
এ মুহূর্তে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গা বিতর্ক জড়িয়ে বিনোদন জগতে আলোচনায়। বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের আট ঘণ্টার কাজ আর ২০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক চাওয়া নিয়েই শুরু হয়েছে এ বিতর্ক। এর জেরেই নাকি বাদ পড়তে হয়েছে প্রথম সারির অভিনেত্রীকে। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতেই নাম না করে ‘নারীবাদ’ নিয়েও খোঁচা দিয়েছেন পরিচালক।
যদিও বঙ্গার ঝুলিতে সিনেমার সংখ্যা মাত্র তিনটি। আর তাতেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন পরিচালক। তার উত্থান তেলেগু সিনেমা ‘অর্জুন রেড্ডি’র মাধ্যমে। বিজয় দেবেরাকোন্ডা অভিনীত এ সিনেমাটির পরিচালক হিসাবে সন্দীপের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সিনেমা তো বটেই। পাশাপাশি এ সিনেমায় অভিনয় করেই নজরে এসেছিলেন অধুনা দক্ষিণী তারকা বিজয়।
এর আগে একাধিক সিনেমায় ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়। তবে ‘অর্জুন রেড্ডি’ প্রায় রাতারাতি ভাগ্যবদলে দিয়েছিল এ অভিনেতার। তারকা তকমা পেতেও আর সবুর করতে হয়নি তাকে। তা সত্ত্বেও সিনেমাটি নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। কিন্তু কেন?
কারণ ‘অর্জুন রেড্ডি’ সিনেমার মুখ্য চরিত্র অর্জুন রেড্ডি আদপে একজন চূড়ান্ত রগচটা মানুষ। তার রাগ হলেই সে এক কিস্তিতে চারটে সিগারেটে টান দেয়। তাতেও মাথা ঠান্ডা না হলে সেই রাগের কোপ গিয়ে পড়ে তার বন্ধুবান্ধবদের ওপরে। তার রোষের হাত থেকে মুক্তি নেই তার বাড়ির পরিচারিকারও। রেগেমেগে তাকেও ছুরি হাতে তাড়া করে সে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রাগের বশে প্রেমিকার গায়ে হাত তোলা তো আছেই। সঙ্গে আছে ঘন ঘন চোখরাঙানো শাসানি।
ঠিক একই রকমের পুরুষ বঙ্গার ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার মুখ্য চরিত্র রণবিজয়। উগ্র পৌরুষের পালে এভাবেই হাওয়া দেন বঙ্গা— এমনটিই অভিযোগ পরিচালকের বিরুদ্ধে। তাই তাকে ‘নারীবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়েছে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি।
নিজে বিয়ে করেছেন ভালোবেসে। স্ত্রীর নাম মনীষা রেড্ডি। স্ত্রীকে আড়ালেই রেখেছেন সন্দীপ। পরিচালকের কোনো সিনেমার প্রদর্শনীতে এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি স্ত্রী মনীষাকে। ২০১৪ সালে বিয়ে করেন দুজনে। এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের বাবা-মা তারা। তার স্ত্রীকে নিয়ে তেমন কোনো তথ্য সেভাবে দেওয়া নেই সামাজিক মাধ্যমে। ইনস্টাগ্রামে আছেন বটে। যদিও অ্যাকাউন্টটি ‘ব্যক্তিগত’ করে রাখা। স্বামী ছাড়া অন্য কাউকে সামাজিক মাধ্যমে অনুসরণও করেন না বঙ্গাপত্নী।
বিনোদন ডেস্ক





