Tag: কনকচাপা

  • হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখে যা জানালেন কনকচাঁপা

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে না পারলেও তার সাক্ষাৎ হয়েছে তার সার্বক্ষণিক সহযোগী ফাতেমার সঙ্গে। ফাতেমা তাকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করছেন এবং আগের দিনের তুলনায় তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়া দু-একবার চোখ খুলে তাকাচ্ছেন। 

    কনকচাঁপা বলেন, আমরা সারা দেশের মানুষ তার সুস্থতার জন্য দোয়া করছি। বিশ্বাস করি, এত মানুষের মধ্যে কারো না কারো দোয়া অবশ্যই আল্লাহ কবুল করবেন। তিনি আরও প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন যেকোনো উপায়ে খালেদা জিয়াকে আরাম ও সুস্থ জীবন দান করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমেও কনকচাঁপা তার অনুভূতি শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ম্যাডামের ভালো থাকার স্বার্থেই হাসপাতালে ভিড় করা ঠিক না-এ কথা মনে রেখে দোয়া করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মন আর মানলো না। নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে তার কক্ষের সামনে পর্যন্ত গেলাম।

    হাসপাতালে তার দেখা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুল রহমান শিমুল বিশ্বাস, উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, ডা. জুবাইদা রহমানের বড় বোন শাহিনা খান জামান বিন্দু, ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নানসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে। তাদের কাছ থেকেও তিনি খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সুমধুর কণ্ঠ, যেন বেহেশত থেকে আসছে’

    দেশবরেণ্য সংগীতজ্ঞ, শিল্পী, সুরকার, সংগ্রাহক, গবেষক ও লেখক মুস্তাফা জামান আব্বাসীর প্রয়াণে দেশের সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন অঙ্গনের সংস্কৃতিকর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন। তার মৃত্যুসংবাদের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে শোক জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা।

    সেই পোস্টে কনকচাঁপা লিখেছেন—বিটিভিতে আজানের জবাবে তার কণ্ঠ শুনতাম আর ভাবতাম—সুমধুর কণ্ঠ। এ কণ্ঠ যেন বেহেশত থেকে আসছে। তিনি বলেন, তাদের দুই কন্যা সামিরা ও শারমিনী দুজনের সঙ্গেই অন্তরঙ্গ সম্পর্ক আমার। কদিন আগে তাদের মা বিদুষী আসমা আব্বাসীজিও চলে গেলেন। আমি তাদের পুরো শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই। আল্লাহ যেন তাদের এ শোক সইবার শক্তি দেন।

    এ কণ্ঠশিল্পী বলেন, আমাদের মুস্তাফা জামান আব্বাসী উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত আপাদমস্তক একজন শিল্পী, যিনি কিনা কুরআন মজিদের বাংলা অনুবাদসহ নবীজির (স.) জীবনী ও আরও অনেক জ্ঞানগর্ভ বই লিখেছেন। বাংলাদেশের গানের ইতিহাস লিখতেন।

    কনকচাঁপা বলেন, আমাদের দেশের অমূল্য রতন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এ ব্যক্তিত্ব আজ (১০ মে) সকালে ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৮ বছর। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গন, সাহিত্যাঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। সংগীতচর্চার পাশাপাশি তিনি গবেষক ও লেখক হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছিলেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের স্থায়ী বাসিন্দা করে নেওয়ার অনুগ্রহ করুন।

    মুস্তাফা জামান আব্বাসী উপমহাদেশের খ্যাতিমান সংগীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তার বাবা আব্বাসউদ্দীন আহমদ ছিলেন পল্লিগীতির সম্রাট। বাংলার পল্লিসংগীতকে মুস্তাফা জামান আব্বাসীই প্রথম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তার চাচা আবদুল করিম ছিলেন পল্লিগীতি ও ভাওয়াইয়া-ভাটিয়ালির জনপ্রিয় শিল্পী। তার বড় ভাই মোস্তফা কামাল ছিলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি গত ১০ বছর হলো মারা গেছেন। তার ছোট বোন ফেরদৌসী রহমান দেশের অন্যতম খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী। তার স্ত্রী আসমা আব্বাসী একজন শিক্ষক ও লেখিকা ছিলেন। তিনি গত বছর মারা গেছেন।

    উল্লেখ্য, মুস্তাফা জামান আব্বাসী ১৯৩৬ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারতের কোচবিহারের বলরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতায় তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ, এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর হার্ভার্ড গ্রুপ থেকে মার্কেটিং বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। এ শিল্পী বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। 

    তার লেখা উল্লেখযোগ্য কিছু বইয়ের মধ্যে হচ্ছে—‘রুমির অলৌকিক বাগান’, উপন্যাস ‘হরিণাক্ষি’, স্মৃতিকথা ‘স্বপ্নরা থাকে স্বপ্নের ওধারে’, ‘লোকসংগীতের ইতিহাস’, ‘ভাটির দ্যাশের ভাটিয়ালি’। দেশীয় সংগীত ও সংস্কৃতিতে অনন্য অবদান রাখার জন্য একুশে পদকসহ দেশে-বিদেশে তিনি অনেক সম্মাননা ও পুরস্কার লাভ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে কনকচাঁপার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ শাবনূর

    ঢাকাই সিনেমার নায়িকা শাবনূরের জুড়ি নেই। তার দর্শকপ্রিয় সব সিনেমাগুলো যেন মনজুড়ানো গানের সম্ভার। এর মধ্যে— ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’, ‘আমার নাকেরই ফুল বলে রে’, ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, ‘ভালোবাসা থাকো তুমি দূরে’, ‘কিছু কিছু মানুষের জীবনে’ প্রভৃতি গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    পর্দায় শাবনূরের ঠোঁটে চিত্রায়িত এই গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। দারুণ সব গান উপহার দেওয়ার জন্য কনকচাঁপার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ শাবনূর। 

    বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) কনকচাঁপার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে তার প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর। তাতে শাবনূর লিখেছেন, ‘জন্মদিনের শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা কনকচাঁপা আপু। আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তোমার বিশাল অবদান রয়েছে। আমি তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আল্লাহপাকের কাছে তোমার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।’

    ১৯৬৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জন্ম নেন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। চলচ্চিত্র, আধুনিক গান, নজরুল সংগীত, লোকগীতিসহ প্রায় সব ধরনের গানে সমান পারদর্শী এই সংগীতশিল্পী ১৯৭৮ সালে সর্বপ্রথম টিভিতে পারফর্ম করেন।

    একই বছর শিশুশিল্পী হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। টানা ৩ বছর জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন এই শিল্পী।

    প্রায় ৪০ বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে সমানতালে কাজ করে যাওয়া এই গায়িকা এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্রে তিন হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কনকচাঁপা। প্লে-ব্যাকের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তার একাধিক একক ও যৌথ গানের অ্যালবাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রন্ধনশিল্পী হয়ে আসছেন কনকচাঁপা

    খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। গানের পাশাপাশি এ শিল্পীর রয়েছে একাধিক প্রতিভা। তিনি কবিতা, প্রবন্ধও লিখেন। এবার তার আরেকটি পরিচয় পাওয়া গেছে। 

    rnrn

    জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী এবার রন্ধনশিল্পী হিসেবে দর্শকদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছেন। ফেসবুকে তার নিজস্ব ভ্যারেফিাইড পেইজে ‘পাক ঘর’ নামে একটি অনুষ্ঠান শুরু করেছেন তিনি। এরইমধ্যে সেটি জমেও উঠেছে। 

    rnrn

    কনকচাঁপা বলেন, এখন থেকে নিয়মিত রান্না করব। সেই রান্নাগুলো ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করবো। সেটা ফেসবুকে আমার পেইজের দর্শক ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করবো। শুধু নিজের রান্না দেখানোর জন্য নয়, আমার উদ্দেশ্য খুব সাদামাটা কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কীভাবে সহজ জীবনযাপন করা যায়। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমি প্রধানত উত্তরবঙ্গের রান্নাই করি। তবে সারা বাংলাদেশের দেশীয় মশলা সম্পর্কে সম্যক ধারণা আমার আছে। তাদের সঙ্গেও আমি পরিচয় করিয়ে দেব। 

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, কর্মজীবন শেষ হলেও বাকি কর্মশক্তি ব্যবহার করে নিরলস জীবনকে নতুনভাবে কর্মচঞ্চল অবস্থায় ফেরানো যায় এটাও বুঝানো আমার উদ্দেশ্য। আমার ভিডিওগুলো আপাতত আনাড়ি হাতেই হচ্ছে। ধীরে ধীরে শিখে যাবো। 

    rnrn

    আশা করি এতদিন আপনারা যেভাবে সঙ্গে ছিলেন সেভাবেই আপনাদের সঙ্গে পাবো। সবার জন্য অনেক শুভকামনা রইলো। আমার নতুন চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। আশা করছি ভালো কিছুই পাবেন। 

    rnrn

    এদিকে মাঝে মাঝে এ শিল্পী স্টেজ শোও করেন। সামনে তার নতুন গান আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক