Home / Entertainment / ছোঁয়ার আকুতি আর হাত ধরে টানাটানি, ভোটের মাঠে অঙ্কুশ

ছোঁয়ার আকুতি আর হাত ধরে টানাটানি, ভোটের মাঠে অঙ্কুশ

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্ব আগামী ২৯ মে। এই শেষ দফায় ভোটের মাঠে সব দলই নেমেছে কোমর বেঁধে। একাধিক টালিউড তারকা নিজেদের পছন্দের দলের হয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।  

রোববার (২৬ এপ্রিল) বনগাঁয় এক বিশাল রোড শোর আয়োজন করা হয়েছিল ঘাসফুল দলের পক্ষ থেকে।  আর তাতে তারকা মুখ হিসেবে দেখা যায় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে। সরাসরি রাজনীতিতে না থাকলেও বরাবরই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অঙ্কুশ। ভোটে দাঁড়াতে পারেন, এমন খবরও শোনা গিয়েছিল মাসখানেক আগে। তবে প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকলেও তৃণমূলের হয়ে প্রচারে অংশ নেন তিনি। রাজ্যসরকারের যে কোনো অনুষ্ঠানেই থাকেন তিনি ও তার বান্ধবী ঐন্দ্রিলা সেন। অঙ্কুশ স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এ মুহূর্তে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন না এবং সম্পূর্ণভাবে সিনেমা ও প্রযোজনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান।

প্রচণ্ড ভিড়ের মাঝেও পছন্দের অভিনেতাকে একপলক দেখার আর ছোঁয়ার আকুতি ভোটারদের। এমনকি ভিড়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার হাতেও পড়ল টান। তরুণীদের মাঝে  হুড়োহুড়ি। কেউ কেউ আবার উপহারও এনেছেন। আর এসব কিছুই হাসিমুখে সামলালেন অভিনেতা। এদিন অঙ্কুশ হাজরার পাশে দেখা গেল অভিনেতা সোহেল দত্তকেও। 

এর আগে ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ ‘মহানায়ক সম্মান’-এ ভূষিত হযন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। নিন্দুকদের দাবি, শাসক দলের সঙ্গে দহরম-মহরম থাকার কারণেই নাকি এ সম্মান। যদিও নিজেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি নিজেকে এই প্রজন্মের ‘মহানায়ক’ হিসেবে মানেন না এবং এই পুরস্কারের যোগ্য হয়ে উঠতে তার আরও অনেক পরিশ্রম বাকি।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট অঙ্কুশ নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘অঙ্কুশ হাজরা মোশন পিকচার্স’ শুরু করেন। এর আগে ২০১০ সালে ‘কেল্লাফতে’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে জগতে পা রাখেন অঙ্কুশ হাজরা। ‘খিলাড়ি’, ‘কানামাছি’, ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’, ‘ভিলেন’, ‘বিবাহ অভিযান’, ‘ম্যাজিক’ এবং ‘শিকারপুর’-এর মতো ভিন্নধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। 

তার প্রযোজিত প্রথম সিনেমা ‘মির্জা’, যা ২০২৪ সালে মুক্তি পায়। এটি একটি বড় বাজেটের অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা, যদিও বক্স অফিসে সেভাবে সাড়া জাগাতে পারেনি। শেষ সিনেমা ছিল নারী চরিত্র বেজায় জটিল, যার রীতিমতো ভরাডুবি হয়।

অন্যদিকে তারকাদের মধ্য়ে জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন দীপক অধিকারী দেব, সৌমিতৃষা কুণ্ডু-রা। এমনকি তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন এসেছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের তরফ থেকেও। মমতার সভায় এসেছিলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। টালিপাড়ার তারকারা বেশিরভাগই এখন ‘দিদির’ পাশে। এবার কতটা মন থেকে আর কতটা চাপে পড়ে তা বলা মুশকিল! এখন দেখার বিষয়— প্রচারের এই বহর কতটা ছাপ ফেলতে পারে ব্যালেট বক্সে। আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলের মাধ্যমে কাদের মুখে ফুটবে জয়ের হাসি। 

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *