
কঙ্গনা রানাউতের মন খারাপ। চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে সিআইএসএফ কনস্টেবলের হাতে চড় খাওয়ার পর তার পাশে দাঁড়াননি বলিউডের কেউ। সেজন্য হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক স্টোরি দিয়েছিলেন কঙ্গনা। তবে পরক্ষণে সে স্টোরি মুছেও ফেলেছেন তিনি।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি জানায়, গত ৬ জুন চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে ওই ঘটনার পর বলিউডের পক্ষ থেকে কোনো সমর্থন পাননি কঙ্গনা। উল্টো আলোচিত সেই সিআইএসএফ কনস্টেবল বরখাস্ত হওয়ার পর বলিউডের সঙ্গীত পরিচালক বিশাল দাদলানি তাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কঙ্গনাকে চড় মেরে তোলপাড় সৃষ্টি করা কে এই নারী কনস্টেবল?
বলিউডের মুখে কুলুপ এঁটে থাকার বিষয়টি মোটেও মেনে নিতে পারছেন না কঙ্গনা। তাই নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্টোরিতে এই বলিউড অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘প্রিয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, বিমানবন্দরে আমার ওপর হামলার ঘটনায় হয় আপনারা ফুর্তি করছেন, নয়ত মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন। মনে রাখবেন, যদি কাল আপনি আপনার দেশে বা পৃথিবীর অন্য কোথাও রাস্তা দিয়ে হেঁটে যান এবং সে সময় কোনো ইসরাইলি বা ফিলিস্তিনি আপনার বা আপনার শিশুর ওপর এই কারণে হামলা করে যে, আপনি রাফাহর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিলেন…তখন আপনি দেখবেন আমি আপনার বাকস্বাধীনতার জন্য ঠিকই আওয়াজ তুলব। যদি কখনো আপনি ভাবেন, আমি সেখানে কেন যেখানে আপনি আছেন; মনে রাখবেন আমি আপনি না।’
কঙ্গনাকে চড় মারার ঘটনায় যা বললেন সেই নারী কনস্টেবলের মা
দীর্ঘ এই স্টোরি দেওয়ার কিছু সময় পরই অবশ্য তা মুছে ফেলেন কঙ্গনা।
উল্লেখ্য, এবারের লোকসভা নির্বাচনে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কঙ্গনা। সংসদ সদস্য হওয়ার একদিন পরই ৬ জুন চণ্ডীগড় থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে এক সিআইএসএফ কনস্টেবলের সঙ্গে বচসা হয় তার। এর এক পর্যায়ে কুলবিন্দর কৌর নামের সে কনস্টেবল কঙ্গনাকে চড় মেরে বসেন।
বিনোদন ডেস্ক
সূত্র: যুগান্তর
