Home / Entertainment / মার্কিন নির্বাচনে যোগ দিতে পারলে কী করতেন কঙ্গনা?

মার্কিন নির্বাচনে যোগ দিতে পারলে কী করতেন কঙ্গনা?

আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই মার্কিনিরা পেতে যাচ্ছে তাদের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। এবারের নির্বাচন বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তো গোটা পৃথিবীর চোখ ছিল এই নির্বাচনকে ঘিরে। 

তবে নানা কারণে এবারের মার্কিন নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ছিল ভারতীয়দের কাছে। যারা ফলে ভোটের মাঠে ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। পাঁচ বছর আগে ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখনই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সখ্য প্রকাশ পেয়েছিল।

অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। যার ফলে দুই অংশে কমবেশি আগ্রহ ছিল ভারতীয়দের। তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বসহ দলটির কর্মী-সমর্থকরা প্রথম থেকেই ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়ে আসছেন।

এরই আবহে বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত খোলাখুলি সমর্থন জানালেন ট্রাম্পকে। তাকে ‘টোটাল কিলার’-এর আখ্যা দিয়ে প্রশংসায় ভাসালেন কঙ্গনা। সমাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের ছবি শেয়ার করে তিনি জানালেন এই মুহূর্তে আমেরিকায় থাকলে কী করতেন?

কঙ্গনা নিজের ইনস্টাগ্রামে পেনসিলভানিয়ার সমাবেশে ট্রাম্পের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ছবি দিয়ে লিখেন, আমি এই সময় আমেরিকা থাকলে ট্রাম্পকে ভোট দিতাম। গুলি লাগার পর উঠে দাঁড়িয়ে ভাষণ শেষ করেছেন যেভাবে, এক কথায় ‘টোটাল কিলার’। 

চলতি বছর জুলাই মাসে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে গুলি লাগে ট্রাম্পের। পেনসিলভেনিয়ার বাটলারের একটি সভায় গিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার কথা শোনার জন্য প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়েছিল। মঞ্চে উঠে কথা বলতে শুরু করেন ট্রাম্প। তখনই গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। দেখা যায়, ট্রাম্পের ডান দিকের কানের পাশ থেকে রক্ত বেরোচ্ছে। তার মুখেও রক্তের দাগ দেখা যায়। 

তবু উঠে দাঁড়িয়ে হাত মুঠো করে আকাশের দিকে ছোড়েন ট্রাম্প। সেই ছবি নিমেষে ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। সভায় উপস্থিত বাকিরাও নিচু হয়ে বসে পড়েন। দ্রুত সেখান থেকে ট্রাম্পকে সরিয়ে নিয়ে যান তার নিরাপত্তারক্ষীরা। তবে ট্রাম্পের সেই ছবি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায় তাতে সেই ছবি দিয়ে টি-শার্ট ও বিক্রি হয় আমেরিকায়।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *