Home / Entertainment / কোন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট পরেছিলেন ঐশ্বরিয়া?

কোন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট পরেছিলেন ঐশ্বরিয়া?

১ নভেম্বর ৫১ বছরে পা দিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তার জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক পুরোনো স্মৃতি। সবাই জানেন, তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জিতেছিলেন। ২১ বছর বয়সে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট পরেন বচ্চনবধূ। 

কিন্তু সেই সময়কার ওই প্রতিযোগিতায় তিনি যে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জিতেছিলেন, জানেন সেটা কি ছিল?

১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিচারকরা ঐশ্বরিয়া রাইকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, বিশ্বসুন্দরীর মধ্যে কোন কোন গুণগুলো থাকা আবশ্যক? 

এই প্রশ্নের জবাবে বলিউড সুন্দরী বলেছিলেন, ‘যিনি মিস ওয়ার্ল্ড হবেন তাকে আপ টু ডেট থাকতে হবে, তাদের ভালো লাগার প্রতি যে তারা কম্প্যাশনেট সেটা প্রমাণ করতে হবে। যারা সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশ, তাদের জন্য ভাবতে হবে। কেবল উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত বা সম্মানীয় মানুষদের কথা ভাবলেই হবে না। দেশ, রং, বর্ণ নির্বিশেষে কাঁটাতারের সীমারেখা পেরিয়ে গিয়ে ভাবতে হবে, কাজ করতে হবে। একজন প্রকৃত মানুষ হতে হবে। একজন সত্যিকারের মানুষ। আর তাতেই সে একজন প্রকৃত মিস ওয়ার্ল্ড হয়ে উঠতে পারবেন’।

১৯৯৪ সালে ঐশ্বরিয়া রাই মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কথা বলেছিলেন তার ভারতীয় যোগের সম্পর্কে, তার দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি নিয়ে। বলেছিলেন কীভাবে এই দেশে বিভিন্ন ধরনের সংস্কৃতির মানুষ একসঙ্গে একত্রে বসবাস করেন। 

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘গোটা পৃথিবী আছে আমাদের ভারতে। কত ধর্ম, কত বর্ণ আছে ভারতে। অনেক সংস্কৃতি, মানুষের সম্মেলন ঘটে এখানে। আমরা জানি সবাইকে নিয়ে কীভাবে থাকতে হয়’।

১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতার পর ১৯৯৭ সালে তামিল এবং হিন্দি সিনেমায় ডেবিউ করেন ঐশ্বরিয়া। উপহার দিয়েছেন বহু হিট ‍সিনেমা। এরই মাঝে প্রথমে নায়ক বিবেক ওবেরয় এবং পরে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান বলে নানা গুঞ্জন আছে। 

তবে শেষমেশ ২০০৭ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন বলিউড শাহেনশাহ খ্যাত অমিতাভ বচ্চনের পুত্র অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে। তাদের একটি মেয়েও আছে, নাম তার আরাধ্যা। 

তবে বর্তমানে কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে, তাদের এই সংসার নাকি ভাঙতে চলেছে। যদিও এ নিয়ে কোনো কথা বলতে নারাজ উভয়েই।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *