
অভিনেতাদের রাজনীতিতে আসা নতুন কোনো সংবাদ নয়। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন রাজনীতি। আবার অনেক নায়ক-নায়িকা পছন্দের প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। এতে কেউ পাচ্ছেন সাফল্য, কারও কপালে জুটছে ব্যর্থতা। তবে বলিউডে এই প্রথা বহুদিনের।
rnrn
বলিউড ও টালিউডের অভিনেতাদের রাজনীতি নিয়ে একটু পার্থক্য আছে। বলিউডে তারকারা তাদের যৌবনে নয়, বরং বয়স হলে যোগ দেন রাজনীতিতে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনীল দত্ত, হেমা মালিনী, জয়া বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চন রাজনীতিতে অংশ নিয়েছেন।
rnrn
অন্যদিকে টালিউডের চিত্র ভিন্ন। চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার যখন তুঙ্গে তখনই রাজনীতিতে যোগ দেন অভিনেতারা। যেমনটি করেছেন দেব, নুসরাত ও মিমি চক্রবর্তীর মতো তারকারা। কিন্তু বলিউডের সেই পুরনো ধারাই কি ভাঙতে চলেছেন অভিষেক বচ্চন? ক্যারিয়ারে স্বচ্ছন্দ থাকা অবস্থাতেই রাজনীতির আঙিনায় অভিষেক ঘটতে চলেছে জুনিয়র বচ্চনের!
rnrn
আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, সেটি মাথায় রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের রণকৌশল সাজাচ্ছে। এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে— ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোটে অংশ নেবেন অমিতাভপুত্র। শুধু যে রাজনীতিতে যোগদান করবেন এমন নয়, সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে দেখা যাবে তাকে।
rnrn
শোনা যাচ্ছে, অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির হয়েই নাকি ভোটে লড়বেন তিনি। ১৯৮৪ সালে এলাহাবাদ লোকসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে দাঁড়ান অমিতাভ বচ্চন। বিপুল ভোটে জিতেও মাত্র তিন বছরের মধ্যেই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
rnrn
তবে ২০০৪ সাল থেকে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জয়া বচ্চন। সমাজবাদী পার্টির হয়ে রাজসভার সদস্য তিনি। মায়ের দেখানো পথেই হাঁটতে চলেছেন কিনা, সে নিয়ে এখন কোনো মন্তব্য করেননি অভিষেক। আবারও শোনা যাচ্ছে যে, বাবার লোকসভা কেন্দ্র এলাহাবাদ থেকেই দাঁড়াতে পারেন অভিষেক বচ্চন।
rnrn
গত বছরই মুক্তি পায় অভিষেক বচ্চনের ‘দশভি’ ছবিটি। সেখানে হরিয়ানার এক রাজনীতিকের চরিত্রে দেখা যায় তাকে, এবার সত্যি সত্যি তাকে রাজনীতিতে দেখা যায় কিনা, সে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
rnrn
সূত্র: আনন্দ বাজার
rnrn
বিনোদন ডেস্ক





