Home / Entertainment / জটিল রোগে ভুগছেন ইমন চক্রবর্তী

জটিল রোগে ভুগছেন ইমন চক্রবর্তী

কলকাতার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। ‘তুমি  যাকে ভালোবাসো’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ২০১৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন, যা ভারতের কণ্ঠশিল্পীদের জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার। 

জনপ্রিয় শিল্পী ইমন প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (পিএমএস) রোগে আক্রান্ত। এ সমস্যায় গায়িকা দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছেন। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ইমন চক্রবর্তী জানিয়েছেন সেই কথা। এই রোগের সমস্যা সমাধানে খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনা এবং নিয়মিত শরীরচর্চাও করেন, কিন্তু তার পরও মুক্তি মিলছে না বলে জানান গায়িকা।

 এখন প্রশ্ন হলো— পিএমএস কী? 

পিএমএস হলো, এমন কিছু লক্ষণের সংমিশ্রণ, যা অনেক নারী তাদের ঋতুস্রাব এক বা দুই সপ্তাহ আগে অনুভব করেন। এ বিষয়ে ৯০ শতাংশেরও বেশি নারী বলেন— তাদের ঋতুস্রাবের আগে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। এই যেমন— পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা ও মেজাজ খারাপ হওয়া। কারও কারও ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, পেটব্যথা, অকারণে মন খারাপ ও কান্না পাওয়ার মতো লক্ষ্মণও দেখা যায়। কারও ক্ষেত্রে পেট খারাপ, বদহজম এবং খাবারে অরুচির মতো উপসর্গও দেখতে যেতে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হাড়ে ব্যথা ও পেশিতে টানও দেখা যায়। আবার অনেক নারীর ক্ষেত্রে এ লক্ষণগুলো এত তীব্র হয় যে, তারা কাজ কিংবা স্কুল মিস করেন। আবার অনেক নারীর ক্ষেত্রে এ লক্ষণগুলো অনেকটাই কম হয়। 

স্বাভাবিকভাবে ৩০ বছর বয়সি নারীর ক্ষেত্রেই পিএমএস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। চিকিৎসকরা অনেক ক্ষেত্রেই এ লক্ষণগুলো থেকে মুক্তি দেওয়ার উপায় বলে দিতে সাহায্য করেন। তবে ঠিক কী কারণে পিএমএস হয়, তার নির্দিষ্ট ব্য়াখ্যা দিতে পারেননি গবেষকরা। মাসিক চক্রের সময় হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন এর মূল কারণ হতে পারে। এই পরিবর্তনশীল হরমোনের মাত্রা কিছু নারীকে অন্যদের তুলনায় বেশি প্রভাবিত করে। 

এ বিষয়ে গায়িকা তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন— পিএমএস মেয়েদের খুবই গুরুতর সমস্যা। নিজের যত্ন নিন। ধ্যান করুন, ব্যায়াম করুন এবং ভালো করে খাওয়া-দাওয়া করুন। আর যদি কিছু করতে ইচ্ছে না করে, তাহলে দয়া করে বিশ্রাম নিন—এরপর কাজে ফিরুন। 

তিনি বলেন, আমি অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছি। এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি এবং জানি এটা সামলে উঠতে পারব। সব মেয়ের জন্য শুভকামনা রইল…।

এদিকে ইমন চক্রবর্তীর সেই পোস্টে সহমত প্রকাশ করেছেন অনেক নেটিজেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— একদমই ঠিক। বিশেষ করে যদি কারও ডিপ্রেশন থাকে, তাহলে পিএমএস পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তোলে। সাবধান। আলিঙ্গন। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—আমিও ভুক্তভোগী, খুবই সমস্যা। অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন—পিএমএস সত্যি বড্ড কষ্টের।

আরেক নেটিজেন লিখেছেন—একই সমস্যায় আমি ভুগেছিলাম, কিন্তু একজন খুব ভালো গাইনোকোলজিস্ট এ বিষয়ে আমাকে পরামর্শ দেন। এরপরই কাটিয়ে উঠেছি। তারপর আমি মেয়ের জন্ম দিলাম। কোনো জটিলতা ছাড়াই।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *