Home / Entertainment / শিল্পা-রাজকে নিয়ে মানহানিকর পোস্টে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

শিল্পা-রাজকে নিয়ে মানহানিকর পোস্টে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী, ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট বা মন্তব্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন ভারতের দিন্ডোশী আদালত। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে প্রকাশিত এ ধরনের সব পোস্ট ও ভিডিও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরিয়ে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তি শমিতা যাদবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন শিল্পা শেঠি ও রাজ কুন্দ্রা। মামলায় অভিযোগ করা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে শমিতা তার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে এই তারকা দম্পতিকে নিয়ে একাধিক আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট প্রকাশ করেছেন।

মামলার শুনানি চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আবেদনও জানান শিল্পা-রাজ। তাদের আইনজীবী প্রদীপ গান্ধী আদালতে দাবি করেন, শমিতা যাদবের একাধিক পোস্টে শিল্পা ও রাজকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলক উদ্দেশ্যে এসব পোস্ট প্রকাশ করা হয়েছে, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

আবেদনটি গ্রহণ করে দিন্ডোশী আদালতের অতিরিক্ত বিচারক এসএম বুক্কে নির্দেশ দেন, শমিতা যাদব কিংবা তার প্রতিনিধি বা সহযোগীরা শিল্পা শেঠি ও রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে কোনো মানহানিকর তথ্য, পোস্ট বা ভিডিও প্রকাশ কিংবা প্রচার করতে পারবেন না।

এ ছাড়া আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, শমিতার সামাজিক মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রকাশিত এ ধরনের সব কনটেন্টও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরিয়ে ফেলতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত একটি মামলায় রাজ কুন্দ্রার নাম আলোচনায় আসে। ওই ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং কিছুদিন কারাগারেও থাকতে হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলাটি এখনো ভারতের নিম্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজ কুন্দ্রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলায় তিনি মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে মামলার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *