Home / Entertainment / বাবা-মাকে একসঙ্গে পেয়ে এয়ারপোর্টে এ কী কাণ্ড করল আরাধ্যা!

বাবা-মাকে একসঙ্গে পেয়ে এয়ারপোর্টে এ কী কাণ্ড করল আরাধ্যা!

২০২৪ সাল জুড়ে সংবাদের শিরোনামে থেকেছে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ডিভোর্স চর্চা। গত বছর আম্বানীদের বিয়ের অনুষ্ঠানে বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ছিলেন না ঐশ্বরিয়া। তিনি মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে আলাদাভাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই জোরেশোরে শুরু হয় এই দম্পতির বিচ্ছেদের চর্চা। যা নিয়ে বছরজুড়েই সরগরম ছিল বলিউডপাড়া।

তবে এতো আলোচনা-সমালোচনার পরও ডিভোর্স নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন দুজনেই। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতেই খুশির জোয়ারে ভাসছেন রাই সুন্দরীর ভক্তরা। কারণ শনিবার ভোরে মুম্বাই এয়ারপোর্টে একফ্রেমে পাওয়া গেল অভিষেক-ঐশ্বরিয়াকে। 

মাত্র কয়েকদিন আগে আরাধ্যা জন্মদিন ছিল। তবে ওদিন তাকে ইউস করতে দেখা যায়নি বচ্চন পরিবারের কাউকেই। তবে সম্প্রতি আরাধ্যার স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক-অমিতাভ। শুধু তাই নয়, এবার মেয়ে-বউকে নিয়েই বিদেশে বর্ষবরণও করেছেন অভিষেক। সবশেষ এয়ারপোর্টে তিনজনকে একসঙ্গে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে অ্যাশ-অভির ভক্তরা। 

এদিন সকালে নববর্ষের ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সামাজিক মাধ্যমে বচ্চন দম্পতির ভিডিও ভাইরাল হয়। অভিষেক প্রথমে এয়ারপোর্টের গেট দিয়ে বেরিয়ে আসেন, পিছনে ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্যা। পাপারাজ্জিদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানোর সময় তিনজনেই হাসিমুখে গাড়িতে উঠলেন। 

এয়ারপোর্টের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আরাধ্যা বচ্চন বেশ উৎফুল্ল। গেটের বাইরে এসে মায়ের হাত জাপটে ধরেন আরাধ্যা। খানিকবাদে বডিগার্ডের সঙ্গে টক্কর এড়াতেই লাফিয়ে উঠেন ঐশ্বরিয়া ১৩ বছরের মেয়ে। এরপর দেখা যায়, বউ মেয়ের জন্য গাড়ির দরজা খুলে দেন অভিষেক। 

ভিডিওটির মন্তব্যে অনেক নেটিজেন দাবি করছেন, আরাধ্যা আনন্দের চোটেই লাফাচ্ছে, কারণ দীর্ঘদিন পর বাবা-মার সঙ্গে একটি সুখী পরিবারের মতো ছুটি কাটাতে গিয়েছিল সে। সেই ঘোর এখনো কাটেনি। 

অভিষেককে শেষবার সুজিত সরকারের ছবি আই ওয়ান্ট টু টক (২০২৪)-এ। যা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপরে মুক্তি পাবে অভিষেকের হাউসফুল ৫ রয়েছে। এদিকে, ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন রাই সুন্দরীর পরবর্তী প্রোজেক্টের জন্য। পোন্নিয়িন সেলভান: ২ (২০২৩) এর পরে এখনো নতুন কাজের ঘোষণা দেননি ঐশ্বর্য।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *