Home / Entertainment / ছেলের প্রশংসায় দিয়া মির্জা, নেটিজেনদের কটাক্ষ

ছেলের প্রশংসায় দিয়া মির্জা, নেটিজেনদের কটাক্ষ

ছেলের প্রশংসায় দিয়া মির্জা, নেটিজেনদের কটাক্ষ
ছবি: যুগান্তর

ছেলেকে নিয়ে সুখের সাগরে ভাসছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। সম্প্রতি অভিনেত্রী সোহা আলি খানের পডকাস্টে এসেছিলেন। সেখানেই পাঁচ বছরের ছেলের প্রশংসা করতেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে দিয়া মির্জার ‘শিক্ষা’ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সন্তানকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করছেন না বলেই দাবি নেটিজেনদের একাংশের। 

পাঁচ বছরের সন্তানের প্রশংসা করতেই কটাক্ষে বিদ্ধ মা-ছেলে। একজন মা হিসেবে তার নজরে যেটা সন্তানের ভালো গুণ, তার ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে সেটাই তারকা পরিবারের দম্ভ, অসংবেদনশীল মানসিকতার প্রতিচ্ছবি।

দিয়া জানান, তাদের বাড়িতে কখনো প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় না। একবার এক ডেলিভারি বয় প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে প্যাকেজিং ডাবের পানি আর স্ট্র নিয়ে এসেছিলেন। তিনি জানতেন না যে দিয়া ও তার পরিবার প্লাস্টিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে। আভ্যানও সেই শিক্ষাতেই শিক্ষিত হতে চলেছে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সে বলেছিল— ‘দাদা, আপনি এটা প্লাস্টিকে করে এনেছেন। আমাদের বাড়িতে প্লাস্টিক ব্যবহারের অনুমতি নেই। ডাবের পানি বের করে এখানে রেখে দিন আর প্লাস্টিক ও স্ট্রটি সঙ্গে করে নিয়ে যান।

পরিবেশ সচেতনতার একটি শিক্ষা হিসেবে দিয়া মির্জা এটিকে প্রতিস্থাপন করেছেন। এ ঘটনা শুনে সোহা আলি খানও ছোট্ট আভ্যানের প্রশংসা করে বলেন, ভাবুন তো, এত অল্পবয়সে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সামনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের কথা বলতে পারছে। তবে সামাজিক মাধ্যমে  এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন।

নেটিজেনদের মধ্যে একাংশের মতে এটা ঔদ্ধত্য। এক নেটিজেন লিখেছেন— ৪০ ডিগ্রি গরমে যে মানুষটি আপনাকে পরিষেবা দিতে এসেছে, তার সঙ্গে এভাবে কথা বলা কীভাবে প্রশংসার যোগ্য? যদি প্লাস্টিকে আপত্তি থাকে, তবে নিজেই রাস্তার দোকান থেকে কিনে আনুন।

আরেক নেটিজেন বলেন, একজন দরিদ্র ডাব বিক্রেতা জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছেন আর একটি শিশু তাকে বকাঝকা করছে। আর সেটাকেই প্রাপ্তবয়স্করা সাহসিকতা বলছেন। আসলে এটা সুবিধাভোগী মানসিকতার পরিচয়।

অন্য আরেক নেটিজেন বলেন, দিয়া মির্জার এ মন্তব্য অহংকারের পরিচয়। আর উলটোদিকের মানুষটি তাকে সমর্থন করছেন।

বিনোদন ডেস্ক

সূত্র: যুগান্তর

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *