Tag: স্বস্তিকা

  • সমুদ্রতটে আঁচল উড়িয়ে নতুন বছরকে স্বাগত স্বস্তিকার

    ফ্যাশন ডিজাইনার পরমা ঘোষের পোশাকে মডেল-অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। পরমার তত্ত্বাবধানে মডেল স্বস্তিকা সমুদ্রতটে আঁচল উড়িয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিলেন। এই পোশাকশিল্পী-অভিনেত্রীর জুটি নববর্ষে তুলে ধরলেন নতুন সাজ। জ্যাকেট, টপ, টিউনিকে নিজেকে মেলে ধরলেন স্বস্তিকা।

    পুদুচেরিতে শুটিং ফ্লোরে যা যা হলো, তা নিয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার পরমা বললেন, আমি এতদিন স্বস্তিকার আড়ালে যে কথা বলতাম, আজ প্রকাশ্যে তা কথা বলছি। তিনি বলেন, পরমার পোশাকে স্বস্তিকাকে যতটা সুন্দর লাগে, অন্য কোনো পোশাকে ওকে ততটা সুন্দর লাগে না। এটা আমার পক্ষপাত, ভালোবাসা ও হিংসুটেপনার জায়গা থেকে বলছি। ওকে তো সুন্দর দেখায়ই, আমার জামাকাপড়গুলো আরও সুন্দর হয়ে যায় বলে জানান পরমা ঘোষ।

    স্বস্তিকার সাজ নিয়ে যা বললেন পরমা। সমুদ্রতটে শাড়ির আঁচল উড়িয়ে নতুন বর্ষকে স্বাগত জানাচ্ছেন যেন। এই গ্রীষ্মের দাবদাহে এই নির্মল হাসি ও প্রাণোচ্ছল ব্যক্তিত্ব আর প্রকৃতির আমেজের মেলবন্ধন দেখে খানিক স্বস্তি মিলবে বইকি।

    যেভাবে সমুদ্রতটে হালকা মেজাজে স্বস্তিকা, তাতে হলুদ শাড়ির সঙ্গে সঙ্গত করেছে বেগনি রঙের ব্লাউজ। পিঠের দিকে দক্ষিণী হরফে লেখা একটি শব্দ। কাঁধে এক কাঁদি কলা, চুলে হলুদ ও বেগনি ফুলের সাজ। নতুন বছরে অভিনব সাজে অভিনেত্রী। কালো প্রিন্টেড শাড়ির সঙ্গে বেজ রঙের ব্লাউজ। অন্য ধরনের ডিজাইনের বদৌলতে পিঠের দুদিকের শরীরী হিল্লোল যে কোনো পুরুষের হৃদয়ে ঝড় তুলতে পারে।

    কাচের চুড়ি, খোঁপায় ফুল আর স্বস্তিকা যেন এক অনন্য। পহেলা বৈশাখে বাড়ির সাধারণ অনুষ্ঠান। হালকা রূপটান আর খোঁপায় বেল ও জুঁই ফুল। পুদুচেরিতে শুটিং হওয়ায় ফুলের প্রাচুর্য। সে ফুলের বর্ণে-গন্ধে মাতোয়ারা শুটিং ফ্লোর।

    ব্যক্তিত্ব আর সৌন্দর্যের মিশেলে অভিনেত্রী। অনলাইন শপিংয়ের সুবিধা থাকলেও অনেক সময় পছন্দসই পোশাক মেলে না। যেমন ওয়েস্ট কোট, বেনারসি কাপড়ের জ্যাকেট ইত্যাদি। স্কার্ট, ব্রোকেড টাই, আর টিউনিকের রমরমা ছিল নব্বইয়ের দশকে। সময়ের প্রবাহে সেই ‘গার্ল নেক্সট ডোর’ সাজ হারিয়ে যায়।

    অনলাইন শপিংয়ে পছন্দের পোশাক মেলে না। খুব সাধারণ প্রসাধনী দিয়ে স্বস্তিকা অন্য লুক দিতে পারেন। স্টাইলিস্টের প্রয়োজন পড়ে না স্বস্তিকার জন্য— এমনই মনে করেন পরমা ঘোষ।

    আর স্টাইলিস্টের প্রয়োজন পড়ে না স্বস্তিকার শুটিংয়েও? অভিনেত্রী বাড়িতে থাকা গহনা, কাচের চুড়ি, ফিতে, টিপ ও ফুল দিয়ে অনন্যভাবে নিজেকে সাজিয়ে তুলেছেন। যেন ছোটবেলার সাজ আরও একবার ফিরে এলো। 

    পরমা বলেন, আমাদের সময়ে যা পরতাম, তা-ই নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। নিজে যা কিছু পরতে চাই, আমার বন্ধুরা যা কিছু পরতে চায়, তা-ই বানিয়েছি। কখনো তো আমরা নিজেদের জন্য কিছু বানাই না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সহ্যের একটা সীমা থাকে, কার ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন স্বস্তিকা

    আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদে পথে নামতে দেখা গিয়েছিল টালিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। অনেক ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন অভিনেত্রী। এবার ছোটপর্দার অভিযুক্ত পরিচালকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তিনি।

    রাগ বাড়ছে টালিপাড়ার। ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বাংলা বিনোদন দুনিয়ার খ্যাতনামা তারকারা। ঠাকুরপুকুরকাণ্ডে গাড়ি দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত ছোটপর্দার পরিচালক ভিক্টো ওরফে সিদ্ধান্ত দাস। তার গাড়ি জখম করেছে ছয়জনকে। তাদের মধ্যে একজন মৃত্যু। খবর ছড়িয়ে পড়তেই অস্থিরতা বেড়েছে। 

    গত সোমবার একটি গণমাধ্যমের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, রূপা ভট্টাচার্য, সাহেব ভট্টাচার্য, তৃণা সাহা। এবার সোচ্চার অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

    বরাবরের মতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব অভিনেত্রী। সামাজিকমাধ্যমে স্বস্তিকা লিখলেন—এমনিই নৈরাজ্য। তার মধ্যে মদ খেয়ে এই ভাবে এলোপাতাড়ি গাড়ি চালিয়ে লোককে মেরে ফেললেও যদি কোনো শাস্তি না হয় এবং রাতারাতি বেল পেয়ে যান, তারা যে যার বাড়ি চলে গিয়ে শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে আর আইন বা ট্রাফিক আইনের কোনো দরকার নেই। যে যা ইচ্ছে তাই করবে, গাড়িচাপা দেবে, খুন করবে এবং রেপ করবে— তারপর কিছুই হবে না।

    আরজি করকাণ্ডের পরও একইভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। হতাশা, রাগ, যন্ত্রণা ও বিরক্তি ভিড় করেছে তার লেখার পরতে পরতে। তিনি শুরুই করেছেন এভাবে— এতদিন অভিনেত্রী জেনে এসেছেন মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো মারাত্মক দণ্ডনীয় অপরাধ। কাউকে পিষে দিলে তো কথাই নেই। দেশের, বিশেষ করে কলকাতার আইন এতটাই কড়া যে, প্রশাসন কাউকে রেহাই দেন না। কোনো প্রভাব খাটে না এ ধরনের অপরাধে। এমনকি গাড়িতে নারী থাকলে তিনিও ছাড় পান না। ঠাকুরপুকুরকাণ্ডে সেই ছবি বদলে যেতে তিনি বিস্মিত।

    জানতে চেয়ে স্বস্তিকা বলেছেন— তাহলে এত মারাত্মক একটা ঘটনা ঘটার পর সবাই কী করে জামিন পেয়ে গেলেন? যে অভিনেত্রী বাজার থেকে পালালেন, তাকে নাকি ধরাই হয়নি। তিনি কে? তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো কেন? 

    তিনি বলেন, বেসামাল অবস্থায় ‘নো এন্ট্রি’ রাস্তায় ঢুকে পড়ে ছয়জনকে জখম করলেন কেউ। তাদের মধ্যে একজন মারা গেলেন। এই একজনের মৃত্যুটা কি ইয়ার্কি? তিনি সমব্যথী সেই নিরপরাধ পথচারীর প্রতি, যিনি সকালে বাজার করতে এসে প্রাণ হারালেন। স্বস্তিকার সমবেদনা মৃতের পরিবারের প্রতিও। সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, যার বাড়ির লোক সকালবেলা বাজার করতে এসে আমাদের জন্য প্রাণ হারালেন, আর যারা হাসপাতালে জীবন নিয়ে লড়ছেন, তাদের দায় কার? তাদের কী হবে? আক্ষেপ করে তিনি বলেন, সহ্য করার একটা সীমা থাকে। সব গিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেছি আমরা। 

    দুর্ঘটনার সময় অভিযুক্ত পরিচালকের গাড়িতে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, সান বাংলার কার্যনির্বাহী প্রযোজক শ্রিয়া বসু ছিলেন। তিনি তাদেরও শাস্তি চেয়েছেন। তার চোখে তারাও সমান দোষী বলে জানান স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন স্বস্তিকা

    প্রেমে বিচ্ছেদের পর কাঁদা ছোড়াছুড়ি কিংবা একে অপরকে নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলা— কোনোটিই করেননি টালিউড নায়ক জিৎ ও নায়িকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। তবে দীর্ঘদিন পর গত বছর জিতের জন্মদিনে উইশ করতে গিয়ে সবার সামনে নায়কের প্রতি ভালোবাসার কথা স্বীকার করেন নায়িকা। 

    আর স্বীকার না করে উপায় বা কী— ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল। টানা চার বছর একের পর এক হিট সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন এ জুটি। দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাধ জিতের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন স্বস্তিকা। তবে সেই সম্পর্কে পরে ইতি টানেন দুজনেই। পথ আলাদা হয়ে যায় টালিউডের জনপ্রিয় এ দুই তারকার। 

