জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এর কুখ্যাত চরিত্র ‘গাস ফ্রিং’ খ্যাত প্রখ্যাত হলিউড অভিনেতা জিয়ানকার্লো এস্পোসিতো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।
বর্তমানে একটি বড় বাজেটের সিনেমার নির্মাণকাজে সৌদি আরবে অবস্থানকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিম হন বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখ এই তথ্যটি প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে স্থানীয় সংস্কৃতি এবং মুসলিম সহকর্মীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সময় কাটানোর পর এস্পোসিতো ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামের মূল স্তম্ভ ‘শাহাদা’ (কালেমা) পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন।
ইসলাম গ্রহণের পর এস্পোসিতো তার শুটিং ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গে একটি মসজিদে গিয়ে নামাজেও অংশ নেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এই ৬৬ বছর বয়সি অভিনেতা তার সহকর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত বিনম্রভাবে সারিবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করছেন। ভিডিওটি অনলাইনে প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
তুর্কি আল-শেখের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের সামগ্রিক পরিবেশ, স্থানীয় জনগণের চমৎকার আতিথেয়তা এবং ভাতৃত্ববোধ এস্পোসিতোর এই ব্যক্তিগত ও আধ্যাত্মিক সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা পালন করেছে। শুটিং সেটের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, জিয়ানকার্লো এস্পোসিতো বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ‘ব্রেকিং ব্যাড’ এবং এর প্রিক্যুয়েল ‘বেটার কল সল’ সিরিজে ড্রাগ লর্ড গাস ফ্রিং চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এছাড়া তিনি ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’ সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় হলিউড সিনেমা ও সিরিজে অভিনয় করে বৈশ্বিক খ্যাতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান বিনোদন জগতের অন্যতম বড় প্রজেক্ট ‘৭ ডগস’ নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই সিনেমার কাজ চলাকালীনই তিনি তার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন।
ব্রিটিশ র্যাপার ওকলি নীল সিজার-সু, যিনি মিউজিক সিনে ‘সেন্ট্রাল সি’ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি এই র্যাপার জানিয়েছেন, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ‘স্প্রিন্টার’ খ্যাত এই তারকা ইসলাম গ্রহণের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আখিল’।
আন্তর্জাতিক ইসলামিক তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, ২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিম অনুষ্ঠানের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন।
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর PlaqueBoyMax-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক একটি লাইভ আলোচনার সময় সেন্ট্রাল সি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং এখন থেকে ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। তবে এর আগে ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রকাশ্যে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায়নি এই ব্রিটিশ র্যাপারকে।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
সেন্ট্রাল সির ঝুলিতে প্রথম ব্রিটিশ র্যাপার হিসেবে একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড আছে। এছাড়া ড্রেক, জে. কোলের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন তিনি।
সেন্ট্রাল সির এমন সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভক্ত-শ্রোতারা তাকে নেটদুনিয়ায় শুভকামনা জানিয়েছেন।
এর আগে ২০১৪ সালে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেন ‘সেন্ট্রাল সি’ হিসেবে পরিচিত এই ব্রিটিশ র্যাপার। তবে তিনি জনপ্রিয়তা পান ২০২১ সালের পর।
ইসলামি সংগীত শিল্পী মুছলেহ উদ্দিন আকন্দ মুছলেহ নামে পরিচিত। মুছলেহ’র কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে একাধিক বাংলা ও আরবি গান। ‘ফিদাকা কালবি’, ‘ওয়া রাফানা লাকা জিকরাক’, ‘হৃদয়ের গহীনে’, ‘ইয়া হাবিবি’সহ অনেকগুলো হৃদয়স্পর্শী আরবি নাতে রাসূল গেয়েছেন।
তার গানগুলো ইউটিউবে লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে। রাসুলকে নিয়ে গাওয়া এসব গানে সব শ্রেণির শ্রোতার কাছে ভালোবাসা পাচ্ছেন মুছলেহ। তার সংগীত সাধনা নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- তানজিল আমির
* গানের বিষয়বস্তু দিয়ে শুরু করি। আপনার গানের বেশিরভাগই ভক্তিমূলক। এর কারণ কী?
** আমি গান করি মনের আনন্দে, হৃদয় তাজা রাখতে। এ কারণে গানে ফুটে উঠে সেই আকুলতা- যা মানুষের আরাধ্য বিষয়। আরাধ্য মানে এমন কিছু যা ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র। আমাদের ভালোবাসার পাত্র নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমার সবকিছু প্রিয় নবীর জন্য উৎসর্গকৃত। তাই গানের কথা ও চিত্রায়নে এটাই প্রকাশ পায়। গানের মাধ্যমে আমি চাই, ইসলাম ও নবীজীর প্রতি ভালোবাসা এবং তরুণদের হৃদয় জাগ্রত হোক।
আমার গানগুলো ইসলামি বিশ্বাস ও মূল্যবোধকেন্দ্রিক। আমি গানের কথা এবং ভিডিওতে ইসলাম ও আধুনিকতার সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আধুনিকতা ইসলামের পথে বাঁধা নয়। আমি ইউরোপে বড় হয়েছি। ফলে আমার গানে আরব, মুসলিম এবং ইউরোপীয় এই তিন পরিচয়ের প্রতিফলন চোখে পড়ে। ভিডিওর পোশাক, গানের কথা ও গল্পের ইসলামি ঐতিহ্য ফুটে ওঠে।
* নিজেকে শিল্পী হিসেবে তৈরির লক্ষ্য?
** আমি নিজেকে শুধু একজন ‘গায়ক’ ভাবি না, গায়ক হিসেবে দেখি না, নিজেকে পথ দেখানো আর্টিস্ট বা শিল্পী হিসেবে ভাবি। আমার মূল লক্ষ্য হলো, আজকের তরুণ প্রজন্ম। যারা কখনো কখনো অন্ধকারে হারিয়ে যায়। নেশা আর অবসাদে জড়িয়ে পরিচয় সঙ্কটে ভোগে। তাদের কাছে আধুনিক ভাষা, অত্যাধুনিক ভিজ্যুয়াল ও উচ্চমানের সাউন্ড দিয়ে আল্লাহর দয়ার কথা ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। আমি চাই, আমার কাজ দেখে বা শুনে একজন তরুণ মনে করুক- ‘হ্যাঁ, আমি ভুল করেছি, কিন্তু আমার জন্য তওবার দরজা এখনও খোলা আছে।’ শিল্পী হিসেবে হিসেবে পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্বটা কমাতে চাই, সেই সঙ্গে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে চাই।
এখনকার সংগীত তো শুধু শূন্যতায় পরিপূর্ণ। গানের বিষয় ভালোবাসা আর প্রেমের ব্যর্থতাজনিত আঘাত। কিন্তু এর বাইরেও তো জীবনে অনেক কিছু রয়েছে। সেই উপলব্ধি থেকে, ধর্মীয় বিশ্বাসের জায়গা অটুট রেখে, ইসলামি অনুশাসন মেনে জীবনযাপন করে, অন্তরে রাসুল প্রেম জাগ্রত রেখে ভালো কিছু করার চেষ্টা করছি।
* কতদিন যাবৎ গান করছেন?
** শিশুকাল থেকেই আমি হামদ–নাত গাইতাম। শখের বশে মাদ্রাসার বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে গান গেয়েছি। তবে কয়েক বছর ধরে আমি পেশাদার শিল্পী হিসেবে গান করছি। গানের সঙ্গে সিনেমাটিক ভিজ্যুয়াল, কনসেপ্টচুয়াল স্টোরি, বিদেশের বিভিন্ন লোকেশনে চিত্রায়ন এবং টিমওয়ার্ক সংযুক্ত করেছি। যেন নাশিদ শুধু শোনা না যায়, দেখা যায়; হৃদয় দিয়ে অনুভব করা যায়।
এক কথায়, শৈশব থেকে গানের সঙ্গে আছি, সাম্প্রতিক সময়ে গানকে পূর্ণ সময়ের মিশন বানিয়ে ফেলেছি। আমার জীবনের সঙ্গে গান ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জীবনকালজুড়ে গান নিয়ে, গানের সঙ্গেই থাকতে চাই।
মুছলেহ’র কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে একাধিক বাংলা ও আরবি গান।
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? বর্তমানে কী কাজ করছেন?
** আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আমার নতুন একটি গান মুক্তি পাবে। এছাড়া আমি ধারাবাহিকভাবে নতুন নতুন নাশিদ প্রজেক্ট, শর্টফিল্ম, স্টাইল ভিজ্যুয়াল, ডকুস্টোরি এবং কনসেপ্টচুয়াল ভিডিও নির্মাণ করতে চাই। যেগুলো তরুণদের বাস্তব জীবন, মানসিক লড়াই, তওবা, আশা আর আল্লাহর রহমতের গল্প বলবে। আগামী ‘রাহমান Rahman’ প্রজেক্ট তার একটি বড় উদাহরণ। এর পর সিরিজ আকারে আরও বড় কাজ করার ইচ্ছা আছে।
ইচ্ছা আছে, ভবিষ্যতে তরুণদের জন্য ট্রেনিং কোর্স, ওয়ার্কশপসহ ভিন্ন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার। যেখানে তারা হালাল আর্ট, নাশিদ, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং ও ইসলামি কনটেন্ট ক্রিয়েশনে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।
দেখুন, ব্যবসা আমাকে আর্থিক স্বাধীনতা দিয়েছে। আর নাশীদ ও আর্ট আমাকে মিশন দিয়েছে। ভবিষ্যতে আমি এই দু’টোকে একসঙ্গে নিয়ে আল্লাহর রাহে এবং উম্মাহর তরুণদের জন্য আরও বড় পরিসরে কাজ করতে চাই।
* এই সময়ে যখন অন্যরা ভিউ, টিকটক, রিলস মাথায় রেখে জাঁকজমক মিউজিক ভিডিওসহ গান প্রকাশ করছে, সেখানে আপনি ভিন্ন ধাঁচে গানের ভিডিও প্রকাশ করছেন। এই আত্মবিশ্বাস আসল কোথা থেকে?
** এটা অনেকটা বিশ্বাসের বিষয়। আমার মনে হয়, গান শুধু কানে শুনে অনুভব করার বিষয় নয়, প্রতিটি গানই একেকটা গল্প। আর এই গল্প বলার প্রয়োজনে ভিডিও দরকার। আর ভিডিওতে লোকেশন, কোরিওগ্রাফ ভালো হলে শ্রোতারা আরও বেশি কানেক্ট হয়। সেক্ষেত্রে বাজেটের বাধা কাটিয়ে আমি ভিন্ন ও ভালো কিছু করতে চেয়েছি।
* গানের চিত্রায়ন ও মিউজিক নিয়ে অনেকেই আপনার সমালোচনা করে, বলে টাকার জোরে শিল্পী হয়েছেন, এটাকে কীভাবে দেখেন?
** সমালোচনাগুলোকে আমি খুব একটা নেগেটিভভাবে দেখি না। অডিয়েন্সের প্রতিটি ফিডব্যাক আমাকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। পৃথিবীর সবকিছুই নিজস্ব গতিতে চলে। আমি বা আমার গান চাইলেও জোর করে কারও কাছে পৌঁছাতে পারব না। আবার অডিয়েন্স যদি আমাকে খুঁজে নেয় তখন লুকিয়ে রাখাও সম্ভব হবে না। তাই এমন সমালোচনা নিয়ে খুব একটা ভাবি না। এই যে আমাদের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া ইসলামি সংগীতের প্রচারণার সুযোগ কম। তাই বলে কাজ হচ্ছে না, এমন নয়। আমি ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে গান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। ইউটিউবে আমার গান মিলিয়নেরও বেশি হিট পেয়েছে।
ধর্মান্তরিত হয়েছেন, ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলিউড অভিনেতা ও ফিটনেস আইকন সাহিল খানের স্ত্রী মিলেনা আলেকজান্দ্রা। সাহিল খান নিজেই একথা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শেয়ার করেন। আর এই ঘোষণার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় সাহিলকে। প্রসঙ্গত, ‘স্টাইল’, ‘এক্সকিউজ মি’-র মতো ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সাহিল খান।
সাহিল লেখেন, ‘আমি খুবই গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার স্ত্রী মিলেনা আলেকজান্দ্রা ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ এই সুন্দর যাত্রার জন্য! আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের প্রার্থনা কবুল করুন।’
সাহিলের পোস্টের নিচে কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। একজন লেখেন, ‘যদি উনি আপনাকে সত্যিই ভালোবাসেন তবে তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে কেন? তাহলে আপনি যদি তাকে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসেন, তাহলে কি আপনিও খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে পারেন তাই না? না মানে, আমার কোনোও সমস্যা নেই। আমি শুধু প্রশ্ন করছি। ‘ আরেকজন লেখেন, ‘বিয়ের পর ধর্ম পরিবর্তন করা কি খুব প্রয়োজনীয়? আপনি কেন ওকেই তার ধর্ম পরিবর্তন করাতে চান? উনি যেমন তাকে তেমনই গ্রহণ করা উচিত!’ আরও একজন লেখেন, ‘ধর্ম কীভাবে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে! এটাই শুধু দেখা প্রয়োজন যে দুজন মানুষ দুজনকে ভালোবাসেন কিন! ঈশ্বর তো এক, আমরই বিভিন্ন রূপ তৈরি করি। খুশি হোন, আর একে অপরের হাত ধরে থাকুন।’
সাহিলের চেয়ে ২৬ বছরের ছোট
সাহিল খানের স্ত্রী মিলেনা আলেকজান্দ্রা তার থেকে ২৬ বছরের ছোট। ২০২৪ সালে সাহিল যখন মিলেনাকে বিয়ে করেন, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর, বর্তমানে তার বয়স ২২। সাহিলের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০০৩ সালে নিগার খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাহিল। তবে বিয়ের দুই বছরের মাথায় তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।
কাজের ক্ষেত্রে ২০০১ সালে ‘স্টাইল’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন সাহিল খান। এরপর ‘এক্সকিউজ মি’ ছবিতে কাজ করেন সাহিল। তবে অভিনয় বিশেষ উপভোগ করেননি সাহিল। এরপর বলিউড ছেড়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সাহিল শরীরচর্চার দিকেই ঝোঁকেন। বর্তমানে সাহিল খান একটি জিমের মালিক এবং তার ‘ডিভাইন নিউট্রিশন’ নামে একটি সংস্থাও রয়েছে।
ভারতীয় জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়াল ‘বড়ে ভালো লাগতে হের’ সাক্ষী তান্বর এবং রাম কাপুরেরসহ অভিনেত্রী চাহাত খান্না। সম্প্রতি তার জীবনের একটি নতুন অধ্যায় সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। এ আলোচনা থেকে জানা যায়, তার ব্যক্তিগত জীবন ছিল অনেকগুলো ওঠাপড়ায় পরিপূর্ণ। চাহাতের দুটি বিয়ে ভেঙে গেছে এবং তিনি এর পেছনের কারণগুলো নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন।
চাহাত প্রথমে ২০০৬ সালে ভারত নরসিংহানির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, কিন্তু তাদের সম্পর্কটি কয়েক মাসের মধ্যে ভেঙে যায়। পরে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে লেখক শাহরুখ মির্জার ছেলে ফারহান মির্জার সঙ্গে বিবাহিত হন, যার ফলে তার দুটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। তবে ২০১৮ সালে যৌন ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ তুলে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন অভিনেত্রী।
চাহাত জানিয়েছেন, সাবেক স্বামী ফারহান মির্জা তাকে ধর্মান্তরিত করার জন্য ‘মগজ ধোলাই’ করেছিলেন, তবে তিনি এখন তার শিকড়ে (সনাতন ধর্মে) ফিরে আসতে পেরে ‘কৃতজ্ঞ’।
টেলিটক ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আধ্যাত্মিক পরিবারে বেড়ে ওঠার কথা জানান চাহান। চিত্রনাট্যকার শাহরুখ মির্জার ছেলে ফারহান মির্জার সঙ্গে বিয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন চাহাত। তবে টেকেনি সেই বিয়ে। ডিভোর্সের পর বিভ্রান্ত হয়ে পড়ার কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, এখন নিজের শিকড়ে ফিরতে পেরে তিনি ‘কৃতজ্ঞ’। ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য তার মগজ ধোলাই করা হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে চাহাত বলেন, ‘হ্যাঁ, এক প্রকারে আমার মগজ ধোলাই করা হয়েছিল। তবে আমি জানি না সেটা তাদের ভালোর জন্য বা আমার ভালোর জন্য, কিন্তু সে কারণেই আমি বলেছি, সৌভাগ্যক্রমে আমি নিজের শিকড়ের কাছে ফিরে এসেছি’।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে চাহাত বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণের জন্য কোনো অনুশোচনা অনুভব করছি না। তবে সনাতন ধর্মে ফিরে এসে আমি অনেক খুশি। তিনি যোগ করেন, আমি অত্যন্ত আধ্যাত্মিক এবং সকল ধর্মে বিশ্বাসী। আমি কখনোই ধর্মান্ধ নই।
চাহাত বলেন, বিবাহিত জীবনের শুরুতে আমি ইসলামের অনেক কিছু জানার চেষ্টা করেছি এবং এটি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।
মানসিক চাপের অভিজ্ঞতা: চাহাত খান্না যখন ইসলামে ধর্মান্তরিত হন, তখন তাকে নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তিনি জানান, তার স্বামী ফারহান তাকে কিছু কঠোর বিধি অনুসরণ করতে বাধ্য করতেন।
‘তিনি আমাকে বলতেন, ‘তোমার ঈশ্বরকে পূজা করো না,’ যা আমার কাছে খুব অস্বস্তিকর ছিল,’ চাহাত বলেন। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি না, কিন্তু মনে হয় আমি ব্রেনওয়াশ হয়েছিলাম।’ ধর্ম পরিবর্তনের এই চাপের ফলে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং এটি তার ব্যক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত করেছিল।
২০০২ সালে ১৬ বছর বয়সে একটি চকোলেটের বিজ্ঞাপন দিয়ে শোবিজ দুনিয়ার পা দেন চাহাত খান্না। একই বছর, তিনি টিভি শো ‘সাচি বাত সবহি জাগ জানে’র মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। তিনি থ্যাঙ্ক ইউ এবং প্রস্থানমের মতো ছবিতে কাজ করেছেন।
জনপ্রিয় ডাচ অভিনেতা ও মডেল ডনি রোয়েলভিঙ্ক কালিমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি অনেক দিন ধরে হৃদয়ের প্রশান্তি খুঁজছিলেন। অবশেষে ইসলাম ধর্মেই সে শান্তি খুঁজে পান।
rnrn
শুক্রবার নেদারল্যান্ডসের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, স্থানীয় এক মসজিদে জুমার নামাজের পর মুসল্লিদের সামনে কালিমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তিনি।
rnrn
ডনি রোয়েলভিঙ্ক পাবলিক ফিগার ও মডেল হিসেবে পরিচিত। তার ইনস্টাগ্রামে এক ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি মসজিদের ভেতরে কালিমায়ে শাহাদাত পড়ছেন।
rnrn
ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আমি জানি আপনারা আমাকে ফলো করেন। আপনারা জানেন গতকাল আমার জীবনের একটি বিশেষ দিন ছিল।’ rn rnডনি রোয়েলভিঙ্ক ২৬ বছর বয়সী রিয়েলিটি তারকা। ২০২২ সালে বন্ধুদের সঙ্গে একটি ফিটনেস ভিডিও শুট করার সময় তিনি আহত হয়েছিলেন। পাঁজর ভেঙে যাওয়ায় কয়েক সপ্তাহ তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
rnrn
একই বছর তার অণ্ডকোষ ক্যানসার ধরা পড়ে। ওই দুটি ঘটনায় তিনি একেবারে ভেঙে পড়েন। আত্মিক শান্তি খুঁজতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ইসলাম ধর্মে শান্তি খুঁজে পান। এ ধর্ম তার ভালো লাগে। অবশেষে তিনি ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
rnrn
কয়েক সপ্তাহ ধরে ডনি মসজিদে যান, রমজানে রোজাও পালন করেন। অল্প অল্প করে কোরআনও তিলাওয়াত করেন। এই সবকিছুই তার মন পরিবর্তন করে দেয়। ভালোলাগা ও প্রশান্তি অনুভব করেন। আর সে জন্যই তিনি ইসলামের ছায়াতলে চলে আসেন।
rnrn
পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণা অনুসারে, ২০১৫ থেকে ২০৬০ সালের মধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা সামগ্রিক বিশ্বের জনসংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি হারে বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম হবে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল ধর্ম।
২০২৩ সালে নিজের ধর্ম পরিবর্তনের কথা সামনে এনেছিলেন ভারতীয় অভিনেতা ভিভিয়ান ডিসেনা। খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে তিনি গ্রহণ করেছিলেন ইসলাম। এক বছর আগে নিজের জীবনে আসা এই বড় পরিবর্তন সামনে আনেন তিনি। আর এবার তাকে বলতে শোনা গেল রমজান পালনের কথা।
rnrn
ভিভিয়ান বলেন, ‘আমি রমজানের সময়ই ইসলাম গ্রহণ করেছি। এই কারণটা রমজানকে আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি করে দিয়েছে। এ বছর আমার ষষ্ঠ রমজান এবং আল্লাহর রহমতে আমি প্রতি বছর রোজা রাখছি। পুরো রমজান মাস রোজা রাখা আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। কারণ এটি ইসলামের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি, তাই আমি অবশ্যই ৩০ দিন পালন করি যদি না এমন কোনো অজুহাত থাকে, যা আমাকে রোজা ভঙ্গ করার অনুমতি দেয়, যেমন অসুস্থতা।’
rnrn
নুরান আলির সঙ্গে ভিভিয়ানের বিয়ের খবরও সামনে আসে ২০২৩ সালে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই ভিভিয়ান জানিয়েছেন, তিনি বাহরাইনে তার পরিবারের সঙ্গে রমজান কাটানোর চেষ্টা করেন।
rnrn
বছরের এই সময় কোনো খাবার সবচেয়ে পছন্দ করেন তা জানতে চাওয়া হলে ভিভিয়ান জবাব দেন, 'আমি সব ধরনের খাবার পছন্দ করি। বিশেষত বাড়িতে রান্না করা খাবার এবং মিষ্টি। আল্লাহকে ধন্যবাদ যে আমি এমন একটি পরিবার এবং স্ত্রী পেয়েছি যিনি রমজানের প্রতিটি দিনকে খাদ্য উৎসবে পরিণত করেছেন। তাই আমি বিভিন্ন খাবারের স্বাদ ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারি। আর যদি নির্দিষ্ট কোনো কিছু বেছে নিতেই হয়, তা হলে বলব বাসবুসা ও কুনাফা।
rnrn
২০১৯ সালে রমজান মাসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন বলে জানিয়েছিলেন ভিভিয়ান নিজেই। সঙ্গে জানিয়েছিলেন, রোজ পাঁচবার নামাজ তার মনকে শান্ত করে। মিসরীয় সাংবাদিক নওরান আলিকে বিয়ে করেছেন ভিভিয়ান। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।
rnrn
এর আগে ২১ বছর বয়সে ‘প্যায়ার কি ইয়ে এক কাহানি’র সহ-অভিনেত্রী ভাবিজ দোরাবজির সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন। মাত্র চার বছরের সংসার ছিল তাদের। আইনি মতে, আলাদা হন ২০২১ সালের ডিসেম্বরে।
rnrn
‘মধুবালা’, ‘শক্তি: অস্তিত্ব কে এয়সাস কী’, ‘সিরফ তুম’-এর মতো মেগাতে দেখা গেছে ভিভিয়ানকে। কাজ করেছেন রিয়েলিটি শো ‘ঝলক দিখলা জা’, ‘খতরোকে খিলাড়ি’-তেও।
নতুন বছরের শুরুতেই বাবা-মা হতে চলার সুখবর অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর ও অভিনেতা শোয়েব ইব্রাহিম। টেলিভিশনের এই তারকা দম্পতি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক জনপ্রিয়।
rnrn
আপাতত প্রেগন্যান্সির তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছেন ছোটপর্দার ‘সিমর’। ইতোমধ্যেই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন দীপিকা। অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য করে জানান- মা হওয়ার পর অভিনয় ক্যারিয়ারে ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
rnrn
একজন গৃহবধূ আর মা হিসেবেই এবার বাঁচতে চান দীপিকা। স্বামী শোয়েবকেও এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।
rnrn
দীপিকার কথায়, ‘আমি মাতৃত্বের এ পর্যায়টা খুব উপভোগ করছি। প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে আমরা ব্যাপক উত্তেজিত। আমি খুব অল্প বয়স থেকে কাজ শুরু করেছি। এরপর একটানা ১৫ বছর কাজ করেছি। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরেই শোয়েবকে জানিয়েছিলাম, আমি আর কাজ করতে চাই না। অভিনয় ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চাই, এবং গৃহবধূ ও মা হিসেবেই বাকি জীবনটা কাটাতে চাই’।
rnrn
‘শ্বশুরাল সিমরকা’ র সেটেই পরিচয় শোয়েব-দীপিকার। সেই সময় অবশ্য রৌনক স্যামসনের সঙ্গে সংসার করছিলেন দীপিকা। ২০১৫ সালে প্রথম বিয়েতে ইতি টানেন তিনি।
rnrn
সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বিতীয়বার বিয়ের পর্ব সারেন দীপিকা। শোয়েবকে বিয়ে করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন অভিনেত্রী। নাম পালটে রাখেন ফায়জা।
rnrn
বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায় মাতৃত্বের সুখ পেতে চলেছেন এ দম্পতি। গত দুই বছর থেকে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। শেষবার স্টার প্লাসের ‘কাঁহা হাম কাঁহা তুম’-এ দেখা গিয়েছে দীপিকাকে।
অনেক আগেই ধর্মের টানে শোবিজজগৎ ছেড়েছেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পুষ্পিতা পপি। জীবনযাপনও বদলে ফেলেছেন। আর বর্তমানে ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী নিজেকে পরিচালনা করছেন এ নায়িকা, যা তার সামাজিকমাধ্যমে ফেসবুক হ্যান্ডেলে চোখ রাখলেই স্পষ্ট।
সম্প্রতি এ নায়িকা ফ্রান্স থেকে দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইসলামের পথে সঠিকভাবে চলার জন্য সিনেমা ছেড়েছেন। বাকি জীবন এভাবেই ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী কাটাতে চান। আপাতত কিছু করছেন না বলেও জানান তিনি।
সিনেমা জগত থেকে পুরোপুরি সরে গেছেন এ নায়িকা। পর্দায় আর কখনই দেখা যাবে না তাকে। বর্তমানে ফ্রান্সে স্বামী-সংসার নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। বলেন, মহান আল্লাহ ভবিষ্যতে যা করবেন, আমাকে যেভাবে চালাবেন সেভাবেই চলব আমি।
২০১৮ সালেই সিনেমা থেকে দূরে সরে যান পুষ্পিতা পপি। তবে ২০১৯ সালের মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে চলচ্চিত্র ছাড়ার ঘোষণা দেন। তখন জানিয়েছিলেন, আমি ধার্মিক পরিবারের মেয়ে। বলা যায় শখ থেকে অভিনয়ে এসেছিলাম। অভিনয়ে আসার পরও নিয়মিত নামাজ পড়তাম, জিকির-আসকার করতাম। অভিনয়ে থাকার সময় মাঝে মাঝেই মনে হতো, ক্ষণিকের আনন্দের জন্য সব হারাচ্ছি আমি। এর পর এ ব্যাপারে বোধ চলে আসায় সিনেমা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই।
প্রসঙ্গত, ‘পাঙ্কু জামাই’ সিনেমায় শাকিবের প্রথম প্রেমিকার ভূমিকায় অভিনয় করেন পুষ্পিতা পপি। তবে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘আগে যদি জানতাম তুই হবি পর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিষেক হয় তার।
তিনি ‘কখনো ভুলে যেও না’, ‘ঠোকর’, ‘প্রেম হতেই পারে’ ও ‘ফাগুনের আগুন’ সিনেমায় অভিনয় করেন। তার অভিনীত সবশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ধূসর কুয়াশা’।
নলিউড তারকা মার্সি আইগবে চলতি রমজানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। সেই অনুষ্ঠানে তার স্বামী কাজিম আদেওতিও উপস্থিত ছিলেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ৪৫ বছর বয়সি এ অভিনেত্রী তার নতুন ইসলামি নাম হাজিয়া মিনা মার্সি আদেওতি বলে প্রকাশ করেন।
ওই অনুষ্ঠানে একটি সাক্ষাত্কারে আইগবে তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমি খুব উত্তেজিত। আমি নিজেকে পরিপূর্ণ বোধ করছি।
তিনি আরও বলেন, এটি আসলে আমার প্রথম রমজান এবং রমজান ইসলামের অন্যতম একটি স্তম্ভ। এটি মানুষকে একত্রিত করে এবং আল্লাহ যা বলেন সে সম্পর্কে তাদের সচেতন করার মতো। যাতে আমরা আল্লাহর নির্ধারিত নিয়মগুলো মেনে চলতে পারি। তাই আমি খুব খুশি যে আমরা যাদের ডেকেছি তারা এখানে এসেছেন।
নলিউড এ অভিনেত্রী খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন। আইগবের এ সিদ্ধান্ত ভক্ত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।
এ ছাড়া আরও অনেক নলিউড অভিনেত্রী ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে ভিভিয়ান মেচি, লিজ দ্য সিলভা এবং লোলা আলাও রয়েছেন।