Home / Entertainment / বাবার বয়সির তৃতীয় বউ হওয়াসহ লোভনীয় প্রস্তাব, যা বললেন অ্যামি নূর

বাবার বয়সির তৃতীয় বউ হওয়াসহ লোভনীয় প্রস্তাব, যা বললেন অ্যামি নূর

মালয়েশিয়ার সাবেক বিউটি কুইন ও অভিনেত্রী অ্যামি নূর তিনির রূপে ও গুণে অনন্য। তার রূপের সৌন্দর্যেই প্রতিদিন অসংখ্য পুরুষের কাছ থেকে প্রেম-ভালোবাসা ও বিয়ের প্রস্তাব পেয়ে থাকেন তিনি। এমনকি এ সুন্দরীকে নাকি কোটি কোটি টাকা দিয়ে তৃতীয় স্ত্রী হওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন একজন ভিভিআইপি।— এমন কথা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এমন মন্তব্য করায় নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। বাবার বয়সি ধনীর সেই প্রস্তাব নাকি ফিরিয়ে দিয়েছেন এ মালয়েশিয়ান সুন্দরী। এক বিবাহিত ভিভিআইপির তৃতীয় স্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন অ্যামি নূর। তাকে এ বিয়ের বিনিময়ে বিপুল সম্পদ, জমি এবং প্রতি মাসে মোটা অংকের ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। 

সম্প্রতি মালয়েশিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সাফওয়ান নাজরির পডকাস্টে এসে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন ২৯ বছর বয়সি অ্যামি নূর। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি এসেছিল একজন ‘ভিভিআইপি’-এর কাছ থেকে। মালয়েশিয়ায় অত্যন্ত উচ্চ সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি তিনি। 

অ্যামি নূর বলেন, তৃতীয় স্ত্রী হওয়ার বিনিময়ে তাকে একটি বিলাসবহুল বাংলো, একটি গাড়িসহ ১০ একর (৪০ হাজার বর্গমিটার) জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে হাত খরচ বাবদ প্রতি মাসে ৫০ হাজার  রিঙ্গিত ভাতা দেওয়ার কথাও বলা হয় (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ লাখ টাকা)।

অভিনেত্রী বলেন, করপোরেট ইভেন্টগুলো সঞ্চালনা করার সময় তাকে প্রায়ই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মুখোমুখি হতে হয়। ২০১৯ সালে, যখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর এবং তিনি আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য স্পন্সর খুঁজছিলেন, তখন এক ‘দাতুক’ (মালয়েশিয়ার একটি সম্মানসূচক পদবি) তাকে এ প্রস্তাব দেন। ওই ব্যক্তির বয়স ছিল অ্যামির বাবার বয়সি।

অ্যামি ও তার মা দুজনেই তাৎক্ষণিকভাবে এ প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। অ্যামি বলেন, ‘আমার মা খুব শক্তভাবে এটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি আমাকে বিক্রি করতে রাজি ছিলেন না। অভিনেত্রী বলেন, তিনি চান তার সঙ্গী দায়িত্বশীল ও আর্থিকভাবে স্থিতিশীল হোক। তবে খুব বেশি ধনী হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। আর তাকে দেখতে যদি আয়রনম্যানের মতো হয়, ঠিক আছে, কিন্তু কোনো দাদুর মতো যেন না হয় বলে হাসতে হাসতে জানান অ্যামি নূর।

অ্যামি নূর তার ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর মানদণ্ড সম্পর্কেও কথা বলেন। অভিনেত্রী বলেন, তিনি অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে ‘হালাল’ পথে টাকা উপার্জন করতে চান এবং বাবা-মায়ের সেবা করতে চান। তিনি বলেন, না, ধন্যবাদ। আমি নিজের কাজ নিজেই করব। নিজের সম্মান বিক্রি করে ধনী হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই তার।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *