Tag: সোহেল

  • অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কার দাবিতে শিল্পীদের আলটিমেটাম

    টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে এই সংগঠনের নেতৃস্থানীয় শিল্পীদের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়েছেন সাধারণ শিল্পীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে বিবৃতি দেওয়ায় এই সংগঠন থেকে পদত্যাগও করেছিলেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। এছাড়া আলোচিত ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে অভিনয়শিল্পী সংঘের নেতাদের সম্পৃক্ততাও এখন প্রকাশ্য।

    সবমিলিয়ে অভিনয়শিল্পীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের আশু সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন শিল্পীরা। সংগঠনের সদস্য এবং সদস্য নন এমন শিল্পীরা একজোট হয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কারের দাবি তুলেছেন।

    তবে সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘের বর্তমান কমিটির সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইলে তারা সাড়া দেননি, উল্টো সংস্কার চাওয়া শিল্পীদের ‘অ-সদস্য’ বলে বৈষম্য তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ সাধারণ শিল্পীদের।

    এমন পরিস্থিতিতে শনিবার (৭ আগস্ট) সংগঠনের সদস্য এবং সদস্য নন এমন শিল্পীরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, বর্তমান কমিটিকে বিগত দিনের সব ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে কার্যনির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করতে হবে। এরপর নতুন নির্বাচন করতে হবে। এসব দাবি মেনে নেওয়ার জন্য ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা।

    শিল্পীদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-ইন্তেখাব দিনার, আজমেরী হক বাঁধন, এফ এস নাঈম, নাদিয়া আহমেদ, নাজিয়া হক অর্ষা, শ্যামল মাওলা, সুষমা সরকার, কাজী নওশাবা আহমেদ, মৌসুমী হামিদ, খায়রুল বাসার, শরিফ সিরাজ, মনোজ প্রামাণিক, সোহেল মন্ডল, আরেফিন জিলানী সাকিব, সিয়াম নাসির, ইমরান হাসো প্রমুখ।

    এ সময় অভিনেতা সোহেল মন্ডল বলেন, ‘আমরা কথা বলতে চাই। কীভাবে শিল্পীদের চলমান ক্রান্তিকাল কাটিয়ে নতুন রূপ রেখা দেওয়া যায় তা নিয়ে ভাবছি। সার্বিক পরিস্থিতি থেকে কথা বলতে চাই। নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছাতে চাই। সদস্য এবং অ-সদস্য এই বৈষম্য আর রাখতে চাই না। সকল শিল্পী এক। আমাদের সঙ্গে সংঘের সদস্যরাও সাড়া দিয়েছেন।’

    মনোজ প্রামাণিক বলেন, ‘শিল্পীদের এক হওয়ার কারণ একটাই, দেশে এই সময়টা যা যা ঘটে যাচ্ছে তার জন্য আমরা অনেক বেশি ব্যতীত। কিছু শিল্পীর আচারণ এবং তাদের কথাবার্তা অমানবিক। যা শিল্পী সমাজের জন্য লজ্জার। সেই দায় সকল শিল্পীকে নিতে হচ্ছে। অপরাধ না করেও এই দায় আমরা কেন নেব। আমরা সংস্কার চাই।’

    এ প্রসঙ্গে শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে আমরা অবগত না। আমরা সদস্যদের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত। আমরাও বৈষম্য চাই না। ব্যক্তিগত ক্ষোপ থাকতেই পারে সেই দায় সংগঠনের না। সংগঠন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৮ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করে অভিনয়শিল্পী সংঘের বর্তমান কমিটি। তবে মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও নতুন নির্বাচনের কোনো তাগিদ নেই সংঘের নেতাদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোহেল চৌধুরী হত্যা: আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

    মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আলী আহমেদের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন করেন। যুক্তি উপস্থাপন শেষে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সাদিয়া আফরিন শেলি সব আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ আসামিরা খালাস পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত অধিকতর যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ৩ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।

    মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত দশজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
     

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যা: নিরাপত্তা প্রহরীর সাক্ষ্য

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় তপন লাল দত্ত নামে এক নিরাপত্তা প্রহরী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    রোববার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আলী আহমেদের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১২ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় এ পর্যন্ত দশজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    এ মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

    এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    মামলার আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা-কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    আদালত প্রতিবেদক

  • চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৬ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

    বুধবার মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল; কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহীনুর আলম।

    মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলাটির তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন। 

    বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীস্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    সবশেষ গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি মামলার নথি বিচারিক আদালতে ফেরত আসলে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেন বিচারিক আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পূজা সরাসরি সালমানকে দায়ী না করলেও…

    অনেকেই মনে করেন সালমানের জন্য খান পরিবারের ছোট ছেলে সোহেল আর অভিনেত্রী পূজা ভাটের বিয়েটা হয়নি। সোহেল বলেছিলেন, নিজেকে পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই তিনি বিয়ে করবেন। তার আগে নয়। 

    rnrn

    ক্যারিয়ারের দোহাই দিয়ে সোহেল বারবার বিয়ে পিছিয়ে দেন। শেষপর্যন্ত তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। অনেকের দাবি- এটা সোহেলের মাথায় ঢুকিয়ে দুজনকে আলাদা করেছেন সালমান।

    rnrn

    কারণ খান পরিবারের সবার সঙ্গে পূজার ভালো সম্পর্ক থাকলেও সালমান খানের সঙ্গে তার সম্পর্কটা ভালো ছিল না। পূজা সরাসরি সালমানকে দায়ী না করলেও এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন- ‘লাভ’ সিনেমায় সালমানের বিপরীতে অভিনয় করতে চাননি বলে ভুল বোঝাবুঝি হয়।

    rnrn

    পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ারের জন্য পূজার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানলেও পরিচালক হওয়ার আগেই সীমা সচদেবকে বিয়ে করেন সোহেল। বিয়ের চার বছর পর ২০০২ সালে ‘ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় সোহেলের।

    rnrn

    সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখথুবড়ে পড়ে। এরপরই ব্যবসায়ী মণীষ মাখিজাকে বিয়ে করেন পূজা। দুজনের কারো এই বিয়ে টেকেনি।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • চিকিৎসার জন্য ফের সিঙ্গাপুরে সোহেল রানা

    গত বছরের শেষের দিকে চোখের অপারেশনের জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, পরিচালক ও অভিনেতা সোহেল রানা। 

    rnrn

    এর আগে দেশের একটি হাসপাতালে তার চোখে ভুল অপারেশন করা হয়। পরে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান। 

    rnrn

    সেখান থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর চোখের অবস্থা কিছুটা ভালো হয়। তবে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। তাই ফলোআপ চিকিৎসার জন্য গত ১৬ এপ্রিল আবারও সিঙ্গাপুর গিয়েছেন এ অভিনেতা। 

    rnrn

    যাওয়ার আগে যুগান্তরকে বলেছেন, ‘চোখের সমস্যাটা এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। তাই আবারও সিঙ্গাপুর যেতে হচ্ছে। হয়তো ঈদের পর দেশে ফিরব। সবার কাছে দোয়া চাই যাতে সুস্থ হয়ে দেশের ফিরতে পারি। সবার জন্য আমিও দোয়া করি যেন দেশবাসী ভালো থাকে।’

    বিনোদন প্রতিবেদন