Home / Entertainment / শহিদের সঙ্গে বিয়ের অজানা গল্প সামনে আনলেন মীরা

শহিদের সঙ্গে বিয়ের অজানা গল্প সামনে আনলেন মীরা

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহিদ কাপুর ২০১৬ সালের জুলাই মাসে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন। মীরা দিল্লির মেয়ে। বিয়ের আগ পর্যন্ত বলিউডের সঙ্গে তার কোনো সংযোগ ছিল না। বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় আসেন তিনি। তাদের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। যেদিন থেকে বিয়ের কথা ঘোষণা করেন শাহিদ, সেদিন থেকেই সবার মন কৌতূহলী হয়ে ওঠে। মীরার সম্পর্কে জানতে সবাই ভীষণ আগ্রহী হয়ে যায়। 

এদিকে অভিনেতা শাহিদ কাপুর যখন বলিউডে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছেন, ঠিক সেই সময় তার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে একাধিক নায়িকার প্রেমের কাহিনি। বিশেষ করে অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার সঙ্গে তার প্রেমকাহিনি ওপেনসিক্রেট। বলিউড ইন্ডাস্ট্রির কারও অজানা নয়। তবে সম্পর্ক ভাঙার শব্দ যখন শুনতে পান অনুরাগীরা, ঠিক তখনই মীরা রাজপুতের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

কিন্তু সেই সময় শাহিদ কাপুরের পরিবার সম্পূর্ণ চুপ ছিলেন। মীরার সম্পর্কে কারও কাছে কোনো কথাই বলেননি তারা। বিয়ের আগে ঠিক কী অবস্থা হয়েছিল মীরার, সে সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেন শাহিদপত্নী।

২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে মাত্র ২০ বছর বয়সে বলিউডের নায়ককে বিয়ে করেন মীরা রাজপুত। দুজনের বয়সের ফারাকও প্রায় ১৪ বছরের। বলিউডকে অবাক করে এই সম্পর্কে থিতু হয়েছেন অভিনেতা। তারা এখন দুই সন্তানের বাবা-মা। প্রথম সন্তান মেয়ে মিশা। দ্বিতীয় সন্তান পুত্র জায়ন। 

শাহিদের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হওয়ার পরেই তাই বড় সিদ্ধান্ত নেন মীরা। তিনি বলেন, যেদিন শাহিদের সঙ্গে আমার বিয়ের ঠিক হয়, সেই মুহূর্তে ফেসবুকের প্রোফাইল নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিলাম। তারপর দেখি একসঙ্গে প্রায় তিন হাজার ‘ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট’ এসে জমা হয়েছে। সেই সময় প্রত্যেকের নজর ছিল তার দিকে।

মীরা বলেন, অনেকেই ভাবতেন যে, তিনি স্বপ্নের দুনিয়ায় বাস করছেন। জীবনটা রূপকথার গল্পের মতো হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি সেই সময় খুবই একা হয়ে গিয়েছিলেন। 

শাহিদপত্নী বলেন, ‘প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম, কেউ যদি আমার প্রোফাইল হ্যাক করে দেয়!’ সেই সময় নিজের বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করে দিয়েছিলাম। মুম্বাই শহরে নিজেকে মানিয়ে নিতেও অসুবিধা হয়েছিল তার। তবে এখন পুরো পরিস্থিতিই বদলে গেছে। দুই সন্তান আর স্বামীকে নিয়ে বেশ সুখে শান্তিতে আছেন তিনি।

এর আগেও এক সাক্ষাৎকারে মীরা বলেছিলেন, আমি আর আমার বন্ধুরা বিচ্ছিন্নভাবে বড় হয়েছি। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই— বিয়ের পর আমি একা হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ আমরা জীবনের ভিন্ন পর্যায়ে ছিলাম সেই সময়। তিনি বলেন, সবার জীবনেই এই ভিন্ন ভিন্ন পর্যায় উপস্থিতি থাকে। আমার মনে হতো, আমার বন্ধুদের মতো যদি আমিও সময় কাটাতে পারতাম। বিয়ের পর যে অনেক বন্ধুর সঙ্গেই আর যোগাযোগ রাখতে পারেননি সে কথাও  অকপটে স্বীকার করেন শাহিদপত্নী। 

মীরার বন্ধুরাও যে অনুযোগ করতেন, তা জানিয়েছেন মীরা নিজেই। বেশিরভাগ সময়ই বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারতেন না তিনি।  মীরা বলেন, ওরা বলত— এ আবার কী, বিয়ে করে ফেলেছিস বলে আমাদের ভুলে যাবি? শাহিদপত্নী বলেন, আমি কী বলব! সত্যি আমি ব্যস্ত, বাঁধা পড়ে গেছি। ওরা আমাকে নিশ্চয়ই বুঝতে পারেনি সেদিন। তবে যেভাবেই হোক, বন্ধুত্বটা টিকে গিয়েছিল। এখন ওরা বুঝতে পারে। কারণ ওরাও এখন সংসারী হয়েছে।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *