Home / Entertainment / ডিবি কার্যালয়ে তিশা, অভিযোগ নিয়ে যা বললেন ডিবিপ্রধান

ডিবি কার্যালয়ে তিশা, অভিযোগ নিয়ে যা বললেন ডিবিপ্রধান

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে গিয়েছিলেন নাট্যজগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। সেখানে সামাজিকমাধ্যম সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া নিয়ে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিশা। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিবি প্রধান।

সোমবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অভিনেত্রী তিশার ডিবি কার্যালয়ে আসা প্রসঙ্গে ডিবি প্রধান বলেন, সে কিছু ব্যক্তিগত সমস্যায় পড়েছে। সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের ডিবিতে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সাইবার ইউনিট রয়েছে, সাইবার উত্তর ও সাইবার দক্ষিণ। ঢাকা শহরে যেই সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়, তারা সবাই আমাদের কাছে আসে। আমাদের সাইবারে গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্মার্ট অফিসার রয়েছে, যারা তাৎক্ষণিকভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করে থাকে। তেমনি অন্য সবার মতো অভিনেত্রী তিশা আমাদের কাছে এসেছিলেন।

ডিবি প্রধান বলেন, তিশা আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। আমরা সেটা নিয়েছি। তাকে অনেকে অনেক ধরনের মন্তব্য করছেন। সেসব আমরা শুনেছি। সাইবার নর্থকে আমরা দিয়েছি। তারা তদন্ত করে আমাদের জানাবে।

সাংবাদিকরা কোনো তথ্য বা গুঞ্জন সম্পর্কে জানলে সেটা যাচাই করার জন্য প্রশ্ন করতে পারে। এখন প্রশ্ন করলে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়া হলো। আপনার কাছে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বিচার চাচ্ছি। সাংবাদিকদের এ মন্তব্যের জবাবে মোহাম্মদ হারুন বলেন, আমাদের কাছে সবাই অভিযোগ করতেই পারে। আমরা তাদের অভিযোগ রাখি, তদন্ত করি এবং প্রকৃত ঘটনা কী ঘটেছিল তা জানার চেষ্টা করি।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তিগত খবর প্রচারের ক্ষেত্রে সবারই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত। সেটা নারী-পুরুষ যাই হোক, বিশেষ করে নারীর ক্ষেত্রে। আমাদের উচিত আমরা যেন, এসব বিষয় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রচার করি। তবে তদন্ত করে আমরা জানাব।

প্রসঙ্গত,  কয়েকদিন আগে তিশার আত্মহত্যার চেষ্টা শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। ওই সময় গুঞ্জন উঠে, অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা থেকে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এ অভিনেত্রী। পরে অবশ্য এ কথা অস্বীকার করেন তিনি।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *