
গত কয়েকদিন ধরে চিত্রনায়িকা পরীমনির সংসার ভাঙার খবরই বিনোদন মিডিয়ার সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। বছরের শেষ দিন পরী ফেসবুক একাউন্টে লিখেছেন, রাজকে তার জীবন থেকে আজীবনের জন্য ছুটি দিয়ে দিয়েছেন।
অর্থাৎ স্বামীর সঙ্গে সংসার করছেন না আর। একদিন পর রাজের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনেরও অভিযোগ আনেন। ফেসবুকে রক্তাক্ত বিছানার ছবিও পোস্ট করেন। এতকিছুর পরই স্বামী অভিনেতা শরীফুল ইসলাম রাজ ছিলেন একেবারেই চুপ। কিন্তু সেটা আর কতক্ষণ!
শেষ পর্যন্ত তাকে মুখ খুলতেই হলো। গণমাধ্যমে বলেছেন, পরীমনির কাছে তার আর ফিরে যাওয়া হচ্ছে না। সংসারটার ইতি টানতেই হচ্ছে তাকে। পাশাপাশি বেডরুমের সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি প্রকাশ করার জন্যও বেজায় নাখোশ হয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘মাই বেডরুম ইজ প্রাইভেট, ভেরি প্রাইভেট। নট ফর পাবলিক। বাট আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নিচ্ছে এখন। পরী এখন যা করছে বা তার যা মন চায় করুক। তবে এটুকু স্পষ্ট করি, আমি কোনো ভুল করিনি। এবং আমাদের আর এক হওয়া হবে না।’
আর এতেই হয়তো ক্ষেপে গিয়েছেন পরী। সেটা অবশ্য অজানা। তবে ধারণা করা যায় রাজের নতুন পোস্ট থেকে। সংসার ভাঙার জন্য তিনি গডফাদারদের দিকে আঙুল তুলেছেন।
মঙ্গলবার ভোররাতে ফেসবুকে নিজের একাউন্টে লিখেছেন, ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লাইভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স।’ মূলত পরীকে বিপথে বা ভুলপথে চালাচ্ছেন অন্য কেউ। একজন বা একাধিক। তাদেরকেই গডফাদার হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন রাজ। যদিও তিনি কোন বিষয়ে এমন পোস্ট দিয়েছেন সেটা স্পষ্ট করেননি। মোবাইল ফোনে জানতে চাইলেও সেটা বলেননি। তবে তার এমন নেতিবাচক পোস্ট স্পষ্টতই ধারণা দেয়, পরী কোনো একটা সিন্ডিকেটের নির্দেশে চলছেন এবং তাদের কাছ থেকে পরীর পক্ষ নিয়ে হুমকিও পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় পরীমনি ও শরিফুল রাজের। প্রথম দেখামাত্র সাতদিনের মাথায় বিয়ে করেন তারা। বিষয়টি অবশ্য গোপন রাখেন। এরপর পরী সন্তানসম্ভবা হলে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে তারা পারিবারিকভাবে আবারও বিয়ে করেন। একই বছরের ১০ আগস্ট পুত্রসন্তানের মা হন পরী। যার নাম রেখেছেন শাহীম মুহাম্মদ রাজ। রাজের এটা প্রথম বিয়ে হলেও পরীমনির ছিল তৃতীয় বিয়ে।
বিনোদন ডেস্ক
সূত্র: যুগান্তর
