
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা জুনিয়র এনটিআর তার আসন্ন সিনেমা প্রশান্ত নীল পরিচালিত ‘ড্রাগন’ চরিত্রের প্রয়োজনে মাত্র সাত সপ্তাহে সাড়ে ৯ কেজি ওজন কমিয়েছেন। তার ট্রেইনার কুমার মান্নাভার তথ্যমতে, এ পরিবর্তন কেবল চর্বি কমানোর জন্য নয়, বরং শরীরের পেশির ভর কমিয়ে আরও লীন ও চটপটে লুক পাওয়ার জন্য করা হয়েছে।
প্রশান্ত নীলের পরিচালনায় ‘ড্রাগন’ সিনেমার জন্য অসাধারণ ট্রান্সফরমেশন করেছেন জুনিয়র এনটিআর। আগের তুলনায় অনেক বেশি শার্প ও ফিট দেখাচ্ছে অভিনেতাকে। নিখুঁত শারীরিক পরিবর্তন মুহূর্তেই মানুষের নজর কেড়ে নেয়। বিশেষ করে যখন সেটি এমন এক অভিনেতার ক্ষেত্রে ঘটে, যিনি পর্দায় আগে থেকেই নিজের শক্তিশালী ইমেজ তৈরি করেছেন। জুনিয়ার এনটিআরের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে।
সম্প্রতি জুনিয়র এনটিআর সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন। সেই ছবিটি খুব সাধারণ হলেও ভাইরাল হয়ে পড়ে। সেই ছবিতে জুনিয়র এনটিআরকে দেখা যাচ্ছে ক্লাসিক ‘ডাবল বাইসেপস’ পোজে। ছবিটি তোলা হয়েছে পেছন দিক থেকে। ফলে তার পিঠ, বাহু ও কাঁধের গঠন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। শরীরের প্রতিটি অংশ আগের তুলনায় অনেক বেশি টানটান ও সুগঠিত। হালকা ধূসর শর্টসে জিমে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেতা। ব্যাকগ্রাউন্ড কিছুটা ব্লার হলেও জিমের সরঞ্জাম বোঝা যায়, যা ছবির ফোকাসকে আরও পরিষ্কার করেছে।
সেই ছবির ক্যাপশনে জুনিয়র এনটিআর লিখেছেন— ‘Built. Not bought।’
জুনিয়র এনটিআরের এই লক্ষ্যপূরণের জন্য তার সম্পূর্ণ রুটিন বদলানো হয়েছে। ডায়েটে বড় পরিবর্তন আনা হয়— হাই-প্রোটিনের পরিবর্তে কম প্রোটিন গ্রহণ করে ধীরে ধীরে পেশি কমাতে সাহায্য করে। ভারি ওজন তোলার বদলে তিনি ফোকাস করেন ফাংশনাল ট্রেনিং, কার্ডিও এবং মাঝারি রেজিস্ট্যান্স ওয়ার্কআউটে।
প্রতিদিন ভোরে ৪৫ থেকে ৯০ মিনিটের কঠোর ট্রেনিং চালিয়ে গেছেন তিনি। শুনতে সহজ হলেও, এই শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত কঠিন। মাত্র ৫৪ দিনে এই লক্ষ্য অর্জন সত্যিই কঠিন। এই ট্রান্সফরমেশনের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হচ্ছে—মাত্র সাত সপ্তাহে সাড়ে ৯ কেজি ওজন কমানো। তার ট্রেনার কুমার মান্নাভার এম তথ্যই জানিয়েছেন। আরও কঠিন বিষয় হলো, এই ওজন কোনো চর্বি নয়, বরং পেশি কমানো হয়েছে, যা সাধারণত অনেক বেশি কঠিন। চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে মানানসই করে তুলতেই এই কষ্টসাধন।
বিনোদন ডেস্ক





