপ্রান্তে তার ‘ভাই সের তাও লিন্ডো’ নামের গানটি আবেগের সঙ্গে ভিড় করা দর্শকদের সামনে গাইতে দেখা যায়।

    rnrn

    একপর্যায়ে পেড্রো তার মাইক্রোফোনটি দর্শকদের সামনে ধরে গান গাইতে অনুরোধ করেন। তবে যখন তিনি মাইকটি ফের মুখের কাছে নিয়ে আসেন, তখন হঠাৎ করেই নিজের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এ সময় তিনি পেছনে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

    rnrn

    চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে এই গায়কের।

    rnrn

    প্রয়াত হেনরিক তার স্ত্রী সুইলান ব্যারেটো ও দুই মাস বয়সি কন্যা জোকে রেখে গেছেন। তার শেষকৃত্য হবে গায়কের জন্মস্থান পোর্তো সেগুরো শহরে। তবে তিনি সাও পাওলোর গুয়ারুলহোসে বসবাস করতেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তৈলমর্দন’ ছাড়া পুরস্কার পাওয়া যায় না: কুমার শানু

    ভারতীয় সিনেমার সফল গায়ক কুমার শানু। তার শয়ে শয়ে কালজয়ী গান এখনও শ্রোতা-দর্শকদের মুখে মুখে। কিন্তু আজও তিনি জাতীয় সম্মাননা পাননি। এ নিয়ে আক্ষেপ রয়েছে কুমার শানুর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে শানু বলেন, তেল দেওয়ার ক্ষমতা না থাকলে এ সম্মাননা পাওয়া যায় না। 

    অথচ ‘কিং অব মেলোডি’ বাঙালি এই কণ্ঠশিল্পী একসময় দাপিয়ে কাজ করেছেন বলিউডে। নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক তিনি। তার কালজয়ী, নন্দিত গানের তালিকা বেশ লম্বা। তিনি পেয়েছেন অনেক সম্মাননা। কিন্তু তার হাতে কখনো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার উঠেনি। অবশ্য এ নিয়ে আক্ষেপ নেই কুমার শানুর, এসব নিয়ে ভাবেনও না। 

    আক্ষেপের প্রসঙ্গ উঠতেই ক্ষোভ ঝাড়লেন কুমার শানু। তিনি বলেন, হয়তো আমার জাতীয় পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল। আমার পদ্মভূষণও পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমি এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। খারাপ তো লাগেই, কষ্ট হয়। তবে আমি এটাও বুঝি যে তৈলমর্দনের ক্ষমতা না থাকলে এসব সম্মান পাওয়া যায় না।

    কুমার শানু আরও বলেন, তেল না দিতে পারলে আপনি পুরস্কার পাবেন না। আপনার যদি তোষামোদ করার গুণ না থাকে, তাহলে আপনি এটা পাবেন না। আমি এখন বুঝি, এমনকি মানুষও বোঝে। কেউ তখনই পুরস্কার পায়, যখন তার নাগাল উচ্চমহল পর্যন্ত যায়। স্বাভাবিকভাবে এই পুরস্কার পাওয়া বেশ কঠিন।’

    কিছুটা আক্ষেপের সুরেই কিংবদন্তি এই গায়ক বলেন, আমি কখনো এসবে মনোযোগ দিইনি। কে কী করছে, তাতে আমার যায় আসে না। সরকার যখন মনে করবে আমাকে পুরস্কার দেওয়া দরকার, তখন দেবে। তারা যদি না দেয়, আমার কী করার আছে?’

    কুমার শানু হিন্দি ছাড়াও গান গেয়েছেন বহু ভাষায়। টানা পাঁচবার ফিল্মফেয়ারে শ্রেষ্ঠ গায়কের পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড তার দখলে। ২০০৯ সালে তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করে ভারত সরকার। তবে সেই পুরস্কারপ্রাপ্তির পর ১৪ বছর কেটে গেলেও আজও কুমার শানুর হাতে ওঠেনি জাতীয় পুরস্কার।

    আগস্টের শেষে ঘোষণা করা হয়েছে চলতি বছরের ভারতীয় জাতীয় পুরস্কারজয়ীদের তালিকা। ৬৯ তম জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে সেরা প্লেব্যাক গায়কের সম্মান পেয়েছেন কাল ভৈরব। ‘আরআরআর’ সিনেমার ‘নাটু নাটু’ গানটি গেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, সেরা প্লেব্যাক গায়িকার সম্মান পেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার মায়ের দোয়া নিয়ে ফিরলেন নোবেল

    গানের মাধ্যমে খ্যাতি লাভ করলেও বিভিন্ন সময় নানা উদ্ভট ও বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য প্রায় সময়ই আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন বাংলাদেশের মাইনুল আহসান নোবেল। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। 

    rnrn

    এবার নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন এ গায়ক। শুক্রবার ‘কলিজা’ শিরোনামে একটি গান প্রকাশ হয়েছে তার।

    rnrn

    গানটির কথা লিখেছেন এইচএম নিপু ও সুর করেছেন মিশকাত। রানা আকন্দের সংগীতায়োজনে এর মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার পলক। এতে মডেল হয়েছেন আসিফ আহমেদ খান এবং সুমাইয়া আক্তার সুমি। চ্যানেল এইচএম ইউটিউব চ্যানেলের ব্যানারে প্রকাশ হয়েছে গানটি।

    rnrn

    এদিকে নতুন এ গান প্রসঙ্গে গায়ক নোবেল জানিয়েছেন, মাঝে সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছিল। কলিজা গানটি শোনার পর আমার কাছে মনে হয়েছে যে, শ্রোতারা এমন একটি গান আমার কণ্ঠে শোনার জন্য অপেক্ষা করছে। এ কারণে মায়ের দোয়া নিয়ে গানটি করার ইচ্ছা পোষণ করি।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, গানটি সম্পন্ন হওয়ার পর যখন শুনি, তখন নিজেই নিজের গানের ভক্ত হয়ে যাই। আশা করি আমার সব শ্রোতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছেও ভালো লাগবে গানটি।

    rnrn

    এর আগে নোবেল অনেকবার সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, আর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না; কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ওয়াদা রক্ষা করতে পারেননি। তাদের সংসারে এগুলো নিয়েই কলহ লেগেই থাকত। এগুলোর কারণেই একপর্যায়ে তাদের সংসার টিকেনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর আগে নোটে যা লিখেছিলেন জনপ্রিয় কোরিয়ান গায়ক

    কোরিয়ান জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী চোই সুং-বং মারা গেছেন। তবে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি তার। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, স্বেচ্ছায় মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন এই গায়ক। তার বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর।

    rnrn

    দ্য কোরিয়া টাইমসের বরাতে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪১ মিনিটে দক্ষিণ সিউলের ইওকসাম-ডং জেলায় নিজ বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় চোইকে।

    rnrn

    পুলিশের ধারণা, চোই সুং-বং স্বেচ্ছায় মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি একটি নোট রেখেছেন। যেখানে আত্মহননের ইঙ্গিত রয়েছে। নোটে লেখা— আমার ভুলের জন্য যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

    rnrn

    চোই সুং-বং ২০১১ সালে কোরিয়ার গট ট্যালেন্ট রিয়েলিটি শোয়ে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। এর পর নিজের সুরের মাধ্যমে গান পরিবেশন করে খ্যাতি পেয়েছিলেন তিনি। এ গায়ক কোরিয়ান লেবেল বং বং কোম্পানির সঙ্গে সংগীত করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • জায়েদা খাতুনের বিজয়, যা বললেন গায়ক আসিফ

    প্রথম গানে মানুষের মন জয় করেন শিল্পী আসিফ আকবার। গানের জনপ্রিয়তায় তার অবস্থান এখনো অটুট। গানের পাশাপাশি সব সময় সামাজিকমাধ্যমে দেখা যায় এ শিল্পীকে। প্রায় সময় তার বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দিতে দেখা যায়। এবার গাজীপুরের মেয়র নির্বাচন নিয়ে কথা বলেছেন এ শিল্পী।

    শুক্রবার ভোরে তিনি সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের মা জায়েদা খাতুনকে নিয়ে তার নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।

    তিনি লিখেছেন, মজলুমের সব বিজয় সবসময় দিকনির্দেশনার চিহ্ন রেখে যায়। মজলুম প্রতিবাদী না হলে নিজের চরিত্র হারিয়ে ফেলে। একজন মায়ের বিজয় হয়েছে, আর এভাবেই ইতিহাসগুলো নতুনভাবে রচিত হয়।

    তিনি আরও লেখেন, অভিনন্দন গাজীপুরের নবনির্বাচিত নগরমাতা শ্রদ্ধেয় মিসেস জায়েদা খাতুন, আপনি একজন কাচকাটা হীরা, গাজীপুরের আম্মাজান।

    সবশেষে আসিফ লেখেন, আপনার সুস্বাস্থ্য আর দীর্ঘায়ু কামনা করি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করেছেন গায়ক ইমরান

    বিয়ে করেছেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। ঘরোয়া পরিবেশে পারিবারিকভাবেই বিয়ের পর্ব সেরেছেন বলে সামাজিকমাধ্যমে নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    rnrn

    বুধবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে গায়ক লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বিয়ে মানুষের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ থেকে (২৪ মে) আমি ও আমার স্ত্রী মেহের আয়াত জেরিন আমাদের জীবনের নতুন এই অধ্যায় শুরু করলাম।’

    rnrn

    ঘরোয়া আয়োজনে পারিবারিকভাবেই বিয়ে সেরেছেন জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘পারিবারিকভাবেই আমাদের এই বিয়ের আয়োজন। তাই ছোট পরিসরে অনেকটা ঘরোয়া পরিবেশেই বিয়েটা হলো। তবে আমার বড় আপু ও বড় দুলাভাই নভেম্বর মাসে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসার পর আমার প্রিয় সব মানুষদের নিয়ে আমাদের বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান করা হবে, ইনশাআল্লাহ।’

    rnrn

    পরিশেষে নতুন এই পথচলায় সবার দোয়া চেয়ে ইমরান লেখেন, ‘আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমরা যেন একে অপরের পাশে থেকে নিজেদের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে চলতে পারি জীবনের বাকিটা পথ।’

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার শাকিব খানকে নিয়ে যা বললেন গায়ক আসিফ

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের আলোচনা যে থামছে না— কখনো অপু বিশ্বাসকে আবার কখনো বুবলীকে নিয়ে। তাদের অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। এবার শাকিব খানকে নিয়ে কথা বললেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবার।

    বুধবার সকালে গায়ক তার সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এসব কথা বলেন।

    আসিফ আকবার বলেন, দেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের ক্যারিশমা দেখেই আসছি ২০ বছর ধরে। আমাদের ক্যারিয়ার প্রায় একই সময়ে শুরু। প্লে-ব্যাক আর্টিস্ট হিসেবে তার লিপে বেশ কিছু গান গাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে। দুজনার দেখা-সাক্ষাৎ কম হলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটা সমসময়ই ছিল। এখনো মাঝে মাঝে কথা হয়, তিনি উচ্ছ্বাস নিয়েই সবসময় কথা বলেন, আমার ভালো লাগে।

    তিনি বলেন, তারকাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা ফ্যান্টাসি সবসময়ই কাজ করে। এটা নতুন কোনো চর্চা নয়, বরং রঙিন দুনিয়ার খবরাখবরের শেল্টার নিয়ে এক ধরনের পরচর্চায় অনেকে নিজের অন্ধকার জগতকে নিমিষে গুম করে ফেলেন। বিখ্যাতদের ব্যক্তিগত বিষয়গুলোই আলোচনা-সমালোচনায় থাকবে— এটিই স্বাভাবিক। জৌলুশপূর্ণ ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্টির চোখ রাঙানি সত্ত্বেও শাকিব খান আজও একাই সিনেমা হলে দর্শক টেনে চলেছেন। আর এ জন্যই তিনি কিং খান। 

    তিনি আরও বলেন, যশ-খ্যাতি ওপরওয়ালার দান, মানুষ শুধুই উপভোগ করতে পারেন। একজন শাকিব খানের সিনেমা ব্যবসা করলে লাখো মানুষের পরিবার চলে, ইন্ডাস্ট্রি অক্সিজেন পায়। এ দেশে মানুষের বিনোদনের সুযোগ এমনিতেই সীমিত। সোশ্যাল মিডিয়ার এলেবেলে দূরন্তপনায় ভালোমন্দ সবই ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত, সেগুলো স্থায়িত্বও পায় সিজনাল জামের মতো। আঁতেলদের তির্যক পর্যবেক্ষণ পায়ে দলে বাংলা সিনেমার প্রাণ শাকিব খানই। এখনো শাকিব খানের লিপে গান দিতে পারলে গায়করা ক্যারিয়ারের পালে বাতাস পায়, নায়িকারা ব্রেক পায়, প্রযোজকরা লগ্নি ফেরত পাওয়ার ভরসা রাখেন, পরিচালকরা ভালো সিনেমা বানানোর স্বপ্ন দেখেন। 

    আসিফ বলেন, দিনশেষে তারকাদের মূল্যায়ন তার পেশাদারিত্বেই নিহিত থাকে, শোবিজের গালগপ্পো ক্ষুদ্রতম অংশ মাত্র। এ রকম একজন শাকিব খানকে বিভিন্ন প্রকার মিডিয়া বিভ্রাটে ফেলে সর্বোচ্চ আহত করা যাবে, নিঃশেষ করা অসম্ভব। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, শাকিব খান এখনো দেশের সেরা নায়ক, তার যে কোনো বিকল্প ভাবা বিনা বিনিয়োগে জাস্ট টাইম পাস করা। গায়ক হিসেবে আমি শাকিব খানের একজন সহকর্মী মাত্র। আমি চাই, তিনি বাংলাদেশের আনপ্যারালাল নায়ক হিসেবে মৃতপ্রায় ইন্ডাস্ট্রিকে টেনে নিয়ে যান ক্রমোন্নতির দিকে। সবসময় শুভকামনা প্রিয় ব্রাদার শাকিব খান। ভালোবাসা অবিরাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেসব বিতর্কিত কাণ্ডে জড়িয়েছেন গায়ক নোবেল

    কলকাতার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ থেকে উত্থান হয় সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। অতি অল্প সময়ে দুই বাংলার সুপারস্টার হয়ে উঠেন তিনি। নোবেলের যেন এখান থেকেই শুরু হলো অধঃপতন। অল্প সময়ে জন্ম দিয়েছেন একের পর এক বিতর্ক। কটূ মন্তব্য থেকে শুরু প্রতারণার অভিযোগ, তার গুণের যেন শেষ নেই। 

    শনিবার নোবেল গ্রেফতার হলেন পুলিশের হাতে। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নোবেলের পুরনো থেকে নতুন সব বিতর্ক প্রকাশ পাচ্ছে।

    ২০১৯ সালে নোবেল প্রথম বিতর্কে জড়ালেন তাকে ‘সারেগামাপা’-তে তৃতীয় ঘোষণা করার পর। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোবেলভক্তদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। ভক্তদের পক্ষে এমন আচরণ খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। প্রিয় মানুষকে নিয়ে তারা এমন করবেন, সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু যখন নোবেল স্বয়ং এ বিষয়ে মুখ খুললেন, তখনই শুরু হলো আসল বিতর্ক। যে বিচারকরা একসময় তার চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে সত্যিই আশাবাদী ছিলেন, জিততে না পেরে সেই বিচারকদেরই একহাত নিয়েছিলেন এ সংগীতশিল্পী।

    এর পর প্রকাশ্যে আসে আরও এক বিতর্কের ঘটনা। ‘সারেগামাপা’ চলাকালীন এক বিচারককে নাকি নোবেল বলেছিলেন— আমার গান বিচার করার ক্ষমতা আপনার নেই। 

    এ ঘটনার পর নাকি বেশ কিছু দিন জি বাংলা চ্যানেল কর্তৃপক্ষ নোবেলকে সাসপেন্ড করে রেখেছিল। অভিযোগ ওঠে, শুধু বিচারকদের সঙ্গেই নয়, ওই শোর অন্যান্য প্রতিযোগীর সঙ্গেও নোবেল নাক উঁচু ভাব নিয়ে চলতেন। কাউকেই বিশেষ একটা পাত্তা দিতেন না। এমনকি এও বলেছিলেন, বাংলাদেশের কোনো শিল্পীকেই তার যথাযোগ্য মনে হয় না।

    এমনকি তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন। একটি টিভি চ্যানেলে লাইভ সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় নোবেল জাতীয় সংগীত নিয়ে যা বলেছিলেন, তার পর গোটা দেশ তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল। নোবেল বলেছিলেন, আমি রবীন্দ্রনাথের লেখায় নয়, প্রিন্স মাহমুদের লেখায় আমার দেশকে বেশি ভালোভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে বলে মনে করি। কারণ এই গানটির সঙ্গেই বাংলাদেশের আসল আবেগ জড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলার মানুষের সঙ্গে এই গানের আত্মিক যোগ অনেক বেশি। এমনকি জেমসের ‘বাংলাদেশ’ গানটি জাতীয় সংগীত করা উচিত বলেই আমি মনে করি।

    নোবেলের ওই সাক্ষাৎকার দেখে গোটা দেশ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এর পর থেকেই সে দেশের সংগীত জগতে ক্রমশ তলিয়ে যেতে শুরু করেন নোবেল।

    তার পরও বিতর্কিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেননি নোবেল। যখনই তার কোনো গান মুক্তি পেয়েছে, ঠিক তার আগে কোনো না কোনো বিষয়ে মুখ খুলে নতুন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। নিন্দকরা বলেন, আসলে উনি এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবেই করেন। এটা গান মুক্তির আগে নেগেটিভ পাবলিসিটি। তবে নোবেল নিজের আবার একাধিকবার দাবি করেছেন যে, এগুলো তিনি নিজে বলেননি। তার ফেসবুক পেজ হ্যাক হওয়ার কারণেই এমনটি হয়েছিল। যদিও নোবেলের বারংবার এমন আচরণের কারণে কমবেশি ২৫টি গান বাতিল করে দিয়েছিল বাংলাদেশের এক রেকর্ডিং কোম্পানি। এমনকি বহু সিনেমা থেকেও বাদ গেছে তার গান।

    সম্প্রতি এই গায়ক ফের বিতর্কে জড়িয়েছিলেন এক কলেজের অনুষ্ঠানে। একেবারে মত্ত হয়ে স্টেজে উঠেছিলেন তিনি। তার পর গান গাওয়ার বদলে মাইক হাতে নিয়ে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন দর্শকদের সামনে। এর পরই ক্ষুব্ধ শ্রোতারা নোবেলের দিকে জুতা, জল ছুড়ে মারে। সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জোর বিতর্ক ছড়ায় দেশে। এর পরই তার সাবেক স্ত্রী সালসাবিল নোবেলের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ আনেন। শুধু তাই নয়, এই মাদকের ব্যবসায় বাংলাদেশের বহু ক্ষমতাশালী ব্যক্তি জড়িত বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। নেশা না ছাড়ার কারণেই সম্প্রতি তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন সালসাবিল।

    অবশেষে শনিবার নোবেলকে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করলাম ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। দিন দুয়েক আগে মতিঝিল থানায় করা প্রতারণা মামলায় তাকে হাজতে ঢুকিয়েছে পুলিশ।

    এ মুহূর্তে জেলবন্দি নোবেল। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের শিল্পী মহলও মুখে কুলুপ এঁটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রতিবাদ নেই নোবেলভক্তদের। কেউ কেউ বলছেন, এমনটিই হওয়ার ছিল। কিন্তু কেন?

