
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নিয়ে বিরোধ গত দুই বছর ধরেই। ২০২২-২৩ সালের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খান ভোটে জয়ী হলেও নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। এরপর আপীল বোর্ডের সিদ্ধান্তে নিপুণকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন জায়েদ।
rnrn
আদালত তার পক্ষে রায় দিলেও সেটাকেও আদালত কর্তৃক স্টে করান নিপুন। এরপর সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসেন। যদিও এই বসাটাকে আদালত অবমাননা ও অবৈধ বলেন জায়েদ খান। এটাই ছিল সেসময়ের হট টপিক। এভাবেই কেটে যায় দুই বছর। সেই মামলার সমাধান এখনও হয়নি। এর মধ্যেই ঘনিয়ে আসে শিল্পী সমিতির নির্বাচন।
rnrn
আগামী ১৯ এপ্রিল ২০২৪-২৫ মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিলও ঘোষণা করেন ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ কমিটি। তবে এবারের নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন অংশ নেবেন না বলে এরইমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন। নিপুণ যথারীতি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।
rnrn
অন্যদিকে গত নির্বাচনের বিরোধের জের ধরে এবার আর নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জায়েদ খান। এর নেপথ্যের কারণও জানিয়েছেন তিনি।
rnrn
যুগান্তরকে জায়েদ খান বলেন, ‘আমি এখন পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। আমার বোন অসুস্থ। তাকে সময় দিচ্ছি। আমার বড় ভাই-বোন চান না আমি এবারের নির্বাচনে অংশ নেই। তারা বলেছেন, বিদেশে ট্যুর দিচ্ছো দাও, কিন্তু এবার নির্বাচন করো না। আমি তাদের কাছে থেকে বড় হয়েছি। তাদের কথা আমি রাখবো। এছাড়া আরও একটি বিষয় আমি ভেবেছি। শিল্পী হিসেবে মানুষ কাজ মনে রাখে। কে সভাপতি হলো কিংবা কে সেক্রেটারি এগুলো নয়। নির্বাচনে অংশ না নিলেও শিল্পীদের সেবা করা যায়। সেটাই করার চেষ্টা করবো।’
rnrn
তিনি আরও বলেন ‘একাধিকবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। শিল্পীদের সেবা করেছি। শিল্পীরা আমাকে ভোট দিয়ে জয়ীও করেছিল। কিন্তু সেসময় কী হয়েছিল সেটা সবাই জানেন। আমি মনে করি, শিল্পী বা সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে হলে চেয়ার বা পদবী বড় বিষয় নয়। শিল্পীদের জন্য যেকোনো সময় যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকব।’
rnrn
এদিকে এবারের নির্বাচনে ডিপজল ও মিশা সওদাগর একটি প্যানেল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে। এই প্যানেলে সমর্থন করছেন জায়েদ খান।
আনন্দনগর প্রতিবেদক





