
শিল্পী মনির খান একসময় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ২০১৮ সালে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। এর পর থেকে তার জনপ্রিয়তা সর্বমহলে। রাজনীতি করায় গানের দিক পছন্দনীয় হলেও আদর্শিক কারণে অনেকের কাছে অপছন্দের পাত্র ছিলেন মনির খান।
rnrn
সম্প্রতি গণমাধ্যমে মনির খান জানিয়েছেন, আমি শিল্পী তো সবার জন্য; কিন্তু রাজনীতির কারণে একটা পক্ষের ছিলাম। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তো পক্ষ–বিপক্ষ থাকে, যখন একটা পক্ষের ছিলাম, কেউ ‘এ’তে থাকলে ‘বি’ পছন্দ করে না, ‘বি’তে থাকলে ‘এ’ পছন্দ করে না। এ রকম পরিস্থিতি তো বাংলাদেশে দেখা যায়ই, তাই সেটার কিছু বাধা তো ছিলই। সেখান থেকে যখন ঘোষণা দিয়ে ফিরে এলাম, সবার কাছে আবার তাদের প্রিয় শিল্পী হয়ে উঠলাম। এর পর থেকে প্রতিটি প্রোগামে দর্শক বেড়েছে।
rnrn
সেখান থেকে যখন রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলাম। সবার কাছে আবার তাদের প্রিয় শিল্পী হয়ে উঠলাম। অবাধ সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, শিল্পীদের মধ্যে বহুল জনপ্রিয় বা মানুষের কাছে অসম্ভব পছন্দের কেউ কোনো একটা পক্ষের হয়ে কাজ করলে জনগণ মনে আঘাত পায়।
rnrn
সাধারণ মানুষ একজন শিল্পীকে তার কর্ম দেখে পছন্দ করে। রাজনীতির কারণে তার কর্মের ওপর তখন বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মানুষ ভাবে, এই লোকটাকে হৃদয়ে পুষে রাখি, অথচ এই লোকটা একটা পক্ষে চলে গেল! তখন একটু দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে। জনগণ একটু কষ্ট পায়।
rnrn
বিনোদন ডেস্ক





