Tag: হানিফ সংকেত

  • এবারের ‘ইত্যাদি’ নরসিংদীর ঐতিহ্য ইতিহাস নিয়ে

    দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র এবারের নতুন পর্বটি ধারণ করা হয়েছে নরসিংদী জেলায়। বরেণ্য নির্মাতা হানিফ সংকেতের রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় নির্মিত এ নতুন পর্বটি আগামী শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে একযোগে প্রচার করা হবে।

    নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রামনগরে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরের সামনে এবারের মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী জেলার প্রকৃতি, প্রত্নতত্ত্ব, লোকজ ঐতিহ্য ও জনজীবনের নানা বৈচিত্র্য কেন্দ্র করে পুরো আয়োজনটি সাজানো হয়। 

    এবারের ইত্যাদিতে থাকছে নরসিংদীর প্রাচীন প্রত্নস্থল উয়ারী-বটেশ্বর, ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, ‘প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার’খ্যাত বাবুরহাট, জিআই পণ্য অমৃতসাগর কলা ও লটকন এবং কলম্বো লেবুর ওপর বিশেষ তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। জেলার কীর্তিমান ও স্মরণীয় ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের ওপর একটি বিশেষ তথ্যবহুল প্রতিবেদন থাকছে।

    খুলনা জেলার বটিয়াঘাটার দৃষ্টিহীন ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ চিত্ত রঞ্জন মহালদারকে নিয়ে একটি বিশেষ অনুপ্রেরণামূলক প্রতিবেদন থাকছে, যিনি নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি দিয়ে দৃষ্টিহীনতাকে জয় করেছেন। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের মেলবোর্ন শহরের ফিলিপ আইল্যান্ডের বিখ্যাত ‘দ্য পেঙ্গুইন প্যারেড’ দেখানো হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এবারের ইত্যাদি অনুষ্ঠানে নরসিংদীর সন্তান সংগীতশিল্পী ইমন চৌধুরী ও তার দল ‘বেঙ্গল সিম্ফনি’র পরিবেশনায় একটি বিশেষ ফোক-ফিউশনধর্মী গান পরিবেশন করবেন। যে গানটি লিখেছেন জুয়েল আহমেদ ও কবির বকুল।

    থাকছে নরসিংদীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কৃষ্টি নিয়ে একটি জমকালো নৃত্যগীত। মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় গানটির সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী। তানজিনা রুমা ও রাজিবের কণ্ঠে সেই গানের সঙ্গে স্থানীয় নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনাটির কোরিওগ্রাফি করেছেন এসকে জাহিদ। 

    এবার দর্শক মাতাতে বরাবরের মতোই থাকছে মামা-ভাগ্নে, নানি-নাতি, চিঠিপত্র পর্ব এবং সমসাময়িক বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি নিয়ে তীক্ষ্ণ ও তির্যক নাট্যাংশ।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজনে এবারও থাকছে কাশেম টিভির সাংবাদিকের সঙ্গে নাতির জমজমাট আড্ডা। সেই সঙ্গে প্রসঙ্গনির্ভর তীক্ষ্ণ ও তির্যক নাট্যাংশ তো থাকছেই। এসব নাট্যাংশে অভিনয় করেছেন মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, সুমন পাটোয়ারী, আমিন আজাদ, শাহেদ আলী, আনন্দ খালেদ, সাজ্জাদ সাজু, সাদিয়া তানজিন, সূচনা শিকদার, মুকুল সিরাজ, কামাল বায়েজিদ, আশরাফুল আলম সোহাগ, সাইদুর রহমান পাভেল, সাবরিনা নিসা, সুজাত শিমুলসহ আরও অনেকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

    দেশের সংস্কৃতিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ পেলেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত (একেএম হানিফ সংকেত)। তিনি একাধারে উপস্থাপক, পরিচালক, লেখক, প্রযোজক, গায়ক, সুরকার ও গীতিকার।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তার হাতে এ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনী প্রধান ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা। 

    এর আগে এদিন প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    খালেদা জিয়া ছাড়া স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ১৪ ব্যক্তি হলেন- মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)। 

    এছাড়াও স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো- মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

    স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 

    এর আগে হানিফ সংকেত ২০১০ সালে পেয়েছেন একুশে পদক। তিনি জাতীয় পরিবেশ পদকও পেয়েছেন। ‘ইত্যাদি’ বহুবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সেরা টিভি অনুষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এবার এই গুণি ব্যক্তিত্বের হাতে উঠল স্বাধীনতা পুরস্কার।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোয় ক্ষুব্ধ হানিফ সংকেত

    বরেণ্য নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার ছবি ব্যবহার করে কিছু ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছেন বরেণ্য এই নির্মাতা।

    বিবৃতিতে হানিফ সংকেত বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরেই আমার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি কথা বলে আসছি। সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে কোনো কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা শুধু অন্যায় নয়, অপরাধও। দুঃখজনক হলেও সত্য, সম্প্রতি আমার কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ফটোকার্ড পাঠিয়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।’

    ওই ফটোকার্ডগুলো তার উপস্থাপনার শৈলী অনুকরণ করে তৈরি করা হলেও এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানান তিনি।

    হানিফ সংকেত বলেন, ‘উক্ত ফটোকার্ডের কথাগুলো আমার উপস্থাপনাশৈলীর অনুকরণে ছন্দবদ্ধভাবে লেখা হলেও, সেগুলোর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।  অথচ অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কোনো রকম সত্যতা যাচাই না করেই অনেকে এই ফটোকার্ডগুলো শেয়ার করছেন, কমেন্ট করছেন এবং লাইক দিচ্ছেন।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে গুণি এই ব্যক্তিত্ব বলেন, ‘দীর্ঘ চার দশক ধরে আমি কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই নিরপেক্ষতা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করছি। আমার প্রকৃত বক্তব্য, উক্তি বা ফটোকার্ড কেবল আমার নিজস্ব ভেরিফায়েড প্ল্যাটফর্ম এবং স্বীকৃত গণমাধ্যমেই প্রকাশ করা হয়।’

    উল্লেখ্য, হানিফ সংকেত একাধারে নির্মাতা, উপস্থাপক, লেখক, প্রযোজক, সুরকার ও গীতিকার হিসেবে সুপরিচিত।  বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এই কিংবদন্তি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ইতিহাস তুলে ধরছেন।  চলতি বছর তিনি স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্ধু হানিফ সংকেতকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন কুমার বিশ্বজিৎ

    দেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী ও সুরকার কুমার বিশ্বজিৎ প্রিয় বন্ধুর এমন অনন্য অর্জনে আনন্দ শেয়ার করে নিয়েছেন । হানিফ সংকেতকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন— ‘বন্ধু, তোর ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রাপ্তিতে আমি ভীষণ আনন্দিত। তোর জন্য রইল অনেক ভালোবাসা আর শুভকামনা।’

    হানিফ সংকেত দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে সমাজ সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড ও সুস্থধারার বিনোদন দেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন। তার এই অর্জনে বিনোদন জগতের তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শকরাও সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করছেন। দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে তার বিচরণ কয়েক দশকের। ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে তিনি জয় করেছেন কোটি মানুষের হৃদয়। 

    এবার সেই কাজের অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ (স্বাধীনতা পদক) পেতে যাচ্ছেন গুণী সঞ্চালক, নির্মাতা ও লেখক একেএম হানিফ।

    চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। যেখানে সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য হানিফ সংকেতের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতির খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। 

    বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করায় সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হানিফ সংকেত। সেই পোস্টে এ নির্মাতা লিখেছেন, ‘সুহৃদ, আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ বছর আমাকে সংস্কৃতিতে ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করেছেন। এই অর্জন আমার একার নয়। যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘযাত্রা সম্ভব হয়েছে, এই অর্জন তাদের সবার।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • এই পুরস্কার আমার লক্ষ-কোটি দর্শকদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি: হানিফ সংকেত

    দেশের সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ পাচ্ছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’-এর উপস্থাপক ও নির্মাতা এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত)। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব স্ব নামের পার্শ্বে উল্লিখিত ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মনোনীত তালিকায় সাত নম্বরে রয়েছে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত)-এর নাম।

    পুরস্কার ঘোষণার পর এদিন সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন হানিফ সংকেত। তিনি লেখেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ বছর আমাকে সংস্কৃতিতে ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করেছেন। এ অর্জন আমার একার নয়—যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে, এ অর্জন তাদের সবার। আজকের এ আনন্দের দিনে আমি তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ পুরস্কার আমি আমার লক্ষ-কোটি দর্শকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হানিফ সংকেত মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় দেশের জন্য কাজ করার ইচ্ছার কথা পোষণ করে লেখেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সুস্থ সংস্কৃতিই পারে একটি সমাজকে আলোকিত করতে এবং দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে। আমৃত্যু আমি সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় দেশের জন্য কাজ করে যেতে চাই।’

    এবার স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মোট ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও কণ্ঠশিল্পী বশির আহমেদ মরণোত্তরভাবে এ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে হানিফ সংকেত ২০১০ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত হয়েছিলেন। এছাড়াও ‘জাতীয় পরিবেশ পদক’ এবং ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার’সহ দেশি-বিদেশি অনেক সম্মাননা পেয়েছেন উপস্থাপক, পরিচালক ও নির্মাতা হিসেবে খ্যাতনামা এই ব্যক্তি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বশির আহমেদ ও হানিফ সংকেত

    সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ পাচ্ছেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর) এবং জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’-এর উপস্থাপক ও নির্মাতা এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত)। সংস্কৃতি অঙ্গন থেকে চলতি বছর দুইজন এই পুরস্কার পাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবির সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    মনোনীত তালিকায় সাত নম্বরে রয়েছে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত)-এর নাম। এরপরেই আট নম্বরে রয়েছে উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদের (মরণোত্তর) নাম।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ও মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভূমিকার জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনুন), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা বা জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদারকে (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

    শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতদের হাতে এই পদক তুলে দেওয়া হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তারা আমার মতো ইত্যাদিকেও ভালোবাসেন: হানিফ সংকেত

    ইত্যাদির নিয়মিত শিল্পীদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো থাকাটাই স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন বিনোদন জগতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র পরিচালক হানিফ সংকেত। তিনি বলেন, অনেক শিল্পীই আছেন, যারা অন্যান্য অনুষ্ঠান করলেও আমৃত্যু ইত্যাদিতেই অভিনয় করে গেছেন। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা বলেছেন ‘ইত্যাদি’র নির্মাতা হানিফ সংকেত। 

    তিনি বলেন, ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত শিল্পীদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে। তারা আমাকে যেমন ভালোবাসেন, ইত্যাদিকেও তেমনই ভালোবাসেন। প্রতিটি ইত্যাদির জন্য তারা অপেক্ষা করে থাকেন বলেও জানান এ পরিচালক।

    হানিফ সংকেত বলেন, দুই-একটি উদাহরণ না দিলে হয়তো বোঝা যাবে না। যেমন— পপসম্রাট আজম খান, বাংলা গানের কিংবদন্তি এন্ড্রু কিশোর কিংবা সংগীতশিল্পী খালিদ হাসান মিলু—তাদের সবারই শেষ গানটি ছিল আমার ইত্যাদিতে।

    এ নির্মাতা বলেন, প্রয়াত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান এবং মাসুদ আলী খানের একসঙ্গে শেষ অভিনয়টুকুও ইত্যাদিতেই ছিল। এটিএম শামসুজ্জামান ভাই শেষে যখন অসুস্থ হলেন, সেই সময় আমি হাসপাতালে তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। অনেক গল্প হয়েছিল। একদিন ভাবি ফোন করে বললেন— তিনি ইত্যাদিতেই অভিনয় করতে চান।

    তিনি বলেন, শারীরিক এ অবস্থায় ইত্যাদিই নির্ভরযোগ্য অনুষ্ঠান। আমি তখন বিশেষ ব্যবস্থায় তাকে এনে চেয়ারে বসিয়ে দোতলায় তুলি এবং তার সঙ্গে মাসুদ আলী খান ভাইকে নিয়ে একটি ছোট্ট নাটিকা করি। দুজনই ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। এমন অনেক স্মৃতি রয়েছে; হয়তো ভবিষ্যতে কখনো বলব বলে জানান হানিফ সংকেত।

    এ পরিচালক বলেন, অভিনেতা মহিউদ্দিন বাহার তার শেষ দিনগুলোতে অ্যাম্বুলেন্সে করে আমার এখানে এসে অভিনয় করে গেছেন। সাইফুদ্দিন আহমেদ শেষে এসে সংলাপ মনে রাখতে পারতেন না। তাই তিনি যতদিন পর্যন্ত একটি মাত্র শব্দ বলতে পারতেন, ততদিন পর্যন্ত ইত্যাদিতে অভিনয় করে গেছেন। তিনি বলেন, অভিনেতা আরিফুল হক বিদেশ যাওয়ার আগে শেষ অভিনয় ইত্যাদিতেই করে গেছেন। তেমনই অভিনেতা হাসমত, ব্ল্যাক আনোয়ার, দেশের প্রথম নায়ক আমিনুল হক, নাজমুল হুদা বাচ্চু, কেএস ফিরোজ, আব্দুল কাদের, এসএম মহসিন, বেবী জামানসহ বহু গুণীশিল্পী—যাদের শেষ কাজটি ছিল আমার অনুষ্ঠানেই বলে জানান হানিফ সংকেত। 

    এ নির্মাতা বলেন, ইত্যাদির শিল্পীদের সঙ্গে আমার একটা আত্মিক বন্ধন তৈরি হয়। তারা যেমন আমার সঙ্গে কাজ করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আমিও তাদের নিয়ে কাজ করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি বলে জানান হানিফ সংকেত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিমান বিধ্বস্তের সময় আর্তচিৎকারে পুরো ক্যাম্পাস ভারি হয়ে ওঠে’

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় সারা দেশে শোকের ছাড়া নেমে এসেছে। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির উপস্থাপক হানিফ সংকেত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন। তা হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো- 

    ‘আমি স্তব্ধ, বাকরুদ্ধ, গভীর শোকাহত। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই। উত্তরায় মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে অকস্মাৎ ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

    মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিহতদের পরিবারকে যেন এই শোক সহ্য করার ক্ষমতা দান করেন। দুর্ঘটনার সময় শিশুদের আর্তচিৎকারে পুরো ক্যাম্পাস ভারি হয়ে ওঠে। বিমান দুর্ঘটনায় এতগুলো শিশুর মৃত্যু ইতোপূর্বে ঘটেনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী যারা আহত হয়েছে তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে মায়ের কোলে ফিরে আসুক-এই প্রার্থনা করছি। সবার প্রতি অনুরোধ, রক্তদানে এগিয়ে আসুন। হাসপাতালে অযথা ভিড় করবেন না, তাতে চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।’

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১টার পর রাজধানীর উত্তরায় দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে এবং বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে ২৫ শিক্ষার্থীসহ ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫০ জন মানুষ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এন্ড্রু কিশোরের স্মরণে হানিফ সংকেতের আবেগঘন পোস্ট

    ২০২০ সালের জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বাংলা গানেরপ্লেব্যাক সম্রাটখ্যাত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ঠিক পাঁচ বছর আগে
    তার
    মৃত্যুতে সংগীত অঙ্গনে যে অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা আজও পূরণ হয়নি।
     আজও তিনি বেঁচে আছেন কোটি ভক্তের হৃদয়ে।

    বন্ধু সহযোদ্ধা
    এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পীর না ফেরার দিনেই বিশেষভাবে স্মরণ করলেন
    ইত্যাদি’ নির্মাতা ও সঞ্চালক হানিফ সংকেত। শিল্পীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে হানিফ সংকেত লিখেছেন—‘আজ
    (৬ জুলাই)
    বন্ধু এন্ড্রু কিশোরের পঞ্চম প্রয়াণ দিবস। যার কাছে গানই ছিল জীবনমরণ, গানই ছিল প্রাণ। এই গানের জন্যই মানুষ তাকে ভালোবাসতো, তার নামের উপাধি দিয়েছিল— প্লেব্যাক সম্রাট।

    প্লেব্যাক সম্রাটএন্ড্রু কিশোর অমলিন এক সুরের ধারা
    উল্লেখ করে তিনি
    বলেন, ‘কিশোর যেমন প্রাণ খুলে দরাজ গলায় গাইতে পারত, তেমনি সবার সঙ্গে প্রাণ খুলে মিশতেও পারত।

