Home / Entertainment / জীবন ও সমাজ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অসাধারণ

জীবন ও সমাজ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অসাধারণ

নাট্যকার মান্নান হীরার জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নাটক মঞ্চায়ন ও স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করেছে আরণ্যক নাট্যদল। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এ স্মারক বক্তৃতা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরণ্যকের প্রতিষ্ঠাতা নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। তিনি বলেন, মানুষের জীবন ও সমাজ সম্পর্কে মান্নান হীরার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অসাধারণ ও গভীর। তার রচিত ‘এবং বিদ্যাসাগর’, ‘ময়ূর সিংহাসন’ এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনকে কেন্দ্র করে লেখা ‘খেলাখেলা’ নাটকগুলো সেই চিন্তারই প্রতিফলন। এছাড়া তার একক নাটক ‘লাল জমিন’ দেশে ও দেশের বাইরে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। মোমেনা চৌধুরীর অভিনয়ে নাটকটি বিশেষভাবে দর্শকপ্রিয়তা লাভ করে।

মামুনুর রশীদ আরও বলেন, পথনাট্যের বিকাশে মান্নান হীরার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি পথনাটকের সঙ্গে শিল্পবোধ ও সামাজিক সচেতনতাকে সফলভাবে যুক্ত করেছিলেন।

স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আরণ্যকের প্রধান সম্পাদক হারুন রশীদ।

অনুষ্ঠানে ‘নাট্যচর্চার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের একাডেমিশিয়ানদের নিকেশ-কড়চা’ শীর্ষক বক্তৃতা দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইউসুফ হাসান অর্ক।

মান্নান হীরার মৃত্যুর পর থেকে প্রতি বছর তার জন্মদিন উপলক্ষে স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে আসছে আরণ্যক নাট্যদল। এ বছর অনুষ্ঠিত হলো এই আয়োজনের পঞ্চম আসর। 

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

স্মারক বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও নাট্যসমালোচক বিপ্লব বালা, নাট্যজন ঠান্ডু রায়হান, নাট্যকার ও নির্দেশক মাসুম রেজা, গবেষক বাবুল বিশ্বাস, নাট্যনির্দেশক ও সংগঠক মোহাম্মদ বারী, অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক আজাদ আবুল কালাম, নাট্যকার অলোক বসু, নাট্যজন শহীদুল মামুন, অভিনয়শিল্পী ও সংগঠক আহাম্মদ গিয়াস, শাহ নেওয়াজ, অভিনেত্রী নাজনীন চুমকি, নাট্যকার আসাদুল ইসলাম, অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী, সামিউন জাহান দোলা, জয়িতা মহলানবিশ, নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু, সংগঠক তোসাদ্দেক মান্না, নাট্যকার সাইফ সুমন, পরিমল মজুমদার, অপু মেহেদী, শামীমা শওকত এবং প্রশান্ত হালদারসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এর আগে, জন্মজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে ৭ জুলাই জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয় মান্নান হীরার বহুল আলোচিত নাটক ‘ময়ূর সিংহাসন’।

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *