Home / Entertainment / ‘গল্প দিয়ে প্রমাণ করেছি শাকিব খান ছাড়াও ছবি চলে’

‘গল্প দিয়ে প্রমাণ করেছি শাকিব খান ছাড়াও ছবি চলে’

‘গল্প দিয়ে প্রমাণ করেছি শাকিব খান ছাড়াও ছবি চলে’
ছবি: যুগান্তর

এবারের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে আটটি সিনেমা। এর মধ্যে অপু বিশ্বাস ও জয় চৌধুরীর ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ সিনেমাটিও মুক্তি পায়। প্রথমে খুব বেশি হলে মুক্তি পায়নি সিনেমাটি। মাত্র ৯টি হলে মুক্তি পায়। ফলে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সিনেমাটির নির্মাতা সোলাইমান আলী লেবু। তবে তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ৯টি থেকে ২৭টি হলে প্রদর্শিত হচ্ছে সিনেমাটি।

সম্প্রতি রাজধানী গুলশানের জিনজিরা সিনেমা হলে সিনেমাটির পরিচালক, কলাকৌশলীরা দর্শকদের সঙ্গে বসে সিনেমাটি উপভোগ করেন। সেখানে সিনেমাটির নির্মাতা খুশিতে কেঁদে ফেলেন। তবে এ কান্নাকে আনন্দাশ্রু হিসেবে মনে করছেন ভক্তরা।

এদিন হল থেকে নির্মাতা সোলাইমান আলী লেবু গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, মনে করা হয় বাংলাদেশে একমাত্র নায়ক শাকিব খান। আর কোনো নায়ক নেই? আমি জয়কে দিয়ে ছবি বানিয়ে দর্শকদের যে মন জয় করতে পেরেছি, এটাই আমার জীবনের বড় পাওয়া। শাকিবকে দিয়ে সব সময় সারা বাংলাদেশে ছবি চলবে না।

তখনতো, এক সময় নায়ক চেঞ্চ করতে হবে। তাই এ গল্প দিয়ে প্রমাণ করেছি যে, শাকিব ছাড়াও ছবি চলে। আমি মরেও শান্তি পাব, যে ছবি একটা করে দিয়ে মরে গেছি।

এদিকে প্রথমদিকে প্রচারণার অভাবে সিনেমাটি দর্শক কম হয়। এতে হতাশ হয়ে পড়েন সিনেমাটির পরিচালক সোলাইমান আলী লেবু। এমনকি ফেসবুক লাইভে এসে হাউমাউ করে কেঁদে কেঁদে বলেন, আমি দর্শকদের বারবার অনুরোধ করছি, আপনারা আরও ছবি দেখছেন।

আমার ছবিটাও দেখেন। দেখার পর যদি ছবিটা ভালো লাগে তা হলে একটু বলবেন, ছবিটা ভালো হয়েছে। এই অনুরোধ দর্শকদের প্রতি আমার। আপনাদের হাতে-পায়ে ধরে বলছি- আজ হল পাইনি বলে ছবিটি আপনাদের দেখাতে পারছি না।

কাঁদতে কাঁদতে দুই হাত জোড় করে এসব কথা বলেছিলেন অপু বিশ্বাস ও জয় চৌধুরীর ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ সিনেমার প্রযোজক ও পরিচালক সোলায়মান আলী লেবু।

অন্যদিকে সিনেমা দেখার পর দর্শকরা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, নায়িকাকে অনেক আগেই থেকে চিনি। সিনেমাটি দেখে মনে হয়েছে, প্রেম প্রীতির বন্ধনে অনেক কিছু শেখার আছে। প্রেম থাকলে কতটা ত্যাগ করতে হয় এ সিনেমাতে সেটিই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সব থেকে যেটা মজার বিষয়, এ সিনেমাটি সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে দেখা যায়।

চিত্রনায়ক জয় বলেন, হুট করে রিলিজ হওয়া এবং হল সংখ্যা কম পাওয়ার কারণে কিছুটা পরিচালক উদ্বিগ্ন হয়েছিলেন। আমি মনে করি সিনেমাটি প্রচারণার অভাবে দর্শকদের কাছে পৌছাতে দেরি হয়েছে। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে সর্বোচ্চ সংখ্যক সিনেমা হলে চলছে আমাদের সিনেমাটি।

 

বিনোদন ডেস্ক

সূত্র: যুগান্তর

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *