Tag: সোহানা সাবা

  • ভারতে স্থায়ী হতে চান বাংলাদেশের এই তারকারা!

    সত্তর, আশি কিংবা নব্বই দশকে কলকাতার শিল্পীরা ঢাকায় এসে কাজ খুঁজতেন। কারণ সেখানকার ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা তখন ছিল খুবই করুন। এছাড়া ওই সময় বাংলাদেশী সিনেমার বাজারও ছিল বেশ রমরমা। তাই বাধ্য হয়ে ক্যারিয়ার বাঁচাতে ঢাকামূখী হতেন তারা। 

    একবিংশ দশকের দিকে পরিস্থিতি ঘুরে যেতে থাকে। ঢাকাই সিনেমা বাজার হারাতে শুরু করে, অন্যদিকে কলকাতা জমজমাট হয়ে উঠে। সময়ের পরিক্রমায় ঢাকা ও কলকাতা- দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাই এখন খুব একটা সুবিধার নয়। তবু গত দুই বছর ধরে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আর এই চেষ্টায় ‘মধু’ খেতে হাজির হচ্ছেন কলকাতার শিল্পীরা। 

    কলকাতায় যাদের কাজ নেই, তারাই এখন ঢাকায় এসে নিজেদের আসন গড়ার চেষ্টা করছেন। উদাহরণস্বরুপ, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই সিনেমায় কাজ করেছেন কলকাতার ইধিকা পাল, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, কৌশানী মুখার্জী, সায়ন্তিকা, দর্শনা বণিকসহ অনেকে। এদের অনেকেরই এখন কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতে তেমন ব্যস্ততা নেই। বলা যায়, বাংলাদেশী সিনেমা দিয়েই নিজেদের ক্যারিয়ারে ‘ইউটার্ণ’ ঘটাতে চাচ্ছেন। অবশ্য, এরমধ্যে কয়েকজন সফলও হয়েছেন। 

    একইভাবে কলকাতার সিনেমায় কাজ করে সেদেশের দর্শক মাতিয়েছেন বাংলাদেশের জয়া আহসান, রাফিয়াত রশীদ মিথিলা, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, অপূর্ব, তাসনিয়া ফারিণ, অপু বিশ্বাসসহ আরও অনেক দেশি তারকা। প্রায় সময় ওপারের বিভিন্ন আয়োজনে এসব শিল্পীদের কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ দেয়া হয় সম্মাননা। দেশের শিল্পীরা বাইরে গিয়ে কাজ করছেন সেটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য গর্বের। দেশের বাইরে শিল্পীদের কাজের বিষয়টি অনেকেই ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। 

    আরও পড়ুন: 

    তবে সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার কাজ করা প্রসঙ্গে দেশের কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে সমালোচনা। এর কারণ, কলকাতায় তারা আগে কাজ করলেও, বর্তমানে সেখানেই স্থায়ী আবাস গড়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন। আর তাতেই এক হাত নিতে শুরু করলেন নেটিজেনরা। তবে এর পেছনেও রয়েছে যথাযথ কারণ। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে এসব শিল্পী সমালোচনার মুখে পড়েছেন। আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতেও কাজের ব্যস্ততা নেই তাদের। বলা যায়, নিজেদের কর্মফল তাদের কোণঠাসা করে দিয়েছে। 

    জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকেই তাদের অনেকেই আড়ালে রয়েছেন। সুযোগ সন্ধানী এসব শিল্পী পেটের তাগিদে কাজের জন্য কলকাতাকেই এখন নিরাপদ ভাবছেন। তাই কাজের সুযোগের পাশাপাশি সেখানে স্থায়ী আবাস গড়ার চিন্তাও করছেন তারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া, অভিনেত্রী ও মডেল সোহানা সাবা।   

    গত বছর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে আড়ালে চলে যান আরিফিন শুভ। ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে এক টাকা পারিশ্রমিকে অভিনয় করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অবশ্য সেজন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশী হয়ে পুরষ্কার হিসাবে পূর্বাচলে প্লটও উপহার দিয়েছিলেন। আওয়ামী সুবিধাভোগী এ নায়ক তাই ছাত্র আন্দোলনেও ছিলেন নীরব ভূমিকায়। বরং ছাত্র আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে সেসময় প্রকাশ্যে এনেছিলেন নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর। ৫ আগস্টের পর থেকে কোনো কাজ তো দুরের কথা, কখনো মিডিয়ার সামনেও আসেননি এ অভিনেতা। 

    তবে আন্দোলন পরবর্তী গোপনে ভারত গিয়ে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করেন তিনি। কলকাতায় সৌমিক সেনের পরিচালনায় ‘জ্যাজ সিটি’ নামের সিরিজটির শুটিং করতে গিয়েই সেখানে স্থায়ী হবার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। বর্তমানে এ অভিনেতা কলকাতায় রয়েছেন। সেখানের একটি সংবাদ মাধ্যমে তিনি নিজেই স্থায়ী হবার বিষয়টি স্বীকার করেন। 

    এসময়  নিজেকে একজন অরাজনৈতিক মানুষ হিসাবে দাবি করে শুভ বলেন, ‘সচেতনভাবেই আমি একজন অরাজনৈতিক মানুষ। অভিনয় ছাড়া কিছু করি না। কোনো ব্যবসা নেই, ব্যাকআপ নেই। যদি সত্যি সত্যি সমস্যায় পড়তাম, তাহলে কলকাতার বসে সাক্ষাৎকার দিতে পারতাম না।’ এদিকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এ অভিনেতার  ‘নীলচক্র’, ‘নূর’, ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’, ‘লহু’ নামের সিনেমাগুলো। 

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই দলটির সমর্থক শিল্পীরা চাপের মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম আরও এক অভিনেত্রী সোহানা সাবা। তিনি আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। দলের হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বহুল সমাালোচিত ‘আলো আসবেই’ নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য ছিলেন তিনি। ছাত্র আন্দোলন দমাতে আওয়ামী সুবিধাভোগি শিল্পীদের নিয়েই ভার্চুয়াল এ গ্রুপটি খোলা হয়েছিল। যেখানে ছাত্রদের গায়ে গরম পানি ঢেলে দেয়ার মত ভয়াবহ পরিকল্পনাও করা হয়। পট পরিবর্তনের পর এ অভিনেত্রীও রয়েছেন বিপাকে। এরইমধ্যে তার নামে হয়েছে হত্যা চেষ্টার মামলা। 

    তবে এখনোও আড়ালো থাকা এ শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে সরব। তিনিও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন দেশ ছাড়ার। স্থায়ী হতে চাচ্ছেন কলকাতায়। সেখানেই কাজের সুযোগও খুঁজছেন তিনি। কলকাতার নির্মাতাদের দৃষ্টি কাড়তে তাদের প্রশংসা করে কিছুদিন আগেই গণমাধ্যমে সাবা জানান, তিনি কলকাতার সিনেমার অন্ধ ভক্ত। সেখানে কাজের সুযোগ চান। কাজ পেলে সেখানেই স্থায়ী হবেন। 

    অন্যদিকে ঢাকার চেয়ে কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতেই বেশি ব্যস্ত নুসরাত ফারিয়া। এ অভিনেত্রীও ছাত্রআন্দোলন পরবর্তী সময় থেকে বেশ চাপে রয়েছেন। সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ‘মুজিব’ সিনেমার শেখ হাসিনার চরিত্রে রূপদানকারী এ অভিনেত্রীকে। ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি দেশ ত্যাগ করেন। আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে বিদেশে বসে সামাজিক মাধ্যমে উত্তাপ ছড়িয়েছিলেন তার স্বল্পবসনা ছবি দিয়ে। দলের সুবিধা ভোগ করা এ শিল্পীও গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গোপনে দেশে ফেরেন। এরপর প্রায় কয়েকমাস ছিলেন ঘরবন্দী ও মিডিয়ার আড়ালে। তবে গত ঈদুল ফিতরে তার অভিনীত একটি সিনেমা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও, সমালোচিত এ নায়িকার কারণে সে সিনেমার কপালেও জোটে ফ্লপ তকমা। 

    এদিকে আর কোনো কাজেও তিনি যুক্ত হতে পারছেন না। স্বাভাবিকভাবেই তার নজরও এখন কলকাতার দিকেই। কাজের ব্যস্ততা বাড়লে সেখানেই হতে পারেন স্থায়ী। এক সাক্ষাৎকারে দেশীয় নির্মাতার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে জানান, দেশের নির্মাতারা তাকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেননি। সে তুলনায় কলকাতার নির্মাতাদের এগিয়ে রেখেছেন এ অভিনেত্রী।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • এবার ডিবি হেফাজতে অভিনেত্রী সোহানা সাবা

    অভিনেত্রী সোহানা সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে রাষ্ট্র নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আটক করার পর তাকে ডিবি কার্যালয় নেওয়া হয়েছে।  ডিবি হেফাজতে তাকে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    বিদেশের মাটিতে দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।  এ সংক্রান্ত একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন ভাইরাল হয়েছে।  জানা গেছে, চক্রান্তের অংশ হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি কলকাতায় এ নিয়ে বৈঠক হয়।  বৈঠকে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থির করে তুলতে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মীকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

    সূত্র জানায়, ১৫ জানুয়ারি কলকাতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেউ কেউ সশরীরে এবং কেউ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।  তারা হলেন-আসাদুজ্জামান খান কামাল (সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী), অসীম কুমার উকিল, অধ্যাপিকা অপু উকিল, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (সাবেক এমপি), গোলাম রাব্বানী (ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), সিদ্দিকী নাজমুল আলম (লন্ডন প্রবাসী ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান জয়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, হাজারীবাগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি তোরাব আলীর ছেলে লেদার লিটন, বাংলাদেশ-ভারত চেম্বারের সুব্রত সুমন, শেখ হাসিনার গাড়িচালকের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রুবেল, ‘আলো আসবে’ গ্রুপের অ্যাডমিন ও চিত্রনায়িকা সোহানা সাবা এবং সাবেক এমপি তহুরা আলীর কন্যা অভিনেত্রী ও গায়িকা মেহের আফরোজ শাওন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ভারতে বড় দায়িত্ব পেলেন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের সোহানা সাবা

    বাংলাদেশের আলোচিত অভিনেত্রী সোহানা সাবা। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার বিপক্ষে থাকা ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডে নাম জড়ানোর পর ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন এই অভিনেত্রী। এবার নতুন আলোচনায় শুরু হয়েছে এই অভিনেত্রীকে নিয়ে।  

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন সাবা। দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করেন তিনি। বর্তমানে ভারতে রয়েছেন অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবিও প্রকাশ করছেন। ভারতে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন সাবা। ভারতের জয়পুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের বিচারক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সোহানা সাবা। 

    বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে তথ্যটি জানান নিজেই।

    দীর্ঘ সেই পোস্টে সোহানা সাবা লেখেন, ২০২৪-এর আগস্ট মাসে যখন আমাকে প্রতিবারের মতো প্রোপোজাল দেওয়া হলো জুরি হতে, আমি এতটাই কাজহীন এবং মন খারাপ করেছিলাম যে চট করে এই প্রপোজালটা এবার এক্সেপ্ট করে নেই। জি হ্যাঁ, আমি অফিসিয়াল জুরি অফ জয়পুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৪। আমি এখন জয়পুরের পথে কলকাতা থেকে ফ্লাই করার জন্য অপেক্ষা করছি।

    অভিনেত্রী আরও লেখেন, একটা কথা বলতে চাই যে, আগে শুধুমাত্র আমি আমার অভিনয়ের বা আমার কাজের ভক্ত পেয়েছি আজীবন। যারা আমাকে আমার কাজের জন্য ভালোবাসত। এখন (গত আগস্ট মাসের পরে) দেশের অথবা বিদেশের আনাচে-কানাচে প্রচুর বাংলাদেশি আমাকে ভালোবাসার দোয়া দিয়ে তাদের মেসেজ পাঠায়। আমি প্রত্যেকটা মেসেজ বা কথা পড়ি আর চোখ দিয়ে টপটপ করে আমার পানি পড়তে থাকে।

    উল্লেখ্য, সোহানা সাবার শুরুটা হয়েছিল নাচ দিয়ে। তবে নাটক ও সিনেমায় ভিন্ন মাত্রার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তাও পেয়েছেন। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে নানাবিধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিশেষ করে ‘আলো আসবেই’ নামের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে আওয়ামীপন্থি শিল্পী হিসেবে নাম ওঠে তার। সেখানে যাদের সবার ভূমিকা ছিল জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ছাত্রদের বিপক্ষে থেকে নানান নীল নকশার ছক আঁকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কিছু মানুষ নামের আগে ‘হিরো’ লাগিয়ে জাতীয় হিরোতে পরিণত হয়: সোহানা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই চাপের মধ্যে আওয়ামীপন্থি শিল্পীরা। এমনকি সামাজিকমাধ্যমেও কটাক্ষের মুখে পড়ছেন তারা। অনেক শিল্পীই গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন এবং চেয়েছিলেন। তাদেরই একজন অভিনেত্রী সোহানা সাবা।

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিজের অবস্থান নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে নিদারুণ কটাক্ষের শিকার হলেও সাবা কখনই কোনো বিষয়ে নিজের মতপ্রকাশ থেকে বিরত থাকেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবসময় তার সরব উপস্থিতি। প্রায়ই নিজের মনোভাব প্রকাশ করেন ফেসবুকের মাধ্যমে। সেই ধারাবাহিকতায় রোববার (২০ অক্টোবর) একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন এ অভিনেত্রী। যেখানে তিনি লেখাটা শুরু করেছেন সদ্যপ্রয়াত সংগীতশিল্পী মনি কিশোরকে নিয়ে।

    রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে সাবা লিখেছেন— মনি কিশোর নামে একজন গায়ক মারা গেছেন আজ সকালে জানতে পারলাম। তার গানগুলো শুনে শুনে বড় হয়েছি। কিন্তু তিনি যে বেঁচে আছেন বা কোথাও আছেন সে সম্পর্কে কখনো কোনো কৌতূহল তৈরি হয়নি। তার মতো একজন গুণী গায়ক সে রকম কোনো সুযোগ-সুবিধা চেয়েছেন বা পেয়েছেন বলেও আমার জানা নেই। ভালো হয়েছে যে তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন।

    সোহানা সাবা আরও লিখেছেন— তিনি যদি সবার সামনে থাকতেন, অনেক শিল্পীর জন্য অথবা অনেক অযোগ্য শিল্পীর জন্য তিনি থ্রেট হিসেবে থাকতেন! তখন সে অশিল্পীরা বা অযোগ্য লোকেরা এসে কোনো একটা দুর্বলতার মুহূর্তে বলে উঠতেন— ওর কি কোনো বেল আছে? ও কি শিল্পী হওয়ার যোগ্য? একটা-দুইটা গান গেয়ে ফেমাস হয়ে নিজের শিল্পী হিসেবে সত্তাকে বেচে দিয়েছেন!

    সোহানা সাবা বলেন, কদিন আগে একটা চমৎকার পর্যালোচনা পড়ছিলাম, কী করে একটি অপ্রতুল দ্বীপে বড় মাংসাশী প্রাণীগুলো সাইজে ছোট হতে থাকে এবং কী করে ছোট প্রাণী যেমন টিকটিকি-গিরগিটি সাইজে বড় হতে থাকে। কী করে আমাদের দেশে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের মতো পণ্ডিত ব্যক্তি থাকতে কিছু মাথামোটা মানুষ সবার জাতীয় পণ্ডিতে পরিণত হয়! কী করে চমৎকার কিছু সিনেমায় চমৎকার অভিনয়ের পরেও কিছু মানুষ নিজের নামের পূর্বে ‘হিরো’ লাগিয়ে জাতীয় হিরোতে পরিণত হয়।

    তিনি বলেন, ডিজিটাল যুগে ভুলভাল কাণ্ড করে অথবা সেলিব্রিটিদের সঙ্গে নিজের পিআর বাড়িয়ে নিজেদের সেলিব্রিটি ভাবলেই কি আপনি সত্যিকারের শিল্পী হয়ে উঠলেন? একবার ভাবুন— মাথাটা খাটান। আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন। অবশ্য মাথা এবং আয়না পরিষ্কার থাকলে পরিষ্কার দেখতে পাবেন, নাহলে কিছুই দেখতে পাবেন না। এই ভুল ধারণা নিয়েই জীবন কাটিয়ে দেবেন।

    উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে প্রয়াত অভিনেত্রী ও নির্মাতা কবরীর ‘আয়না’ চলচ্চিত্রে পা রাখেন সোহানা সাবা। ‘খেলাঘর’, ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’ ও ‘ষড়রিপু’ সিনেমায় কাজ করে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুই কিন্তু আসিফ নজরুলের খালা শাশুড়ি: সোহানা সাবাকে শাওন

    জনপ্রিয় নির্মাতা, প্রযোজক, অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন ও ছোটপর্দার অভিনেত্রী সোহানা সাবার মধ্যে বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। সেই বন্ধুত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও স্পষ্ট। দুজনেই ফেসবুকে অ্যাক্টিভ থাকেন। 

    সম্প্রতি সময় ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডের পর থেকে নিয়মিত ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন সোহানা সাবা। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরোক্ষভাবেই একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। যার ধারাবাহিকতায় গত কয়েক দিনে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের পুরোনো স্ট্যাটাস একের পর এক নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার দিতে দেখা গেছে সোহানা সাবাকে। 

    অনেকটা ‘খোঁচা’ দেওয়ার মতোই স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করে বিভিন্ন মজার ক্যাপশনজুড়ে দিচ্ছেন এ অভিনেত্রী। যেখানে সোহানা সাবা বলেন, তিনি আজকাল উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ‘ভক্ত’ হয়ে গেছেন! এর আগেই এ অভিনেত্রী আসিফ নজরুলের পুরোনো একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন—আজকাল স্যারের ফেসবুক পেজ ঘুরে দেখতে খুব ভালো লাগে। আমি তার ফ্যানগার্ল।

    আর তার এই পোস্ট নজর এড়ায়নি হুমায়ূনপত্নী শাওনের। তিনি কমেন্টবক্সে মেসেজ দিয়ে হুঁশিয়ার করেছেন সোহানা সাবাকে। তাকে উদ্দেশ্য করে শাওন লিখেছেন— আমার মেয়ের জামাইয়ের দিকে চোখ দিবি না, খবরদার। এ মন্তব্যে অবশ্য পাল্টা জবাবও দিয়েছেন সোহানা সাবা। এ অভিনেত্রী লিখেছেন—আপু, আমি স্যারের ফ্যানগার্ল মাত্র। 

    এখানেই শেষ নয়, গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে শাওনকে উদ্দেশ্য করে আরেকটি স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায় সোহানা সাবাকে। যেখানে এ অভিনেত্রী লিখেছেন— চীনের দুঃখ হোয়াংহো, আমার মেহের আফরোজ শাওন আপুর মেয়ের জামাই (আসিফ নজরুল) ওরফে স্যারের দুঃখ তার পুরোনো ফেসবুক স্ট্যাটাস। 

    ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে এসে শাওন আবার সোহানা সাবাকে মনে করিয়ে দেন— তুই কিন্তু খালা শাশুড়ি, হুমমম। জবাবে সাবা একটি গানের লিংক শেয়ার করে বলেন, আমার মনের বর্তমান অবস্থা। 

    প্রসঙ্গত, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। আর লেখকের প্রথম ঘরের সন্তান অভিনেত্রী শিলা আহমেদের স্বামী হচ্ছেন ড. আসিফ নজরুল। সেদিক থেকে সম্পর্কে অভিনেত্রী শাওনের মেয়ের জামাই হন এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়; প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আপনারা সকলে মিলে আমাকে বয়কট করুন’

    ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডে আলোচনায় আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। 

    তার সেই সকল স্ট্যাটাস, ভাবনা, মন্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমেও বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছেন না এই অভিনেত্রী। 

    যে কারণে বুধবার (২ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসের কমেন্টে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে সাবা বলেছেন, আমার ফেসবুকের স্টেটমেন্ট কোন পারমিশন ছাড়া পত্রিকায় বা অনলাইনে নিউজ করবেন না। 

    সোহানা সাবা আরও বলেন, এটা আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইল। এখানে আমি যা লিখবো তাই যদি নিউজ করে চলতে হয় আপনাদের, তবে বুঝে নেন আপনাদের কি বেহাল অবস্থা!

    এরপর নিজের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে অনেক সাংবাদিককে ছেঁটে ফেলেছেন উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, আমার জানা মতে ২-৩ জন মিডিয়াকর্মী বাদে সকলকেই প্রোফাইলের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে ডিলিট করেছি বা করবো। আপনারাও সকলে মিলে আমাকে বয়কট করুন। নিজেদের এতটুকু আত্মসম্মানবোধ আপনাদের থাকা উচিত!

    এর আগে সেই স্ট্যাটাসে পূজা মণ্ডপের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে সোহানা সাবা লেখেন, আমার বড় খালামনির বাড়ি ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পাশেই। প্রতি বছর পূজাতে আমরা সব কাজিনরা মিলে মন্দিরে গিয়ে নাচ করি, প্রসাদ খাই। বাড়িতে ফিরে নামাজ রোজা মিস হয়নি কারোই।

    তবে এবার আর পূজায় যাবেন না উল্লেখ করে অভিনেত্রী লেখেন, এ বছর যাব না। আর কোনদিনই যাবো না হয়তো। আমার মুসলিম ভাইরা মন দিয়ে পাহারা বসেছে দেখে গর্বে বুকটা ভরে গেছে, সে কারণেই। ভালো থাকবেন আপনারা সকলেই। সকল বাংলাদেশের মানুষরা…।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফলোয়ারদের যে হুমকি দিলেন সোহানা সাবা

    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আওয়ামীপন্থি অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে গঠিত ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডে আলোচিত ছিলেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। 

    তিনি বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের ব্যানারে প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েন। 

    গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় পরোক্ষভাবে দেওয়া স্ট্যাটাসে সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন সোহানা সাবা। 

    সম্প্রতি এক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী জানান, তিনি এমন কিছু করেননি। বরং তার আইডি হ্যাক করার চেষ্টা থেকে এসব করা হচ্ছে।

    অপর একটি স্ট্যাটাসে কিছু মানুষকে উদ্দেশ করে সাবা লেখেন- ‘কিছু অভাগা, যারা গত ১৮ বছর ধরে আমাকে ফলো করে আসছেন, ইনবক্সে নক করছেন আর ফ্রেন্ডলিস্টে একটু জায়গা পেতে আমাকে রিকোয়েস্ট করে আসছেন— তারা আমার হ্যাকড আইডি থেকে পাওয়া গ্রুপ ইনভাইটেশন পেয়ে যারপর নাই পুলোকিত!’

    অভিনেত্রী লেখেন- তাদের ছ্যাঁচড়ামির বড় প্রমাণ দিতে তারা রিকোয়েস্টের স্ক্রিনশট পোস্ট করে হেভি লাইক কমেন্ট কামানোর ব্যাপারে উৎসাহী। হ্যাঁ ভাই, হ্যাঁ আপনি অনেক বড় ‘লায়েক’!

    সবশেষ অভিনেত্রীর সংযোজন- ‘যদিও আমি নিশ্চিত, আমার ভাই অথবা এরকম অনেক সুদর্শন ও সুশিক্ষিত সুপুরুষ হলে এটুকুতে নিজের আত্মসম্মান খোয়াতে যেত না! সে যাই হোক।’

    আরও একটি পোস্টে সবাইকে সতর্ক করে সোহানা সাবা লেখেন, ‘আপনার কিছু বলার থাকলে অবশ্যই বলবেন, অবশ্যই লিখবেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ওয়ালে লিখবেন। আমার কমেন্ট বক্সে এসে লিখে নিজের লাইক-কমেন্ট- শেয়ার বাড়াতে চাইলে আপনাকে কট করে কেটে দেব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলনকারীদের পক্ষে পোস্ট, ফারুকীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন সোহানা সাবা!

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকা নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আশফান নিপুন, অভিনেতা সিয়াম আহমেদ, অভিনেত্রী নাজিফা তুষি, সাদিয়া আয়মানসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে ক্রোধ প্রকাশ করেছেন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের সদস্যদের কেউ কেউ। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নাজিফা তুষিদের কেউ এ গ্রুপে ছিলেন না।

    rnrn

    আওয়ামী লীগ নেতা ও আওয়ামী লীগপন্থী শিল্পীদের এই গ্রুপে লিমন আহমেদ নামের এক বিনোদন সাংবাদিককেও দেখা গেছে। আন্দোলনের পক্ষে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর একটি ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে দেন লিমন।

    rnrn

    মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে প্রকাশের অযোগ্য ভাষায় গালি দিয়েছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতিসহ আরও কয়েকজন।

    rnrn

    আন্দোলনের পক্ষে যারা প্রোফাইল লাল করেছিলেন তাদের চিনে রাখা এবং পরবর্তী সময়ে ‘সাইজ করার’ হুমকির কথাও এসেছে এই গ্রুপে। আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে প্রোফাইল ‘লাল’ করায় এক সংগীতশিল্পীকে নিয়ে অরুণা বিশ্বাস লিখেছেন, ‘বয়স যদি কম থাকত পিটাইতে পিটাইতে বাবা ডাক শিখাইতাম।’

    rnrn

    আন্দোলনের পক্ষে ‘এক দফা’ শীর্ষক ছবি কাভারে পোস্ট করেছিলেন তরুণ অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। সেই পোস্টের স্ক্রিনশট ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে দিয়ে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

    rnrn

    অপরদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে ‘টোকাই বলে ব্যঙ্গ করেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতিকে। 

    rnrn

    অভিনেত্রী জ্যোতিকে লিখতে দেখা গেছে, ‘বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগুন। ফায়ার সার্ভিস ও গণমাধ্যমকে ঢুকতে দিচ্ছে না টোকাই জামাত শিবিরের মেধাবী আন্দোলনকারীরা।’

    rnrn

    তখন আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস বলেছেন, ‘গরম জল দিলেই হবে।’

    rnrn

    মঙ্গলবার দুপুরে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের কয়েকটি স্ক্রিনশট প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আবেদ আলীর নামাজরত ছবি শেয়ার করে যা বললেন সোহানা সাবা

    বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পরীক্ষাসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পিএসসির চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ও দুই পরিচালকসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 

    সোমবার (৮ জুলাই) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    এ ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন সৈয়দ আবেদ আলী। বিশেষ করে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় তার নামাজের ছবি, মানবিক গল্প ও সততার বাণী আলোচনার সৃষ্টি করেছে সর্বমহলে। প্রশ্ন উঠেছে, একজন গাড়িচালক হয়েও কীভাবে কোটি কোটি টাকার বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন তিনি। 

    যদিও এই গাড়িচালক গ্রেফতার হওয়ার পরেই সকলের কাছে এখন স্পষ্ট, অসৎ ও অসাধু পথ অবলম্বন করেই অর্থবিত্তের মালিক বনে গেছেন তিনি। যে কারণে আবেদ আলীর মতো অসৎ ব্যক্তিদের নিয়ে ধিক্কারে ফেটে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শাস্তি দাবি করেছে অপরাধীদের। 

    তাদেরই একজন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। সোমবার বিকালে ফেসবুকে আবেদ আলীর নামাজরত একটি ছবি শেয়ার করে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, যারা দেখিয়ে দেখিয়ে ধর্মচর্চার নামে বাড়াবাড়ি করে, পাশে মসজিদ কিংবা নামাজের স্থান রেখে রাস্তায়, খেলার মাঠে, সমুদ্র তটে নামাজ পড়ে ছবি দেয় সোশাল মিডিয়ায়, এদের মাঝে আমি কোনো ভালো মানুষ দেখি না। সবগুলোই বাটপার।

    অভিনেত্রী আরও লেখেন, যারা শুক্রবার ‘জুম্মা মুবারক’ বলে ফেসবুকে পোস্ট দেয়, আর যারা নিজের আমলনামা বাদ দিয়ে অন্যদের পোস্টে কমেন্ট করে -পরকালে দোজখে যাবে! আর দান খয়রাতের ছবি-হিসাব প্রচার করে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেগুলোকেও আমার একই ভণ্ড মনে হয়।

    উল্লেখ্য, মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বাসিন্দা আবেদ আলী একজন ড্রাইভার হলেও তার কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য সামনে এসেছে। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য সামনে আসার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিপুল সম্পদের তথ্য তুলে ধরছেন নেটিজেনরা। ছেলে ছাত্রলীগ নেতা, পড়েছেন বিদেশে, এরপর দেশের একটি ব্যয়বহুল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকার ভেতর তার দুটি বহুতল ভবন, মাদারীপুরে আলিশান বাড়ি রয়েছে এমন তথ্যও সামনে এসেছে।

    সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য প্রচারণা চালিয়েছিলেন আবেদ আলী। আবেদ আলী সমাজের বিত্তবান ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা করতেন। প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গেও উঠবস করতেন। তবে এসব করেও শেষ রক্ষা হয়নি। ধরা পড়েছেন পুলিশের জালে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার ব্যক্তিজীবন গোপন রাখব’

    অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সোহানা সাবা। তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দুই মাস আগে। বর্তমানে নিজের ইয়োগা স্কুল নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। অভিনয় ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

    rnrn

    শুটিং নিয়ে ব্যস্ততা কেমন?

    rnrn

    সব সময় তো শুটিং থাকে না। এ মুহূর্তে শুটিং নিয়ে কোনো ব্যস্ততা নেই। এখন আমি নিজের ইয়োগা স্কুল নিয়ে কাজ করছি। সেখানে এখনো ইন্টেরিয়রের কাজ চলছে। কারণ জায়গাটা মানুষের পছন্দ হওয়ার একটা বিষয় রয়েছে। শুধু তাই নয়, স্কুলের একটা অংশকে আমি আমার অফিস এবং স্টুডিও হিসাবেও তৈরি করছি। 

    rnrn

    কাজ শেষ করতে পুরো মাস লেগে যাবে। তবে আমি এরই মধ্যে সেশন শুরু করে দিয়েছি। প্রথম ব্যাচের ক্লাস চলছে। খুবই ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। আর শুটিং শুরু হতে হতে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি।

    rnrn

    কিসের শুটিং? সিনেমা নাকি ওটিটি?

    rnrn

    দুটি সিনেমার কথা হয়ে আছে। তবে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। আমার পরিচালকই বলবেন। আর ওটিটিতে কিছু করছি না।

    rnrn

    তারকারা সাধারণত রেস্টুরেন্ট কিংবা ফ্যাশন ব্র্যান্ড নিয়ে আগ্রহী হয়। আপনি ইয়োগা বেছে নিলেন কেন?

    rnrn

    আমি আসলে কোনো পরিকল্পনা থেকে এটা শুরু করিনি। জীবন আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে। আমি যখন ইয়োগা শুরু করি, তখন নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই করেছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম অনেকেই আমার কাছে এ বিষয়ে জানতে আগ্রহী। পরে যখন আমি ঋষিকেশ থেকে প্রশিক্ষকের ট্রেনিং নিয়ে এলাম, তখন একটা স্কুল খোলার সাহস পেলাম। তবে এটা কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য থেকে নয়। এখানে এসে মানুষ আড্ডা দিতে পারবে, মিটিং করতে পারবে। যারা নিজেকে সুখ দিতে চায়, নিজের শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখতে চায় এ ‘ইয়োগিস’ তাদের জন্য।

    rnrn

    এখন তো ডিজিটাল যুগ। অনলাইনেও প্রশিক্ষণ দেবেন?

    rnrn

    অনলাইনে যাওয়ার কোনো ইচ্ছাই নেই। এটা আমার প্রফেশন নয়। আমি কাজটা জানি, আমার করতে ভালো লাগে। সেই সঙ্গে মানুষের আগ্রহ আছে। তাই তাদের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চেয়েছি। তাই বলে অনলাইন অফলাইন স্কুলিং দেব, বিষয়টা এমন নয়।

    rnrn

    এখন কী অভিনয় থেকে বিরতি নেবেন?

    rnrn

    অভিনয় থেকে সরে যাওয়া কখনো সম্ভব নয়। অভিনয় আমার মূল পেশা। আমি সেই পরিচয়েই পরিচিত হতে চাই। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আমি মাল্টিটাস্ক করতে পারি না। যখন শুটিং নিয়ে ব্যস্ততা ছিল, তখন এটাই খুব একটা সময় দিতে পারিনি। এখন শুটিং ব্যস্ততা কম তাই ইয়োগায় সময় দিতে পারছি। আবার আমার শুটিং একবেলা করে হয়। ফলে অন্য বেলা এখানে থাকি। স্কুলটা একবার সেট হয়ে গেলে তখন আমি দূরে থেকেই দেখাশোনা করব। আর যেমন অভিনয়ে মূল ফোকাস ছিল, সেটাই থাকবে।

    rnrn

    ব্যক্তিজীবন নিয়ে কী ভেবেছেন?

    rnrn

    ব্যক্তিজীবন নিয়ে কাউকে কিছু জানানোর ইচ্ছা আমার নেই। যা-ই করি না কেন, গোপনে করব। কারণ আমি দেখেছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষ নেগেটিভিটি বেশি ছড়ায়। আমি আমার জীবনে নেগেটিভ কিছু চাই না। 

    rnrn

    তাই ঠিক করেছি, আমি আমার ব্যক্তিজীবন গোপন রাখব, তাহলে কেউ ভেতরের খবরও জানবে না আর নেতিবাচক কিছু বলার সুযোগও পাবে না। কারণ আমার একটা ইমেজ আমি সব সময় মেইনটেন করার চেষ্টা করেছি। সেটাই শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে চাই।

    নূসরাত অনন্যা