Tag: সৌরভ গাঙ্গুলী

  • বিগ বস বাংলার সম্প্রচার শুরু

    টেলিভিশনে রিয়েলিটি শোর মধ্যে বিগ বস বরাবরই জনপ্রিয়তার নিরিখে এগিয়ে রয়েছে সবার আগে। দীর্ঘ ১০ বছরের বিরতির পর ফিরছে ‘বিগ বস বাংলা’। আগের দুটি সিজনের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে চলতি বছরও যে এটি ব্লকবাস্টার হিট হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এ সিজনের আরেক আকর্ষণ হতে চলেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। এর আগে তিনি ‘দাদাগিরি’ দিয়ে দর্শকমনে জায়গা করে নিয়েছেন। এবার কলকাতার মহারাজ ‘বিগ বস বাংলা’র সঞ্চালক। ইতোমধ্যে প্রথম প্রোমোতে ঘোষণা হয়ে গেছে শোর ট্যাগলাইন— ‘দুর্গ জয় সহজ নয়’!

    আগামী ৩০ আগস্ট থেকে ‘স্টার জলসা’ ও ‘জিও-হটস্টার’-এ প্রিমিয়ার হতে চলেছে ‘বিগ বস বাংলা’। ‘দুর্গ জয় সহজ নয়’—এই থিমের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বিগ বস বাংলা’। আসন্ন সিজনটি প্রতিযোগীদের মনে করিয়ে দেবে যে, বিগ বসের দুর্গ জয় করা মোটেও সহজ নয়।

    বিগ বস সঞ্চালনা নিঃসন্দেহে নতুন এক চ্য়ালেঞ্জ সৌরভ গাঙ্গুলির সামনে। যদিও হার মানার পাত্র একেবারেই নন দাদা। মহারাজ বললেন, ‘এই ঘরের ভেতরে কোনো কিছুই সহজে পাওয়া যায় না। প্রতিযোগীরা কীভাবে এ খেলার নানা বাঁক ও পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যান এবং বাংলার দর্শকদের সেই যাত্রার সঙ্গী করে তোলেন, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘বিগ বস বাংলা’য় কারা আসতে পারেন। যদিও অফিসিয়াল অ্য়ানাউন্সমেন্ট না হলেও একাধিক তারকার নাম শোনা গেছে। প্রস্তাব গেছে সাবেক ইম্পা সভাপতি বনি সেনগুপ্তের মা পিয়া সেনগুপ্তের কাছে। জীতু কমল, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, সায়ক চক্রবর্তী, তিথি বসু, ঊষসী চক্রবর্তী, যশ দাশগুপ্ত, নুসরাত জাহান। এখন দেখার বিষয়— বিগ বসের ডাকে কে কে সাড়া দেন।

    এর আগে ২০১৩ সালে ইটিভি বাংলায় এসেছিল বিগ বসের প্রথম সিজন। যার সঞ্চালক ছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সেই সিজনের বিজেতা ছিলেন গায়ক অনীক ধর। আর ২০১৬ সালে কালার্স বাংলায় দ্বিতীয় সিজনের সম্প্রচার হয়, যার সঞ্চালনা করেছিলেন অভিনেতা জিৎ। অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জিতে নিয়েছিলেন দ্বিতীয় সিজনটি।

    শেষে ‘বিগ বস বাংলা’ নিয়ে শুধু দর্শকরাই উচ্ছ্বসিত নয়, একইভাবে এক্সাইটেড গাঙ্গুলি পরিবারও। দাদাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌরভপত্নী ডোনা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি নিজে বিগ বস খুব বেশি না দেখলেও বাংলায় একেবারে নতুন ধাঁচের এ অনুষ্ঠানটি কীভাবে সাজানো হবে তা দেখতে তিনি ভীষণ আগ্রহী। এমনকি তিনি নিশ্চিত— এই শোর দর্শকদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়তা পাবে। এমনকি মেয়ে সানাও নাকি বাবাকে টিপস দিচ্ছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইরাল গাঙ্গুলির বায়োপিকের ফার্স্টলুক, লর্ডসের ব্যালকনিতে রাজকুমার রাও

    ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক ‘দাদা: দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’। ইতোমধ্যে এ বায়োপিকের শুটিং শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ফার্স্টলুক প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা।

     

    সৌরভ গাঙ্গুলির আজ ৫৪তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রকাশিত পোস্টারে প্রথমবারের মতো তার চরিত্রে দেখা গেছে বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাওকে। ফার্স্টলুকের পাশাপাশি এ বায়োপিকটি মুক্তির তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। বায়োগ্রাফিক্যাল ড্রামাটি ২০২৭ সালের ১৪ মে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। দীর্ঘ ছুটি সামনে রেখেই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।


    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে প্রকাশিত পোস্টারে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত একটি মুহূর্ত। ২০০২ সালের ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে উদযাপন করেছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

    সেই দৃশ্যেই রাজকুমার রাওকে দেখা গেছে, যা প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা এখন তুঙ্গে।


    এই একটি ছবি মুহূর্তেই ক্রিকেটপ্রেমীদের ভারতের ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম সেরা ও আইকনিক মুহূর্তে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।


    সেই সময় সৌরভ গাঙ্গুলি সেই স্বতঃস্ফূর্ত উদযাপন স্রেফ জয়ের আনন্দের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। এটি ছিল বিশ্বমঞ্চে এক নির্ভীক ভারতীয় ক্রিকেট দলের আগমনী বার্তা, যারা বিদেশি মাটিতে গিয়েও বিশ্বের সেরা দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভয় পেত না।


    পোস্টার প্রকাশের পর রাজকুমার রাওয়ের লুক নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সৌরভ গাঙ্গুলির চেহারা, শরীরী ভাষা ও উদযাপনের ভঙ্গি ফুটিয়ে তুলতে অভিনেতার প্রস্তুতির ছাপ ফার্স্টলুকেই দেখা গেছে বলে মত দিচ্ছেন নেটিজেনদের একাংশ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন


    ‘দাদা: দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’ সিনেমাটি সৌরভ গাঙ্গুলির ক্রিকেটজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হবে। কলকাতার এক তরুণ ক্রিকেটার থেকে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়ে ওঠা, দলের রূপান্তরে তার ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রভাব— এসবই সিনেমার মূল উপজীব্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


    ফার্স্টলুক প্রকাশের পর থেকেই ‘দাদা: দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’ নিয়ে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। এখন সিনেমাটির টিজার ও অন্যান্য চরিত্রের প্রথম ঝলকের অপেক্ষায় রয়েছেন সৌরভ ও রাজকুমার রাও— দুজনেরই ভক্ত-অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দাদাগিরি’ করার আগে দেবকে যে কথা বলেন সৌরভ

    পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যের পালাবদলের পর টেলিভিশনেও হয়েছে ‘দাদা’ বদল। সৌরভ গাঙ্গুলির জায়গায় এবার ‘দাদাগিরি’ করবেন টালিউড সুপারস্টার দীপক অধিকার দেব। মাত্র দিনকয়েকের অপেক্ষা। একেবারে অন্য ফরম্যাটে দেবের ‘দাদাগিরি’ দেখবেন দর্শকরা। প্রথম দিনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে জাঁকজমক পূর্ণ এন্ট্রি এ অভিনেতার। দেবের ওপেনিং শোর অতিথির তালিকাও ছিল নজরকাড়া। শোর মাঝেই অনুভূতি শেয়ার করে নিলেন দেব, ‘যা হয় ভালোর জন্য হয়। আমিও এ সুযোগটা পেয়ে খুব খুশি।’ 

    দীর্ঘ ১৮ বছরের শো ‘দাদাগিরি’। ‘দাদাগিরি’ মানেই সবার মনে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলার মহারাজ। সেই জায়গায় লড়াই যে খুব সহজ নয়, সে কথা ভালো করেই জানেন ‘পাগলু’খ্যাত অভিনেতা দেব। তবু তিনি বরাবরের মতো ‘চ্যালেঞ্জ’ নিয়েছেন। কারণ চ্যালেঞ্জ নিতে সবসময় প্রস্তুত তিনি। তাই কালো পোশাকে লালগালিচায় দেব পা রাখতেই চারদিক থেকে ভেসে এলো ভক্ত-অনুরাগীদের চিৎকার। এনতুন রূপে তাকে দেখার জন্য সবাই মুখিয়ে।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এদিন দেবকে প্রশ্ন করা হয়েছিল— ‘দাদাগিরি’-তে রাজি হওয়ার পর কি সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে কথা হয়েছিল?— এমন প্রশ্নে একগাল হেসে দেব বললেন, ‘একদম। দাদার সঙ্গে কথা হয়েছে। কয়েকটা টিপসও দিয়েছেন তিনি। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

    তিনি বলেন, আসলে এ জায়গাটা আমি নিয়েছি বলে দাদা খুব খুশি। সবাই জানে দাদার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। দাদাও নতুন কিছু করতে চেয়েছিল। সবাই তো ভালো কিছু করতে চায়। চ্যানেলেরও মনে হয়েছে অন্যরকম কিছু করতে। আমিও তেমনটাই চেয়েছি।

    এমন একটা অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়ে কতটা চিন্তায় দেব? এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, আমিও এ সুযোগ পেয়ে ভীষণ খুশি। আশা করব যারা গত ১০টা সিজন ধরে ‘দাদাগিরি’ দেখেছেন, সিজন ১১ যেন ততটাই ভালো বা তার থেকেও ভালো করতে পারি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিগ বস বাংলা আনছেন প্রিন্স অব কলকাতা

    ২০১৬ সালে কালারস বাংলায় শেষ সম্প্রচারিত হয়েছিল বিগ বস বাংলা সিজন ২। সেই সময় সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন টালিউড সুপারস্টার জিৎ। তারও আগে ২০১৩ সালে বিগ বস বাংলার প্রথম সিজন সঞ্চালনা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু ২০১৬ সালের পর প্রায় ১০ বছর কেটে গেলেও বিগ বস বাংলা আর ফিরে আসেনি। তবে এবার অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। 

    হিন্দি বিগ বসের জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিতে এবার বাংলাতেও আসতে চলেছে বিগ বস। সব থেকে বড় ও চর্চিত এ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে কে থাকবেন এতদিন তা নিয়ে চলছিল সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জোর জল্পনা-কল্পনা। অবশেষে সব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে বিগ বস বাংলা সঞ্চালনা করতে প্রস্তুত সৌরভ গাঙ্গুলি।

    চলতি বছর রিয়ালিটি শোগুলোতে বড় রদবদল চলছে। এর মধ্যে ‘দাদাগিরি’ থেকে ‘রান্নাঘর’, ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ সবখানেই পরিবর্তনের পালা চলছে। সবখানে সঞ্চালক পরিবর্তন হয়েছে। একদিকে যেমন ‘দাদাগিরি’র সঞ্চালনা করতে চলেছেন টালি সুপারস্টার দেব, ঠিক তেমনি বিগ বস বাংলার সঞ্চালনা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

    সম্প্রতি স্টার জলসার তরফ থেকে সামাজিক মাধ্যমে বিগ বস বাংলার ফার্স্টলুক রিলিজ করা হয়, যেখানে ক্যাপশনে দেওয়া হয়— ‘ভারতবর্ষের সব থেকে বড় বিনোদন এবার বাংলায়।’ সঙ্গে দেখা গিয়েছিল, ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে রাজকীয় কায়দায় হেঁটে আসছেন বাংলার দাদা। এবার দ্বিতীয় প্রমো প্রকাশ্যে নিয়ে এলো স্টার জলসা। বাংলার বাঘ সৌরভ গাঙ্গুলি ধীরে ধীরে এগিয়ে আছেন। সৌরভের ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে ইডেন গার্ডেন। এবার সঞ্চালনার সাক্ষী থাকবে গোটা বাংলা। নতুন রূপে নতুনভাবে দাদা ফিরতে চলেছেন ছোটপর্দায়।

    এ ভিডিওটি প্রকাশ্যে এনে স্টার জলসার তরফ থেকে ক্যাপশনে লেখা হয়— ‘বাংলার মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলির হাত ধরে আসছে বাংলার বিনোদনের বস— বিগ বস বাংলা।’ এতদিন সৌরভের দাদাগিরি দেখেছে বাংলার দর্শক। এবার দেখবেন বিগবসের মঞ্চে। তিনি কেমন ছক্কা হাঁকান, সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে গোটা বাংলা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সৌরভ গাঙ্গুলীর বায়োপিকের নাম চূড়ান্ত, শুটিং শুরু

    ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও আইকন সৌরভ গাঙ্গুলীর বায়োপিক নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই ভক্তদের মধ্যে ছিল তুমুল উত্তেজনা। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অভিনেতা রাজকুমার রাও জানালেন, বড় পর্দায় ‘দাদা’ হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু করেছেন তিনি।

    বহুল প্রতীক্ষিত এই বায়োপিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা রাজকুমার রাওকে।

    নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শুটিং শুরুর খবরটি নিশ্চিত করে রাজকুমার একটি পোস্ট শেয়ার করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এবং শুরু হলো… একমাত্র এবং অদ্বিতীয় দাদা।’ জানা গেছে, সিনেমাটির নাম রাখা হয়েছে ‘দাদা- দ্য সৌরভ গাঙ্গুলী স্টোরি’। ছবিটি প্রযোজনা করছেন লভ রঞ্জন এবং পরিচালনায় আছেন বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে।

    সৌরভ গাঙ্গুলীর বায়োপিকের জন্য রাজকুমারকে এক বিশাল শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তার আগের প্রজেক্ট ‘নিকাম’-এর জন্য তাকে প্রায় ৯-১০ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছিল। অভিনেতা জানান, সেই চরিত্রের জন্য তিনি নিয়মিত পিজ্জা, মিষ্টি, আলুর পরোটা এবং বিরিয়ানির মতো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়েছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টে রাজকুমার আরও যোগ করেন, ‘নিকাম-এর জন্য আমাকে কোনো গ্ল্যামার ছাড়াই সাধারণ লুকে পর্দায় আসতে হয়েছিল। আশা করি সিনেমাটি মুক্তি পেলে আপনারা আমার পরিশ্রম দেখতে পাবেন। এখন সময় সেই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলে নিজেকে ‘গাঙ্গুলী মোড’-এ নিয়ে যাওয়ার।’

    সৌরভ গাঙ্গুলীর মতো একজন ব্যক্তিত্বকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা জাতীয় পুরস্কার জয়ী রাজকুমারের জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। বিশেষ করে সৌরভের সেই সিগনেচার ব্যাটিং স্টাইল এবং ড্রেসিংরুমের সেই চেনা মেজাজ নিখুঁতভাবে তুলে ধরাই এখন এই প্রতিভাবান অভিনেতার মূল লক্ষ্য।

    সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে বা আগামী বছরের শুরুর দিকে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেয়ের জন্য কেমন পাত্র চান সৌরভ?

    বাবা বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটার, মা স্বনামধন্য নৃত্যশিল্পী। তবে এ তারকা দম্পতির মেয়ে সানা গাঙ্গুলি নিজেকে প্রচারের আলো থেকে দূর রাখতেই ভালোবাসেন। সম্প্রতি এক পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবা-মায়ের সঙ্গে পোজ দিলেন সৌরভকন্যা।

    বিয়ের মৌসুমে খুশির আমেজ সৌরভ গাঙ্গুলির পরিবারে। সম্প্রতি এক পারিবারিক বিয়ের আসরে একফ্রেমে পাওয়া গেল সৌরভ গাঙ্গুলি ও ডোনা গাঙ্গুলিকে। নবদম্পতি শ্রীলদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও বর্ষার শুভ পরিণয়ে হাজির হয়েছিলেন এ তারকা দম্পতি। বিয়ের আসরে বরের পাশে সৌরভের উপস্থিতি যেন পুরো অনুষ্ঠানটির জৌলুস বাড়িয়ে দিয়েছিল কয়েক গুণ। হাজির ছিলেন সৌরভকন্যা সানাও। তুতো দাদার বিয়ে বলে কথা!

    বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখা গেল নেভি ব্লু ব্লেজার ও কালো শার্টে, তার সেই চিরকালীন মার্জিত লুকে। অন্যদিকে ডোনা গাঙ্গুলি বেছে নিয়েছিলেন একটি চেক নকশার সাদা-কালো শাড়ি। কনে বর্ষা সেজেছিলেন টকটকে লাল বেনারসিতে, আর বরের পরনে ছিল ঘিয়ে রঙের জমকালো শেরওয়ানি। সৌরভকন্যা সানা বেছে নিলেন লাল রঙা সালোয়ার-কামিজ। পরিবারের এই মিলনমেলায় সানার হাসিমুখ বলে দিচ্ছিল বিয়েতে ফার্স্ট কাজিনের বিয়েতে তিনি কতটা আনন্দিত। সানা হাজির থাকলেও গাঙ্গুলি পরিবারের অপর কন্য়া কর্মসূত্রে মার্কিন মুলুকে আটকে। ভিডিওকলেই পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকলেন স্নেহাশিস কন্য়া স্নেহা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    লন্ডনে চাকরিরত সানা। মেয়ে বড় হচ্ছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে— মেয়ের জন্য কেমন পাত্র পছন্দ মহারাজের? এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ গাঙ্গুলি মজা করে বলেছিলেন,— এখন কী ভাবব, সানা অনেক ছোট।

    সানার বিয়ে নিয়ে কোনো ভাবনা নেই সৌরভের। হবু জামাইয়ের মধ্যেও বিশেষ কোনো গুণ চান না সৌরভ, তবে ভালো মনের মানুষ হতে হবে বলে জানান বাংলার মহারাজ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিগ বস’ সঞ্চালনা করবেন সৌরভ গাঙ্গুলি

    জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এর বাংলা সংস্করণের সঞ্চালক হিসেবে পর্দায় ফিরছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। দীর্ঘ সময় ‘দাদাগিরি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শকদের মাতিয়ে রাখার পর এবার তাকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এই শো-তে দেখা যাবে। আগামী ৬ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই রিয়ালিটি শো’র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। 

    স্টার জলসার পর্দায় সম্প্রচারিত হতে যাওয়া এই শো নিয়ে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আগামী শুক্রবার ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সৌরভ গাঙ্গুলির উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অনুষ্ঠানটি ঠিক কবে থেকে এবং কোন সময়ে প্রচারিত হবে, তা এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি। এছাড়া প্রতিযোগীদের তালিকায় কারা থাকছেন, তা নিয়েও চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।     

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, প্রায় এক দশক আগে অন্য একটি চ্যানেলে বাংলার ‘বিগ বস’ প্রচারিত হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে এবং সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় এটি আবারও ফিরছে। 

    বর্তমানে এই তারকা, ক্রিকেটারের বায়োপিক নিয়েও জোর আলোচনা চলছে, যেখানে তার চরিত্রে অভিনয় করবেন বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাও। বায়োপিকের কাজ এবং নতুন এই রিয়ালিটি শো; সব মিলিয়ে আবারও বিনোদন জগতের কেন্দ্রে চলে এসেছেন ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সৌরভের বায়োপিক মার্চে, জানা গেল কোথায় কোথায় শুটিং

    ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক নির্মাণ করা হচ্ছে। ‘প্রিন্স অব ক্যালকাটা’র নামে গাঙ্গুলির এ বায়োপিকের জন্য আগামী মার্চ মাসেই কলকাতায় পাড়ি দিচ্ছেন বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাও।

    সদ্য উজ্জ্বল নিকমের বায়োপিকের কাজ শেষ করেছেন এ অভিনেতা। এ মুহূর্তে ওজন ঝরাতে আদা-জল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছেন বলিপর্দার ‘মালিক’। কারণ চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেতা বরাবরই শারীরিক গড়ন বদলেছেন। অতীতে ‘ট্র্যাপড’ সিনেমার জন্য হোক কিংবা ‘বোস’ সিনেমায় নেতাজির চরিত্রায়ণের জন্য, রাজকুমার কোনো দিনই প্রস্থেটিক মেকআপের আশ্রয় নেওয়ার পক্ষপাতি নন। সিনেপর্দায় মহারাজের বর্ণময় ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে ব্যক্তিগতজীবন তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    এবার মহারাজের জার্সিতে ইডেন গার্ডেনসে ছক্কা হাঁকানোর পালা রাজকুমারে। তিনি বলেন, আমি ক্রিকেট খেলতে পারি। কিন্তু দাদার মতো বাঁহাতি ব্যাটার নই। আমি ডান হাতেই ব্যাট করতে অভ্যস্ত। সেটি রপ্ত করতেই আমার সময় লাগবে একটু বলে জানিয়েছেন রাজকুমার রাও।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে ২০২৫ সালের আগস্ট মাসেই কলকাতায় এসে রেকি সেরে গিয়েছিলেন পরিচালক বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে। ক্রিকেটের পীঠস্থান ইডেন গার্ডেনস, ময়দান থেকে শুরু করে বেহালায় সৌরভ গাঙ্গুলির বাড়িতেও ঢুঁ মারেন পরিচালক। মহারাজের ক্রিকেটের শুরুয়াত যেখান থেকে, সেই দুখীরাম কোচিং সেন্টারও ঘুরে দেখেন টিম নিয়ে। সেই সময়েই শোনা গিয়েছিল, পূজার পরই কলকাতায় এসে সৌরভের সঙ্গে দিন কয়েক সময় কাটাবেন এবং জানুয়ারি মাস থেকে শুটিং শুরু করবেন রাজকুমার।

    কিন্তু প্রথমত স্পোর্টস ড্রামার জন্য অভিনেতার কড়া প্রস্তুতি। আর দ্বিতীয়ত নিকম উজ্জ্বলের বায়োপিকের শুটিংয়ের জন্য সৌরভের বায়োপিকের শুটিং পেছাতে হয় রাজকুমারকে। তবে এবার আর দেরি নয়; মার্চ মাসেই তিলোত্তমায় পাড়ি দিচ্ছেন বলিউড অভিনেতা।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ক্রিকেটের মক্কাখ্যাত ইডেন গার্ডেনসের পাশাপাশি কলকাতার যে যে এলাকায় রেকি করে গিয়েছিলেন বিক্রমাদিত্য, শুটিং লোকেশনের তালিকায় সেসব জায়গার নামই রয়েছে। ইতোমধ্যে কলকাতা, মুম্বাই ও লন্ডনের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিংয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে মোতওয়ানের টিমের তরফে। ‘প্রিন্স অব ক্যালকাটা’র চরিত্র আত্মস্থ করতে বাংলা বলাও শিখে ফেলেছেন রাজকুমার রাও। অবশ্য যার খানিক প্রাপ্য স্ত্রী পত্রলেখারও।

    এর আগে সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক প্রসঙ্গে রাজকুমার বলেছিলেন— দাদার জীবনী পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে সবাই ভীষণ তটস্থ। খুব যত্ন নিয়ে সিনেমাটা তৈরি করতে চাইছি। তাই প্রস্তুতির জন্য আমাদের আরও কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। সেই জন্যই শুটিং পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে পরের বছর। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট দুনিয়ার এহেন আইকনের চরিত্রে অভিনয় করা একটা বড় দায়িত্ব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • একজন বাইরে, তাতে কী; ৫০০ মেয়ে আমাকে ঘিরে থাকে: ডোনা গাঙ্গুলী

    তার কাছে দোল মানে বড়দের পায়ে আবির, বন্ধুস্থানীয় বা ছোটদের কপালে রঙের তিলক। আর নাচ-গানের পরিবেশ।—এভাবেই বসন্ত উৎসব উদযাপন করতে ভালোবাসেন ভারতের সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলীর স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলী। তিনি বলেন, এভাবেই আগামী প্রজন্মের মনে রঙের উৎসবের মাহাত্ম্য ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। এই ভাবনা থেকেই ২০০৫ সালে নাচের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীক্ষামঞ্জরীর ছাত্রীদের নিয়ে তার প্রথম দোল উৎসব উদযাপন শুরু। আগামী বছরে ডোনার নাচের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পা দেবে ২৫ বছরে, আর অনুষ্ঠানের বয়স হবে ২১। 

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে ডোনা বলেন, আনন্দের রেশ নিয়ে কমবেশি ৫০০ ছাত্রী যোগ দিচ্ছেন। ভারতীয় জাদুঘরে বুধবার ও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে নাচের এই বিশেষ অনুষ্ঠান। বুধবার মহড়া অনুষ্ঠান দেখতে আসবেন ১০০ প্রবীণ নাগরিক।

    ডোনার এই নাচের অনুষ্ঠানের শুরুটাও বেশ মজার। সৌরভ গাঙ্গুলী-ডোনা গাঙ্গুলীর একমাত্র কন্যা সানা গাঙ্গুলী তখন খুবই ছোট। সবে হাঁটতে শিখেছে। ডোনা বলেন, সেই সময় আমার মনে হয়েছিল, সানা একটু একটু করে বড় হচ্ছে। ও-ও তো দোল খেলবে। বড়দের পায়ে আবির দিয়ে প্রণাম করতে শেখাতে হবে। আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ওর মনে বুনে দিতে হবে। আমি ছাড়া কে শেখাবে এসব? এই ভাবনা থেকেই নৃত্যশিল্পী নিজের বাড়িতে দীক্ষামঞ্জরীর ছাত্রীদের নিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন। সানা বড় হয়েছেন। কলেবরে বেড়েছে দীক্ষামঞ্জরীও। নৃত্যশিল্পী জানিয়েছেন, কমবেশি তিন-চার হাজার দর্শকশ্রোতা তাদের অনুষ্ঠান দেখতে আসেন। একসময় তার মনে হয়, আরও বড় জায়গা পেলে বুঝি ভালো হতো।

    কী ধরনের নাচেগানে অনুষ্ঠান সাজাচ্ছেন ডোনা? নৃত্যশিল্পীর কথায়, গুজরাটি লোকগান, রবীন্দ্রসংগীত থেকে জনপ্রিয় হিন্দি গানের তালে নৃত্য পরিবেশন করবেন তার ছাত্রীরা। গানের ভাব অনুযায়ী প্রত্যেকের পোশাক বাছাই করেছেন। একদম ছোট থেকে ডোনার থেকেও বয়সে বড় ছাত্রী অনুষ্ঠানে সাগ্রহে যোগ দেন।

    তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে মা আছেন, মেয়েও আছে। আবার এমন ছাত্রীও আছেন যিনি মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার ফাঁকে অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। যাকে ভেবে এই অনুষ্ঠানের প্রবর্তন সেই সানা বিদেশে কর্মরত। তিনি অনুপস্থিত। প্রসঙ্গ তুলতেই সৌরভপত্নীর বক্তব্য—এক মেয়ে বাইরে আছে, তাতে কী? ওই দিন ৫০০ মেয়ে আমাকে ঘিরে থাকে!

    অনুষ্ঠান শেষে থাকবে আবির খেলার আয়োজন। নৃত্যশিল্পী জানিয়েছেন, মাটির পাত্রে নানা রঙের ভেষজ আবির রাখা থাকে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত প্রত্যেকের কপালে আবির ছুঁইয়ে দেওয়া হয়।

    বিনোদন ডেস্ক