Home / Entertainment / রুদ্রনীল ঘোষের প্রশংসায় মুনমুন সেন, প্রিমিয়ারে স্নেহময় মুহূর্ত ভাইরাল

রুদ্রনীল ঘোষের প্রশংসায় মুনমুন সেন, প্রিমিয়ারে স্নেহময় মুহূর্ত ভাইরাল

রুদ্রনীল ঘোষের প্রশংসায় মুনমুন সেন, প্রিমিয়ারে স্নেহময় মুহূর্ত ভাইরাল
ছবি: যুগান্তর

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে অবশেষে মুক্তির মুখ দেখেছে অভিনেতা ও সংসদ সদস্য রুদ্রনীল ঘোষের সিনেমা ‘আবার হাওয়া বদল’। শনিবার (১৩ জুন) সিনেমাটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। আর সেখানেই তার অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মুনমুন সেন।

সাম্প্রতিক নির্বাচনে স্বভূম শিবপুর আসন থেকে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। এর পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন নিয়েও কাজ করছেন বলে জানা গেছে। নতুন সিনেমার প্রিমিয়ারেও তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়।

সিনেমাটির অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুনমুন সেনের মেয়ে রাইমা সেন। মেয়ের অভিনয় দেখতে প্রিমিয়ারে উপস্থিত হয়েছিলেন মুনমুন সেন। ছবিতে রাইমার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

অনুষ্ঠানে রুদ্রনীলকে পাশে নিয়ে মুনমুন সেন বলেন, ‘আমি ওকে আগেই বলেছিলাম, ও একজন দুর্দান্ত অভিনেতা। অভিনয়ের সময় রুদ্রনীল পুরো শরীর ব্যবহার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধরুন কাউকে জড়িয়ে ধরার একটি দৃশ্য আছে। এমনও হতে পারে, রুদ্রনীলের মুখ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু তার হাতের অভিব্যক্তিতেই অনুভূতি ফুটে উঠবে।’ 

রুদ্রনীলের অভিনয়ের সূক্ষ্মতা নিয়ে মুনমুন সেনের মন্তব্য, ‘গান গাওয়ার দৃশ্যে অভিনয় করার সময় তার গলার শিরাও ফুটে ওঠে।’

প্রশংসার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে রুদ্রনীলকে আলিঙ্গন করতেও দেখা যায় তাকে। এমনকি অভিনেতার গালে স্নেহের চুম্বনও দেন তিনি। সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

নেটিজেনদের একাংশ এ সময় দুই শিল্পীর রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। কারণ, একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদ ছিলেন মুনমুন সেন। ২০১৪ সালে বাঁকুড়া থেকে লোকসভা সদস্য নির্বাচিত হন তিনি এবং ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে আসানসোল আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি। এরপর থেকে তাকে সক্রিয় রাজনীতিতে খুব একটা দেখা যায়নি।

অন্যদিকে রুদ্রনীল ঘোষ বর্তমানে বিজেপির সংসদ সদস্য। ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাদের আন্তরিকতা দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ‘স্নেহ ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক রাজনীতির সীমারেখা মানে না।’

বিনোদন ডেস্ক

সূত্র: যুগান্তর

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *