Tag: হিন্দি

  • মুক্তি পেলে দেবের ‘খাদান’, প্রত্যাশা পূরণ করবে তো?

    অতীতে হিন্দি ও দক্ষিণী ছবির জন্য কাক ভোরে ছবির প্রদর্শন হয়েছে। ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’ কিংবা ‘পুষ্পা ২’ তার প্রমাণ। কিন্তু মধ্যরাতে কোনো বাংলা ছবির ‘ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো’ এই প্রথম। সৌজন্যে দেব অভিনীত ছবি ‘খাদান’। শুক্রবার বড়দিনের আবহে চারটি বাংলা ছবি মুক্তি পাচ্ছে— ‘খাদান’, ‘সন্তান’, ‘চালচিত্র’ ও ‘পাঁচ নম্বর স্বপ্নময় লেন’। 

    কিন্তু এই রাজ্যে ‘খাদান’-এর প্রথম শোর আয়োজন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার রাত ২টায়। বুধবার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হতেই সেই শো হাউসফুল। 

    তবে কলকাতা নয়, এই নজির গড়তে সাহায্য করেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের একটি প্রেক্ষাগৃহ। ইন্টারনেটে দেখা যাচ্ছে ‘খাদান’-এর সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, ওই প্রেক্ষাগৃহে ১৫৯ আসন রয়েছে। বুধবার ছবির অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হতেই, তা অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। ওই প্রেক্ষাগৃহ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ।

    উত্তরবঙ্গেও এ ধরনের ঘটনা এই প্রথম। উত্তরবঙ্গের পরিবেশক শশাঙ্ক শেখর ঘোষ আনন্দবাজার অনলাইনকে বলেন,  এর আগে আমরা ইংরেজি ও হিন্দি ছবির জন্য খুব সকালে শো দিয়েছি। কিন্তু মধ্যরাতে কোনো বাংলা ছবির শো হাউসফুল হচ্ছে, বাংলা ছবির জন্য খুবই ইতিবাচক ঘটনা।

    ইম্পার তরফে শ্যামল দত্তও এ ঘটনাকে বাংলা ছবির দুনিয়ায় নতুন অধ্যায় হিসাবে দেখতে চাইছেন। তিনি বলেন, হিন্দি বা দক্ষিণী ছবির ক্ষেত্রে খুব ভোরে শো আমরা দেখেছি। এ ঘটনা বাংলায় ছবিমুক্তির ক্ষেত্রে নতুন কোনো ট্রেন্ড তৈরি করতেই পারে।

    বুধবার দেব আক্ষেপ করেছিলেন, অন্য ভাষার ছবির জন্য তার ছবি ‘খাদান’ রাজ্যে যথেষ্ট হল পাচ্ছে না। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই মনের জোর ফিরে পেলেন দেব। রাজ্যে প্রায় ১৪০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘খাদান’।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শককে ধন্যবাদ জানিয়ে দেব বলেন, দুই বছর আগেও ছবিটা তৈরির আগে ভাবছিলাম কী হবে। কিন্তু আজও কোথাও না কোথাও ১০ মিনিটে শো হাউসফুল হয়েছে। রায়গঞ্জে বাংলার প্রথম মিডনাইট শো— সেটিও হাউসফুল। আপনাদের ধন্যবাদ।

    রাত ২টায় ‘খাদান’-এর শো হাউসফুল হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ইন্ডাস্ট্রির একাধিক অভিনেতা ও পরিচালক দেবকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী, প্রেমেন্দু বিকাশ চাকি প্রমুখ। রাজ্যের হলমালিকদের একাংশ এ ঘটনা কেন্দ্র করে আশার আলো দেখছেন। বক্স অফিসে ছবিটি কী কী নজির স্থাপন করে, সেদিকেই নজর থাকছে সবার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অতীতে অনেক কিছুই করেছি, এবার সচেতন থাকাটা জরুরি: কাল্কি

    বলিউড অভিনেত্রী কাল্কি কোয়েচলিন হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন। পরিচিত মুখ এ ফরাসি এ অভিনেত্রী ও লেখক কাজ করেছেন একাধিক হিন্দি সিনেমায়। বিশেষ করে ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবিতে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পান তিনি। এ অভিনেত্রীর রয়েছে অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্ত-অনুরাগী। ক্যারিয়ারের বাইরে কাল্কির ব্যক্তিজীবন নিয়েও আগ্রহ কম নয় ভক্তদের।

    বলিউডে অভিনয় দক্ষতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন কাল্কি। ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, দুটি স্ক্রিন পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার রয়েছে তার ঝুলিতে। ফরাসি নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও ভারতেই কাটিয়েছেন জীবনের বেশিরভাগ সময়।

    অভিনেত্রী কাল্কি একটা সময় বিয়ের প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না। যদিও বলা যায়, সেটি ছিল বয়সের দোষ। কখনো এক জায়গাতে স্থির থাকেননি কাল্কি। জীবনে এমন একটা সময় ছিল, যখন একের পর এক প্রেমে জড়িয়েছেন তিনি। অবশ্য এটি তার নিজের মুখের কথা। এখন বিয়ে করে সংসার পেতেছেন কাল্কি কোয়েচলিন। এক সন্তানের মা তিনি। কাজেই সেই আগের মতো এদিক-সেদিক তাকানোর সময় নেই কাল্কির। শুধু কী তাই? নিজের একমাত্র সঙ্গকেও সময় দিতে পারেন না কাল্কি। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি কথা বলেন কাল্কি কোয়েচলিন। তিনি বলেন, জীবনের সেই সময়টা খুবই অন্য রকম ছিল। আমার বয়স কম ছিল। বিয়ে করার কথা ভাবতেই পারতাম না। আগ্রহ ছিল না। সংসার ও সন্তান নিয়ে এমন ভাবনা মাথায় আসা সম্ভব নয়।

    কাল্কি বলেন, আমি বিবাহিত ও আমার একটি সন্তান রয়েছে। এখন ওইসব কাজ করার মতো সময় নেই আর। নিজের সঙ্গীর দিকেই তো তাকানোর সময় হয় না বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    অতীতের কথা মনে করে কাল্কি বলেন, তবে অতীতে অনেক কিছুই করেছি। আমার মনে হয়, নীতি এবং নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এবার সচেতন থাকাটা খুব জরুরি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রথম হিন্দি ছবি হিসেবে ৬০০ কোটির রেকর্ড ‘স্ত্রী ২’

    শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’-এর হিন্দি সংস্করণকে ছাপিয়ে ভারতীয় বক্স অফিসে ৬০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে রেকর্ড গড়ল ‘স্ত্রী ২’।

    রাজকুমার রাও ও শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত অমর কৌশিকের হরর কমেডি সিনেমাটি এখন একমাত্র হিন্দি ছবি হিসেবে বক্স অফিসে ৬০০ কোটি আয় করেছে। 

    চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশ্লেষক তরণ আদর্শ সোমবার সকালে টুইটবার্তায় পোস্ট করেছেন, ‘এটি ৬০০ পার করল হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেছে। মেট্রো থেকে নন-মেট্রো, মাল্টিপ্লেক্স থেকে সিঙ্গল স্ক্রিন এবং আরবান সেন্টার থেকে গ্রামীণ এলাকা বোর্ডজুড়ে সরাসরি বিজয়ী। ভবিষ্যদ্বাণী করা অসম্ভব, দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ অভূতপূর্ব সংখ্যা দিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিস্মিত করছে।’

    ১৪ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই ঘরোয়া বক্স অফিসে ‘স্ত্রী ২’-এর সপ্তাহিক আয়েরও হিসাব দিয়েছেন তিনি।

    শাহরুখ খানের জওয়ান ও পাঠান, রণবীর কাপুর অভিনীত অ্যানিম্যাল এবং প্রভাস অভিনীত বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশনের হিন্দি সংস্করণ ও সানি দেওলের গদর ২-এর ব্যবসা পেরিয়ে এই মাইলফলক অর্জন করেছে ‘স্ত্রী ২’।

    রোববার রাতেই বন্ধুদের সঙ্গে শ্রদ্ধা সেলিব্রেট করেছেন এই সাফল্য। তাদের সবার পরনে ছিল ম্যাচিং লাল পোশাক। শ্রদ্ধাকে সোনালি ব্রেসলেট পরে দেখা যায় এবং চারদিক ছিল লাল বেলুন নিয়ে সাজানো। তিনি তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি কেকও কাটেন, আর কেকের উপরে লেখা ছিল ‘রেকর্ড ব্রেকিং স্ত্রী’।

    ‘স্ত্রী ২’- ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি, অপারশক্তি খুরানা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তামান্না ভাটিয়া। এটি প্রযোজনা করেছে ম্যাডক ফিল্মস এবং লিখেছেন নীরেন ভাট।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • এই ঈদেও গান গাইবেন ড. মাহফুজুর রহমান, থাকছে হিন্দি ডুয়েট গান

    বেশ কয়েক বছর ধরে এটিএন বাংলা চ্যানেলের ঈদ আয়োজনে কণ্ঠশিল্পী ও এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানের একক গানের অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। ঈদে তার গান মানেই শ্রোতাদের বাড়তি আগ্রহ। প্রতিবছরের মতো এবারও এককভাবে দুটি সংগীতানুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের মাঝে হাজির হচ্ছেন তিনি। 

    এটিএন বাংলায় ঈদের দিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘আমার চোখের আলো’। অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০টি গান। গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ।

    এবারের আয়োজনে থাকছে বাংলা গানের পাশাপাশি জনপ্রিয় কয়েকটি হিন্দি গানও। গানগুলো হলো- আমার চোখের আলো, তুমি তো জানো না প্রিয়, তোমার নিঃশ্বাসে বিষ ছিল, চুপ কেন তুমি চুপ কেন এবং প্রথম প্রেম। এছাড়া হিন্দি গান নীলে নীলে আম্বার, দিল দে দিয়া হ্যায়, হামে অর জিনে কি, জিনা ইয়াহান মারনা ইয়াহান- এই শিরোনামের গানগুলো গাইবেন ড. মাহফুজুর রহমান। 

    এছাড়া ঈদের পরদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে দ্বৈত গানের সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ওয়াদা করো’। অনুষ্ঠানে থাকছে কেহেদু তুমছে, তুঝে দেখা তু ইয়ে, মুঝে দিলসে ভুলানা, মেরা দিল ভি কিতনা পাগল, ঢোলনা, তু চিজ বাড়ি হ্যায় মাস্ত মাস্ত, ওয়াদা কারো, সাস মে তেরি, তু তু হ্যায় ওয়াহি দিলনে এবং কিতনি বেচেইন হোকে শিরোনামের গান। ডুয়েট গানগুলোতে ড. মাহফুজুর রহমানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও তাহমিনা। 

    এটিএন বাংলার পাশাপাশি এটিএন নিউজে প্রচার হবে ড. মাহফুজুর রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘জড়িয়ে আছি তোমায়’। এই অনুষ্ঠানটিও বাংলা এবং হিন্দি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • অপূর্ব-তিশার ‘প্রেমছবি’ এবার হিন্দিতে

    প্রকাশ হলো অপূর্ব-তিশা অভিনীত বাংলা টেলিছবি ‘প্রেমছবি’। ২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যভিত্তিক জাফরীন স্টুডিও নামের ইউটিউব চ্যানেলে এটি প্রকাশিত হয়।  

    rnrn

    হিন্দি ভাষায় ডাবিং করা এই টেলিছবির ক্যাপশনে অবশ্য লেখা ‘সিনেমা’ হিসেবে। তবে ক্যাপশনে যাই হোক, কাজটি দেখলে মুগ্ধ হবেন যে কেউ। 

    rnrn

    বিশেষ করে অভিনয়শিল্পীদের বাংলা মুখের সঙ্গে মিলিয়ে এমন সচেতন হিন্দি ডাবিং, সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। বাংলাদেশের নাটক বাজারে এমন ঘটনা এবারই প্রথম ঘটল।

    rnrn

    যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাফরীন সাদিয়ার চিত্রনাট্যে ‘প্রেমছবি’  টেলিছবিটি ৬ বছর (২০১৮) আগে নির্মাণ করেছেন রুবেল হাসান। মূলত সেই কাজটিই নতুন করে হিন্দি ভাষায় প্রকাশ হলো লন্ডন থেকে।  

    rnrn

    জাফরীন সাদিয়া জানান, টেলিছবিটি হিন্দিতে প্রকাশের পর ভালোই সাড়া পাচ্ছেন। মনে করেন, তবে এটিকে আরও ছড়িয়ে দিতে আরেকটু সময় লাগবে। ‘প্রেমছবি’র মূল ডাবিং হয়েছে ভারত ও লন্ডনের দুটি পেশাদার স্টুডিওতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিন্দি ছবি না এনে আমাকে তৈরি করুন: জায়েদ খান

    বাংলাদেশে হিন্দি সিনেমা মুক্তির বিষয় প্রথম থেকে ঘোর বিরোধিতা করে আসছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এমনকি এর আগে কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি। দুই বছর আগে শিল্পী সমিতির সেক্রেটারি থাকাকালীন জায়েদ কমিটির সবাইকে ডেকে হিন্দি ছবির পক্ষে না যেতে মতামত দিয়েছিলেন।

    সম্প্রতি এফডিসির সব সংগঠন মতামত দিয়েছে— শর্ত মেনে বাংলাদেশে হিন্দি ছবি আনতে পারবে। সেই মতামত মৌখিকভাবে আমলে নিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। তবে জায়েদ খান এখনো তার জায়গায় অনড়। তিনি বলেন, তিনি এ দেশে হিন্দি ছবি  আনার বিপক্ষে। তার কথা— হিন্দি ছবি না এনে আমাকে উপযুক্তভাবে তৈরি করুন।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় চলচ্চিত্র প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চে একা পারফরম করবেন জায়েদ। অনুষ্ঠানটি সফল করতে আয়োজক কমিটিতে আছেন জায়েদ খান।

    বুধবার মহড়ায় অংশ নিতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে জায়েদ খান হাজির হয়েছিলেন। সেখানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সমিতির চেয়ারের আগে শিল্পী হিসেবে আমার অনেক অর্জন। সেই কারণে জাতীয়ভাবে আয়োজিত এমন কমিটিতে থাকতে পারছি।

    বাংলাদেশে হিন্দি ছবির মুক্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ লাভে আমি শুরু থেকে হিন্দি ছবির বিপক্ষে। সবসময় চাইব হিন্দি ছবি যাতে না আসে।

    জায়েদ বলেন, গত ১৬ দিন আগে মুম্বাই গিয়েছিলাম। সেখানে কয়েক দিন থেকেই হিন্দি ভাষা শিখে গেছি। আমাদের হলগুলোতে হিন্দি ছবি চললে শিশুরা হিন্দি ভাষা শিখবে। বাংলা সংস্কৃতিচর্চা ভুলতে শুরু করবে। যে ভাষার জন্য রক্ত দেওয়া হলো, যুদ্ধ করা হয়, সেই ভাষা হারিয়ে যাবে। হিন্দি ছবি আনার চেয়ে আমাকে তৈরি করুন।

    জায়েদের ভাষ্য— শতকোটি ব্যয়ে নির্মিত হিন্দি ছবি বাংলাদেশে এলে এ দেশের সিনেমা ধ্বংস হয়ে যাবে। 

    তিনি বলেন, পাঠান এলে ‘ওরা সাতজন’ নামে যে সিনেমাটি রিলিজ হলো সেটির অবস্থা কী হতো? কোনো হল পেত? আর আমাদের দেশে হল নামে যেসব গোডাউন আছে, সেগুলো ঠিক করে ভালো পরিবেশ তৈরি করে দিন— দেখবেন দর্শক বাংলা ছবি দেখতে আসবে। এক পাঠান নিয়ে লাফিয়ে লাভ নেই। সব ছবি হিট হয় না। শেহজাদা, সেলফি— সব ফ্লপ গেছে।

    কোন উদ্দেশ্যে মুম্বাই গিয়েছিলেন? জানতে চাইলে মুচকি হেসে জায়েদ খান বলেন, সেটি শিগগির জানা যাবে। কদিন পর আবার যাব। তবে গিয়ে অনেক কেনাকাটা করেছি। যতদিন সংসার না করছি আমি ইয়াং। ব্যাচেলর থাকলে সংসার সামলাতে হয়। তাই নিজেকে ফ্যাশন সচেতনভাবে তুলে ধরি। তা ছাড়া সংসার করার জন্য মানসিক প্রস্তুতি লাগে। সেই প্রস্তুতিটা আমার আসলে হয়নি। কবে মানসিকভাবে প্রস্তুত হবে, সেটি সময় বলে দেবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘হিন্দি সিনেমা আনলে অবস্থা হবে নেপালের মতো’

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি সিনেমা দেখানোর বিরোধিতা করছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তিনি বলেছেন, হিন্দি সিনেমা আনলে দেশের চলচ্চিত্র শিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে।

    rnrn

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বৃহস্পতিবার বলেন, আমাদের সিনেমা কেবল হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগোচ্ছে। পরাণ, হাওয়ার মতো সিনেমাগুলো নতুন প্রজন্মের দর্শকদের হলে টানছে। এ অবস্থায় হিন্দি ছবি মুক্তি দিলে দেশের চলচ্চিত্র ধ্বংস হয়ে যাবে।

    rnrn

    প্রতিবেশী দেশ নেপালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নেপাল পরীক্ষামূলকভাবে হিন্দি ছবি মুক্তি দিয়েছিল। তারপর তাদের সিনেমা দর্শক হারিয়েছিল। পরে বাধ্য হয়ে হিন্দি ছবি বন্ধ করতে হয়েছে। আমাদের অবস্থাও হবে নেপালের মতো। চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। হাজার হাজার শিল্পী বেকার হয়ে যাবে।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ওদের বড় ইন্ডাস্ট্রি। একশ কোটি টাকা বাজেটে সিনেমা বানায়। আমাদের সিনেমার বাজেট থাকে এক কোটি টাকা। এক কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা কখনোই একশ কোটির সাথে পাল্লা দিয়ে টিকতে পারবে না। বাংলা ছবি তখন কেউ দেখবে না।

    rnrn

    জায়েদ খান বলেন, ডিশের সহজলভ্যতার কারণে টেলিভিশনের বাজার পুরোপুরি ভারতীয় সিরিয়ালের দখলে চলে গেছে। হিন্দি ছবি দেশে আনলে হলের বাজারও ওদের দখলে চলে যাবে। আমাদের শিল্পীরা কাজ পাবে না। না খেয়ে মরবে। সে অবস্থা আমি কোনোভাবেই দেখতে চাই না। ফলে শুরু থেকে যেমন হিন্দি ছবি আনার বিরুদ্ধে ছিলাম, এখনও বিরুদ্ধেই আছি। আমি কোনোভাবেই হিন্দি ছবি আনার পক্ষে না।

    বিনোদন ডেস্ক