
রাজধানীর ভাটারা থানায় হওয়া হত্যা চেষ্টার মামলায় জামিন পেয়েছেন ঢালিউড
নিয়াক অপু বিশ্বাস। রোববার (১৩ জুলাই) ঢাকার
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে ১০ হাজার টাকা
মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন মুখে
মাস্ক ও গায়ে বোরকা পরে আদালতে হাজির হন এ চিত্রনায়িকা।
কেন বোরকা পরে আদালতে গিয়েছিলেন অপু বিশ্বাস, এমন প্রশ্ন তার ভক্তদের
মনে উঠতেই পারে। অবশ্য, এ প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তিনি। তার মতে, বিশৃঙ্খলা এড়াতেই তিনি
বোরকা পরেছিলেন।
অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আদালত চত্ত্বরে মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। সেখানে কোনো
তারকা উপস্থিত হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় আরও বেড়ে যায়। এতে অনেক সময় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা
তৈরি হয়। এর জন্যই আমি বোরকা পরেছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, শুরুর দিকে আমাকে কেউ চিনতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর চিনলেও
ততক্ষণে আমার কাজ শেষ হয়ে যায়।
শুধু আদালতেই নয়, প্রয়োজন হলে বাসার বাহিরে যাওয়ার সময়ও আশপাশের পরিস্থিতি
বিবেচনা করে প্রায়শ বোরকা পরেন বলে জানান অপু বিশ্বাস।
অপু বিশ্বাস যে মামলায় জামিন পেয়েছেন সেই মামলায় গত ১৮ মে চিত্রনায়িকা
নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অবশ্য গ্রেফতারের
দুদিন বাদে তিনি জামিন পান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই ভাটারা
থানার সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় গুলিতে এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি আহত
হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ঘটনার পর এনামুল হক ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা
দায়ের করেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৩ জনের
নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলায় অপু বিশ্বাস ২০৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। এছাড়াও মামলায় আসনা
হাবিব ভাবনা, জায়েদ খানসহ ১৭ অভিনয় শিল্পীকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, এসব শিল্পী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান
নিয়ে আওয়ামী লীগের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।
বিনোদন ডেস্ক





