Tag: আওয়ামী লীগ

  • আমাকে উপদেষ্টা করা এখন সময়ের দাবি: ফারুকী

    এখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। যদিও তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী নন। সরকার পতনের পর তাকে নিয়ে নানা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগ। কারণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের পক্ষে সরব ছিলেন দেশের জনপ্রিয় এই নির্মাতা।


    সম্প্রতি এক স্ট্যাটাসে ফারুকী জানালেন-সরকার পতনের পরেও আওয়ামী লীগ নানাভাবে তাকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যে বিষয়টি আবারো তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।


    ফারুকী লিখেছেন- আমাকে উপদেষ্টা করা এখন সময়ের দাবি! আওয়ামী প্রোপাগান্ডু লীগ যেভাবে আমার ব্যাপারে তাদের ক্ষোভ জানাচ্ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে ফ্যাসিবাদের পতনে আমার বিশাল ভূমিকা আছে। সুতরাং ‌‘ফ্যাসিবাদের পুচ্ছে আগুন’ কোটায় আমাকে উপদেষ্টা করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহবান জানাচ্ছি!


    নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনটি বিষয় তুলে ধরেন এই নির্মাতা। যেখানে প্রথমত তিনি বলেন, ওহে, আমি কোনো রাজনৈতিক কর্মী না। আমি আওয়ামী লীগ-বিএনপি সবারই ভালো কিছুর প্রশংসা এবং খারাপ কাজের নিন্দা করতে পারি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আওয়ামী লীগের ভাবা উচিত কেন সবাই তাদের পতন চেয়েছে’

    হাসিনা সরকার পতনের পর সম্প্রতি জামাত-শিবিরের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রকাশ্যে এসেছে। আন্দোলনে দলটির নেতাকর্মীদের কেমন ভূমিকা ছিল সেসবও স্পষ্ট হচ্ছে। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। 

    এবার সেই আলোচনায় যোগ দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বুধবার রাতা ১১টার দিকে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, সবাই একটা জিনিসই চেয়েছে, শেখ হাসিনার পতন। আওয়ামী লীগের উচিত হবে ভাবা, কেন সবাই তাদের পতন চেয়েছে। 

    এই নির্মাতা প্রশ্ন তুলেছেন, ছাত্র জনতার আন্দোলনে জামায়াত ছিল না এই কথাটা কে বলেছে?

    ফারুকী তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ২০২৪ সালে এসে কেউ যদি নিউটনের গতিসূত্র আবিষ্কার করে এবং সেই আবিষ্কারের আনন্দে ইউরেকা ইউরেকা বলে চিৎকার করতে থাকে, তাহলে কি বলা যাবে?

    এরপর নির্মাতা লেখেন, ‘ছাত্র জনতার আন্দোলনে জামায়াত ছিল না এই কথাটা কে বলেছে কবে? বাংলাদেশের সবাই জানে এই আন্দোলনের প্রথম থেকে বিএনপি, জামায়াত, বাম দলসহ- দল মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ ছিল। সবাই একটা জিনিসই চেয়েছে, শেখ হাসিনার পতন। আরেকটু পরিষ্কার করে বলি, শুধু এবারই প্রথম চেয়েছে তা না। যখন নিরাপদ সড়কের দাবিতে কিশোর আন্দোলন হয়েছে তখনও প্রত্যেকে ওয়াটার টেস্ট করে দেখেছে, এটা কি সরকার পতনের আন্দোলনের দিকে নেওয়া সম্ভব কিনা। জিও পলিটিক্যাল বাস্তবতা এবং সেনাবাহিনীর বাস্তবতায় সেটা সম্ভব ছিল না বুঝতে পেরে আবার প্রত্যেকে দমেও গেছে।’ 

    ফারুকীর ভাষায়, ‘নুরুল হক নুরুদের নেতৃত্বে কোটা আন্দোলনে একই জিনিস টেস্ট করে দেখেছে বাংলাদেশ। যখন দেখল এটা সরকার পতনের আন্দোলন হিসাবে সফল হবে না, তখন সবাই আবার চেপেও গেছে। এবারও পুরো জাতি ওয়াটার টেস্ট করেছে এবং ২০ জুলাইয়ের মধ্যে বুঝতে পেরেছে, এই আন্দোলনে সরকার পতন সম্ভব। ফলে মানুষ সরকার পতন ঘটিয়েছে!’  

    সবশেষ আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে এই নির্মাতা লেখেন, আওয়ামী লীগের উচিত হবে ভাবা, কেনো সবাই তাদের পতন চেয়েছে। ক্লিয়ার?

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি শুধু জানতে চাই, শুনতে চাই : তমা মির্জা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সংস্কারের নামে এখনো গণপিটুনিতে হত্যাযজ্ঞ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একশ্রেণির মানুষ।

    সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে তোফাজ্জেল নামে এক যুবককে পিটিয়ে মারা হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতা শামীমও গণপিটুনিতে আহত হয়ে মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি ‘অমানবিক’ ও ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বিনোদন জগতের শিল্পীরাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা জানিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন তারা।

    তোফাজ্জল হত্যার বিচার চেয়ে ইতোমধ্যে প্রতিবাদ করেছেন অভিনেতা-অভিনেত্রী ও পরিচালকরাও। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী তমা মির্জা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে তমা লিখেছেন— নিহত তোফাজ্জল কোন দল, কোন ধর্ম, কোন বর্ণ, কেমন ব্যক্তি ছিল, মানসিকভাবে সুস্থ ছিল কি ছিল না— জানতে চাই না। ওনারাই বা (খুনিরা) কেন এমন করল, কীভাবে করল, কোন পরিস্থিতিতে করল— শুনতে চাই না। আমি শুধু জানতে চাই, শুনতে চাই— তোফাজ্জল ন্যায়বিচার কি পেল? (এবং সেটি অনতিবিলম্বে’।)

    এর আগে তমা মির্জা মারপিটের আঘাতে বিপর্যস্ত তোফাজ্জলের নিথর দেহ পড়ে থাকার একটি প্রতীকী ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তমা লিখেছিলেন— ‘আমি বিচার চাই’।

    শুধু তমা মির্জাই নন; তোফাজ্জল হত্যার নিন্দা প্রকাশ ও মর্মান্তিক এ হত্যার বিচার চেয়ে এর আগে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, নির্মাতা আশফাক নিপুন, নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী, চিত্রনায়িকা মৌসুমি হামিদ, অভিনেতা শামীম হাসান, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, সংগীতশিল্পী হাসান সানিসহ আরও অনেকে।

    এ বিষয়ে নির্মাতা আশফাক নিপুন লিখেছেন— আমি শুধু তাদের মায়েদের কথা ভাবি। এই যে তোফাজ্জল নামের মানসিকভাবে অপ্রকৃতস্থ এক যুবককে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র পিটিয়ে মেরে ফেলল। আমি ভাবি— তোফাজ্জলের মা সেটা দেখতে পেলে কি করতেন? জানলাম উনি মারা গেছেন আগেই। কিন্তু এমনও তো হতে পারে তোফাজ্জলের কাছ থেকে ৩ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন উনি। ছেলেকে বাঁচাতে পারছিলেন না দেখে চূড়ান্ত অসহায় বোধ করছিলেন? হয়তো ছেলেকে ভাত খেতে দেখে আশান্বিত হচ্ছিলেন যে ছেলের কিছু হবে না আর, এই যাত্রায় বেঁচে যাবে? হয়তো এরপরও নির্যাতনের মাত্রা দেখে আল্লাহর কাছেই ফরিয়াদ করছিলেন ছেলেটার যেন মৃত্যু হয়, ছেলেটা যেন আর কষ্টের ভেতর দিয়ে না যায়?

    তোফাজ্জলকে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী প্রশ্ন ছোড়েন, ‘গণপিটুনিকে নরমালাইজ করা হচ্ছে কেন?’

    ক্ষোভ প্রকাশ করে মৌসুমি হামিদ তার ফেসবুকে লিখেছেন— ‘আমি তোফাজ্জল হত্যার বিচার চাই। এই হাতের ওপর লাঠি রেখে যারা ওর হাত পাড়াচ্ছে? পা দুইটা থেঁতলায় ফেলছে মারতে মারতে? এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।’

    এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় ঘৃণা প্রকাশ করেছেন অভিনেতা শামীম হাসান সরকার। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে  লিখেছেন— কারও কোনো ক্ষতি না করেও রাতে ঘুম আসে না। চিন্তা হয় কত কিছু নিয়ে, নিজেকে নিয়ে, পরিবারকে নিয়ে, ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং দেশকে নিয়ে। তিনি বলেন, আপনারা খুন করে রাতে ঘুমান কীভাবে? ভাত খান কীভাবে? কষ্ট হয় না?

    শামীম হাসান আরও বলেন, মানসিক ভারসাম্যটা তোফাজ্জলেরই ছিল, আপনাদের ছিল না? ভিডিওগুলো যতবার সামনে আসছে, বুকটা ফাঁকাই লাগছে। কীভাবে সম্ভব? তবে বিচার হতেই হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের ছাত্রছাত্রীদের দায়িত্ব— এ খুনিদের বিচার করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার্থে হলেও করতেই হবে।

    সংগীতশিল্পী এফএ সুমন লিখেছেন— হায় রে! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যার কেউ নাই তার আল্লাহ আছে। আল্লাহ এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কর। বর্তমান সরকারের প্রতি সঠিক তদন্ত করে এর দ্রুত বিচারের আহ্বান জানাচ্ছি। তোফাজ্জল ভাইকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন। আমিন।

    অভিনেত্রী সুষমা সরকার লিখেছেন— হায় মানবিকতা। গায়ক পারভেজ লিখেছেন— যে যায় লংকায়, সে হয় রাবণ? দিনশেষে অত্যাচারী আর অত্যাচারিত— এ দুদলেই বিভক্ত থেকে গেলাম আমরা?’

    উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে একদল শিক্ষার্থী তোফাজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে কয়েক দফায় নির্যাতন করে। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তোফাজ্জল মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন।

    তোফাজ্জল হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত বহিষ্কার, তাদের সিট বাতিল, হল প্রভোস্টকে অব্যাহতিসহ বেশ কিছু জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে’

    জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগের দফায় দফায় হামলায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গণগ্রেফতারও হয়। আন্দোলন সামাজিকমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সেই তালিকায় শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির তারকারাও ছিলেন।

    তবে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে শেখ হাসিনা পালিয়ে যান। সম্প্রতি শোবিজে কাজও শুরু হয়েছে। আর বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ‘পুতুল পুতুল’ খেলা’ নামে একটি নাটকের শুটিং শেষ করেছেন তিনি।

    এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাদিয়া আয়মান বলেন, আন্দোলন, বন্যায় দেশের পরিস্থিতি ভালো ছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই সময় কাজ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি ফাহমি ভাইয়ের একটি নাটকের কাজ শেষ করলাম। আশা রাখি দর্শকদের কাছে নাটকটি ভালো লাগবে।

    এদিকে শিক্ষা আন্দোলনে বেশ সরব ছিলেন হালের এই ক্রেজ অভিনেতা। কিন্তু আওয়ামী সরকার পতনের আগে আন্দোলনে সমর্থন থাকায় অনেক ধকল পোহাতে হয়েছে তাকে। এমনকি হুমকিও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এরপরও সেসব গুরুত্ব না দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে গেছেন।

    অভিনেত্রী বলেন, ওই সময় লেখালেখি করার কারণে আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কী, আমি কে, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, সেই সরকারের পতন হয়েছে। তা যদি না হতো, তাহলে আমিসহ আরও অনেককেই ওরা বিপদে ফেলত। এই সময় অন্তত মানুষ তাদের চিনতে পেরেছে। এমনকি কিছু শিল্পীর মুখোশ উন্মোচন হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আ.লীগ সরকারের পতন হয়েছে: সাদিয়া আয়মান

    বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি তিনি শেষ করলেন ‘পুতুল পুতুল খেলা’ নামে একটি নাটকের শুটিং। এটি পরিচালনা করেছেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি। 

    কাজ শুরু প্রসঙ্গে সাদিয়া বলেন, ‘আন্দোলন, বন্যায় দেশের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো ছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনায় কাজ করা হয়নি। ফাহমি ভাইয়ের পরিচালনায় একটি নাটকের শুটিং শেষ করলাম। কাজটি করে বেশ ভালো লেগেছে। আশা রাখি দর্শকদের ভালো লাগবে।’ 

    ছাত্র-জনতার পক্ষে আন্দোলনে সরব থাকায় বেশ ধকল পোহাতে হয়েছে সাদিয়া আয়মানকে। হুমকি পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে এই অভিনেত্রীর জীবনে। তবে এসব কিছুকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এসেছেন। 

    আন্দোলনের সময়গুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সে সময়ে লেখালেখি করায় আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কী, আমি কে, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে সেই সরকারের পতন হয়েছে। তা না হলে আমিসহ আরও অনেককেই বিপদে ফেলত ওরা। মানুষ তাদের চিনতে পেরেছে। কিছু শিল্পীর মুখোশ উন্মোচন হয়েছে। তাদের আসল চেহারা প্রকাশ পেয়েছে।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়া নিয়ে যা বললেন অপু বিশ্বাস

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমেধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন আগ্রহী প্রার্থীদের।

    আসন্ন এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হওয়া নিয়ে এর আগে অনেক তারকার নাম উঠে এসেছে সামাজিকমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়ক আলমগীর, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান এবং ক্রিকেটাঙ্গনের সাকিব আল হাসানের নামও উঠে এসেছে একাধিকবার। এ তালিকায় নাম ছিল চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসেরও।

    যদিও এ নায়িকা এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। তখন তাকে প্রার্থী হতে দেখা যায়নি। তবে এবার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এই ঢালিউড অভিনেত্রী।

    প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, অপু বিশ্বাসের জায়গা নারীদের কাছে ভিন্নরকম। বিশেষ করে ব্যক্তিত্ব, সন্তানের মা এবং একজন নারী হিসেবে। তো প্রার্থী হওয়ার সেই সুযোগ যদি আমাকে করে দেয়, তা হলে অবশ্যই আমি নির্বাচন করব।

    এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রচার অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এ নায়িকাকে। অনেক আগে থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি। এ কারণে এবারও নির্বাচনে দলটিকে ফের ক্ষমতায় দেখতে চান বলে জানান।

    এ অভিনেত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসুক, এই কামনাই আমার থাকবে। কিছু দিন পরই জাতীয় নির্বাচন। এ জন্য অপেক্ষা করছি।

    এর পরই কাজ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা চলচ্চিত্রের মানুষ। আমাদের চলচ্চিত্র হচ্ছে কর্মজীবী মানুষদের ঘিরে। কিন্তু যখন অস্থিরতা বিরাজ করে তখন কাজের জায়গা সংকুচিত হয়ে যায়। তবে আমি মনে-প্রাণে চাইব আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক। আওয়ামী লীগ আমাদের যে উন্নয়ন করেছে, এটার বিকল্প আর কিছু নেই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, তিনি আসলেই মা।

    অপু বিশ্বাস আরও বলেন, এবার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। আমার কাছে মনে হয় নারীদের তুলে ধরতে একজন নারীই প্রয়োজন। যেমনটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি সবসময় নারী নেতৃত্বকে সাপোর্ট দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফারুকের আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তুললেন সিদ্দিক

    চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে লড়তে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম তুলেছেন ছোটপর্দার অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক।

    rnrn

    সোমবার আওয়ালী লীগ দলের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে দলীয় ফরম সংগ্রহ করেন এ অভিনেতা। 

    rnrn

    ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সিদ্দিক বলেন, আজ ঢাকা-১৭ ( গুলশান-বনানী ক্যান্টনমেন্ট) আসনের উপ-নির্বাচনের দলীয় মনোনয়ন ফরম উঠালাম। সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। 

    rnrn

    মনোনয়ন তোলার পরে এই অভিনেতা বলেন, আমার বিশ্বাস আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকেই মনোনীত করবেন। নির্বাচনে লড়লে আমি সফল হবো বলে আশাবাদী।

    rnrn

    এছাড়াও তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মনোনয়ন বোর্ড যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেন, তাহলে আমি এ আসনে ফারুক ভাইয়ের অসম্পূর্ণ কাজগুলো বাস্তবায়ন করব।

    rnrn

    উল্লেখ, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৫ মে মারা যান চিত্রনায়ক ফারুক। পরে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আ.লীগের প্রতিনিধি সম্মেলনে যা বললেন চিত্রনায়িকা মাহি

    বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং রাজশাহী বিভাগের আহ্বায়ক চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল এই দেশ হবে একটি বৈষম্যমুক্ত দেশ। সেই অসমাপ্ত স্বপ্নকে যিনি বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন, তিনি হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার জন্য ধারাবাহিকভাবে ২০০৮ সাল থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।  

    rnrn

    এই অভিনেত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার এই সংগ্রামে আমরা তাকে সাহায্য করব, তার পাশে থাকব। আরও একবার তার প্রতীককে জয়যুক্ত করব এবং সেটি করব আমাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে নৌকার বিজয় উপহার দেওয়ার মাধ্যমে। 

    rnrn

    মাহি আরও বলেন, আপনাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী অনেক কিছুই করেছেন। তাহলে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী কেন উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে থাকব। সারা দেশে যেখানে এত উন্নয়ন হচ্ছে, সেখানে আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? তাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকার বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। 

    rnrn

    শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    rnrn

    আগামী ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীতে শেখ হাসিনার মহাসমাবেশ ও ১ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি আসনের উপ-নির্বাচন উপলক্ষ্যে এ প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    বিনোদন ডেস্ক