Tag: হাসপাতাল

  • গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে হাসান মাসুদ

    অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে তাকে ঢাকার মহাখালীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও খিঁচুনি নিয়ে হাসপাতালে আসেন তিনি। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, তাকে ভর্তি হতে হবে।

    হাসান মাসুদ এখন ভর্তি আছেন মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ট্রোক ইউনিটে। এই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিকিৎসক আশীষ কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হাসান মাসুদ ইস্কেমিক স্ট্রোক করেছেন। তার মাইল্ড হার্ট অ্যাটাকও হয়েছে। বর্তমানে নিউরোলজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের চিকিৎসকের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন তিনি। এ ধরনের রোগীরা সাধারণত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে থাকেন। এরপর পরবর্তী চিকিৎসাপদ্ধতি কী হবে, তা নিয়ে বলা যায়।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হাসান মাসুদ ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে মাত্র ৭ বছরের মাথায় ক্যাপ্টেন পদ থেকে অবসর নেন। এরপর তিনি ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বিবিসির বাংলা বিভাগে কাজ করেছেন।

    সাংবাদিকতা ছাড়ার পর মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ব্যাচেলর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে তাঁর পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। সেই সঙ্গে টেলিভিশন নাটকে কাজ শুরু করেন। এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘হাউসফুল’, ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’, ‘এফডিসি’, ‘বউ’, ‘খুনসুটি’, ‘গ্র্যাজুয়েট’, ‘রঙের দুনিয়া’, ‘আমাদের সংসার’, ‘গণি সাহেবের শেষ কিছুদিন’, ‘বাতাসের ঘর’ ও ‘প্রভাতী সবুজ সংঘ’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ, হাসপাতাল থেকে ফিরে যা বললেন সেই অভিনেত্রী

    চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেওয়া সেই অভিনেত্রী কারিশমা শর্মা এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। শুটিংয়ে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন ভারতীয় এ তিনি। চলন্ত ট্রেন থেকে হঠাৎ লাফ দেওয়ায় তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ইতোমধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি।

    ঘটনার দিন শাড়ি পরে ট্রেনে উঠছিলেন কারিশমা। ঠিক সে সময় চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেন তিনি। কারণ ট্রেনের গতি বেড়ে গেলে ভারসাম্য রাখতে পারছিলেন না কারিশমা। বাধ্য হয়েই লাফ দেন তিনি। এতে আহত হয়ে পড়ে যান অভিনেত্রী। খবর পেয়ে তার সহকর্মী ও ভক্তরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।

    তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে পোস্ট করার পর সবাই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে আহত কারিশমা খানিকটা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ফেরার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। সেখানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘আমি এখন অনেকটা সুস্থ। চিকিৎসক জানিয়েছেন আমার আঘাত গভীর নয়, তবে ক্ষতস্থানে এখনো ব্যথা আছে। সময়ের সঙ্গে তা সেরে যাবে। আমি কৃতজ্ঞ সকলের প্রতি, যারা আমার জন্য প্রার্থনা করেছেন আর ভালোবাসা দিয়েছেন।’

    কারিশমা আরও লিখেছেন, ‘এটা আমার জীবনের খুব কঠিন সময় ছিল। এখনো ওই দিনের কথা মনে পড়লে ভয় পাই। তবে আমি ভাগ্যবান যে পাশে পেয়েছি আপনাদের ভালোবাসা আর আমার মায়ের অকৃত্রিম যত্ন। দুর্ঘটনার খবর শুনেই তিনি ফ্লাইটে করে আমার কাছে চলে আসেন। প্রতি মুহূর্তে তিনি আমাকে শক্তি জুগিয়েছেন।’

    বর্তমানে কারিশমা বাসাতেই রয়েছেন। বিশ্রাম ও চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন জাভেদ

    গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত। বুধবার দুপুরে নেওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। এখন অনেকটা সুস্থ। জাভেদকে ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে বাসাতেও নেয়া হয়েছে।

    নৃত্য পরিচালক ইউসুফ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘উনার (জাভেদ) শরীর হঠাৎ বেশি খারাপ হয়ে গেলে বুধবার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা হয়েছে। চিকিৎসায় অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় বুধবারই তাকে বাসায় নেওয়া হয়েছে।’

    চিকিৎসক জাভেদকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে বলেছেন। জানা গেছে, ক্যানসার আক্রান্ত অভিনেতা এর আগে একবার ব্রেইন স্ট্রোক করেছিলেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল মূত্রনালির জটিলতায় আক্রান্ত হলে জাভেদের অস্ত্রোপচার করা হয়। তারপর থেকেই ঠিকঠাক ভাবে সুস্থ হতে পারছেন না তিনি। বর্তমানে উত্তরাতে স্ত্রী ডলি জাভেদকে নিয়ে দিন কাটে তার।

    ১৯৪৪ সালে আফগানিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন ইলিয়াস জাভেদ।  পরে পেশোয়ার হয়ে পাঞ্জাবে আসেন। শৈশব থেকে অভিনয় করা ইচ্ছা ছিল তার। এ নিয়ে ধর্মপরায়ণ বাবার সঙ্গে দ্বন্দ্ব বাঁধে তার। এক পর্যায়ে পাঞ্জাব ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন জাভেদ। ১৯৬৬ সালে উর্দু সিনেমা ‘পায়েল’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে জাভেদ ইলিয়াসের। ৮০ দশকে জনপ্রিয় চিত্রনায়কদের মধ্যে অন্যতম তিনি।  এছাড়াও নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক হিসাবে সুখ্যাতি রয়েছে তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃতীয় বিয়ে টিকছে না হিরো আলমের!

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের বাবা মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৯টায় রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।  

    পালক বাবার মৃত্যুর সংবাদটি হিরো আলম নিজেই গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। বাবার পাশে না থাকায় স্ত্রী ও মডেল রিয়ামনিকে জীবন থেকে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    আবদুর রাজ্জাকের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করলেও রিয়ামনির বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

    রিয়ামনির বিষয়ে হিরো আলম ফেসবুকে লিখেছেন, রিয়ামনিকে আমার জীবন থেকে বয়কট করলাম। কারণ আমার বাবা হসপিটালে। সে আমার বাবার কাছে না থেকে বিভিন্ন ছেলেদের নিয়ে নাচগান করে বেড়ায়।  আমার বাবা হসপিটালে ভর্তি।  তার পরিবারে কোনো সদস্য আমার বাবাকে কোনদিন দেখতে আসেনি।

    তিনি আরও লিখেছেন, আমার বাবা বেঁচে থাকতে দেখতে আসলো না। তাহলে আমি পড়ে থাকলে সে কি করবে?

    হিরো আলম আরও উল্লেখ করেন, রিয়ামনি ঢাকা শহরে বিভিন্ন বারের ডান্সার। সেখান থেকে আমি একটা ভালো পথে আনার চেষ্টা করেছিলাম। ছেড়ে দেওয়া গরু কোনদিন ঘরে বন্দি করে রাখা যায়?

    এদিকে হিরো আলমের মন্তব্যের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রিয়ামনি। হিরো আলমের ফেসবুক পোস্টের কথা শুনেছেন জানিয়ে রিয়ামনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উনি (হিরো আলম) মানসিকভাবে ঠিক নেই উনি। যেহেতু উনার বাবা মারা গেছেন। সত্য কথা বলতে কী- এই বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই।’

    দুপুরের দিকে ফেসবুকেও হিরো আলমকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন রিয়ামনি। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা যেহেতু বিনোদনের মানুষ দেশের মানুষ আমাদের থেকে শুধুই বিনোদন চায়। তাই আমি চাচ্ছিলাম না পার্সোনাল বিষয় নিয়ে মিডিয়ার সামনে আসতে। কিন্তু আলম যে বাড়াবাড়ি শুরু করেছে তাতে আর পারছি না।

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়ামনির প্রেমে পড়েছিলেন হিরো আলম। সে কারণেই দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল নুসরাত জাহান হিরো আলমকে ডিভোর্স দেন। পরে হিরো আলম রিয়ামনিকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন হিরো আলম।

    এরআগে ২০১০ সালে সাদিয়া বেগম সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় হিরো আলমের। সেই সংসারে আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে ও আবির নামে একটা ছেলে সন্তান রয়েছে তার। ২০১৫ সালের দিকে কমেডিয়ান হিসেবে ফেসবুকে ডেব্যু হয় হিরো আলমের।

    ২০১৯ সালের ৬ মার্চ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার হন হিরো আলম। পরে ৭ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সুমিকে মারধরের অভিযোগে ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন তার (হিরো আলম) শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

    ওই বছরের ১৯ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হিরো আলম। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিপরীতে তার জামিন মঞ্জুর করেন বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। তবে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছড়ির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হঠাৎ হাসপাতালে এ আর রহমান

    হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করায় অস্কারজয়ী সঙ্গীতশিল্পী এ আর রহমানকে চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, রোববার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে শিল্পীকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা তার অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। 

    খবরে বলা হয়, এ আর রহমানকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে এবং ডাক্তাররা ইকোকার্ডিওগ্রাম এবং ইসিজিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, এ আর রহমানকে ডিহাইড্রেশনের কারণে চেন্নাইয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, তিনি সম্প্রতি লন্ডন থেকে ফিরে এসে অসুস্থ বোধ করার পর চিকিৎসা নিতে আসেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘তিনি লন্ডন থেকে ফিরে এসে অসুস্থ বোধ করছিলেন। তাই তিনি গত রাতে (শনিবার) চেকআপের জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। ডাক্তারদের মতে, এটি ডিহাইড্রেশনের কারণে হয়েছিলো, কারণ তিনি রমজানের রোজা রেখেছিলেন।’

    এ আর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে ডাক্তাররা আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন এবং বিপদমুক্ত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফকাণ্ড: রাতারাতি ২৫ লাখ টাকা মিটিয়ে প্রশ্নের মুখে বিমা কোম্পানি

    সেলিব্রেটি বলে কথা। আর এ খ্যাতনামা হিসেবেই তারা সুবিধাভোগী— এমন অভিযোগ জনসাধারণের। আর অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, তা আবার প্রমাণিত হলো বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকাণ্ডে। ২৫ লাখ টাকার মিটিয়ে দেওয়া প্রশ্নে সাধারণ এক ব্যক্তি চিকিৎসক সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    আর এ অভিযোগের আঙুল তুলল মুম্বাইয়ের অ্যাসোসিয়েশন অব মেডিকেল কনসালট্যান্টস। ছুরিকাহত বলি তারকাকে শুশ্রূষা দিতে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। তার সুচিকিৎসার জন্য রাতারাতি ২৫ লাখ টাকা মঞ্জুর করে তার স্বাস্থ্য বিমা সংস্থা। একইভাবে চার দিনে ৩৬ লাখ টাকা পেতেও তার দেরি হয়নি। 

    অথচ সাধারণ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা খাতে সাইফের থেকেও কম অর্থ খরচ করে স্বাস্থ্য বিমার দ্রুত পরিষেবার এ বিশেষ সুবিধা পান না। কেন পান না?—এমন প্রশ্ন তুলেছে মুম্বাইয়ের অ্যাসোসিয়েশন অব মেডিকেল কনসালট্যান্টস। তারা এ-ও জানতে চেয়েছে— এ বৈষম্য কতটা কাম্য?

    এক ব্যক্তি ওই চিকিৎসক সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিঠি লিখেছেন। সে চিঠির ছবিও তিনি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন। তার পরেই টনক নড়ে সংগঠনের। অভিযোগকারীর মতে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিমা সংস্থা লীলাবতী হাসপাতালে অভিনেতার চিকিৎসার জন্য ২৫ লাখ টাকা অনুমোদন করেছে। যে ধরনের অসুস্থতা নিয়ে অভিনেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তার ক্ষেত্রে এ ধরনের এফআইআর করা প্রয়োজন, যা সম্ভবত তারকা অভিনেতাকে দিতে হয়নি।

    ওই ব্যক্তি আরও দাবি বলেছেন, আগে সাইফ আলি খানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক। সব শ্রেণির গ্রাহককে সমান পরিষেবা দেওয়া হোক। অগ্রাধিকারমূলক চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়টি আটকাতে কড়া নিয়ম চালু হোক। জনসাধারণের আস্থা ফেরাতে নগদহীন চিকিৎসা অনুমোদনে স্বচ্ছতা আনা হোক।

    একই সঙ্গে চিঠিতে অভিযোগকারী পুরো ঘটনাকে স্বাস্থ্য বিমা সংস্থার বৈষম্যমূলক আচরণের নিকৃষ্টতম উদাহরণ তকমা দিয়েছেন। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি দেখিয়েছেন— কীভাবে খ্যাতনামা ও করপোরেট পলিসিধারকরা প্রায়ই অগ্রাধিকারমূলক চিকিৎসা পান। সে ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকাও সহজে অনুমোদন পান। এ সমস্যা সমাধানের জন্য চিকিৎসকদের সংগঠনের কাছে তার আবেদন— বিষয়টি যেন খতিয়ে দেখা হয়। বৈষম্য ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। নয়তো সাধারণ মানুষ বিমা সংস্থার ওপর আস্থা হারাবে। এতে আখেরে লোকসানের মুখে পড়তে হবে বিমা সংস্থাগুলোকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফকে হাসপাতালে নেওয়া সেই অটোচালক যা বললেন

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান গত বুধবার গভীর রাতে নিজের বাসায় এক দুষ্কৃতকারীর আঘাতে আহত হন। পরে দ্রুত তাকে অটোতে করে হাসপাতালে নিজে যান স্বজনরা। আর সেই অটোচালক হচ্ছেন ভজন সিং রানা। তার অটোতেই লীলাবতী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। আর সেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত ভজন বুঝতেই পারেননি, যাকে এতক্ষণ অটোর পেছনের আসনে বসে থাকা জখম ব্যক্তিটি আসলে কে। আসলে খেয়াল করার ফুরসতই বা কই ছিল।

    মুম্বইয়ের এই অটোচালকের সঙ্গে গত চব্বিশ ঘণ্টায় কতজন সাংবাদিক কথা বলেছেন, গুনতে বসলে তালিকা দীর্ঘ হবে। প্রাণপণে ছুটে আসা অটোরিকশাটা ভোররাতের লীলাবতী হাসপাতাল চত্বরে ঢুকে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে। রক্তে ভেসে যাওয়া একটা চেহারা এবার অটো থেকে নামেন। আশপাশে চলে আসা হাসপাতালের রক্ষী আর কর্মীদের দিকে তাকিয়ে বলেন— দয়া করে একটা স্ট্রেচার আনুন, আমি সাইফ আলি খান।

    বুধবার রাত তখন আড়াইটা কিংবা তিনটা হবে। বান্দ্রা লিঙ্কিং রোডের গলি ধরে অটো চালিয়ে যাচ্ছিলেন ভজন। সাইফ-কারিনার বাসভবন ‘সৎগুরু শরণ’ অ্যাপার্টমেন্টের কাছ দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ দেখেন সামনে এক নারী— ‘চিৎকার করে বলছেন রিকশা রিকশা।’ ততক্ষণে সাইফের বহুতলের গেট থেকেও কয়েকজন ডাকছেন ভজনকে। গেট পেরিয়ে একটু এগিয়েই গিয়েছিলেন তিনি। ডাকাডাকি শুনে ইউটার্ন করে এসে বহুতলের দরজায় অটো থামান।

    ভজন বলেন, এর পর কয়েকজন বেরিয়ে এলেন। তাদের মধ্যে একজনের সাদা কুর্তা-পাজামা পুরো রক্তে মাখামাখি। ওদের বললাম অটোতে বসতে। আহত লোকটির সঙ্গে সাত-আট বছরের একটা বাচ্চা ছিল, অল্পবয়সি এক তরুণও ছিল। আমাকে বললেন— ‘হাসপাতালে নিয়ে চলো।’ কিছুটা এগিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম— স্যার, হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে যাব নাকি লীলাবতী? সাইফ (তখনো যাকে চিনতে পারেননি ভজন) বললেন, লীলাবতী। আমি ওদের সোজা লীলাবতীতে নিয়ে গেলাম।

    গোটা সময়টায় বুঝতেই পারলেন না যে, বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকে আপনি নিয়ে আসছেন?—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে ভজন বললেন— নাহ, বুঝতে পারিনি। দেখেছিলাম প্রচণ্ড চোট লাগলে যেমন হয়, সে রকম অবস্থার একজনকে আমার অটোয় তোলা হচ্ছে। ঘাবড়েও গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম হয়তো মারামারি হয়েছে। কেমন যাত্রী তুললাম কে জানে। মারপিট হয়ে থাকলে আমি নিজে ঝামেলায় পড়ব না তো? এসবই মনে হচ্ছিল। তা আমি দ্রুত ওদের পৌঁছে দিলাম। ওরা হাসপাতালে নেমেই সেখানকার রক্ষীকে ডাকলেন। রক্ষীকে বললেন, অন্য কর্মীদের ডেকে আনতে। আর তখনই উনি বললেন— ‘আমি সাইফ আলি খান’।

    অভিনেত্রী কারিনা ওই সময়ে ছিলেন সাইফের সঙ্গে? খেয়াল করেননি ভজন। তার সোজাসাপ্টা উত্তর— ভিড়ের মধ্যে কী হয়, দেখেননি? লোকের তখন আর নজর থাকে না— কারিনা আছেন, নাকি কে আছে। তিনি বলেন, আমি তো সাইফ আলিকেই চিনতে পারিনি। বরং ভয়ে ভয়ে ভাবছিলাম— রক্তমাখা একটা লোককে নিয়ে যাচ্ছি। আবার এই চক্করে পড়ে না যাই। 

    ঠিক কোথায় কোথায় লেগেছিল সাইফের? ভজন বলেন, খেয়াল নেই। তবে ডান কাঁধের কাছটায় একটা জখম ছিল। আর উনি নামার পর দেখলাম— পিঠে রক্ত।

    ভজন জানালেন আজ এই সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় পর্যন্ত পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। রুজি-রুটির চিন্তায় দিন পার করা অটোচালক তো পুলিশি ঝামেলারই ভয় পাচ্ছিলেন গোড়া থেকে। নিজের রুদ্ধশ্বাস অভিজ্ঞতার কথা ক্রমাগত শোনাতে শোনাতেও কোনো শিহরণও জাগাচ্ছে না তার। নির্লিপ্ত গলায় ভজন সিং রানা বললেন, আমি ওদের পৌঁছে দিয়েছিলাম, এটুকুই।

    উল্লেখ্য, নবাব সাইফ আলি খান গত বুধবার গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন তিনি হাসপাতালে শয্যাশায়ী। তাকে অস্ত্রোপচার করানো হয়েছে। এখন তিনি নিরাপদে আছেন। তবে সুস্থ হতে আরও কয়েক দিন লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সন্তানদের নিয়ে কারিশমার বাড়িতে কারিনা

    বলিউড অভিনেতা নবাব সাইফ আলি খান গত বুধবার গভীর রাতে নিজের বাসায় এক দুষ্কৃতকারীর আঘাতে আহত হন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে শয্যাশায়ী। এ হামলার সময় স্ত্রী কারিনা কাপুর বাসায় ছিলেন না। তিনি ছিলেন তার বোন অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের বাসায়। কিন্তু কারিনা স্বামীর আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েই ছুটে যান বাসায়। আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই অভিনেত্রী নীরব।

    বৃহস্পতিবার সাইফ আলি খানের অস্ত্রোপচারের আগেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। এ সময় বাবাকে দেখতে আসেন সারা আলি খান ও ইব্রাহিমও। হাসপাতালে দেখা যায় বোনজামাই সোহা আলি ও কুণাল খেমুকে। হামলার খবর পেয়ে এদিন সকালেই হাসপাতালে ছুটে যান অভিনেতা রণবীর কাপুর ও অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। সন্ধ্যায় ছেলেকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর।

    এদিকে বান্দ্রা এলাকায় একের পর এক তারকার বাংলোয় হামলার ঘটনায় মুম্বাই প্রশাসনের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বলিউড তারকা থেকে শুরু করে তাদের ভক্ত-অনুরাগীরা। গত বছরই বলি ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠন বিষ্ণোই গ্যাং গুলিবর্ষণ করেছিল। এবার বছরের শুরুতেই বান্দ্রার ‘সৎগুরু শরণ’ বাংলোয় যাওয়ার পর এক অজ্ঞাত ব্যক্তি সাইফ আলি খানের ওপর এলোপাতাড়ি ছুরির আঘাত করে। বান্দ্রার এ ঘটনা একেবারেই কি নিরাপদ? প্রশ্ন উঠেছে তারকা মহলে। 

    এ ঘটনার জেরে বিটাউনেও আতঙ্কের ছায়া। এ নিয়ে গর্জে উঠেছেন অভিনেত্রী রুবিনা ট্যান্ডন, ইমতিয়াজ আলি, কারিশমা কাপুর, তামান্না ভাটিয়াসহ একাধিক তারকা। তাই  দুই সন্তানকে নিয়ে বোন কারিশমা কাপুরের বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন কারিনা কাপুর।

    গতকাল ভোরে সাইফ আলিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারপর আড়াই ঘণ্টার অস্ত্রোপচার। উৎকণ্ঠায় কেটেছে অভিনেত্রীর। সন্ধ্যায় অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কারিনা কাপুর। দীর্ঘ পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— আজকের দিনটা আমাদের পরিবারের জন্য সত্যিই কঠিন একটা দিন এবং এখনো আমরা পরপর একেকটি ঘটনাকে বোঝার চেষ্টা করছি। এই কঠিন সময়ে আমি বিনীতভাবে সংবাদমাধ্যম এবং পাপারাজ্জিদের ভুয়া খবর ও গুজব থেকে দূরে থাকতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

    তিনি আরও লিখেছেন—সর্বদা নজরদারি আবার আমাদের নিরাপত্তা শিথিল করতে পারে। তাই আমাদের পরিবারকে এ মুহূর্তে একটু একা ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। সেটি পরিবার হিসাবে আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। এই কঠিন ও সংবেদনশীল সময়ে তাদের পাশে থাকার জন্য ওই পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন কারিনা কাপুর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাওলানার সঙ্গে ছবি তোলা অভিনেত্রী তোপ দাগলেন যোগীকে

    হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। সম্প্রতি ঝাঁসির মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিকেল কলেজের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। ১০ সদ্যোজাত প্রাণ হারিয়েছে এই সরকারি হাসপাতালে। এই ঘটনার পরেই যোগী আদিত্যনাথের রোড শোয়ের ভিডিও দেখে তোপ দাগালেন স্বরা।

    এরআগে স্বামী ফাহাদ আহমেদকে নিয়ে মাওলানার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন অভিনেত্রী। ছবিতে যে বিষয়টি সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে সেটি হল মাওলানার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মাথায় ওড়না দিয়েছেন অভিনেত্রী, অনেকটা হিজাব পরার মতো।

    আনন্দবাজার অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, হাসপাতালের এই বিভাগে ছিল ৫৫ জন শিশু। আগুন লাগার পরে ৪৫ জন শিশুকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি ১০ শিশুকে প্রাণ হারাতে হয়। স্বরা তার এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘১০ জন সদ্যোজাত জীবন্ত পুড়ে গেল ঝাঁসির সরকারি হাসপাতালে। আর এর জন্য সরকারে যারা দায়ী, তারা রাস্তায় নেচে বেড়াচ্ছে। মানুষের বোধহয় এই সব অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় সমাজ তার ঔদাসীন্যের জন্য পচে যাচ্ছে। কিচ্ছু বলার নেই।’

    ঝাঁসির ঘটনায় ত্রস্ত গোটা দেশ। কী ভাবে সরকারি হাসপাতালে এমন ঘটতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। শোনা যাচ্ছে, শর্ট সার্কিটের ফলে এই অগ্নিকাণ্ড। আগে থেকে কেন সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন করা হয়নি, তা নিয়ে নিন্দা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। যদিও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কী ভাবে ঘটল, তার জন্য তদন্ত জারি রয়েছে।

    হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে- স্বামী ফাহাদ আহমেদের সঙ্গে মাওলানার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন অভিনেত্রী। ছবিতে যে বিষয়টি সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে সেটি হল মাওলানার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মাথায় ওড়না দিয়েছেন অভিনেত্রী, অনেকটা হিজাব পরার মতো।

    ছবিটি দেখে নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা অভিনেত্রীর স্বাধীনচেতা মনোভাবের বিষয়টি নিয়ে উপহাস করেছেন। একজন মেয়ে যে কিনা সব বিষয়ে স্বাধীনচেতা সে হঠাৎ করেই মাথায় হিজাব কী করে পরে নিল? প্রশ্ন উঠেছে এখানেই। অনেকে আবার বলছেন, ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে মানুষ কত কিছুই না করতে পারে, স্বরাকে দেখেই সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়।

    বছর দুয়েক আগে দ্রৌপদীর পোশাকের সঙ্গে হিজাবের তুলনা টেনে আনায় রীতিমতো ট্রলড হতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। একজন মুসলিম স্ত্রী হয়েও তিনি সর্বদা নিজের স্বাধীনচেতা মনোভাবকেই এগিয়ে রাখতেন, এমনটাই জানত সকলে। কিন্তু মাওলানার সামনে এভাবে মাথায় ওড়না অথবা হিজাব দিয়ে দাঁড়িয়ে ছবি পোস্ট করায় অভিনেত্রী সেই স্বাধীনচেতা মনোভাব নিয়ে রীতিমতো সন্দেহ প্রকাশ করছেন সকলে। 

    সমাজমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে সক্রিয় মতামত রাখেন স্বরা। সে জন্য বার বার নিন্দকদের রোষানলেও পড়তে হয়েছে অভিনেত্রীকে। ভিনধর্মে বিয়ে করেও ট্রোলড হয়েছিলেন তিনি। সিএএ বিরোধী আন্দোলন থেকে সমাজবাদী পার্টির যুবনেতা ফাহাদ আহমেদের সঙ্গে আলাপ হয় স্বরার। তার পর প্রেম ও বিয়ে। স্পষ্ট মতামত ও ভিনধর্মে বিয়ের জন্য নাকি আজকাল সেই ভাবে তার কাছে কাজের প্রস্তাবও আসে না। সাক্ষাৎকারে নিজেই সে কথা জানান অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন সায়নী

    হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সংসদ সদস্য সায়নী ঘোষের বাবা সমর ঘোষ। অভিনেত্রী নিজেই সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন। আর ছবির ক্যাপশনে দিয়েছেন আবেগঘন স্ট্যাটাস।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহখানেক আগে বাড়িতে জ্ঞান হারান সায়নীর বাবা সমর ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিশিষ্ট পালমোনোলজিস্ট ডা. দেবরাজ যশের তত্ত্বাবধানে আছেন তিনি। ফুসফুসে সংক্রমণ রয়েছে। জানা গেছে, শিগগিরই সায়নীর বাবাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রী একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

    ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন— কারণে-অকারণে, নিষেধে বা বারণে/তোমার নামেই যত জ্যোৎস্না নিলাম। ভেতরে-বাহিরে, দহণে বা ধারণে, আমায় নিখোঁজ ভাব বা পাশেই ছিলাম।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে মারা যান সায়নীর মা সুদীপা ঘোষ। অসুস্থ ছিলেন তিনি। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল তাকে। ১৫ জানুয়ারি বিকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মা চলে যাওয়ায় বাবা-ই যেন অভিনেত্রীর সব।

    বিনোদন ডেস্ক