    হানিফ
    সংকেত বলেন, কিশোরের
    সঙ্গে আমার সম্পর্ক প্রায় চার দশকের। একসঙ্গে বহু আড্ডা, বহুবার বিদেশ ভ্রমণ, একসঙ্গে থাকাসব কিছুই স্মৃতির অমূল্য সম্পদ। কিশোর ছিলইত্যাদি প্রায় নিয়মিত শিল্পী।


    নির্মাতা বলেন, একজন
    আদর্শ শিল্পী, একজন মানবিক মানুষ ছিল কিশোর। গানের মাধ্যমেই এন্ড্রু কিশোর বেঁচে থাকবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। তিনি
    বলেন, বন্ধু
    , ভুলিনি তোমায়ভুলব না, ভুলতে পারব না। ভালো থেকো, শান্তিতে থেকো।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার এশিয়ার বৃহত্তম কৃষি খামারে ইত্যাদির শুটিং

    জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির এবারের পর্বের শুটিং হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত সমৃদ্ধ জেলা ঝিনাইদহে। মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল এশিয়ার বৃহত্তম কৃষি খামার মহেশপুরের দত্তনগরের দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠের মাঝখানে বটবৃক্ষ চত্বরে। 

    নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন জানিয়েছে, শুটিং উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে প্রায় এক কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বসেছিল জমজমাট মেলা। আমন্ত্রিত দর্শক ছাড়াও অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে ছিল অসংখ্য মানুষ। কিন্তু হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে নির্দিষ্ট সময় শুটিং শুরু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইত্যাদির সেট, লাইট, ক্যামেরা ও অন্যান্য শুটিং সরঞ্জাম। ঝড় থামার পর সীমিত সুবিধা নিয়েই মধ্যরাত থেকে শুরু হয় ইত্যাদির ধারণ, চলে একটানা ভোররাত পর্যন্ত। 

    জানা গেছে, এবারের অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহের কিংবদন্তি লোককবি পাগলা কানাইয়ের কথা ও সুরে একটি লোকগানে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী ও তসিবা। গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন মেহেদী। খ্যাতিমান গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায় কিশোরের সুর ও সংগীত পরিচালনায় আরেকটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ঝিনাইদহের সন্তান জনপ্রিয় শিল্পী মনির খান। 

    এ ছাড়াও অনুষ্ঠানের শুরুতেই রয়েছে ঝিনাইদহকে নিয়ে শৈলকুপার সন্তান মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় একটি পরিচিতিমূলক গানের সঙ্গে নৃত্য। পরিবেশন করেছেন স্থানীয় শতাধিক নৃত্যশিল্পী। গানটির সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।

    দর্শকপর্বে নির্বাচিত দর্শকরা ঝিনাইদহের ব্র্যান্ডিং পণ্য কলা ও পান নিয়ে রচিত একটি নাট্যাংশে স্থানীয় ভাষায় অভিনয় করেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে আরও রয়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বীজ উৎপাদন খামার হিসাবে পরিচিত দত্তনগর কৃষি ফার্ম এবং ঝিনাইদহের ক’জন স্মরণীয়-বরণীয় কীর্তিমান ব্যক্তিত্বের উপর প্রতিবেদন, সমাজকর্মী পাখি দরদি মানবিক মানুষ রং মিস্ত্রি জহির রায়হানের ওপর প্রতিবেদন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার একটি পাড়ায় পানির কষ্টে থাকা তেমনি কিছু মানুষের উপর রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন। 

    এছাড়া চিঠিপত্র পর্বে ঝিনাইদহের মহেশপুরে বন্য প্রাণীর বন্ধু হয়ে উঠা প্রাণিপ্রেমী নাজমুল হোসেনের কর্মকাণ্ডের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দেখানো হবে। এবারের বিদেশি প্রতিবেদনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্যান ডিয়েগো শহরের প্রশান্ত মহাসাগরের সৈকত লা-হোয়-আ কোভে বিশ্রাম নিতে আসা সমুদ্র সিংহ বা সী লায়নের উপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন।

    এ ছাড়াও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় ও প্রসঙ্গ নিয়ে সামাজিক অসংগতি ও সমাজ সংস্কারের ওপর রয়েছে একাধিক নাট্যাংশ। বরাবরের মতো এবারও ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। অনুষ্ঠানের এ পর্বটি ৩০ মে বিটিভিতে রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচার হবে।

    বিনোদন ডেস্ক