Home / Entertainment / ‘আমি জানি কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক’, ডাক্তারকে শাসালেন কাঞ্চন

‘আমি জানি কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক’, ডাক্তারকে শাসালেন কাঞ্চন

অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের ঠাকুমাকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন
টালিউড অভিনেতা-বিধায়ক
কাঞ্চন মল্লিক। সেখানে গিয়েই ঝামেলায় জড়ান
তিনি।
হাসপাতালে উপস্থিত সিনিয়র জুনিয়র ডাক্তাররা খুব
বাজে আচরণ করেছেন কাঞ্চন
শ্রীময়ীর সঙ্গে।
নিয়ে ডাক্তাররা অনেক কথা বলেছেন। এবার
নিজেদের তরফের বক্তব্য সামনে আনলেন শ্রীময়ী।

গতকাল বুধবার (৯ জুলাই) আবার বিতর্কে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক তার স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। ক্যালকাটা স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনে গিয়ে আউটডোরে থাকা সিনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, কাঞ্চন নাকি সেই ডাক্তারকে হুমকিও দিয়েছেন, বদলি করিয়ে দেবেন সেই ডাক্তারকে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে সামাজিক
মাধ্যমে একটি
ভিডিও পোস্ট করে শ্রীময়ী বলেছেন, টিকিট কেটে আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই তাদের ঠাকুমাকে নিয়ে
ডাক্তার
দেখাতে গিয়েছিলেন তিনি কাঞ্চন। কিন্তু সেই সিনিয়র ডাক্তারই খারাপ ব্যবহার করেন কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে। চিৎকার করেন এবং দুর্ব্যবহার করেন।

অভিনেত্রী বলেন, কোনো ভুল করেননি তিনি কাঞ্চন, তাই ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বরং রাজনীতির রঙ দিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করছেন সেই
সিনিয়র ও
জুনিয়র ডাক্তাররা। কাঞ্চনপত্নী দাবি
করে বলেন
,
আমাদের সঙ্গে
রকম
ব্যবহার করলে, উনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেন?

ভিডিওতে শ্রীময়ীকে আরও বলতে শোনা যায়, প্রথমে আমরা ট্রপিক্যাল বিভাগে দিদাকে দেখাই। এরপর সেখান থেকেই আমাদের মেডিসিন বিভাগে পাঠানো হয়। দিদাকে প্রথমে দেখতেই চাননি মেডিসিন বিভাগের এইচওডি। তিনি
বলেন, যখন
আমরা বলি যে, আমাদের ট্রপিক্যাল থেকে এখানে পাঠানো হয়েছে, উনি বিরক্তি নিয়ে দেখতে থাকেন। কাঞ্চন একটু প্রেসারটা চেক করার কথা বললে, উনি ক্ষেপে যান। চিৎকার করতে থাকেন ক্রমাগত।

আত্মপক্ষ সমর্থন দাবি করে শ্রীময়ী বলেন, কোনো বিশেষ সুবিধা নেওয়ার থাকলে আমরা টিকিট কেটে, লাইনে দাঁড়িয়ে কেন ডাক্তার দেখাব? চেম্বারে যেতাম কিংবা রাজনীতির প্রভাব খাটাতাম।
দিদাকে
সরকারি হাসপাতালে ১০ দিন রেখে চিকিৎসাও করাতাম
না।
কিন্তু শুধু শুধু চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার কেন সহ্য করব?

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *