Home / Entertainment / ভোট দিতে পারেননি একঝাঁক তারকাশিল্পী

ভোট দিতে পারেননি একঝাঁক তারকাশিল্পী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষ্যে শুক্রবার এফডিসিতে ছিল সাজ সাজ রব। সকাল ৯টা থেকেই শিল্পীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এফডিসি। বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত চলেছে ভোটগ্রহণ। তবে এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি ঢাকাই সিনেমার একঝাঁক অভিনয়শিল্পী।

rnrn

তারা হলেন- অরুণা বিশ্বাস, সাদিকা পারভীন পপি, শাকিব খান, ফেরদৌস আহমেদ, মৌসুমী, আজিজুল হাকিম, আনিসুর রহমান মিলন, মৃদুলা আহমেদ রেসি, বিপাশা কবির, সোহানা সাবা, শাহরিয়ার নাজিম জয়, পুষ্পিতা পপিসহ আরও কয়েকজন শিল্পী।

rnrn

তবে তাদের ভোট দিতে না পারার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই। ব্যক্তিগত কাজে দেশের বাইরে অবস্থানের কারণে ভোট দিতে পারেননি এ তারকা অভিনয়শিল্পীরা।

rnrn

গত নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হয়েছিলেন অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। তবে এবার ভোটের মাঠ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। দেশে না থাকার কারণে ভোট দিতে পারেননি তিনি। কানাডা থেকে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘দেশে থাকলে অবশ্যই ভোট দিতে এফডিসি যেতাম। কিন্তু বিশেষ কারণে দেশে না থাকায় ভোট দিতে পারছি না। সবাইকে খুব মিস করছি।’

rnrn

জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে আড়ালে থাকার কারণে গতবারের মতো এবারও ভোট দিতে আসেননি চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। বিয়ে করে গোপনে সংসার করছেন এ অভিনেত্রী। গুঞ্জন রয়েছে, সন্তানও জন্ম দিয়েছেন তিনি।

rnrn

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। গত বছরের শেষদিকে দেশে এলেও দুই মাস পর তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। তবে তিনি নির্বাচন উপলক্ষ্যে দেশে এসেছেন। দিয়েছেন ভোটও। বিরক্ত হয়েছেন অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেখে।

rnrn

দেশের এ সময়ের সেরা নায়ক শাকিব খান শিল্পী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দুইবার। তাকেও শুক্রবার এফডিসিতে দেখা যায়নি। জানা গেছে, নতুন একটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য বর্তমানে তিনি অবস্থান করছেন ভারতে।

rnrn

মৌসুমী রয়েছেন আমেরিকায়। ফেরদৌস গিয়েছেন আমেরিকায় একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে। দেশটিতে অবস্থান করছেন ঢাকাই সিনেমার আরও বেশ কয়েকজন তারকাশিল্পী। তাই তাদের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দেখা যায়নি।

rnrn

তবে নির্বাচনে ভোট দিতে এসেছেন একসময়ের দাপুটে অভিনেতা আহমেদ শরীফ। তিনিও বর্তমানে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন। এ মুহূর্তে দেশে রয়েছেন এ অভিনেতা।

আনন্দনগর প্রতিবেদক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *