Tag: কনকচাপা

  • ক্যারিয়ার নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার স্বীকৃতি চান সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা

    নারী সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। শনিবার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নয়াপল্টনে ফরম নেন তিনি। এ সময় মনোনয়নপ্রত্যাশী দলীয় নেত্রীদের তোপের মুখে পড়েন এ সংগীতশিল্পী। 

    যদিও এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন কনকচাঁপা। সেই সময় দল তাকে মনোনীত করেনি। তবে এবার নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এই প্রেক্ষাপটে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না জানালেও রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এ সংগীতশিল্পী।

    সেই পোস্টে কনকচাঁপা লিখেছেন— বছরজুড়ে নিজের দলের ভেতরের বাধাবিপত্তি পেরিয়ে নিরলস কাজ করেছি। কিন্তু কোনো কারণে দল আমাকে মনোনীত করেনি। তা আমি কষ্ট পেলেও মেনে নিয়েছি। সে জন্য কে কী ভাবল তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। 

    তিনি আরও বলেন, দলের প্রতি আমার আনুগত্য শতভাগ। কিন্তু অযথা অন্যায়ভাবে মিথ্যাচার করে মানুষের কাছে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার হীনপ্রচেষ্টা বস্তুতই দুরভিসন্ধি। আমার মনে হয়, যারা জাতীয় নির্বাচনে চায়নি যে, আমি নমিনেশন পাই, তারা এখনো সেই অপচেষ্টায় লিপ্ত আছেন।

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, বিগত সরকারের আমলে আমরা নেতাকর্মীরা নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছি, কেউ জেল খেটেছে, কেউ মামলা খেয়েছে। আর আমি? আমি মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে গেছি। একজন শিল্পী গাইতে না পারলে তার কী বাকি থাকে বলুন? 

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে কোথাও কোনো গান গাইতে পারিনি। আমি নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ফুল ও লতাপাতার ছবি আঁকা, আমার পরিবার ও রান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করেছি। আমি সবার ক্ষতিকেই ক্ষতি হিসেবে দেখি, তাদের এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করি, কিন্তু আমার এই যে ক্যারিয়ার হারানো, নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার কোনো স্বীকৃতি কি আমি পেতে পারি না?

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০১৩ সালে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করা প্রসঙ্গে কনকচাঁপা বলেন,  আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩ সালে আমাকে রাজনীতিতে আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। তখন তিনি মহিলা সংরক্ষিত আসনের বদলে সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কথা বলেছিলেন এবং যেটা আমার জন্য খুবই কঠিন কাজ ছিল। তবু আমি তার কথা বেদবাক্য হিসেবে মেনে নিয়ে কাজ শুরু করি। 

    তিনি বলেন, যার ফলে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে এক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পাই। বলা বাহুল্য, সেই যাত্রা সহজ ছিল না। ছিল বিপৎসংকুল এবং আমার জন্য দুরূহ। আমি এবং আমার আল্লাহ জানেন— আমার সীমিত ক্ষমতা দিয়ে এই লড়াই চালানোর চেষ্টা করে গেছি। আমি একজন রাজনৈতিক মনের মানুষ, কিন্তু আমি রাজনীতিবিদ নই। যার জন্য পুরো কাজই আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল এবং নেত্রীর আদেশ আমি পালন করেছি।

    কনকচাঁপা বলেন, দলের যে কারও অধিকার আছে মনোনয়ন চাওয়ার। যে কেউ নিজেকে যোগ্য মনে করারও অধিকার রাখে। আবার দলের নীতিনির্ধারকদেরও বিধান আছে যাচাই-বাছাই করে সঠিক মানুষকে বেছে নেওয়ার। 

    তিনি বলেন, অতএব মনোনয়ন ফরম কেনার দুয়ার সবার জন্য খোলা বলাই বাহুল্য। যাই হোক আমার সঙ্গে করা অনেক অন্যায়ের বিচারের ভার আমি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিলাম। কিন্তু এর ফলে দলের যদি কোনো ইমেজ ক্ষুণ্ণ হয় তা খুবই দুঃখজনক।

    এ সংগীতশিল্পীর বক্তব্যেই বোঝা যায়, দলের ভেতরেই একটি অংশ তার মনোনয়নপ্রাপ্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন—এমন ধারণা তার মধ্যে কাজ করছে।

    এদিকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে আসা উপস্থিত ত্যাগী ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নারীনেত্রীদের একাংশ তার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।  মনোনয়নপ্রত্যাশী বগুড়া জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের নির্বাহী সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা বিএনপির কে? তিনি কি দল করেছে? যারা আন্দোলনে ছিল, ১৭ বছর আমরা দলের জন্য খেটেছি, তাদের মূল্যায়ন কোথায়?’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     তিনি আরও বলেন, বগুড়ার রাজপথে, ঢাকার রাজপথে ছিলাম। ১৭ বার জেলে গেছি। নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ মামলা খেয়েছি। কনকচাঁপা এতদিন কোথায় ছিলেন? আমাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে কেন? আমরা সুবিধাবাদীদের দেখতে চাই না বলে জানান বিএনপির কেন্দ্রীয় মহিলা দলের এ নির্বাহী সদস্য।

    জেরিন রনি বলেন, কনকচাঁপা কয়টা মামলা খেয়েছেন? কয়টা আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন? যারা রাজপথে লড়াই করেছেন, আমরা তাদেরই মনোনয়ন চাই।

    এ সময় আরও কয়েকজন নেত্রী একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দলে দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগ স্বীকার করা নেত্রীদের উপেক্ষা করে হঠাৎ করে আগত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হলে তা দলীয় কাঠামো ও কর্মীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    বিজনেস ডেস্ক

  • সুখবর দিলেন কনকচাঁপা

    ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন দেশের নন্দিত সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। সুখবরটি হলো- তার ফেসবুক পেজে ফলোয়ার সংখ্যা ৪ মিলিয়ন অতিক্রম করেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা লেখেন।

    পোস্টে তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ আজ আমার পেজে ৪ মিলিয়ন ফলোয়ার পূর্ণ হলো। পেজে ৪ মিলিয়ন ফলোয়ার পূর্তিতে সবাইকে জানাই আমার ভালোবাসা।

    তিনি একটি ভিডিও বার্তাও শেয়ার করেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আজকে আমার খুবই আনন্দের দিন। আমার “কনকচাঁপা” অফিসিয়াল পেজটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালের অক্টোবরে। এটি খুলে দিয়েছিল আমার অনলাইন স্কুলের ছাত্র রাশেদিন ফয়সাল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তিনি আমাদের মাঝে নেই। তাকে গভীরভাবে স্মরণ করছি।

    তিনি বলেন, আমার পেজের যারা অ্যাডমিন, তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ আমার পেজের ফলোয়ার হয়েছে চার মিলিয়ন। এটি খুবই আনন্দের ও বিস্ময়কর ব্যাপার। কারণ আমি কখনই আমার কোনো কিছু বুস্ট করিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাঘ-সিংহ নয়, পৃথিবীতে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ: কনকচাঁপা

    বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি। 

    শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা। 

    সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।

    পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি। 

    এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সংরক্ষিত নারী আসনের ফরম সংগ্রহে নেত্রীদের তোপের মুখে কনকচাঁপা, যা বললেন গায়িকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য শনিবার সকাল থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নয়াপল্টনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিড় ছিল। এ সময় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে এসে দলীয় নেত্রীদের তোপের মুখে পড়েন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। 

    এর মধ্যেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে আসা উপস্থিত ত্যাগী ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নারীনেত্রীদের একাংশ তার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থেকেও হঠাৎ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী হওয়া সুবিধাবাদিতার শামিল বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। 

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত মনোনয়নপ্রত্যাশী বগুড়া জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের নির্বাহী সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা বিএনপির কে? তিনি কি দল করেছে? যারা আন্দোলনে ছিল, ১৭ বছর আমরা দলের জন্য খেটেছি, তাদের মূল্যায়ন কোথায়?’

     তিনি বলেন, বগুড়ার রাজপথে, ঢাকার রাজপথে ছিলাম। ১৭ বার জেলে গেছি। নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ মামলা খেয়েছি। কনকচাঁপা এতদিন কোথায় ছিলেন? আমাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে কেন? আমরা সুবিধাবাদীদের দেখতে চাই না বলে জানান বিএনপির কেন্দ্রীয় মহিলা দলের এ নির্বাহী সদস্য।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জেরিন রনি বলেন, কনকচাঁপা কয়টা মামলা খেয়েছেন? কয়টা আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন? যারা রাজপথে লড়াই করেছেন, আমরা তাদেরই মনোনয়ন চাই।

    এ সময় আরও কয়েকজন নেত্রী একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দলে দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগ স্বীকার করা নেত্রীদের উপেক্ষা করে হঠাৎ করে আগত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হলে তা দলীয় কাঠামো ও কর্মীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে এসে দলীয় নেত্রীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এসব প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত কনকচাঁপা তার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আজীবন সম্মাননা পেলেন কনক চাঁপা

    আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নন্দিত কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা। বগুড়ার পাঁচতারা হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট মমো ইন-এর উন্মুক্ত মাঠে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ২০তম টিএমএসএস চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড। জাঁকজমকপূর্ণ এ আয়োজনে তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

    মঞ্চে তার নাম ঘোষণা করেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমি। অতিথিদের উপস্থিতিতে কনক চাঁপাকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা স্মারক এবং চেক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

    এছাড়া বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া। তার নাম ঘোষণা করেন অভিনেতা-নির্মাতা আফজাল হোসেন।

    আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে কনক চাঁপা বলেন, ‘এ সময়ে এসেই আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তিতে আমার অনুভূতিটা আসলে মিশ্র। হঠাৎ করে মনে হলো যে, জীবনটা কি তাহলে শেষের পথে? ১৯৮৪ সালে সংগীতে আমার পেশাদার জীবন শুরু হয়। সে হিসাবে ৪২ বছরের পেশাদার সংগীতজীবন। চ্যানেল আই থেকে যখন আমাকে আজীবন সম্মাননার কথা বলা হলো, তখন একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম, এখনো তো আমার গান গাওয়ার দিন শেষ হয়নি। হতে পারে যে, আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ গানটি আমি সামনে গাইব।

    আসলে শিল্পীর জীবনে অতৃপ্তি যেমন থাকে, তেমনি যে কোনো প্রাপ্তি আনন্দের কারণ হয়। আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তির মানে নিশ্চয়ই শিল্পী হিসেবে অবদান রাখতে পেরেছি বাংলা গানের জগতে। সত্যিই ভালো লাগছে। ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সবাইকে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তরা ছাড়াও দর্শকদের মন জয় করেন তানভীর আলম সজীব ও তার দল, মেহরীন, মাহতিম সাকিব, মো. খুরশীদ আলম, বাপ্পি, লিজা, সাব্বির, লুইপা, শওকত হায়াত খান, ইমরান, কোনাল, অনন্যা, বিউটি, সালমা, আতিয়া আনিসা, শফিক তুহিন, ঝিলিক, কিশোর এবং অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও অভিনেতা আদর আজাদ।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে দুই কিংবদন্তি রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিন গান গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে কনকচাঁপার আবেগঘন বার্তা

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও দোয়া জানিয়ে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। 

    স্ট্যাটাসে কনকচাঁপা লেখেন, আল্লাহ আপনাকে ও আমাদেরকে সম্মানিত করলেন। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো পুরো পৃথিবী আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আপনার মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশকে সুরক্ষিত, আনন্দিত, সুখী, সমৃদ্ধ রাখুন। আমীন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। নির্বাচনের পর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবাই যেন সমান অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে: কনকচাঁপা

    উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই ভোটপ্রদান কার্যক্রম চলে। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি শোবিজ তারকাদেরও ভোটের এই মহোৎসবে শামিল হতে দেখা যায়। 

    নিজ নিজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তারা। এ তালিকায় আছেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা নিজের প্রত্যাশা নিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়ে এলাম। আমাদের চাওয়াও তো সেটাই। আমরা যেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি। যে সরকারই আসুক, তারা যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে। এর বেশি চাওয়া আমাদের নেই।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভোটের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এই দেশে যারা বসবাস করেন, তারা যেন স্বাধীনভাবে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের কাজ করতে পারেন। কেউ চাকরি করলে নিশ্চিন্তে চাকরি করতে পারবেন, ব্যবসায়ী তার ব্যবসা নির্বিঘ্নে চালাতে পারবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন সমান অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে।’ 

    কনকচাঁপা ছাড়াও অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, রবি চৌধুরী, কুদ্দুস বয়াতি, নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি সহ শোবিজ অঙ্গনের আরও অনেক তারকাকে ভোট দিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে দেখা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে কনকচাঁপার স্মৃতিমাখা পোস্ট

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিনকে কেন্দ্র করে এক পুরোনো স্মৃাতি রোমন্থন করলেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শিল্পী তার স্কুল জীবনের একটি স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। পোস্টে একটি ছবিও শেয়ার করেন তিনি, যেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সামনে হারমোনিয়াম বাজিয়ে তাকে গান গাইতে দেখা যায়। 

    আশির দশকের সেই সাদাকালো ছবিতে দেখা যায়, স্কুলপড়ুয়া কনকচাঁপা হারমোনিয়াম হাতে গান গাইছিলেন। আর সেই গান শুনছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। 

    ফেসবুক পোস্টে কনকচাঁপা লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা, সফল রাষ্ট্রনায়ক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এই মহান নেতা আমাদের স্কুল মাদারটেক আব্দুল আজিজ উচ্চবিদ্যালয় পরিদর্শনে এসেছিলেন। আমি আমার স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে গাইছিলাম কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী শ্রদ্ধেয় শাহনাজ রহমতুল্লাহ আপার সেই গান- ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলা আমার মরণ বাংলাদেশ’। হারমোনিয়াম নিয়ে দাঁড়ানো মেয়েটিই আমি। এটা ৮০ সালের ছবি। ছবি আমার ব্যক্তিগত অ্যালবাম থেকে নেওয়া।’ 

    কণ্ঠশিল্পীর এই পোস্টটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের বেশ নজর কেড়েছে। ব্যবহারকারীদের অনেকেই পোস্টটি নিয়ে তাদের ভালো লাগার বিষয়টি পোস্টের কমেন্ট বক্সে জানান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধীরে ধীরে তাকে শেষ করে দেওয়ার কঠিন চেষ্টা হয়েছে: কনকচাঁপা

    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট করেছেন সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, খালেদা জিয়াকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেওয়ার কঠিন চেষ্টা হয়েছে।

    সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা তার পোস্টে লিখেছেন, ‘এই জীবন বয়ে বেড়ানো অসম্ভব রকম কঠিন, যা আমরা ভাবতেই পারি না’। খালেদা জিয়াকে নিয়ে তার এই উপলব্ধি। 

    তিনি তার পোস্ট শুরু করেন, ‘চলে গেলেন স্মরণকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আপসহীন অবিসংবাদিত নেতা, মানবতার মা বেগম খালেদা জিয়া’ বলে। এরপর তিনি লেখেন, ‘বারবার, বারবার তার নামের সাথে উচ্চারিত হয় ‘আপসহীন’, নিশ্চয়ই আমরা তার মানে জানি, কিন্তু অনুধাবন করি কজন! তার জীবনে তিনি অন্যায়, মিথ্যাচার, স্বৈরাচার কারও সাথে নিজ স্বার্থ, স্বাচ্ছন্দ্য, সম্ভোগের জন্য আপস করেন নাই। দেশের মানুষের মায়ায় তিনি সংসার, সন্তান, আরাম-আয়েশি বিলাসী জীবন কিছুর তোয়াক্কা করেন নাই।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘এই কথা লেখা যেমন সহজ পড়াও সহজ; কিন্তু এই জীবন বয়ে বেড়ানো অসম্ভব রকম কঠিন, যা আমরা ভাবতেই পারি না।’

    খালেদা জিয়ার মামলায় জর্জরিত হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে কনকচাঁপার পোস্টে। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণও তুলে ধরেন তিনি।

    কনকচাঁপা বলেন, বড়ই আফসোস হয় একটা ডাহা মিথ্যা মামলায় তিনি তার জীবন সুন্দরভাবে শেষ করতে পারলেন না। সত্যিকার অর্থে সেখান থেকেই তার অসুস্থতা শুরু হয়েছে। বলা যায় ধীরে ধীরে তাকে শেষ করে দেয়ার কঠিন চেষ্টা চালানো হয়েছে। আর আমরা অসহায় হয়ে চেয়ে থেকেছি।

    ‘সেই পুরাতন, প্রাক্তন ভাঙা জেলখানায় তার দিন কেটেছে তা ভেবে কত রাত আমার নির্ঘুম হয়ে যেত! কত রকম ভয় ছিলো সেই একাকী জেলজীবনে সেগুলো ভেবে হঠাৎ রাতে ঘুম ভেঙে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠত ,অথচ তিনি থাকতেন নির্ভার! এজন্যই তাকে বলতে চাই অকুতোভয় জীবন যোদ্ধা, মৃত্যুঞ্জয়ী মহামানব।’

    খালেদা জিয়ার সংগ্রামময় জীবন নিয়ে কনকচাঁপা বলেন, ‘তার স্পষ্ট উচ্চারণ ছিলো জীবনে যা কিছু হয়ে যাক এই দেশ এই দেশের মানুষ ছেড়ে আমি কোথাও যাবো না। দেশপ্রেম এর উৎকৃষ্ট উদাহরন তিনি, তিনিই প্রকৃত রাজনীতিবিদ এবং খাঁটি একজন দেশনেতা। আমাদের দুঃখ রাখার জায়গা নেই যে আমরা তাকে সঠিক মর্যাদা দিতে পারিনি।’

    ‘আমি কায়মনোবাক্যে দোয়া করি আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের স্থায়ী বাসিন্দা করে নেয়ার অনুগ্রহ করবেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার এই শোক সইবার শক্তি অর্জন করুক।’

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর ছয়টায় মারা যান খালেদা জিয়া। ওই হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন ৪০ দিন ধরে। আজ তাকে তার স্বামী ও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনোনয়ন পেলেন সেলিম রেজা, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললেন কনকচাঁপা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে ৩৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। আসন্ন এ নির্বাচন ঘিরে মনোনয়নের দৌড়ে ছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপাও। গত মাসে প্রার্থীর নাম ঘোষণার সময় তার নির্বাচনি এলাকা সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর ও সদর) আসনটি খালি রাখা হয়েছিল। তবে এবার এ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। 

    বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সিরাজগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী হিসেবে সেলিম রেজার নাম ঘোষণা করেন। 

    এদিকে, নতুন করে ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে কনকচাঁপা লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’। যদিও এমনটা লেখার পেছনে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি তিনি। 

    কনকচাঁপা সংগীতের পাশাপাশি বিএনপির রাজনীতিতেও বেশ সক্রিয়। সিরাজগঞ্জ–১ আসনে দ্বিতীয়বার লড়বেন, এমনটাই শোনা গিয়েছিল। ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতনের পর সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরবও হন এই সংগীতশিল্পী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সিরাজগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন কনকচাঁপা, তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাধায় কনকচাঁপা নির্বাচনি প্রচার চালাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত এলাকায় যেতে না পেরে তিনি পার্শ্ববর্তী জেলা বগুড়ায় সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। 

    কনকচাঁপা বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জাসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন