Home / Entertainment / সারিকার সংসার টেকাতে যাদের ভূমিকা ছিল

সারিকার সংসার টেকাতে যাদের ভূমিকা ছিল

বিভেদ ভুলে স্বামীর ঘরে ফিরে গেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। স্বামী জিএস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে যে মামলা করেছিলেন তাও তুলে নিয়েছেন। বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে নতুন করে আবার সংসার শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে কীভাবে দুজন এক হলেন সেই গল্প নিজেই জানিয়েছেন সারিকা। 

rnrn

মঙ্গলবার একটি গণমাধ্যমে এই অভিনেত্রীর একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। সেখানে সারিকা বলেন, আমাদের বিষয়ে দুই পরিবার বসেছিল। রাহী ক্ষমা চেয়েছে। সে একসঙ্গে থাকার কথা বলেছেন। আর আমি তো তাকে ভালোবাসি। এ কারণে মামলা তুলে নিয়েছি। এ ছাড়া আমিও সুন্দরভাবে সংসার করতে চেয়েছি।

rnrn

তিনি আরও বলেন, বিচ্ছেদ ভালো কিছু নয়। আমাদের সুন্দর সমাধানে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষ। এখন একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করছি। বর্তমানে রাহীর বাসায় আছি। 

rnrn

এর আগে সাত বছর চুটিয়ে প্রেম করে ২০১৪ সালের ১২ আগস্ট পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের বাসিন্দা মাহিম করিমকে বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারিকা। সেই ঘরে একটি মেয়েও আছে তার। কিন্তু ২ বছরের মাথায় সারিকার সেই সংসার ভেঙে যায়। 

rnrn

ডিভোর্সের পর কিছুটা ছন্নছাড়া হয়ে পড়েন সারিকা। অভিনয় থেকে কিছু সময় দূরে ছিলেন। নতুন করে কোনো সম্পর্কেও জড়াননি। 

rnrn

এর পাঁচ বছর পর আবার বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন নায়িকা। ক্যালেন্ডার ঘেঁটে শুভদিন দেখেই বিয়েটা করেছিলেন সারিকা। ০২.০২.২২, মানে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখ রাহীকে বিয়ে করেন।

rnrn

দ্বিতীয় বিয়ের সময় বলেছিলেন, প্রেম করে বিয়ে করে ভুল করেছেন। সে কারণে এবার অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ করেছেন। তবে সারিকার দ্বিতীয় সংসার জীবনে সুখ বেশি দিন টিকেনি।

rnrn

বছর না ঘুরতেই তার সংসারে ভাঙনের সুর ‍উঠে। স্বামীর প্রতি তিক্ততা এত তীব্র হয় যে, আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন অভিনেত্রী। 

rnrn

তবে কী কারণে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন- এমন প্রশ্নে সারিকা বলেন, মানুষ চায় সবার আগে নিজে ভালো থাকতে, তারপর আশপাশের মানুষকে ভালো রাখতে। ওই সময় আমার ওপর দিয়ে খুব ঝড় বয়ে গিয়েছিল। মামলা করার আগেও চেষ্টা করেছি সমাধান করতে, হয়নি। পরে বাধ্য হয়েই কাজটি করতে হয়েছিল আমাকে। থাক, সেসব কথা এখন আর না বলি।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *