Tag: অভিজ্ঞতা

  • ভক্তদের সঙ্গে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন ফারিণ

    এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র, ওয়েব সিরিজ, নাটক, বিজ্ঞাপন, মিউজিক ভিডিও ও গানে নিজের দক্ষতা প্রমাণ দেখিয়েছেন। পেয়েছেন বেশ কিছু সম্মানজনক পুরস্কার এবং হয়েছেন দর্শক নন্দিত।

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার একটি ওয়েব সিরিজ। এছাড়া নতুন একটি ওয়েবের কাজেও যুক্ত হয়েছেন। বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনীত সিরিজ ‘চক্র’ সম্পর্কে ফারিণ বলেন, ‘দর্শকদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। 

    শুটিংয়ের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন ফারিণ। তিনি বলেন, ‘এর কাজ শুরুর পর থেকেই অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে থাকে। যা একেবারেই অস্বাভাবিক। কারণ ছাড়াই আমি শুটিংয়ে একবার অজ্ঞান হয়ে যাই। এরপর নির্মাতার পা ভেঙে যায়। এছাড়া বেশ কয়েকটি মৃত্যুর সংবাদ আমাদের শুনতে হয়। শুটিং যতদিন করেছি, প্রায়ই আমি দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকি। এছাড়া শুটিং ইউনিটে অস্বাভাবিক আরও অনেক ঘটনা ঘটতে থাকে, যার ব্যাখ্যা আমরা আজও পাইনি। এসব ঘটনার মধ্য দিয়েই কাজটি আমরা শেষ করি।’

    কলকাতায় দেবের সঙ্গে সিনেমার কাজ ছেড়ে দেয়া প্রসঙ্গেও উঠে আসে কথোপকথনে। তিনি বলেন, খুব বড় করে বলার মতো তেমন কোনো কারণ নেই। কলকাতার ‘প্রতীক্ষা’ নামে একটি সিনেমায় কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু ভিসা জটিলতায় কাজটি ছেড়ে দিতে হয়। এদিকে নভেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু করার কথা। নির্ধারিত সময় না যেতে পারলে পুরো ইউনিট আমার জন্য সমস্যায় পড়বে। এছাড়া অন্য শিল্পীদের শিডিউল নিয়েও বিপাকে পড়তে হবে ইউনিটের। সবকিছু চিন্তা করেই আসলে কাজটি থেকে সরে আসি।

    আসন্ন কাজ ও বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে ফারিণ বলেন, অমীমাংসিত রহস্য রেখে যাওয়া সিরিজ ‘চক্র’র দ্বিতীয় সিজনের কাজ নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ‘হাউ সুইট’ ওয়েব ফিল্মের ব্যস্ততা। এটির চরিত্রের পেছনে সময় দিচ্ছি, চরিত্র ধারণে ব্যস্ত আছি। এটি অমি (কাজল আরেফিন অমি) ভাই নির্মাণ করছেন। 

    এতে আমার সহশিল্পী রয়েছে অপূর্ব (জিয়াউল ফারুক অপূর্ব) ভাই। তার সঙ্গে ওটিটিতে এটি আমার দ্বিতীয় কাজ। সিরিজটি নিয়ে খুব আশাবাদী আমরা। শিগগিরই এর শুটিং শুরু হবে। কাজটি শেষ করার পর এটি নিয়ে আরও বিস্তারিত কথা বলতে পারব। এদিকে গান নিয়েও ব্যস্ততা রয়েছে আমার। ইতোমধ্যেই বলেছি গানে নিয়মিত হব। সামনে গান নিয়েও নতুন খবর দেব।’

    সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে ভক্তদের প্রতি সচেতন থাকার বার্তা দিয়ে ফারিণ বলেন, ‘আজকাল ছোট্ট অনেক বিষয় নিয়েই সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক হয়। যে কোনো কথা বা কারও সঙ্গে কোনো ছবি নিয়েই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা হয়। এসব বিষয় নিয়েই আমার একটা বার্তা ছিল। আমি এসবে সময় নষ্ট করতে চাই না। কে আমাকে নিয়ে কী ভাবল, বা আমাকে নিয়ে কী সমালোচনা করল, এসব ব্যক্তিগতভাবে আমি গায়ে মাখতে চাই না। এগুলো নিয়ে ভাবলে কাজই করতে পারব না। নিজে ঠিক থাকলে সব ঠিক, আগে দেখতে হবে নিজে সঠিক পথে আছি কি না। আমার ভক্তদের সচেতন থাকতে বলেছি এজন্যই। সামাজিক মাধ্যমে যা দেখবেন, তাই বিশ্বাস করবেন না। আগে এর সত্যতা যাচাই করবেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • যাত্রাপালার নাচ আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা

    ঈদে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশ হয়েছে ‘গোলাম মামুন’ নামে একটি ওয়েব সিরিজ। এতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। সিরিজটি এরইমধ্যে দর্শকদের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। পাশাপাশি নিজের চরিত্রের জন্য প্রশংসা পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। এই সিরিজ ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

    -‘গোলাম মামুন’এ- অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

    -এ সিরিজের মাধ্যমে প্রথমবার পুলিশের চরিত্রে কাজ করেছি। তাই এর প্রতি আমার আলাদা এক ধরনের টান কাজ করেছে। এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ছিল কাজটির মধ্যে। চমকও রয়েছে। সিরিজটি তো এখন দর্শকের জন্য উন্মুক্ত। সবাইকে দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

    -চরিত্রটি নিয়ে আপনি কতটা তুষ্ট? 

    -এটি আমার অভিনয় ক্যারিয়ারে সত্যিই একটি ভিন্নরকম কাজ। এদিক থেকে এ চরিত্রে কাজ করতে পেরে আমি সত্যিই অনেক সন্তুষ্ট। তাছাড়া আমি প্রতি ঈদে চেষ্টা করি দর্শককে ভিন্ন ধাঁচের কাজ উপহার দেওয়ার। এবার ঈদে ‘গোলাম মামুন’ তেমনি একটি কাজ। 

    -সিরিজটি নিয়ে দর্শক সাড়া কেমন পাচ্ছেন? 

    -খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। মুক্তির পর থেকেই দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিরিজটি। গল্প, নির্মাণ এবং অভিনয়ের প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন দর্শক। আমাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করানোর জন্য অনেকেই অভিনয়ের প্রশংসা করছেন।

    -ওটিটিতে কাজ করে অনেকেই টিভি নাটক থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। আপনার বেলায় কী এমনটা ঘটবে?  

    -একদমই আমার ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটবে না। আমি নাটকের মেয়ে, নাটক থেকেই দর্শক আমাকে আপন করে নিয়েছেন। ফলে নাটক ছাড়ার প্রশ্নই নেই। আমার কথা হলো, যে মাধ্যমে ভালো গল্প ও চরিত্র পাব, সেই মাধ্যমেই কাজ করব। 

    -এবারের ঈদে কতগুলো নাটকে কাজ করেছেন? 

    -আমি ঈদের বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেছি। তারমধ্যে একটি নাটক নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। নাম ‘প্রিন্সেস ডায়না’, যা ইতোমধ্যেই প্রচার হয়েছে। পরিচালনা করেছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। পার্থ শেখ নামে একজন নতুন অভিনেতার বিপরীতে কাজ করেছি এই নাটকে। এছাড়া পার্থর সঙ্গে ইমরাউল রাফাতের আরেকটি নাটকে অভিনয় করেছি। ‘সুতো’ নামের সেই নাটকে ইরেশ যাকের ভাইও অভিনয় করেছেন।

    -‘প্রিন্সেস ডায়না’ নাটকের গল্প ও আপনার চরিত্র কী ধরনের?

    -এ নাটকে আমি যাত্রাপালার প্রিন্সেসের চরিত্রে কাজ করেছি। আমি ছোটবেলা থেকেই নাচ করছি। তবে যাত্রাপালার এই নাচ আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। এটি একটু ভিন্ন আঙ্গিকের নাচ। চরিত্রটির মধ্যে একটা চ্যালেঞ্জ আছে। বাস্তবে আমাদের সমাজে যাত্রাপালার নৃত্যশিল্পী বা নর্তকীর প্রতি গ্রাম্য প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টি থাকে। তারা এসব নারীকে ভোগবিলাসে ব্যবহার করতে চান। নাটকেও প্রিন্সেস ডায়ানার প্রতি সেই দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাবশালীদের আছে। কাজটি করতে এসে নতুন কিছু শিখতে পেরেছি। এ ধরনের নতুন গল্পে, নতুন চরিত্রে কাজটি করতে ভালোই লাগছে। 

    -নায়কবিহীন নাটক করেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি পরিষ্কার করবেন? 

    -‘রাত বাকি’ নামের একটি নাটক করেছি। পরিচালনা করেছেন মুরসালিন শুভ। চল্লিশ মিনিটের এই নাটকটি আবর্তিত হয়েছে আমার চরিত্রকে কেন্দ্র করে। সেখানে কোনো পুরুষ প্রোটাগনিস্ট নেই। ময়মনসিংহের কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুটিং করেছি। শুধু তাই নয়, আমাদের কাস্ট অ্যান্ড ক্রু সবই ছিল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলার শিক্ষার্থীরা। তারা তো সবাই একাডেমিকভাবে কাজটি শিখেছে। ফলে তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাই আলাদা। আমার তো ভীষণ ভালো লেগেছে এমন তরুণ সব মেধাবীর সঙ্গে কাজ করতে পেরে।    

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • জেলখানার অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখছেন পরীমনি 

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি ক্যারিয়ারজুড়েই নানা কারণে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। কখনো বিয়ে-বিচ্ছেদ কাণ্ডে আলোচনার সৃষ্টি করেছেন, আবার কখনো জেলে গিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। 

    তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, কেন জেলে গিয়েছিলেন সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয় তার কাছে। তবুও জেলজীবনের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, সেটা নিয়ে বই লিখবেন। যেখানে তিনি কারাবাসের দিনগুলোর গল্প তুলে ধরবেন। 

    আরও পড়ুন: 

    পরীমনি বলেন, আমি কাউকে খুন করিনি, জঙ্গি হামলা করিনি, আমার বাসায় কোনো বোমা ছিল না। আমি আসলে কী করেছি এটাই জানি না। ভালো বিষয় হলো, এখান থেকে অনেক কিছু শিক্ষা নিয়েছি। জেলখানার অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখেছি।

    পরী মনে করেন ‘স্ট্রেট ফরোয়ার্ড’ বলেই ব্যক্তিজীবনে তার লড়াইটা কঠিন ছিল সবসময়। 

    এ বিষয়ে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘একটু স্ট্রেট ফরোয়ার্ড বলে হয়তো আমার সঙ্গে এমনটা হচ্ছে। তবে এখন আমি জানি মানুষ কী পছন্দ করে আর কী পছন্দ করে না। মানুষ চায় নিজের গলাবাজির নিচে সবার গলাবাজি থাকুক। সবাই চায় আমি আস্তে কথা বলি, অন্যেরা যা চায় সেটা করি। সমাজের চাপানো কিছু নিয়ম আছে, সেগুলো মেনে চললেই তুমি লক্ষ্মী মেয়ে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, আমাকে নিয়ে যত নেগেটিভ কথা হয়েছে, ঠিক ততটুকু পজিটিভ কথাও হয়েছে। আমি যখন জেল থেকে বের হই তখন মানুষজন আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছে, বিশেষ করে মেন্টালি। তাদের সঙ্গে আমার কিন্তু রক্তের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা আমার কাজের জন্যই আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানালেন সাফা

    উঠতি মডেল সাফা মারোয়া। এরই মধ্যে প্রথম সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান শাকিব খানের সঙ্গে। সেই অভিজ্ঞতাই গণমাধ্যমের সঙ্গে শেয়ার করলেন তিনি।

    অনন্য মামুন পরিচালিত ‘দরদ’ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও বলিউডের সোনাল চৌহান। তবে এ দুই তারকার ছাড়াও দেশ-বিদেশের আরও শিল্পীদেরও দেখা যাবে এ সিনেমায়।

    এ সিনেমায় নতুন হিসেবে কাজের সুযোগ হয় পুরান ঢাকার মেয়ে সাফার। তিনি জানান, নতুন এ সিনেমায় একজন ফ্যাশন মডেল হিসেবে দেখা যাবে আমাকে।

    কীভাবে এ সিনেমায় যুক্ত হয়েছে এ বিষয়ে সাফা বলেন, একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সেটে ছিলাম। ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় একজন মেকআপ আর্টিস্ট মনির হোসেনের মাধ্যমে এ সিনেমায় কাজের অফার পাই। প্রথমে একটু কনফিউসড ছিলাম। কিন্তু যখন শুনলাম, শাকিব খানের সিনেমা, অনন্য মামুন পরিচালক রাজি হয়ে গেলাম।

    সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে তিনি জানান, শাকিব খান অভিনয়ের ক্ষেত্রে অনেক সিরিয়াস। ভোরবেলা শুটিং সেটে ঢুকে কোনো রেস্ট না নিয়ে সারা রাত ক্যামরার সামনে অভিনয় করেন।

    সাফা আরও জানান, যেখানে শুটিং হয়, ওই স্পটেই খায়, ওই স্পটেই ঘুমান। সবাই স্পট থেকে বের হলেও তিনি বের হন না। এতটাই কাজের প্রতি ডেডিকেটেড তিনি।

    তিনি বলেন, আমার সঙ্গে শাকিব খানের শুটিংয়ের বাইরে কখনো দেখা হয়নি। তবে তিনি খুব সাপোর্টিভ। নতুন হিসেবে আমাকে অনেক সাহস দিয়েছেন। নির্মাতা মামুন ভাইও সাহস দিয়ে বলেছেন, হ্যাঁ তুমি পারবে। তাদের সাহসেই আসলে ভালো অভিনয় করার সাহস পেয়েছি।

    প্রথম সিনেমায় এত ভালো একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পেরে দারুণ খুশি সাফা। আগামী ৫ বছরে নিজেকে আরও পরিণত অভিনয় শিল্পী হিসেবে দেখতে চান নতুন এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জিতের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন মিম

    ভারতের ৭০০ সিনেমা হলে বাংলা ও হিন্দি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে ‘মানুষ’। এটা সত্যি আমার জন্য অনেক খুশির খবর। তাছাড়া সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের দারুণ সাড়া পাচ্ছি। এমন সাফল্য ‘মানুষ’ টিমকে গর্বিত করছে। আশা করছি, পুরো সপ্তাহদুড়েই দর্শকরা সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হবে। একজন শিল্পী হিসেবে এটাই আমার তৃপ্তির জায়গা।’—নিজের নতুন সিনেমার দর্শক প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম এসব কথা বলেন।

    সম্প্রতি ভারতে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পরিচালক সঞ্জয় সমাদ্দার পরিচালিত সিনেমা ‘মানুষ’। এতে প্রধান চরিত্রে আছেন ওপার বাংলার সুপারস্টার জিৎ। সিনেমাটিতে পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছেন। এরইমধ্যে সিনেমাটি দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। শুধু তাই নয়, সিনেমাটিতে মন্দিরা চরিত্রে মীমের দুর্দান্ত অভিনয়ও দর্শককে মুগ্ধ করেছে।

    যারা সিনেমাটি দেখছেন মীমের অভিনয়ের প্রশংসা করছেন। এছাড়া সিনেমাটিতে জিতের অভিনয় নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ‘মানুষ’ মুক্তির সময় কলকাতায় যেতে পারেননি মীম। তবু কলকাতায় তার ভক্ত-দর্শকের কাছ থেকে তিনি বেশ ভালো সাড়া পেয়ে আপ্লুত।

    এই সিনেমাটির মাধ্যমে আবারও জিতের সঙ্গে মিমকে পর্দা শেয়ার করতে দেখছেন সিনেপ্রেমীরা। পাশাপাশি ওপার বাংলায় সিনেমায় বাংলাদেশির নির্মাতার সঙ্গে এবারই প্রথম কাজ করেছেন তিনি।
     
    মিম বলেন, সঞ্জয় সমাদ্দার দাদা বাংলাদেশে অনেক ভালো ভালো গল্পের নাটক নির্মাণ করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি নির্মাণে মেধার স্বাক্ষর রেখে অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন। তার নির্মিত ‘মানুষ’ সিনেমাটিতে কাজ করে আমি আনন্দিত। আর জিৎ দা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। ওনার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বরাবরই ভালো আমার। দারুণ সহযোগিতা পরায়ণ মানুষ তিনি। কাজের সময় বোঝাই যায় না যে, উনি সুপারস্টার।’

    এদিকে মানুষ সিনেমার সাফল্যের মাঝেই নিজের নতুন সিনেমা ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন মীম। ২০১৮-১৯ সালের সরকারি অনুদান পাওয়া এ সিনেমাটি নির্মাণ করছেন ওয়াহিদ তারেক। এতে মীম শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার, অর্থাৎ জনপ্রিয় অভিনেত্রী শমী কায়সারের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

    আগামী বছরের শুরুতে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের সিনেমায় গত বছর আশার আলো দেখায় মীম অভিনীত রায়হান রাফি পরিচালিত ‘পরাণ’ সিনেমাটি। সব মিলিয়ে দারুণ সময় যাচ্ছে এই অভিনেত্রীর-এ কথা বলার অবকাশ রাখে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বুবলির সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হলো মাহফুজের

    জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলির সঙ্গে ‘প্রহেলিকা’ সিনেমায় আসছেন অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ। শনিবার ঢাকা ক্লাবে সিনেমাটির ‘মেঘের নৌকা’ গান মুক্তি উপলক্ষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। 

    rnrn

    প্রহেলিকার প্রসঙ্গে চয়নিকা বলেন, প্রেম মানেই না পাওয়ার অনুভূতি। আমাদের পুরো জীবনটাই রহস্যে ঘেরা, সম্পর্কও রহস্যে ঘেরা। আর প্রহেলিকা মানেই রহস্য, ধাঁধা। সত্যি বলতে চোখে যা দেখা যায়, আসলে তা দেখা নয়। অর্পা ও মনার প্রেম কাহিনীই হচ্ছে একটি প্রহেলিকা।
    rn 
    rnপ্রহেলিকা আসলে কী, সেটা সিনেমা দেখার পর দর্শক জানবে। আমি জানি না। হলে গিয়ে দর্শক সিনেমাটা দেখে বলবে- প্রহেলিকাটা কী?
    rnসিনেমাটির সাফল্য নিয়ে আশা প্রকাশ করে এই নির্মাতা বলেন, মানুষ এখন কন্টেন্ট পছন্দ করে। প্রহেলিকাও দর্শকের পছন্দ হওয়ার মতো একটা কন্টেন্ট। পান্থ শাহরিয়ারের এই কন্টেন্ট নিয়ে আমরা দেড় বছরের বেশি সময় ধরে অনুশীলন করেছি।

    rnrn

    ছবির কাজ প্রায় শেষ। আগামী ঈদে মুক্তির চিন্তাভাবনা থাকলেও দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত করেননি বলে জানান এই নির্মাতা। পান্থ শাহরিয়ারের কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্যে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন জামাল হোসেন।

    rnrn

    মাহফুজ-বুবলি ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন- নাসির উদ্দিন খান, রাশেদ মামুন অপু, একে আজাদ সেতু, রহমত উল্লাহ, সাবিহা জামানসহ অনেকে। এই ছবি দিয়ে চার বছর পর ক্যামেরায় ফিরলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ।
    rnকাজের অনুভূতি বর্ণনা করতে গিয়ে মাহফুজ বলেন, আমরা যত সিনিয়রই হই, শুটিংয়ের আগের দিন বার্ষিক পরীক্ষার আগের রাতের অনুভূতি ফিরে আসে। তবে প্রহেলিকায় খুব আনন্দ নিয়ে কাজ করেছি। গল্পটা চমৎকার। চয়নিকা চৌধুরীর নির্দেশনায় আগেও কাজ করেছি। বুবলির সঙ্গে প্রথম। তারপরও একটুও সমস্যা হয়নি। ছবিটা দর্শক পছন্দ করবে বলেই আমার বিশ্বাস।

    rnrn

    সহশিল্পী বুবলির প্রশংসা করে মাহফুজ বলেন, বুবলিকে খুবই পাংচুয়াল আর্টিস্ট হিসেবে পেয়েছি। তার ভেতরে কোনো জড়তা পাইনি।

    rnrn

    চিত্রনায়িকা শবনম বুবলি বলেন, মাহফুজ ভাই আমার সহশিল্পী হবেন এটা শুনেই কাজটা করার জন্য রাজি হয়ে যাই। তবে একটু ভয়ও ছিল। তিনি খুবই যত্ন নিয়ে কাজ করেন। আমার কাজ পছন্দ হবে কিনা এসব নিয়ে ভয় ভয় লাগছিল। তবে শুটিংয়ে গিয়ে দেখলাম ভাইয়া অনেক সহজ একজন মানুষ। খুব দ্রুতই সহশিল্পীর ভেতরকার জড়তা কাটিয়ে দিতে পারেন।

    rnrn

    অনুষ্ঠান শেষে ইমরান মাহমুদুলের সুর ও সংগীতাজনে ইমরান ও কোনালের গাওয়া ‘মেঘের নৌকা’ গানটি অন্তর্জালে অবমুক্ত করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক