Tag: হামলা

  • হিরো আলম ইস্যুতে মুখ খুললেন স্ত্রী রিয়া মনি

    বিনোদন জগতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ও তার স্ত্রী রিয়া মনিকে ঘিরে আবার শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এক রহস্যজনক ফেসবুক পোস্টে ইঙ্গিত মিলেছে, তাদের দাম্পত্য জীবনে আবারও ভাঙনের সুর। 

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন হিরো আলম। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন—রিয়া মনি নাকি আমাকে ডিভোর্স দেবে। ডিভোর্সটা দিলে একবারে সব বিষয়ে কথা বলব। আজকের সংবাদ সম্মেলনের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে হিরো আলমের সেই পোস্টে চোখ পড়ে তার স্ত্রী রিয়া মনির। এরপরই হিরো আলমের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে রিয়া মনি লিখেছেন—যে বউ তোমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করতে পারে, তার ডিভোর্সের জন্য অপেক্ষা করছ কেন? তোমার তো তালাক দেওয়ার কথা তাকে? 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     সম্প্রতি রাজধানীর আফতাব নগরে হামলার শিকার হয়েছেন হিরো আলম। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় নেটিজেনদের একাংশের সন্দেহের তীর এখনো রিয়া মনির দিকেই। অনেকে মন্তব্য করেছেন— রিয়াকে রিমান্ডে নিলে সব বেরিয়ে আসবে। এই হামলার নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। 

    হিরো আলম অনুসারীদের একাংশের দাবি— এ ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। তাদের ভাষ্য, কিছু দিন আগে যখন হাতিরঝিলের একটি বাসায় স্থানীয়রা ম্যাক্স অভিকে পিটুনি দেয়, তখন রিয়া মনি তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান। আর হিরো আলম যখন হামলার শিকার হলেন, তখন রিয়া মনি তাকে বাঁচাতে যাননি। এমনকি তার চোখে পানিও দেখা যায়নি। এতেই প্রমাণ হয় হিরো আলমের হামলার ঘটনায় কে দায়ী?

    এদিকে গত ৫ অক্টোবর বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন হিরো আলম। সেখানে ম্যাক্স অভি, মিথিলাসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেই মামলার আসামি হিসেবে ম্যাক্স অভিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। 

    গত আাগস্টেও দাম্পত্য টানাপোড়েনের কারণে রিয়া মনি প্রকাশ্যে হিরো আলমকে ডিভোর্স দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর সাময়িকভাবে সম্পর্কের বরফ গললেও আবারও শুরু হয়েছে সেই পুরোনো নাটক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এখন দেখার বিষয় এ দম্পতির মধ্যে সত্যিই বিচ্ছেদ হয় কিনা, নাকি এটি কেবল আরেকটি সামাজিক মাধ্যমের বিতর্কের পর্ব হয়ে দাঁড়ায়!

    হামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার সময় আফতাবনগর এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে করে ৬ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিরো আলমকে কাশবনে নিয়ে যায়। সেখানে কাঠের লাঠি ও ধারালো লোহার স্কেল দিয়ে তার মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। তার মোবাইল ভাঙা হয় এবং হামলাকারীরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।

    ওই ঘটনার পর হিরো আলম জানান, তাকে মারধর করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন এসে তাকে মারছিল আর বারবার বলছিল— তিনি কেন নির্বাচনে দাঁড়ান। এরপর ওই ব্যক্তিরা তাকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে মারধর করে ও হত্যাচেষ্টা চালায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনার নেপথ্যে রিয়া মনি!

    সামাজিক মাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম সম্প্রতি  রাজধানীর আফতাব নগরে হামলার শিকার হয়েছেন। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হিরো আলমের অনুসারীরা বলছেন, সেই হামলার নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। 

    হিরো আলম গত ৫ অক্টোবর বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন, সেখানে ম্যাক্স অভি, মিথিলাসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেই হামলার আসামি হিসেবে ম্যাক্স অভিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার সময় আফতাবনগর এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে করে ৬ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিরো আলমকে কাশবনে নিয়ে যায়। সেখানে কাঠের লাঠি ও ধারালো লোহার স্কেল দিয়ে তার মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। তার মোবাইল ভাঙা হয় এবং হামলাকারীরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।

    ওই ঘটনার পর হিরো আলম জানান, তাকে মারধর করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন এসে তাকে মারছিল আর বারবার বলছিল— তিনি কেন নির্বাচনে দাঁড়ান। এরপর ওই ব্যক্তিরা তাকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে মারধর করে ও হত্যাচেষ্টা চালায়।

    সেদিন গুরুতর আহত হন হিরো আলম। এমনকি পিটিয়ে তার স্মার্টফোনটিও ভেঙে ফেলে অভিযুক্ত আরেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ম্যাক্স অভি। আশপাশের মানুষ হিরো আলমকে হাসপাতালে নিয়ে যান। 

    হিরো আলম অনুসারীদের একাংশের দাবি— এ ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। তাদের ভাষ্য, কিছু দিন আগে যখন হাতিরঝিলের একটি বাসায় স্থানীয়রা ম্যাক্স অভিকে পিটুনি দেয়, তখন রিয়া মনি তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান। আর হিরো আলম যখন হামলার শিকার হলেন, তখন রিয়া মনি আলমকে বাঁচাতে যাননি। এমনকি তার চোখে পানিও দেখা যায়নি। এতেই প্রমাণ হয় হিরো আলমের হামলার ঘটনায় কে দায়ী?

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেয়ে দেখে হাসলেই একটা প্রাণ চলে যাবে, প্রশ্ন ওমর সানির

    রাজধানীর বনানীতে বেসরকারি প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে হামলায় নিহত হন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র জাহিদুল ইসলাম পারভেজ। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২২৩ ব্যাচের ছাত্র। ২৩ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থীর বাড়ি ময়মনসিংহে। শনিবার রাতে নিহতের মামাতো ভাই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা করেন।

    বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই ভাইরাল হয়েছে। নানা পোস্টে বলা হচ্ছে, বহিরাগত দুই মেয়েকে দেখে হাসাহাসি করেছিলেন পারভেজ ও তার কিছু বন্ধু। সেই দুই মেয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তাদের ওপর চালানো হয় হামলা। নেটিজেনরা শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজের ওপর এমন নৃশংস হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

    এ নিয়ে মুখ খুলেছেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা ওমর সানি। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের প্রকাশ্যে শাস্তি দাবি করেন রাষ্ট্রের কাছে। এই তারকা ছোট এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, মেয়ে দেখে কেউ হাসল আর কেউ কাঁদল এতে করে একটা প্রাণ চলে যাবে! রাষ্ট্র মেয়ে দুটার অ্যারেস্টের ছবি দেখান, যারা মার্ডার করেছেন তাদের ছবি দেখান। প্রকাশ্যে ফাঁসির ব্যবস্থা করেন। মানুষ দেখে আবার হাসাহাসি করুক অসুবিধা নাই।

    তিনি আরও লিখেছেন, রাষ্ট্রের ওপর কনফিডেন্স আছে অপেক্ষায় থাকলাম।

    এদিকে শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে নিহতের মামাতো ভাই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও বহিরাগতসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    বনানী থানার ওসি রাসেল সারোয়ার এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাইম এশিয়ার শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ (২৩) নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে মামলার আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক ঘটনা যেভাবে বদলে দিল সাইফ-কারিনার জীবন

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর দম্পতির জীবনে বড় অঘটন ঘটে গেছে। সম্প্রতি গভীর রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে দুষ্কৃতকারীর হামলায় এ যাত্রায় বেঁচে গেছেন অভিনেতা। এর পর থেকেই বেড়েছে তাদের নিরাপত্তা। 

    বদলে গেছে অনেক কিছুই। বিশেষ করে দুই সন্তান— তৈমুর ও জেহকে আরও আগলে রাখছেন এ দম্পতি।

    কিন্তু অতীতে দুই সন্তানকে নিয়ে কখনোই ফটো সাংবাদিকদের থেকে আড়াল করেননি তারকা দম্পতি। বরং ফটো সাংবাদিকদের সঙ্গেই তাদের দুই সন্তানের ভালো সখ্য। ক্যামেরার সামনে নানা অঙ্গভঙ্গিও করতে দেখা গেছে তাদের। কিন্তু সেসব হয়তো আর হবে না। এবার সতর্ক হলেন এ দম্পতি।

    হামলার পর থেকে জোরদার হয়েছে তাদের নিরাপত্তা। এবার সাইফ ও কারিনা সিদ্ধান্ত পালটেছেন। ফটো সাংবাদিকদের কাছে এক বিশেষ অনুরোধ করেছেন তারা। তাদের আবেদন— এবার থেকে বাচ্চাদের ছবি যেন তারা একটু কমই তোলেন। 

    এখানেই শেষ নয়। বান্দ্রায় সাইফ-কারিনার বাড়ির সামনে প্রায়ই ক্যামেরা তাক করে দাঁড়িয়ে থাকেন ফটো সাংবাদিকরা। তাদের উদ্দেশ্য— বাড়ি থেকে কেউ বেরোলেই ছবি তোলা। সাইফ-কারিনার অনুরোধ— এবার এসব বন্ধ করতে হবে। তবে যে কোনো অনুষ্ঠানে পৌঁছলে তাদের ছবি তোলায় কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন এ তারকা দম্পতি।

    উল্লেখ্য, ১৬ জানুয়ারি সাইফ-কারিনার বাড়িতে মধ্যরাতে প্রবেশ করেছিলেন এক দুষ্কৃতকারী। ডাকাতির উদ্দেশ্যেই তিনি হানা দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। বাধা দিতে গেলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সাইফের ওপরে। ছয়বার ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অভিনেতা। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ঠিকই কিন্তু পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যায় এ দম্পতির।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফ-কারিনার পরস্পরবিরোধী বয়ানসহ নানা অসঙ্গতি ঘিরে রহস্যজট

    সম্প্রতি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় বলিউডের নাবাব খ্যাত অভিনেতা সাইফ আলী খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের বাড়িতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে। গত ১৬ জানুয়ারি ডাকাতির চেষ্টার এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত আরও গভীরতর হচ্ছে।

    এ নিয়ে সাইফ ও কারিনার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য, চিকিৎসা রিপোর্টের অসঙ্গতি এবং সিসিটিভি ফুটেজ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, পাকিয়েছে রহস্যের জট।

    পরস্পরবিরোধী বয়ান

    সাইফের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি এবং কারিনা বান্দ্রার সাতগুরু শরন বিল্ডিংয়ের ১১ তলার শোবার ঘরে ছিলেন। হঠাৎ করেই তাদের ছোট ছেলে জেহ’র দেখভালকারী এলিয়ামা ফিলিপস চিৎকার করে ওঠেন। 

    সাইফ বলেন, চিৎকার শুনেই তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং তিনি ডাকাতকে প্রতিরোধ করার সময় উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আহত হন।

    অন্যদিকে কারিনা দাবি করেন, তিনি ১২ তলা থেকে নেমে এসে দেখেন সাইফ আক্রমণকারীর সঙ্গে লড়াই করছেন। 

    দুজনের এই দুই বয়ানের ভিন্নতা ঘটনার সঠিক সময়কাল নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেছে।

    চিকিৎসা রিপোর্টের অসঙ্গতি

    এদিকে সাইফের চিকিৎসা রিপোর্টে পাওয়া তথ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় নিরুপম তো সাইফের দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত সুস্থ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। 

    আরও জানা গেছে, সাইফকে হাসপাতালে নিয়ে যান তার বন্ধু আফসার জাইদী। যদিও প্রথমে বলা হয়েছিল, তার ছেলে ইব্রাহিমই তাকে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    সিসিটিভি ফুটেজে অসঙ্গতি

    এদিকে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভিডিওতে দেখা আক্রমণকারী সাইফকে আঘাত করেছে বলে জানা গেলেও তার পোশাকে কোনো রক্তের দাগ দেখা যায়নি।

    নিরাপত্তা বৃদ্ধি

    অন্যদিকে ওই ঘটনার পর মুম্বাই পুলিশ সাইফের বান্দ্রার বাড়ির বাইরে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। সেখানে দুজন কনস্টেবল পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন। সেই সঙ্গে বাড়ির জানালায় গ্রিল এবং অতিরিক্ত ক্যামেরাও বসানো হয়েছে।

    তদন্তের গুরুত্ব

    মুম্বাই পুলিশের সাবেক আইপিএস কর্মকর্তা নির্মল কৌর বলেছেন, এই অসঙ্গতিগুলো আদালতে পুলিশকে একটি পরিষ্কার বক্তব্য পেশ করতে বাধ্য করবে। তবে তদন্তের ফলাফল নিয়ে জনমনে কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের ওপর হামলাকারী গ্রেফতার, নিশানায় ছিলেন শাহরুখও

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের ওপর হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। বৃহস্পতিবারই সাইফের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিল দুষ্কৃতকারীর ছবি। শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    বৃহস্পতিবার থেকে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। বান্দ্রা রেলওয়ে স্টেশনে তল্লাশির সময়েই তার খোঁজ পায় পুলিশ। তখন সেই ব্যক্তি সেখানে ঘোরাফেরা করছিল। তার সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে এলে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    এদিকে দুষ্কৃতকারীর নিশানায় ছিলেন বলিউড বাদশা খ্যাত শাহরুখ খানও। দুদিন আগেই নাকি বান্দ্রায় শাহরুখের বাড়ি অর্থাৎ মান্নাতেও হানা দেয় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি। সাইফের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তের মধ্যেই জানা গেল এমন খবর।

    আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বাড়ির ভেতরে প্রবেশ না করলেও বাইরে থেকে চারপাশটা দেখে এসেছিল সেই ব্যক্তি। সাইফের ওপর হামলা করা ওই দুষ্কতকারীই মান্নাতের চারপাশ রেকি করতে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শাহরুখের বাড়িতেও পৌঁছায় মুম্বাই পুলিশের একটি দল। 

    জানা গেছে, সাইফের ঘটনার দুদিন আগেই মান্নাতের সামনে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল। ছয় থেকে আট ফুটের একটি লোহার মই বেয়ে মান্নাতে প্রবেশের চেষ্টাও করে সে।

    তবে এ বিষয়ে বলিউড তারকা শাহরুখ খানের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান গত বুধবার গভীর রাতে নিজ বাড়িতেই দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন হাসপাতালে শয্যাশায়ী।

    অভিযুক্ত যুবক তাকে ছুরি দিয়ে একাধিকবার কোপ মারেন। সেভাবেই সিসিটিভি ফুটেজে হামলাকারীকে কোপাতে দেখা গেছে।  

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, চুরির উদ্দেশ্যেই নাকি সাইফের বাড়িতে ঢুকেছিলেন ওই যুবক। সাইফ তাকে বাধা দিতে গেলে তার ওপর হামলা করা হয়। সাইফের শরীরে ৬ বার ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষে দেরিতে পোস্ট, মেহজাবীনকে নিয়ে ট্রল 

    কোটা সংস্কারের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আর তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। হামলায় আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের ছবি-ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই ঝড় তোলে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

    rnrn

    এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে। হামলাকারীদের শাস্তিসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সরব হন তারকারাও। কাপুরুষোচিত এই হামলার নিন্দা জানান তারকারা। চলমান এ ইস্যুতে বেশ সরব দেশের শোবিজ অঙ্গনও। 
    rnএবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়েছেন মেহজাবীনও। 

    rnrn

    তিনি একটি পোস্ট করেছেন যেটাকে ঘিরে ভক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পোস্টের শেষাংশে এ অভিনেত্রী লিখেছেন, ছাত্ররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দমিয়ে না রেখে তাদের যৌক্তিক দাবিতে সমর্থন দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আমি মেহজাবীন চৌধুরী আকুল আবেদন করছি। আমার বিশ্বাস, আমরা নিরাশ হবো না।

    rnrn

    অভিনেত্রীর পোস্টে মন্ত্যের ঘরে সাদিয়া তাসনিম সাবা নামে একজন লিখেছেন, ‘থাক আপা এতোদিন এতো কিছু হয়ে গেলো, আপনি কই ছিলেন? আপনি তো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ফলোয়ারধারী সেলিব্রিটি। আমরা মরতেছি। আপনি ঘুমাচ্ছেন? আপনার অভিনয় ভালো লাগতো। কিন্তু এতোটা পারদর্শী জানা ছিল না।

    rnrn

    মেহদি হাসান নামে আরেকজন মন্তব্য করেছেন, আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন? ঘুম ভাঙতে এত দেরি হলো কেন? আরেকটু ঘুমিয়ে নিতেন।
    rnসিমা আক্তার মিমের ভাষ্য, কেউ তাদের পোস্ট পড়বেন না। এতোদিন তারা কোথায় ছিল? দেশপ্রেম কই ছিল? আজ আসছে প্রেম দেখাতে। বয়কট সব সেলিব্রিটি।

    rnrn

    উল্লেখ্য, গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় মন্তব্য করেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’

    rnrn

    প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তারা ধরে নিয়েছেন ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ তাদেরকেই বলা হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রোববার মধ্যরাত থেকেই আন্দোলনে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের বাড়িতে হামলা, পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্ত যুবকের আত্মহত্যা

    বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে সম্প্রতি গ্রেফতার করেছিল ভারতের মুম্বাই পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাদের মধ্যে একজন পুলিশের হেফাজতেই আত্মহত্যা করেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অনুজকে গত ২৬ এপ্রিল পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বুধবার বেলা ১১টায় পুলিশ লকআপের সঙ্গে সংযুক্ত একটি টয়লেটে গিয়ে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তিনি চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্যের পাহারায় লকআপে আরও ১০ জন বন্দির সঙ্গে ছিলেন।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার দুপুরে পুলিশের হেফাজতে আত্মহত্যার চেষ্টা করে অনুজ থাপন নামের এক অভিযুক্ত। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। গত ১৪ এপ্রিল বলিউড অভিনেতার বাড়িতে বাইরে গুলি চালানোর জন্য ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছিল থাপনের বিরুদ্ধে। 

    সালমানের ফ্ল্যাটে যে দুজন গুলি চালিয়েছিলেন তারা সাগর পাল ও ভিকি গুপ্ত। ঘটনার দিন দুয়েকের মধ্যেই গুজরাতের ভূজ থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদেই উঠে আসে অস্ত্র চালানকারী সোনু ও অনুজের নাম। 

    বন্দুকবাজদের বয়ান অনুযায়ী, দশ রাউন্ড গুলি চালানোর নির্দেশ পেয়েছিলেন তারা। তার পরে সুরাতের তাপ্তী নদীতে বন্দুক ফেলে দেন তারা। জানা গেছে, এর মধ্যেই নদী থেকে একটি বন্দুক ও কিছু কার্তুজ উদ্ধার করেছে মুম্বাই অপরাধ দমন শাখা।

    আরও পড়ুন: 

    গুলিকাণ্ডের পর থেকে কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছেন সালমান। সারাক্ষণই ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তার মধ্যে রয়েছেন তিনি। উদ্বেগে সালমানের পরিবারসহ তার অনুরাগীরাও। শোনা যাচ্ছে, ইতোমধ্যে নিজের বান্দ্রার ফ্ল্যাট ছেড়ে পানভেলের খামারবাড়িতে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এফডিসিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, যা বললেন ডিপজল

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল মঙ্গলবার। বিকালে এফডিসি-তে সুষ্ঠুভাবে শেষ হয় সেটা। এর পরই ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা।

    জানা গেছে, একজন ইউটিউবারের সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল অভিনেতা শিবা শানুর। শপথগ্রহণ শেষ হলে ইউটিউবারকে ডেকে নেন তিনি। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সাংবাদিকরা হাজির হলে তাদের সঙ্গেও বাগবিতণ্ডা হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিকজনের মতে, এতে নেতৃত্ব দেন শিবা শানু, জয় চৌধুরী ও আলেকজান্ডার বো।

    এ ঘটনায় আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন জয় চৌধুরী। তিনি জানান, একসময়ের নায়িকা ময়ূরীর মেয়ের সাক্ষাৎকার চাওয়াতেই মারামারির সূত্রপাত ঘটেছে।

    আরও পড়ুন: 

    জয় বললেন, শপথ শেষে কার্যকরী পরিষদের মিটিং ছিল। আমরা সবাই তখন মিটিং করছি। এ মুহূর্তে ময়ূরী আপু তার মেয়েকে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু তিনি ভেতরে ঢুকতে পারছিলেন না বাইরে লোকজনের জন্য। এমন সময় দুই-তিনজন ইউটিউবার, তারা ময়ূরী আপুর মেয়ের হাত ধরে টান দিয়ে বলছেন— ‘তুমি একটা ইন্টারভিউ দিয়ে যাও’। বারবার তারা এই আবদার করছিলেন। এতে ময়ূরী আপু রেগে যান। বলেন— ‘ও তো সেলিব্রিটি না, ও ইন্টারভিউ দিয়ে কী করবেন?’। 

    পরে এটা দেখে শিবা শানু ভাই ইউটিউবারদের বলেছেন—‘এই বের হন। স্টাডি রুম থেকে বের হন।’ এই কথার একপর্যায়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। হাতাহাতি হয়। তারা শিবা শানু ভাইয়ের গায়ে হাত তুলেছেন। এবং তারা বাইরে দৌড়ে গিয়ে বলছেন— টিভি চ্যানেলের সবার গায়ে হাত দিয়েছে। পরে গণ্ডগোলটা সৃষ্টি হয়েছে।’

    মারামারি কারা করেছে, জানতে চাইলে জয় নিজের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘দেখি যে, শানু ভাইকে মারার জন্য দেয়াল টপকে দুই-তিনজন ভেতরে ঢুকছেন। তার পরে গিয়ে আমরা চিল্লা-পাল্লা শুরু করছি। এফডিসিতে প্রোডাকশনের ছেলেরা ছিল, তারা এটা দেখতে পেয়েছে যে, মারামারি লাগছে। এর পরই সংঘর্ষ বাঁধে।’

    জানা যায়, মারামারির ঘটনায় মিঠুন আল মামুনসহ ১০ জনের মতো সংবাদকর্মী ও ইউটিউবার আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    এদিকে বিষয়টি নিয়ে সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা দেখছি। এটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি যেভাবে দেখা দরকার তা আমরা দেখছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই রুমের ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকেন ২৯০০ কোটির মালিক সালমান!

    সালমানের বাড়ির সামনে বন্দুকবাজদের হামলা ঘিরে চাঞ্চল্য দেশজুড়ে। উদ্বিগ্ন ভাইজানের ভক্তরা। তবে দাবাং খান রয়েছেন নিজ মেজাজেই। নিজের কাজের শিডিউল বদলাননি নায়ক। ভয়ে গুটিয়ে থাকতে নারাজ নায়ক। 

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাসভবনে হাজির হন এবং অভিনেতার বাড়িতে সাম্প্রতিক গুলি চালানোর ঘটনায় সালমান ও তার পরিবারকে সবরকম সুরক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন। গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সালমান এবং তার পরিবারের বৈঠকের অভ্যন্তরীণ ছবি ভাইরাল হতেই চর্চায় সালমানের সাদামাটা লাইফস্টাইল। 

    জানা যায়, ২৯০০ কোটি টাকার মালিক সালমান। মাসে ১৬ কোটি টাকা আয় করেন ভাইজান। অথচ গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের দুই রুমের যে ফ্ল্যাটে থাকেন সালমান, তা নিতান্তই সাদামাটা। 

    গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টেই বেড়ে ওঠা সালমানের। চার ভাইবোন, দুই স্ত্রীকে নিয়ে ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকতে অসুবিধা হওয়ায় বহু বছর আগেই একই অ্যাপার্টমেন্টের নিচের ফ্লোরে আরও একটি ফ্ল্যাট কেনেন সেলিম খান। সেখানেই একটা ঘরে থাকত দুই মেয়ে আলভিরা ও অর্পিতা এবং অন্যটিকে তিন ভাই সালমান, সোহেল ও আরবাজ। বিয়ের পর আলাদা সংসার পাতেন সোহেল-আরবাজ। তবে গ্ল্যালাক্সি ছেড়ে বের হননি সালমান। অভিনেতার বেডরুমে একটি খাট ও বসার চেয়ার ছাড়া বিশেষ কোনো আসবাবপত্র নেই সে কথা করণ জোহরের শোতে নিজের মুখেই জানিয়েছেন নায়ক।  

    এদিন সালমানের বাড়ির অন্দরের ছোট্ট ড্রয়িং রুমের ঝলক মিলল। সেখানে অতি সাধারণ গ্লাস টেবিল এবং ধূসর প্রিন্টেড সোফা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সোফায় বসে সেলিম খান। উলটো দিকের সোফা-সিটে সালমান। 

    বিনোদন ডেস্ক