
জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। যাকে বলা হয় বাংলা নাটকের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে। ইদানীং টিভি নাটকে অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন। কারণ, নতুন সিনেমার জন্য প্রস্তুতি ও ওয়েবের কাজের ব্যস্ততা।
rnrn
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নাটকের টিজারে দেখা গেছে উত্তাল সাগরে সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করছেন। এসব বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি
rnrn
rn* ‘পথে হলো দেরি’ শিরোনামের একটি নাটকের টিজার প্রকাশ হয়েছে সম্প্রতি। এ নাটকে উত্তাল সাগরের মাঝে দেখা গেছে আপনাকে। ভয় করেনি কাজ করতে?
rnrn
** প্রথমেই বলি, আমি একজন প্রফেশনাল অভিনেতা। ক্যারিয়ারে অনেক রিস্কি কাজে অর্থাৎ শর্ট নিয়েছি। তাই নতুন করে ভয় পাওয়ার কিছু ছিল না। এ নাটকটি পরিচালনা করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। টিজারে যে দৃশ্যটি দেখা গেছে সেটি গল্পের প্রয়োজনেই করা। হয়তো রিস্কের কারণে বাদ দেওয়া যেত, কিন্তু আমি ভেবেছি এটা করবোই। একবার যেটা আমার মাথায় ঢুকে যায় সেটা না করে ছাড়ি না। তাই রিস্ক থাকলেও শুটিং করে ফেললাম। তাছাড়া নতুনত্ব না থাকলে দর্শকরা কেন দেখবেন আমাকে? তাই ভালো কিছু করার জন্য একটু ঝুঁকি নেওয়া যেতেই পারে। সেটার ফলও পেলাম। দর্শকরা পছন্দ করেছেন, অনেক সাধুবাদ জানাচ্ছেন। এটাই ভালোলাগার।
rnrn
* কাজের জন্য জীবনের ঝুঁকি নেওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন?
rnrn
** দেখুন, আমি যখন যেটা করি সেটা অবশ্যই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আগেই বলেছি দর্শকরা আমার কাছে নতুন কিছু আশা করেন। তাই তাদের জন্য সেটা করা আমার অবশ্যই কর্তব্য। আমি সেটাই করেছি। আর জীবনের ঝুঁকি বলতে, অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে কাজ করি। তবে এ সময়টা আমি অনেক উপভোগ করি।
rnrn
* দেশের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায় আপনি বেশ জনপ্রিয়…
rnrn
** এটা আসলে আমার প্রতি তাদের (ভারতের দর্শকদের) আন্তরিকতা, ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই নয়। কলকাতার অনেক দর্শক আমাকে পছন্দ করেন, এটা আগে থেকেই জানি। সেখানে গিয়ে সেটা স্বচক্ষে অনুভবও করেছি। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিষয়টি আমার জন্য উপভোগ্যও বটে। তাদের জন্য কিছু করার ইচ্ছা রাখি। দেখা যাক, সামনে কী করতে পারি।
rnrn
* কলকাতায় ‘চালচিত্র’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করলেন। আর কোনো নতুন কাজের কথা হয়েছে?
rnrn
** কথা হয়েছে, তবে সেটা এখনই বলতে পারছি না। সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও আমি বলতে পারব না, যতক্ষণ না কাজ শেষ করছি। তবে এটুকু বলতে পারি, চমকে দেওয়ার মতো অনেক কিছুই আছে। সেটার জন্য নিশ্চয়ই আমার দুই বাংলার দর্শক-ভক্তরা অপেক্ষা করবেন।
আনন্দনগর প্রতিবেদক