    একটি সূত্র জানায়, নায়িকা স্বস্তিকার সংসার ভাঙার পর ‘মাস্তান’ সিনেমাতে কাজ করেছিলেন জিতের বিপরীতে। সেখানেই তাদের বন্ধুত্ব হয়, যা পরে প্রেমে রূপ ধারণ করে। পার্টি থেকে সিনেমার প্রচার— সব জায়গাতেই একসঙ্গে যেতেন এ তারকা জুটি। নায়িকার পরিবারের সঙ্গেও তার দারুণ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু যখন তারা আলাদা হয়ে যান, স্বস্তিকার পরিবারের লোকজন নাকি খুব একটা খুশি হয়নি। 

    ইন দ্য রিং ফিল্মফেয়ার বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা বলেন, জিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার বোন অজপা প্রচুর কান্নাকাটি করেছিল। শুধু তাই নয়, সম্পর্ক ভাঙার জন্য বোনকেই কাঠগড়ায় তুলেছিল। 

    খানিকটা মজার ছলেই জিতের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন নায়িকা। স্বস্তিকা বলেন, মেয়ের সঙ্গে জিতের বন্ডিং ভালো ছিল। তারপর মেয়ে যত বড় হয়েছে, জিতের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে মাকেই কথা শুনিয়েছে।

    নায়িকা বলেন, এখনো যে সম্পর্ক নিয়ে ওর অসুবিধা নেই, সেটি হলো— জিতের সঙ্গে সম্পর্ক। ছয় বছর আমরা একসঙ্গে ছিলাম। আমার মেয়ে তো ওই সম্পর্ক নিয়ে আমাকেই দোষারোপ করে। ও বলে— আমিই নাকি সম্পর্ক শেষ করেছি। আরও বলে— কী কারণে সম্পর্ক ভেঙেছে জানি না। কিন্তু যাই হোক, এর জন্য আমি তোমাকে ক্ষমা করব না।

    একটা সময় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বহু পুরুষের ক্রাশ। তার সম্পর্ক মাঝেমধ্যেই ইন্ডাস্ট্রির হট টপিক হয়ে যায়। কিন্তু তিনি যে আদতে খুবই সাধারণ, স্বাধীনচেতা ও ভালো মেয়ে, তা ফিল্মফেয়ারকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলে ফেলেন। নায়িকা বলেন, এখন পর্যন্ত ছয়জনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, ব্যাস। সেই প্রসঙ্গেই জিৎ উঠে আসেন আলোচনায়। 

    স্বস্তিকা বলেন, আমার মা-বোনও সবসময় ওর (জিতের) পক্ষই নিয়েছে। ওরা চেয়েছিল আমরা বিয়ে করি। আমার বোন তো কেঁদে ভাসিয়েছিল সম্পর্কটা ভেঙে যাওয়ার কথা শুনে। ও (মেয়ে অন্বেষা) জিতের সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ ছিল। যখন বড় হলো, ওর দাবি ছিল— জিৎ খুবই সুপুরুষ। মা তুমি এটা কী করলে।

    কী কারণে জিতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়েছিল, তা জানা যায়নি। পরেও কেউ এ বিষয় নিয়ে মুখ খোলেননি। জিৎ এ ঘটনার কয়েক বছর পর বিয়ে করেন। অন্যদিকে স্বস্তিকা নতুন করে সম্পর্কে জড়ালেও আর কাউকে বিয়ে করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেয়েকে নিয়ে স্বস্তিকার লড়াই, যা বললেন সায়ন্তন ঘোষাল

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও পরিচালক সায়ন্তন ঘোষালের জুটি মানেই মানবিক আবেদনের মোড়কে রহস্য ও রোমাঞ্চকর একটি সিনেমার গল্প। হ্যাঁ, আসছে এ জুটির আরেকটি নতুন সিনেমা। এবার দেখা যাবে নতুন কোনো লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরবেন এ জুটি।

    এর আগে হইচই ওয়েব প্ল্যাটফর্মের জন্য স্বস্তিকাকে নিয়ে সিরিজ ‘বিজয়া’ বানিয়েছিলেন পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল। যাদবপুরের ছাত্র-নির্যাতনকাণ্ড যার মূল বিষয় ছিল। সিরিজ দেখে নতুন করে আতঙ্কে ভুগেছিলেন এই প্রজন্মের মায়েরা। স্বস্তিকা নিজেও মা। তাই তার অভিনয় আলাদা মাত্রা পেয়েছিল।

    এবারও কি তেমন কোনো ঘটনা জায়গা করে নেবে নতুন সিনেমায়? তা হলে ছবির রহস্য ও আকর্ষণ— সব কমে যাবে না তো? এই যুক্তিতে পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল এখনই কিছু বলতে নারাজ। কারণ আরও কিছু শুটিং বাকি আছে। পুরো কলকাতায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে শুটিং করছেন তিনি। 

    কলকাতা নাকি যতটা আন্তরিক, ততটাই ভয়ঙ্কর। অলিগলির আলো-আঁধারিতে লুকিয়ে অনেক বোবা কান্না, আর্তচিৎকার এবং সব খোয়ানোর হাহাকার শহর কলকাতা। এর খবর কজন রাখে? যেমন— পূর্বা। তার অতীত কজন জানত? 

    অনেক লড়াই, অনেক বিনিদ্র রজনী কাটিয়ে তবে মেয়েকে নিয়ে সবে সুখের মুখ দেখছিল পূর্বা। শহরের বুঝি সহ্য হলো না! তার আর মেয়ের মাথা গোঁজার আশ্রয়ের দিকে কুনজর কলকাতার। দুর্বৃত্তদের ‘টার্গেট’ তারা। ঠিক এ সময়েই সামনে এসে দাঁড়িয়েছে তার অতীত, যা প্রাণপণে এতদিন আড়াল করতে চেয়েছেন তিনি। 

    কারণ বড়পর্দায় পূর্বা আর তার মেয়ের লড়াই তুলে ধরতে চলেছেন পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল। সিনেমার নাম ‘অশনি’। এ সিনেমার মাধ্যমে আরেকবার পরিচালকের সঙ্গী হলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। আর এ সিনেমায় থাকছেন দিতিপ্রিয়া রায়। সম্ভবত তিনিই স্বস্তিকার মেয়ে। রহস্যের জট ছাড়াতে, না কি রহস্যকে আরও জটিল করতে জোট বাঁধছেন একঝাঁক তারকা, তেমনি একটি কাহিনি নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘অশনি’। 

    রানা মজুমদারের সংগীত পরিচালনায় ‘অশনি’ সিনেমায় আরও আছেন শিলাজিৎ মজুমদার, অনির্বাণ চক্রবর্তী, গৌরব চক্রবর্তী, সত্যম ভট্টাচার্য প্রমুখ। এ সিনেমা দিয়ে প্রযোজনার দুনিয়ায় পা রাখছেন প্রবাসী বাঙালি সব্যসাচী উপাধ্যায়। সব ঠিক থাকলে বছরের মাঝামাঝি সময় সিনেমাটি মুক্তি পেতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেটিতে গাত্রদাহ কেন, কাকে ও কেন বললেন স্বস্তিকা

    তোমার শরীর জুড়ে নেশার মাতম, ঠোঁটে আগলে রাখা চুমুর সমুদ্র…’- কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে সেই প্রেম সাগরেই ডুব দিয়েছিলেন তরুণ-তরুণীরা। কোনো কিছুর পরোয়া না করে ‘ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড’ গড়লেন তারা। খাস কলকাতার মেট্রো স্টেশনে গভীর চুম্বনরত যুগলের সেই ভিডিও নিমেষে ভাইরাল হয়েছে। চারদিকে ছি ছি পড়েছে! কত কটূক্তি। আর শিক্ষা-দীক্ষা নিয়েও উঠল প্রশ্ন। 

    মেট্রো স্টেশনের সেই চুমু-চর্চাতেই এবার টালিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের প্রশ্ন— ভালোবেসে চুমু খাচ্ছে, সেটিতে গাত্রদাহ কেন?

    মেট্রো স্টেশনের ভাইরাল চুমু চর্চা নিয়ে প্রতিদিন রোববারডটইনের জন্য কলম ধরেন অভিনেত্রী। স্বস্তিকা বলেছেন, গোটা পৃথিবী জুড়ে যেখানে এত নৈরাজ্য জ্বালা, যন্ত্রণা, খেয়োখেয়ি, মারপিট আর ঈর্ষা, সেখানে দুটো মানুষ— তারা ভালোবেসে চুমু খাচ্ছে, সেটিতে গাত্রদাহ কেন? ভালোবাসা থেকে যাতে মানুষের আশা-ভরসা, বিশ্বাস বিলুপ্ত না হয়, তার জন্য তো যাদের ভালোবাসি, তাদের হাত ধরে হাঁটা উচিত, তাদের চুমু খাওয়া উচিত। সেটি জনসমক্ষে অশ্লীল পর্যায়ে চলে না গেলে কারও কেন এটা নিয়ে মাথাব্যথা থাকবে? 

    যাদের জীবনে প্রেম আছে, ভালোবাসা আছে, তাদের সবার উচিত ঘণ্টায় ঘণ্টায় মেট্রো স্টেশনে গিয়ে চুমু খাওয়া। অভিনেত্রীর প্রশ্ন— ২০২৪ সালে দাঁড়িয়ে এটি একটি বিষয় হলো চর্চা করার মতো?

    প্রেমের প্রকাশ স্বাভাবিক ও সহজাত। সেই প্রকাশ কোনো বাধা মানে না। কত ভিড়ের মাঝেই তো প্রিয়জনের চোখে চোখ রেখে হারিয়ে যাওয়া যায়! প্রেমের আবহ এমনই যে ক্ষণে ক্ষণেই মনে হয়, ‘সমাজ সংসার মিছে সব/মিছে এ জীবনের কলরব…।

    যে ভিডিওটি সবার টাইমলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে— কালীঘাট স্টেশন। আশপাশে গুটিকয়েক যাত্রী। তাদের উপস্থিতি হেলায় উপেক্ষা করে একে অপরের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে প্রেমে মগ্ন। আর সেই মুহূর্ত মুঠোফোনে বন্দি করে নেটপাড়ায় যিনি ছড়িয়ে দিলেন, তার খোঁজ কেউ করলেন না কেন? প্রশ্ন স্বস্তিকার। 

    তিনি বলেন, যে লুকিয়ে-চুরিয়ে ছবি তুলছে, সে কি সেই যুগলের অনুমতি নিয়ে ছবি তুলেছে? এই লোকটার মানসিকতা ততটাই কদর্য, যতটা যারা ক্যামেরা বসিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে, যারা পাশের বাড়িতে কী হচ্ছে দেখার জন্য জানালা খুলে দেয়! নিজস্ব ভয়ারিজমের জায়গা থেকে যে ছবিটা তুলেছে, তাকে কেন প্রশ্ন করে, ট্রোল করে, গালাগাল দিয়ে তুলাধোনা করছি না আমরা? এই নোংরা মানুষটার পরিচয় বের করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে এক্সপোজ করা উচিত, যাতে সে লুকানোর কোনো পথ না পায়। তা না করে যারা নিজেদের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করেছিল, তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছি আমরা।— এটা আমাদের দ্বিচারিতা!

    বিনোদন ডেস্ক

  • জিতকে মনে প্রাণে ভালোবেসেছেন, বিস্ফোরক মন্তব্য স্বস্তিকার

    টালিউড অভিনেতা জিৎ ও অভিনেত্রী স্বস্তিকার সম্পর্ক একটা সময় ওপেন সিক্রেট ছিল। যদিও প্রেম নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো দিন কথা বলেননি তারা। বিবাহ-বিচ্ছিন্না ও এক সন্তানের মা স্বস্তিকাকে মন দিয়েছিলেন সুপারস্টার জিৎ। ব্রেকআপের এক যুগ পর বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী। 

    গতকাল শনিবার (৩০ নভেম্বর) ছিল জিতের জন্মদিন। মধ্যরাত পেরোনোর পর ‘প্রথম প্রেম’ নিয়ে আনকাট স্বস্তিকা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন— একটা সময় জিতের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তার। তিক্ততা ভুলে ভালোবাসাটুকুই আগলে রেখেছেন তিনি। জিতের জন্মদিনে ভালোবাসার কথা মেনে নিলেন স্বস্তিকা। কেন ভেঙেছিল তাদের প্রেম, সে কথা আজও অজানা।

    এদিকে মাত্র ১৮ বছর বয়সে গায়ক প্রমিত সেনকে বিয়ে করেছিলেন স্বস্তিকা। দুই বছরে ভাঙে তাদের সংসার। যদিও আজও ডিভোর্স হয়নি অভিনেত্রীর। একরত্তি মেয়ে কোলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়েছিলেন তিনি। এরপর টালিউডে নতুন করে ক্যারিয়ার শুরু করেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।  

    উল্লেখ্য, জিতের সঙ্গেই আগামী ছবির কাজ শুরু করবেন নির্মাতা শ্যামসুন্দর দে। যৌথ প্রযোজনার ‘লায়ন’  ছবিতে আছেন ঢালিউড নির্মাতা রায়হান রাফী। জিতের জন্মদিনে সেই খবরে খুশি তার ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বস্তিকা বনাম দেবের লড়াই, কি করবেন রুক্মিণী

    দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টালিউডে মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘টেক্কা’। এ ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন অভিনেতা দেব। আরও আছেন স্বস্তিকা, টোটাও— এমনকি পোড়খাওয়া পরান বন্দ্যোপাধায়ও। ‘টেক্কা’য় ছবির নায়ক কিন্তু দেব নন, রুক্মিণী মৈত্র। এ ছবি ‘টেক্কা’য় সৃজিতীয় চমক আর দেব-রুক্মিণী-টোটার রসায়ন কেমন, সে কথা জানিয়েছেন আনন্দবাজার অনলাইনে সুদীপ ঘোষ।

    তিনি লিখেছেন— যখন তিনি থ্রিলার ছবি বানান, তখন সৃজিত মুখোপাধ্যায় সেই ছবির চলনে নিজের একটা ছাপ রেখে যান বরাবর। মনে করুন— ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘চতুষ্কোণ’— সৃজিতের পেশায় আসার একেবারে প্রথম দিকের দুটি ছবি। বাংলা থ্রিলার ছবি সাম্প্রতিক অতীতে এভাবে কেউ বানাননি। এতটাই রুদ্ধশ্বাস ছিল সেগুলো। দর্শক তার উপযুক্ত মূল্যও দিয়েছিলেন। সৃজিত প্রায় রাতারাতি বাংলা সিনেমার ‘পোস্টার বয়’ হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী কালে তার ‘ভিঞ্চি দা’ বক্স অফিসে সফল হলেও সব ধরনের মানসিকতার দর্শককে মাতাতে পারেননি। 

    আনন্দের খবর হলো— ২০২৪-এর পূজায় সৃজিতের তৈরি ‘কিডন্যাপ থ্রিলার’ ছবি ‘টেক্কা’ বেশ কয়েক বছর পর প্রায় সব মানসিকতার দর্শককে আবার মাতাতে পারে।

    কিন্তু ‘উৎসবের ছবি’ হিসাবে ‘টেক্কা’র অনেক গুণাগুণ থাকলেও সে ছবিকে এ ক্ষেত্রে বেশি নম্বর দেওয়া গেল না। তার কারণ— সংলাপে প্রচুর অপশব্দের প্রয়োগ। পরিবারের সব বয়সের সদস্যকে নিয়ে এ ছবি একসঙ্গে বসে দেখতে হয়তো কিছুটা দ্বিধা বোধ করবেন অনেক দর্শকই। দুঃখের হলেও এটা সত্যি যে, বাঙালি আজও সম্পূর্ণ প্রাপ্তমনস্ক হয়ে উঠতে পারেনি। আর এখানেই ‘উৎসবের ছবি’ হিসাবে ‘টেক্কা’ একটু পিছিয়ে থাকবে। তা ছাড়া ‘টেক্কা’য় উৎসবের বাকি সব মশলা মজুত। রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা, গতিশীলতা, ভালো অভিনয়, ঘটনার ঘনঘটা, জটিল মনস্তাত্ত্বিকতা— এককথায় এই সময়ে দর্শক আকর্ষণ করতে যা যা লাগে, তার সবটাই এ ছবিতে হাজির। যদিও অপভাষার প্রয়োগ ছবির ওই মুহূর্তগুলোতে সৃজিত সংলাপ লিখিয়ে হিসাবে চাইলেও এড়াতে পারতেন না। একজন অল্পশিক্ষিত অপহরণকারী যখন বন্দুকের নল উঁচিয়ে হুমকি দেয়, তখন তার ভাষ্যে বাংলায় ‘খিস্তি’ এসে যাওয়াটা স্বাভাবিক সংলাপেরই দাবি।

    তিনি বলেন, এ ছবির নায়ক কিন্তু দেব নন, রুক্মিণী মৈত্র। স্বস্তিকা আছেন, টোটাও আছেন। এমনকি পোড়খাওয়া পরান বন্দ্যোপাধায়ও আছেন। কিন্তু তারা কেউ নায়কের জায়গা নিতে পারেননি। সেখানে সম্পূর্ণ ছবিজুড়ে মাতিয়ে দিয়েছেন একা রুক্মিণী। ভীষণ শহুরে, অসম্ভব আত্মবিশ্বাসী এক পুলিশের চরিত্রে রুক্মিণীকে সৃজিত অনেকটা জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন চিত্রনাট্যে। এবং কী সাবলীল অভিনয় করেছেন ভদ্রমহিলা! দেখে মনে হয়, যেন শানানো ছোরা। এতটাই সাবলীল তার বাচনভঙ্গি ও হাবভাব। মননশীল ও বলিষ্ঠতার ছাপ সব কিছুতেই। সেই সঙ্গীর প্রতি তার ছোট্ট বাক্য উচ্চারণেই হোক বা অপহরণকারীর সঙ্গে দর কষাকষিতেই হোক। তবে এ কথা না স্বীকার করে উপায় নেই যে, ‘টেক্কা’র প্রারম্ভিক অনুপ্রেরণা একটি হলিউডি ছবি।

    ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ম্যাড সিটি’। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ডাস্টিন হফম্যান ও জন ট্রাভল্টা। ‘ম্যাড সিটি’র ট্রাভল্টার চরিত্রটি ‘টেক্কা’য় করছেন দেব। আর ডাস্টিনের চরিত্রটি এখানে করছেন রুক্মিণী। এমনকি মূল ছবিতে যে টেলিভিশন সাংবাদিকের চরিত্রটি ছিল, সেটি এখানে ভাগ হয়েছে দুই নতুন অভিনেতার মধ্যে— আরিয়ান আর এক নবাগত সে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু মূল অনুপ্রেরণার ব্যাপারে কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেননি সৃজিত, ছবির কোথাও। এটি ঠিক মেনে নেওয়া যায় না। অবশ্য ‘ম্যাড সিটি’ও একই দোষে দুষ্ট ছিল। ‘শিকাগো সান’ সংবাদপত্রের সিনেমা সমালোচক রজার এবার্ট লেখার সময় ছবির রেটিংয়ে এই কারণে নম্বর কাটেন। ৪-এ ২ দিয়েছিলেন তিনি। কারণ তার মনে হয়েছিল, ‘ম্যাড সিটি’ আসলে পূর্ববর্তী সিনেমা ‘এস ইন দ্য হোল’-এর অনুকরণ। আমরা অত কড়া মনোভাব নিতে পারছি না। কারণ সৃজিত অনুপ্রেরণা নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু গল্পটিকে নিজস্ব একটি মাত্রা দিতে সমর্থ হয়েছেন। এটাই ‘সৃজিতীয়’ প্রতিভা। ওই যে শুরুতেই লিখলাম— থ্রিলার বানালে সৃজিত তাতে একটা নিজস্ব মাত্রা যোগ করেন। সেটি এখানেও উপস্থিত।

    ছবিতে গানগুলো কানে আরাম দেয়। রণজয় ভট্টাচার্যের আবহে নিজস্ব সুরে গান গেয়েছেন কবীর সুমন, অনুপম রায় ও আরও একজন। অবশ্য সৃজিতের সব সিনেমাতেই গান এবং সুর বিশেষ জায়গা দখল করে রাখে। যিনি নিজে মাউথ অর্গান বাজান অনায়াসে, তেমন মানুষের সিনেমায় সুরের খেলা অনুপস্থিত থাকবে এমন তো হতে পারে না, স্বভাবতই।

    সব মিলিয়ে ‘টেক্কা’য় একটি বাংলা বাণিজ্যিক সফল ছবির মালমশলা সবটাই উপস্থিত। পূজায় এবার বক্স অফিসের লড়াই যে জমে যাবে, এ কথা বলে ফেলাই যায় এখন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মনে হয় মরে যাই, বেঁচে থেকে কী লাভ’

    কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ভারতে তোলপাড়।

    সেই আন্দোলনে প্রথম থেকেই রাস্তায় নেমেছিলেন ভারতীয় বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দিনের পর দিন তিনি কাটিয়েছেন রাজপথে। শুধু তাই নয়, দুর্নীতির বিপক্ষে আওয়াজ তোলায় তাকে নিয়ে ক্রমাগত সমালোচনা হয়। অভিনেত্রীকে পুজোয় ছবি রিলিজের কারণেও সমালোচনা সহ্য করতে হয়।

    সম্প্রতি তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি ইন্ডাস্ট্রিতে কারো সঙ্গে প্রেম করেছেন। অভিনেত্রীকে সোজা বলে দিলেন, ‘না, এক্কেবারেই না। এ জীবনে আমি কোনদিন এই ইন্ডাস্ট্রিতে একটাও প্রেম করিনি। আর করবও না।’ 

    যদিও স্বস্তিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে নাম জড়িয়েছিল অভিনেতা জিৎ, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের।

    তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার বন্ধু আছে? উত্তরে তিনি বলেন, এত বন্ধু রয়েছে যে আমি গুণে শেষ করতে পারব না। এরপরই তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমার কোনো বন্ধু নেই।’ 

    আরজিকর আন্দোলনে তাকে নিয়ে ট্রোল করা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এত কষ্ট পাই। মনে হয় মরে যাই। বেঁচে থেকে কী লাভ, এটাই মনে হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুধু প্রেমের ওপর আমার ক্যারিয়ার দাঁড়িয়ে: শ্রীলেখাকে স্বস্তিকা

    আরজি করকাণ্ডে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার বিচার দাবিতে বিনোদন জগতের তারকাদের রাজপথে আন্দোলনের মাঝেই টেক্কার প্রোমোশনে যাওয়া, সেখানে গিয়ে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে নিজের ভেঙে যাওয়া প্রেম নিয়ে নতুন করে চর্চা, সেই সঙ্গে ট্রলে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। এবার যেন সব কিছুর জবাব দিলেন তিনি। 

    আরজি কর আন্দোলনে প্রথম থেকেই রাস্তায় নেমেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের। দিনের পর দিন কাটিয়েছেন তিনি রাজপথে। ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে, সল্টলেকের ডাক্তারদের আন্দোলনস্থল— সব জায়গায় থাকেননি শুধু, সরকারের বিপক্ষে, আরজি করে চলা দুর্নীতির বিপক্ষে আওয়াজ তোলায় ক্রমাগত হন ট্রল। এখানেই শেষ নয়, পূজার ছবি টেক্কার প্রোমোশন করতে আরও হিতে বিপরীত হয়। তার সিনেমা বয়কট করার দাবিও ওঠে।

    আবার বিতর্কে নাম জড়িয়েছেন এ অভিনেত্রী। বিশেষ করে যখন টেক্কার প্রোমোশনে তিনি সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার পুরোনো প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন। সেই সময় বহু সাধারণ মানুষ অভিনেত্রীকে ঠুঁকেছেন। শুধু তাই নয়, টালিউডের আরেক জনপ্রিয় নায়িকা শ্রীলেখা মিত্রও একহাত নিয়েছেন।

    এবার যেন সব কটক্ষেরই জবাব দিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেলেন— আজ আর কোনো তথ্য পাওয়া গেল আমার ব্যাপারে? গত এক মাসে এত কিছু জানলাম, নতুনভাবে চিনছি নিজেকে। মানুষ এত কিছু জানে আমার ব্যাপারে, যা আমিই জানি না। তিনি বলেন, পুরোনো তথ্য নব্য প্যাকেজে পাওয়া গেলেও চলবে। কেউ জানলে বা খবর পেলে একটু শেয়ার করবেন। 

    স্বস্তিকা বলেন, খুব অস্থির লাগছে, একটাও গালাগাল নেই, সমালোচনা নেই, কার্টুন নেই, মিম নেই, বয়কট পর্যন্ত নেই। অভ্যাসটা এমন খারাপ হয়ে গেছে এই কয়েক দিনে… মনে হচ্ছে আবার একা হয়ে গেলাম।

    ও হ্যাঁ, প্রেম নিয়ে কটাক্ষেরও জবাব দিয়েছেন শ্রীলেখা। লিখেছেন— ‘ওহ আরেকটা কথা আগের পোস্টে লিখতে ভুলে গেছি। আমি প্রেম করে কাজ পাওয়া থামাবো না। ২৪ বছর ধরে শুধু প্রেমের ওপর আমার গোটা ক্যারিয়ারটা দাঁড়িয়ে আছে। আগামী বছরগুলোতেও তাই থাকবে। এ সিদ্ধান্ত নিলাম। প্রেম দীর্ঘজীবী হোক। ধন্যবাদ সৃজিত মুখোপাধ্যায় ‘টেক্কা’র জন্য। EX = প্রেম ধরে নিয়ে কষব।’

    কদিন আগেই এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রীলেখা মিত্র ‘সুবিধাবাদী’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন স্বস্তিকাকে। ‘আমি যেভাবে কথা বলি কাউকে তোয়াক্কা না করে, তাতে আমার অনেক দিন আগে জেলে চলে যাওয়ার কথা ছিল। আমি রেড রোডে হাত নাড়তে নাড়তে যাইনি। যখন শিক্ষা রাস্তায় বসেছিল, কই তখন তো আজকের যে বা যারা বড় বিপ্লবী হয়েছেন, কই তারা তো এটার বিরুদ্ধে মুখ খোলেননি। সে বছরই তো তারা পূজার সময় হাত নেড়ে নেড়ে গেলেন।, বলেন অভিনেত্রী।

    সেখানে শ্রীলেখা কটাক্ষ করেন স্বস্তিকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও। যা খুব ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। নাম না করে ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীকেই কি তাহলে জবাব দিলেন স্বস্তিকা? উঠছে প্রশ্ন!

    বিনোদন ডেস্ক

  • কী করলে সরকারের ঘুম ভাঙবে, আরজি কর কাণ্ডে স্বস্তিকা

    আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার বেলা ৩টার দিকে শুরু হয় মিছিল। কলেজ স্কয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলে অগণিত মানুষের সমাবেশ ছিল। বরাবরের মতো মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি।  জানালেন— এই প্রতিবাদ থামবে না।

    rnrn

    অভিনেত্রী বলেন, সকলে নিজের নিজের মতো করে প্রতিবাদ করছেন। কিন্তু ঘটনার তদন্ত কতটা এগিয়েছে, তা এখনও আমরা জানি না। কেউ গ্রেফতার হয়নি। সিবিআইয়ের তদন্ত কোন পথে চলেছে, খবর আমাদের কাছে নেই। সরকারের তো একটা দায়বদ্ধতা আছে। নির্যাতিতার বাবা-মাকে জবাব দেওয়ারও তো একটা দায়বদ্ধতা আছে।

    rnrn

    ঘটনার তদন্ত নিয়ে সন্দিহান স্বস্তিকা বলেন, প্রায় এক মাস হতে চলল। এমন একটা নির্মম ঘটনার কোনো সুরাহা হল না। জনসাধারণকে বোকা ভেবে লাভ নেই। একটা মানুষকে দোষী হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে, কিন্তু আমরা কেউ বিশ্বাস করি না, একা এত বড় কাণ্ড ঘটিয়েছে সে। সেটা অসম্ভব।

    rnrn

    আরজি কর হাসপাতালের ভাইরাল ভিডিও নিয়েও অভিনেত্রীর স্পষ্ট কথা, ‘অনেক রকম ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, মৃতদেহের পাশে রীতিমতো গোল বৈঠক করে পরিকল্পনা চলেছে। অকুস্থলে কোনো নিরাপত্তা নেই। মিথ্যে কথা বলে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হয়েছে।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, জনসাধারণ তো বুদ্ধি বিবেচনা কাজে লাগিয়ে ভোট দেন। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও মানুষকে বোকা ভাবার কোনো জায়গাই নেই। জনসাধারণের জন্যই কিন্তু সরকার। মানুষের জন্যই পাওয়া ক্ষমতা সরকারের কাছে। কিন্তু তাও কেন সুরাহা পাচ্ছি না?

    rnrn

    এদিকে স্বস্তিকার স্পষ্ট দাবি, সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত যাওয়ার আগেই তথ্যপ্রমাণ লোপাট হয়েছে। দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর চালিয়েছে।

    rnrn

    অভিনেত্রীর কথায়, সাধারণ নাগরিক হিসেবে আর কী কী করতে পারি যাতে সরকারের ঘুম ভাঙে, সেটাই দেখছি। নির্যাতিতার বাবা-মাও তাই চান।

    rnrn

    উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট দিবাগত ভোররাত ৩-৬টার মধ্যে হাসপাতালে খুন করা হয় ওই তরুণী চিকিৎসককে। ধর্ষণের পর তাকে খুন করা হয়েছে। ওই তরুণীর গলার একটি হাড় ভাঙা। তাই প্রাথমিক ধারণা, গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। শরীরে মোট দশ স্থানে ক্ষত পাওয়া গিয়েছে; লজ্জাস্থানে রক্ত ছিল।

    বিনোদন ডেস্ক