    তাদের দাবি, নোবেল খ্যাতি পেয়েছিলেন হঠাৎ করেই। কিন্তু তাতেই ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শুরু করেছিলেন। অগ্রজ শিল্পীদের অপমান, কাছের মানুষদের সঙ্গে নোংরা ব্যবহার। সর্বোপরি নিজের সংগীত, নিজের সাধনাকে যথোপযুক্ত সম্মান না দেওয়া— সব মিলিয়ে নোবেলের এই পরিণতি যেন খুবই স্বাভাবিক ছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ‘কাঁচাবাদাম’খ্যাত গানের সেই গায়ক

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আশীর্বাদে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে জায়গা করে নেন ভুবন বাদ্যকর। বর্তমান জনপ্রিয়তা হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন এই ‘কাঁচাবাদাম’খ্যাত গানের গায়ক।

    ভারতের বীরভূমের দুবরাজপুরের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর কাঁচাবাদামে গান গেয়ে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

    ‘কাঁচাবাদাম’ গানটি দিয়ে যার বদলৌতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ভাইরাল হয়েছিলেন, সেই ইউটিউবারকেই একটা সময় চিনতে পারতেন না তিনি। ছিল ছয়-ছয়জন অ্যাসিস্ট্যান্ট। যারা ফোন ধরতেন ভুবন বাদ্যকারের।

    মাঝে অভিযোগ করেছিলেন চক্রান্তের শিকার হয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েন এ শিল্পী। একটি শর্টফিল্মে অভিনয় করে বেশ ভালোই রোজগার করেন। তবে তা সাময়িক। এখন নেই আগের মতো জনপ্রিয়তা। রাতারাতি কোথায় হারিয়ে গেলেন তিনি।

    খোঁজ নিতেই ভুবন বাদ্যকর স্বীকার করেন— তিনি ভুল করেছিলেন। নিজের ভেতরে অহংকার বাসা বেঁধেছিল। এখন আর কোনো অ্যাসিস্ট্যান্টও নেই।  

    কয়েক মাস আগে প্রতারিত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ভুবন। সেই সময় তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, গোপাল নামে এক ব্যক্তি তাকে তিন লাখ রুপি দিয়ে বলেন— তাদের চ্যানেলে ওই গান চালাবেন তিনি। এর পর কপি রাইটের বেড়াজালে পড়ে এই গানটি গাওয়া তো দূরে থাক, এখন কোনো গানে বাদাম শব্দই উচ্চারণ করতে পারেন না তিনি!

    ভুবন এও জানান, তার কাছে যে কপিরাইট কিনে নেওয়া হচ্ছে তা তিনি বুঝতে পারেননি। কথা বলতে গিয়ে কেঁদেও ফেলেন তিনি। এমনকি এও জানান, গোপাল নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করেন ভুবন।

    এখন সব ছেড়ে ঘর ভাড়া করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। কিন্তু ফিরতে চান মানুষের মাঝে। আবারও সবার মনে জায়গা করতে মরিয়া। নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি নানা প্রান্ত থেকে টাকা পাচ্ছেন। অথচ একটা সময় সেই সব তথ্য অস্বীকার করেন তিনি। জানান তাকে নাকি কেউ কিছুই দেয়নি।

    এই ইউটিউবারের সামনে সত্যি স্বীকার করে জানালেন, বেশ মোটা টাকাই পেয়েছিলেন তিনি ভক্তদের কাছ থেকে। যদিও আজ তার কিছুই নেই।

    সূত্র: টিভি নাইন।

    বিনোদন ডেস্ক