
বলিউডের পছন্দের জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির বিয়ে উপলক্ষ্যে রাজস্থানের মরুশহর জয়সলমেরের সূর্যগঢ় প্যালেস ঝলমলিয়ে উঠেছে। হাতে বোনা পোশাক আর ভারতীয় শিল্পকলার রংবাহারি স্টল। রাজস্থানি লোকগীতি আর লোকনৃত্য। এক কথায় বলা যায়- বিয়েকে ঘিরে যেন আনন্দ মেলা বসেছে সূর্যগঢ়ের অট্টালিকায়। শুধু তাই নয়, সাথে থাকছে হরেক রকমের রাজকীয় খাবার। তবে এ বিয়ে সোমবারই হওয়ার কথা ছিল।
rnrn
৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই অপেক্ষা করে বসেছিলেন অনুরাগীরা। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেও বিয়ের কোনো ঝলক দেখা গেল না। কখন সাত পাকে ঘুরবেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদভানি? প্রতীক্ষার অবসান ঘটল; কিন্তু সেদিন প্রণয় ঘটেনি। অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- কেন বিয়ের তারিখ পরিবর্তন হলো।
rnrn
গোপন সূত্রে খবর ছিল- প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হবে ৪ তারিখ থেকে আর বিয়ে ৬ তারিখ; কিন্তু ৬ তারিখ রাত কেটে গেল ব্যাচেলর পার্টিতে। সেই খবর আগে থেকে কারও জানা ছিল না।
rnrn
জমজমাট অনুষ্ঠান, হইচইয়েই মেতে রয়েছে আদভানি আর মালহোত্রা পরিবার। নাচগান, খানাপিনা, পোশাকের ঝিলিকে বন্ধুবান্ধব এবং নিমন্ত্রিত অতিথিদেরও নাগাল পাওয়া ভার। তবে বিয়ে যে পিছিয়ে গিয়েছে সে খবর জানা গেল মঙ্গলবারই।
rnrn
সিড-কিয়ারার বিয়েতে বলিউডের তারকারা যেমন নিমন্ত্রিত, তেমনই রয়েছেন ইশা আম্বানির মতো ভিভিআইপি অতিথিও। সে কারণেই আরও জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি যাতে বাইরে না বেরোয়, সেজন্য মূল অনুষ্ঠানের দিনে মোবাইল ফোন ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিসরেই সাত পাকে বাঁধা পড়তে চান সিড-কিয়ারা। বিয়েতে নিমন্ত্রিতের সংখ্যা ১০০ জন। নিরাপত্তার দিক থেকে ভিকি-ক্যাটরিনার পন্থাই গ্রহণ করেছেন তারাও।
বিনোদন ডেস্ক





