Home / Entertainment / ফের তোপের মুখে ইমন

ফের তোপের মুখে ইমন

বেশ কিছু দিন ধরেই চর্চায় আছেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। কখনো তার গান অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার কারণে, কখনো সেই গান বাদ পড়ার কারণে, আবার কখনো কনসার্টে হিন্দি গান গাওয়ার বায়না ধরতে গিয়ে শ্রোতাকে কটাক্ষ করার কারণে। অথচ তিনিই তার দিল্লির শো থেকে পারফরম্যান্সের একটি ঝলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করতেই তোপের মুখে পড়লেন।

শনিবার রাতে গায়িকা ইমন চক্রবর্তী তার দিল্লি কনসার্টের একটি ভিডিও যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। সেখানেই দেখা যাচ্ছে— একটি হলের ভেতরে ঠাসাঠাসি করে শ্রোতারা বসে আছেন পছন্দের গায়িকার গান শোনার জন্য। আর মঞ্চে তখন ইমন চক্রবর্তী ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল ম্যায়’ ছবির জারা জারা গানটি গাইছেন। এই পারফরম্যান্সের একটি অংশের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে গায়িকা লিখেছেন—দিল্লি, গতকাল রাতে তুমি দুর্দান্ত ছিলে।

তার এই পোস্টে অনেকেই যেমন প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ কটাক্ষও করেছেন। এর আগে কলকাতার একটি শোতে তাকে পারফরম্যান্সের মাঝে বারবার বাংলা গান থামিয়ে হিন্দি গান গাওয়ার কথা বলতেই গান থামিয়ে গায়িকা রীতিমতো সেই কথার বিরোধিতা করেন। ভাইরাল হয়ে যায় তার বক্তব্য। 

সেদিন ইমন তার সেই কনসার্টে এক শ্রোতাকে বলেছিলেন—জোরের সঙ্গে বলা যে আমি বাংলা গান শুনব না। এটা অন্য কোনো জায়গা হলে চুলের মুঠি ধরে ক্যাম্পাস থেকে বার করে দিত। বাংলায় থাকছ। বাংলায় রোজগার করছ। বাংলা গান শুনবে না বলছ? ফালতু জিনিস করবে না। এই রাজ্যের নাম বাংলা। পাঞ্জাবি গান শোনো, মারাঠি গান শোনো, ইংরেজি গান শোনো বাড়িতে। কিন্তু তোমার সাহস হলো কী করে আমায় বাংলা গান গাইতে না বলতে? সাহস কে দিল? এই ভণ্ডামিগুলো কর না। সাহস থাকলে স্টেজে এসো। বাংলায় থাকছ, বাংলায় চাকরি করছ, বাংলায় রোজগার করছ এদিকে বাংলা গান শুনবে না বলছ।

 তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন বাংলায় থাকতে গেলে বাংলা গান শুনতে হবে। আর এদিন তিনি দিল্লি গিয়ে হিন্দি গান গাইলেন এবং সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও পোস্ট জানান দিলেন। আর তাতেই নেটিজেনদের কটাক্ষের মুখে পড়েন গায়িকা।

এক নেটিজেন লিখেছেন—ইমন, আপনি এই মঞ্চে বাংলা গান গাইলেন না কেন? বাংলা নিয়ে যত আদিখিতা শুধু বাংলা ভাষীদের উপরই নাকি? আরেক নেটিজেন লিখেছেন—ওখানে আবার কাউকে বলেননি তো যে চুলের মুঠি ধরে বের করে দেব?

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *