Home / Entertainment / সহকর্মীকে চড় মেরে দীর্ঘদিন পর অনুতপ্ত রিমা খান

সহকর্মীকে চড় মেরে দীর্ঘদিন পর অনুতপ্ত রিমা খান

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক রিমা খান ক্যারিয়ারের এক বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানান, ‘মিস ইস্তাম্বুল’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন তিনি একজন সহঅভিনেত্রীকে চড় মেরেছিলেন। বহু বছর পর সেই ঘটনার জন্য এখন গভীর অনুশোচনা বোধ করছেন এই তারকা।

রিমা খান তার সমসাময়িক চলচ্চিত্র জগতে অন্যতম মার্জিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ‘বুলন্দি’ সিনেমার মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করে ‘নিকাহ’, ‘হাতি মেরে সাথী’ এবং ‘কোই তুঝ সা কাহান’-এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসক স্বামী তারিক শাহাবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। 

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রিমা জানান, তখন তার বয়স ছিল ১৮ থেকে ২৫-এর মধ্যে। তিনি বলেন, ‘আমি সাধারণত ঝগড়া বিবাদে জড়ানোর মতো মানুষ ছিলাম না, কিন্তু সেই বয়সে মানুষকে খুব সহজেই উসকে দেওয়া সম্ভব ছিল।’

ঘটনাটি ঘটেছিল ইসলামাবাদে শামীম আরা পরিচালিত ‘মিস ইস্তাম্বুল’ সিনেমার সেটে। 

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

রিমা জানান, জনৈক এক সহঅভিনেত্রী তার সঙ্গে দুইবার দুর্ব্যবহার এবং আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন। তার কথায়, ‘হঠাৎ আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি এবং সবার সামনে তাকে চড় মারি।’

সেই অভিনেত্রীর নাম প্রকাশ না করলেও রিমা জানিয়েছেন, তিনি এখনো ইন্ডাস্ট্রিতে সক্রিয়। রিমার ভাষ্য, ‘আজও আমি সেই ঘটনার জন্য অনুতপ্ত। আমার নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত ছিল। আমি এখন তার জন্য দোয়া করি এবং ভাবি—যদি আমি বিষয়টি অন্যভাবে সামাল দিতাম! কখনো কখনো সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।’

যদিও রিমা সরাসরি কারো নাম নেননি, তবে পাকিস্তানি গণমাধ্যমের সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ‘মিস ইস্তাম্বুল’ সিনেমায় রিমার সহশিল্পী ছিলেন অভিনেত্রী মীরা। নব্বইয়ের দশকে এই দুই তারকার পেশাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও রেষারেষি বিনোদন জগতে বহুল আলোচিত ছিল।

তবে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে রিমা এই ধরণের ‘নম্বর ওয়ান বনাম নম্বর টু’ লড়াইকে মিডিয়ার সৃষ্টি বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, শিল্পীদের মধ্যে ততটা রেষারেষি থাকে না যতটা সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হয়। 

সূত্র: সামা টিভি 

বিনোদন ডেস্ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *