বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের যেকোনো একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে চান হিরো আলম। তাই তিনি দুই আসন থেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত যেকোনো একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে চান।
rnrn
এতে বিপাকে পড়েছেন আলোচিত প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গত ৫ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিল করার পর ৮ জানুয়ারি যাচাই-বাছাইকালে ত্রুটির কারণে হিরো আলমসহ ১১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম। হিরো আলমের দুটি আসনেরই মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
rnrn
প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে হিরো আলম ঢাকায় নির্বাচন কমিশনে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দুটি আসনেই মনোনয়ন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনে ১১ জানুয়ারি আপিল করেন। ১২ জানুয়ারি আপিলের শুনানি শেষে আপিলের রায় দেওয়ার দিনক্ষণ ধার্য করা হয় ১৫ জানুয়ারি বিকাল ৪টায়।
rnrn
এদিকে নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৫ জানুযারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত। হিরো আলম যেহেতু একটি আসন থেকে নির্বাচন করার চিন্তা করছেন। কিন্তু প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে আপিলের রায় দেওয়া হবে ১৫ জানুয়ারি রোববার বিকাল ৪টায়। আবার একই দিনে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়।
rnrn
এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আমার সঙ্গে শুধু ষড়যন্ত্র আর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, আমি যদি একটি আসনে নির্বাচন করি সেক্ষেত্রে আমি কীভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবো অন্য আসনের। কারণ আপিলের রায়ও একই দিনে দেয়া হয়েছে।
rnrn
তিনি বলেন, আপিলের রায় আমার পক্ষে না গেলে উচ্চ আদালতে যাবো। এভাবে শুধু সময় চলে যাচ্ছে কিন্তু ভোটের জন্য গণসংযোগ করতে পারছি না। এলাকা ছেড়ে ঢাকায় বসে থাকতে হচ্ছে প্রার্থিতা ফেরত পেতে।
যুগান্তর প্রতিবেদন





