Home / Entertainment / এপস্টেইন ফাইলে নাম অনুরাগ কাশ্যপের, যা বললেন কঙ্গনা রানাউত

এপস্টেইন ফাইলে নাম অনুরাগ কাশ্যপের, যা বললেন কঙ্গনা রানাউত

এপস্টেইন ফাইলে নাম অনুরাগ কাশ্যপের, যা বললেন কঙ্গনা রানাউত
ছবি: যুগান্তর

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের নথি প্রকাশ হওয়ার পর পুরো বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সারা বিশ্বের রথী-মহারথী রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, লেখক থেকে শুরু করে অভিনেতারাও জড়িয়ে আছেন। এমনকি পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপকে নিয়েও অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এবার ফুঁসে উঠলেন বলিউডের ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

যদিও বছরের বেশিরভাগ সময়ে চর্চায় থাকেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। আবার খবরের শিরোনামে তারা। জেফ্রি এপস্টেইন ফাইলে নাম রয়েছে অনুরাগের। আর সেই ফাইল নিয়ে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী।

আমেরিকার বিচার বিভাগ আগের পূর্ব প্রকাশিত ফাইলগুলোর মতো নতুন ফাইলগুলোতেও অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তির নাম রয়েছে। গ্ল্যামার, ক্ষমতা আর অগাধ সম্পদের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক পৈশাচিক অধ্যায়। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন গড়ে তুলেছিলেন এক নারকীয় সাম্রাজ্য। সেই সাম্রাজ্যে এবার নতুন কিছু নাম জড়িয়েছে— ধনকুবের ইলন মাস্ক, বিল গেটস, চিত্রপরিচালক মীরা নায়ার। সেই ফাইলেই নাকি অনুরাগ কাশ্যপকে ‘বলিউড গাই’ বলা হয়েছে।     

নতুন ফাইলে রয়েছে বেশ কিছু ইমেইল। তবে এ ক্ষেত্রে ইমেইলে নাম থাকা মানেই যে অনুরাগ কাশ্যপ এপস্টেইনের কার্যকলাপে যোগ দিয়েছিলেন, সেটি নিশ্চিত নয়। কারণ এপস্টিন ও অনুরাগের একই সময়ে একই জায়গায় থাকার কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে অনুরাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে নানা চর্চা। 

এ বিষয়ে কঙ্গনা রানাউত বলেন, অপরাধ সব জায়গায় হয়। তবে এখানে অপরাধকেই আলাদা করে দেখানো হচ্ছে। ছোটবেলা থেকে যে শিল্পীদের দেখেছি, জেনেছি তারা কীভাবে এমন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন?

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পাম বন্ডি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত এপস্টেইন ফাইলের একটি বড় অংশ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বিনোদন ও রাজনৈতিক জগতের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছবি পাওয়া গেছে। প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, জেফ্রি এপস্টেইন ও তার সহযোগী গিজলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন প্রমোদ ভ্রমণে অংশ নিয়েছিলেন অনেক তারকা। 

বিনোদন ডেস্ক

সূত্র: যুগান্তর

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *