Tag: সোশ্যাল মিডিয়া

  • রিপন মিয়ার পক্ষ নিয়ে তার বাবা-মাকে ধুয়ে দিলেন চমক

    ২০১৬ সালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুকে যাত্রা শুরু করেন রিপন মিয়া। কিন্তু এ মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও বিনোদনমূলক কনটেন্ট তৈরি করে তিনি রাতারাতি তারকাখ্যাতি পেয়েছেন। সম্প্রতি এ কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। আর এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এবার তাকে নিয়ে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। 

    সে পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘স্বার্থে আঘাত লাগলে নিজের বাবা-মাও তার সন্তানকে টেনে নামাতে পারে। রিপন মিয়া কত খারাপ কিংবা কত ভালো, সেটি নিয়ে তো সবাই কথা বলছি, কিন্তু মুদ্রার অপর পিঠ কি দেখছি আমরা? তার বাবা-মা একবারও তার সন্তানের সম্মানের কথা ভাবলেন না।

    তিনি বলেন, ডিয়ার চাকচিক্য মোবাইলে যতটা দেখা যায়, আসল জীবনে ততটা নাও হতে পারে। রিপন মিয়ার স্পনসর্ড ঘোরাফেরা দেখে তাকে অঢেল সম্পদশালী মনে করার কোনো কারণই নেই।

    অভিনেত্রী বলেন, নিজের বাবা-মা, নিজের ছেলের সামান্য উন্নতিতে খুশি হতে পারছেন না, তাহলে কীভাবে আশা করি— আমাদের সমাজ, আশপাশের মানুষ, আমাদের সফলতায় বা অর্জনে আনন্দে আটখানা হয়ে যাবে?

    ওই মহান সাংবাদিকগণ, যারা মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক, কান, গলা তথা পুরো শরীর গলিয়ে মানুষকে টেনেহেঁচড়ে নিচে নামায় সামান্য কিছু পয়সার জন্য, তাদের কীভাবে দেখছেন আপনারা? আরেকটি বিষয়— রিপন মিয়া তো তার সব ভিডিওতে নিজেই দাবি করে সে গরিব। তাই ‘গরিব বলে বাবা-মাকে পরিচয় দিচ্ছেন না’— এ শিরোনামটা ব্যবহার না করলেও পারতেন, দোষারোপগুলো আরও ক্রিয়েটিভ হতে পারত।

    প্রকৃতি আমাদের বরাবরই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়— আমরা কতটা হিংস্র, কতটা ইনসিকিউর, কতটা হিংসুটে, কতটা লোভী, কতটা একা, কতটা অসহায়। যাই হোক, সব কথার শেষ কথা— সব দোষ রিপন মিয়ার। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রী সন্তানকে অস্বীকার, যা বললেন রিপন

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে নিয়ে গত দুই দিনে বেশ কিছু অভিযোগ উঠে আসে। বাবা-মায়ের দেখভালের সঙ্গে স্ত্রী–সন্তানদের অস্বীকারের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিপন মিয়া। 

    বুধবার মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকায় আসেন রিপন মিয়া। মঙ্গলবার পুরো ঘটনার বর্ণনা করেন তিনি। তার মা ফাতেমা বেগমও সেদিন ঠিক কী হয়েছিল, তা তুলে ধরেন। এমন সময় মা ও সন্তান একজন আরেকজনকে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    ঘটনা নিয়ে রিপন মিয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কী থাইক্যা কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতেছি না। ঘুম থেকে উইট্টা চা স্টলে গেছিলাম। এ সময়ে কয়েকজন সাংবাদিক আইসা ক্যামেরা ধরল, আর আমাকে মজা করতে বলল। আমি ছন্দ বলে মজা করছিলাম। একপর্যায়ে তারা আমার পরিবার নিয়ে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করতে থাকে। তারা যে এখানে আসার আগে আমার বাড়ি থেকে ঘুরে আসছে, তা জানায়নি আমাকে। তারা বলতে থাকে, আমি আব্বু-আম্মুকে দেখি না, আমার বউ–বাচ্চার কথা কাউরে কই না, এসব আরকি। এরপর আমার মাথা গরম হইয়া যায়। আমি মূর্খ, গুছিয়ে কথা বলতে পারি না, এই কারণেই কিন্তু সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলি না।। তবে উনারা ভিডিওতে সব কথা রাখেননি, কাটিং করেছেন। আমি অনেকক্ষণ কথা বলছি উনাদের সাথে। সব কথা ভিডিওতে নাই।’

    বিয়ে ও স্ত্রীর অস্বীকার করা প্রসঙ্গে রিপন বলেন, ‘দেড় বছর আগে ভাইসাবের (কনটেন্ট ক্রিয়েটর) ভিডিওতে আমি বিয়ে, বউ নিয়ে কথা কইছি। কিন্তু উনারা আমাকে এত জেরা করতেছিল, শেষে আমি তেড়ামি করে বলছি, আমি বিয়া করিনি। এইটা যে আমার জীবনরে এমন করব, তা কল্পনা করিনি।’

    বাবা-মাকে না দেখার বিষয়ে রিপন বলেন, ‘একটি আধা পাকা ঘর বানতেছি। কাজ কিন্তু অনেক বাকি। তিনটা রুম, একটায় আমি বউ–বাচ্চা নিয়া থাকুম। আরেকটায় আব্বু-আম্মু থাকবেন। আমি তাদের দেখি না কোথায়? কোন মাসে আমি টাকা দেইনি, এটা জিজ্ঞেস করতেন। আপনারা বলতে পারেন, আমার তাদের আরও দেখা দরকার, আমি অবশ্যই দেখব। বাপ–মা তো আমার, তাই না?’

    এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরও বলেন, ‘ভাই আমি কাঠমিস্ত্রি, আল্লাহর রহমতে সব পারি। এটা দিয়েই আমার জীবন চলব। কর্ম জানা মানুষের আটকে থাকতে হয় না। প্রয়োজনে ভিডিও আর বানামু না। এতে কিছুই হবে না।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • যে কারণে হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা করলেন রিয়া মনি

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। গত সোমবার পারিবারিক আদালতে দেনমোহর ও ভরণপোষণের জন্য ১২ লাখ টাকা দাবি করে এ মামলা করেন তিনি।

    মামলা প্রসঙ্গে রিয়া মনি বলেন, হিরো আলম আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে, সে মিডিয়ায় এমন কথা বলে বেড়াচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত আমি কোনো কাগজ হাতে পাইনি। এখন পর্যন্ত আমি আইনত তার স্ত্রী। আমার খোঁজখবর নেয় না হিরো আলম। তাই দেনমোহর ও ভরণপোষণের জন্য আদালতে মামলা করেছি।

    গত ১৭ এপ্রিল দুপুরে বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে রিয়া মনির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরে তার সঙ্গে সংসার না করার ঘোষণা দেন হিরো আলম। বগুড়া থেকে ঢাকায় ফিরেই রিয়া মনিকে ডিভোর্স দেবেন বলেও জানান হিরো আলম।

    সেই সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম অভিযোগ করেন, তার মুমূর্ষু বাবাকে হাসপাতালে রেখে তিনি একমাস ধরে লড়াই করছিলেন। কিন্তু তার স্ত্রী রিয়া মনি একদিনও খোঁজ নিতে আসেনি। এমনকি বাবার মৃত্যুর পর মরদেহ দেখতেও আসেনি। এমন স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে চান না তিনি।

    ১৫ এপ্রিল রাতে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হিরো আলমের পালক বাবা আবদুর রাজ্জাক মারা যান। ১৬ এপ্রিল বগুড়ার এরুলিয়ায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

    ওই দিনই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রিয়া মনিকে বয়কটের ঘোষণা দেন হিরো আলম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইরাল ‘প্রিটি লিটল বেবি’র কথা ভুলেই গিয়েছিলেন ৮৭ বছর বয়সি গায়িকা

    একসময় বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে প্রথম নারী শিল্পী হিসেবে শীর্ষে ওঠা কনি ফ্রান্সিস এখন টিকটকের নতুন তারকা। তার ১৯৬২ সালের গান ‘প্রিটি লিটল বেবি’ হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে ভাইরাল হয়ে গেছে।

    গানটি এখন পর্যন্ত ১০ বিলিয়নের বেশি ভিউ পেয়েছে। ব্যবহারকারীরা এই গানটিতে ঠোঁট মিলিয়ে নিজেদের সন্তান, পোষা প্রাণী কিংবা ফ্যাশন স্টাইল শেয়ার করছেন। গানটি এখন টিকটকের ভাইরাল ৫০ ও টপ ৫০ তালিকার এক নম্বরে।

    এটা কনি ফ্রান্সিসের ক্যারিয়ারের খুব পরিচিত গান না হলেও এমন সাফল্য সবাইকে চমকে দিয়েছে। তিনি নিজেও বিস্মিত। পিপল ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি গানটার কথা মনেই করতে পারিনি। আমি নিজেই আবার শুনে চিনেছি। ভাবতেই পারিনি যে ৬৩ বছর আগে রেকর্ড করা একটা গান এত মানুষকে নাড়া দিতে পারে। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য অনুভূতি।’

    কাইলি জেনার, কিম কার্দাশিয়ান ও তার মেয়ে নর্থ ওয়েস্টের মতো তারকারাও গানটি ব্যবহার করেছেন। কনি বলেন, ‘এটা সম্মানের বিষয়। তারা আমাকে সম্মান জানাচ্ছে দেখে আমি মুগ্ধ।’

    ২০১৮ সালে সংগীতজগৎ থেকে অবসর নেওয়া কনি এখন ৮৭ বছর বয়সি। এই সাফল্যে তিনি যেমন অবাক, তেমনি তার ব্যাখ্যাও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় গানটা খুবই সরল আর নিষ্পাপ। এখনকার বিশৃঙ্খলার সময়ে এমন কিছু মানুষের মন ছুঁয়ে যায়।’

    কনি ফ্রান্সিসের ক্যারিয়ার শুরু হয় অনেকটা হঠাৎ করেই। তার প্রথম ১০টি সিঙ্গেলই ছিল ব্যর্থ। তখন তিনি ভাবছিলেন মেডিকেলে পড়তে চলে যাবেন।

    ‘আমি নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার বাবা চাইতেন আমি “হু’স সরি নাউ” গানটা করি।’ গানটা ১৯২৩ সালে লেখা, তখনকার রক অ্যান্ড রোল যুগে এই গানটা বেমানান লাগছিল তার।

    কনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, এমন গান গেয়ে আমি আমেরিকান ব্যান্ডস্ট্যান্ড থেকে হাসির পাত্র হয়ে যাবো।’ তখন বাবা বলেছিলেন, ‘তোমাকে টিভির ওপরে বসিয়ে হলেও এই গানটা গাওয়াবো।’

    রেকর্ডিংয়ের সময় শেষে ১৬ মিনিট বাকি ছিল। কনি তখন বলেন, ‘ব্যস, শেষ। সময় নেই “হু’স সরি নাউ” করার।’ কিন্তু বাবা জোরাজুরি করে বলেন, ‘তোমাকে মাইকে পেরেক দিয়ে আটকাতে হলেও আমি করাবো।’ এক টেকেই গানটা রেকর্ড করেন কনি।

    কনি বলেন, ‘আমি ১৪ বছর বয়স থেকে ডেমো রেকর্ড করতাম। আমাকে বলা হতো প্যাটি পেইজ বা কেই স্টার বা জর্জিয়া গিবসের মতো গাইতে। কিন্তু আমার নিজস্ব কোনো স্টাইল ছিল না। “হু’স সরি নাউ” আমি নিজের মতো করে গেয়েছিলাম।’

    গানটা এক টেকেই রেকর্ড হয়েছিল, কিন্তু লেবেল এমজিএম এটিকে বিশেষ কিছু মনে করল। তারা ১৯৫৭ সালের শেষ দিকে গানটি প্রকাশ করে। ডিক ক্লার্ক তার বিখ্যাত শোতে গানটা বাজান।

    ‘এটাই আমার জীবন বদলে দেয়’, কনি বলেন। ‘ডিক ক্লার্ক না থাকলে আমি কনি ফ্রান্সিস হতাম না। তিনি বলেছিলেন, “এই মেয়ে শিগগিরই এক নম্বরে যাবে।” তখনই বুঝেছিলাম, আমার জীবন আর আগের মতো থাকবে না।’

    পরের পাঁচ বছরে তার ১৫টি গান শীর্ষ দশে আসে, তখন একমাত্র এলভিস প্রেসলিই তার আগে ছিলেন। কনি গান রেকর্ড করেন ১২টিরও বেশি ভাষায়, হয়ে ওঠেন প্রথম বিশ্বমানের শিল্পীদের একজন।

    ‘প্রিটি লিটল বেবি’ গানটিও আছে ফরাসি, জার্মান, ইতালিয়ান, জাপানিজ, স্প্যানিশ ও সুইডিশ ভাষায়। তবে সব ভাষায় দক্ষ হলেও ফরাসি ভাষা তার জন্য কঠিন ছিল। হেসে বলেন, ‘ফ্রেঞ্চ ছিল আমার ওয়াটারলু।’

    বর্তমানে কনি ফ্লোরিডায় থাকেন। সেখানে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান, স্ক্র্যাবল খেলেন। এখন একটি হিপ ইনজুরির কারণে হুইলচেয়ারে থাকলেও তিনি শিগগিরই সুস্থ হয়ে নিউইয়র্ক যেতে চান।

    তিনি বলেন, ‘থেরাপি শেষে যখন হাঁটতে পারবো, তখন নিউইয়র্কে যাবো। সেখানে “জাস্ট ইন টাইম” মিউজিক্যালে গ্রেসি লরেন্স আমাকে চরিত্রে অভিনয় করছেন। সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি।’

    শেষ বয়সে টিকটকের সাফল্যকে কনি বলছেন ‘একটা স্বপ্ন পূরণ’। তার কথায়, ‘অসাধারণ লাগছে। ভাবতেই পারিনি এটা সম্ভব। এটা একটা স্বপ্ন। এখন কিন্ডারগার্টেনের বাচ্চারাও আমার নাম জানে, আমার গান চেনে — এটা ভাবতেই ভালো লাগছে!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে ডি-স্ট্যাবিলাইজ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে: ফারুকী

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নানান ইস্যুতে প্রতিবাদের সুরে কথা বলেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই ছাত্র-জনতাকে সমর্থন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব ছিলেন তিনি। এবারো তার ব্যতিক্রম হলো না। শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন ফারুকী। সেখানে আবারো ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

    পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    তিনি লিখেছেন, ‘আমি এর আগেও অনেকবার লিখেছিলাম যে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলন ‘সময়’ থেকে পুরাপুরি বিচ্ছিন্ন। আওয়ামী লীগের বি-টিম হিসেবে খেলতে খেলতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, এবং শর্ট ফিল্ম ফোরাম নতুন প্রজন্মের কাছে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। একবার ভাবেন, হিটলারের আমলে কোনো শিল্পী হিটলারের মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদ তো দূরের কথা তার গাছের গোড়ায় পানি ঢাললে তাকে ইতিহাস কি হিসেবে বিচার করত?’

    তিনি আরও লিখেন, আপনি আওয়ামী লীগ সমর্থক হতে পারেন, বিএনপি সমর্থক হতে পারেন, কিন্তু শিল্পী হলে কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গণহত্যা, গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিস্টের পক্ষে কথা বলতে পারেন না, ফ্যাসিজমের পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করতে পারেন না। এবার আপনারা গত ষোলো বছর এই তিনটা সংগঠনের সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক ভূমিকা কি ছিল সেটা ভেবে দেখেন। তার মানে কি এইসব ফুট সোলজারদের আঘাত করতে হবে? বিপ্লবের পক্ষের ভাই-বোনদের অসন্তুষ্টির আশঙ্কা মাথায় নিয়েও বলবো— আমি ব্যক্তিগতভাবে এর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি এটাও মাথায় রাখতে হবে রক্তের দাগ এখনও শুকায় নাই, খুনির-লুটপাটকারীর বিচার শুরু হয় নাই, কিন্তু নানা জায়গায় উস্কানী দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ডি-স্ট্যাবিলাইজ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনারা খুনির ফোনালাপ শোনেন। দেখেন সে অনুতপ্ত নাকি আরও খুন করার উস্কানী দিচ্ছে? বিপ্লবের পরে কুলিং পিরিয়ডটা পার হতে দিতে হয়। না হলে এই অবস্থায় আমি লিবারাল ক্রিটিকের স্পেস কিভাবে আশা করবো? এর উত্তর আমি জানি না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অর্ধযুগ পর প্রেক্ষাগৃহে জায়েদ খান, দেখাচ্ছেন নতুন চমক

    বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচিত নাম জায়েদ খান। অর্ধ যুগ ধরে নেই এ নায়কের কোন সিনেমা। তার অভিনীত শেষ সিনেমা ‘অন্তর জ্বালা মুক্তি পায় ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর। এরপর আর প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি তাকে।

    rnrn

    অবশেষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার অভিনীত সিনেমা। নাম ‘সোনার চর’। এই সিনেমার মাধ্যমেই ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুখ দেখানোর আক্ষেপ ঘোচাতে যাচ্ছেন এ নায়ক। এছাড়াও নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন। এবার ভারতের পূজা ব্যানার্জির নায়ক হচ্ছেন তিনি।

    rnrn

    জায়েদ জানিয়েছেন, নতুন একটি সিনেমার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তারা।

    rnrn

    উল্লেখ্য, ভারতীয় সিরিয়াল, তেলেগু সিনেমা ও কলকাতার বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেছেন পূজা।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • দুবার বিয়ে করে সম্পর্ক ঠিক রাখার উপদেশ, ট্রোলের শিকার যশ-নুসরাত

    নিখিল জৈনকে ছেড়ে যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে সংসার পাতেন নুসরাত জাহান। বেশ কিছু বছর তারা একে অন্যের সঙ্গে সংসার করছেন। এক পুত্র সন্তান নিয়ে তাদের সংসার। তারা টলিপাড়ার অন্যতম জুটি তারা। তাদের ভক্তের সংখ্যা নেহাতই কম নয়।

    rnrn

    তবুও ট্রোল যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই সক্রিয় তারা। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে এই জুটির ছবি মেন্টাল। ছবির প্রচারে গিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার বিষয়ে মুখ খুললেন যশ ও নুসরাত। আর এতেই জুটে গেল নেটিজেনদের খোরাক। ছবির প্রচারে গিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার বিষয়ে মুখ খলেই ফের ট্রোলের শিকার হলেন তারা।

    rnrn

    সঙ্গীত বাংলায় এক সাক্ষাৎকার দেন নুসরাত ও যশ। সেখানেই বললেন সম্পর্ক সুস্থ রাখার জন্য কী প্রয়োজন? সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার প্রশ্নের উত্তরে যশ বললেন, যেমন জিমে গিয়ে রোজ শরীরচর্চা করে আমরা নিজের বডি মেনটেইন করি, তেমনই সম্পর্কের ক্ষেত্রেও রোজ খেটে সম্পর্কের স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেওয়া উচিত। আমার মনে হয় যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন…।

    rnrn

    যশের কথা শেষ হতে না হতেই নুসরাত তাকে থামিয়ে নুসরাত বলে উঠলেন, বিশ্বাস করুন, আর তা কোনো দিন ভাঙবেন না।

    rnrn

    এই ক্লিপিং সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতে না হতেই এই জুটিকে নিশানা করলেন নেটিজেনরা। একের পর এক কমেন্ট ধেয়ে এলো পোস্টে। কেউ লিখলেন, ‘দু’বার বিয়ে করে সম্পর্ক ঠিক রাখার উপদেশ?’ অবশ্য এসব কটাক্ষকে পাত্তাই দেন না নুসরাত ও যশ জুটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের বোল্ড ছবি নিয়ে যা বললেন নিপুণ

    মঙ্গলবার মধ্যরাতে ফেসবুকে বোল্ড অবতারে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা কোনো ছবিতে এমন লুকে নিপুনকে তেমন একটা দেখা যায়নি। ফলে তার বোল্ড ছবি দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

    rnrn

    শর্ট গাউন পরা সেই ছবিটি পোস্ট করে অভিনেত্রী ক্যাপশনে লেখেন, ‘গুড নাইট।’ সেই পোস্টের নিচে অনেকেই নানারকম মন্তব্য করেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম একজন চিত্রনায়ক ওমর সানী। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে লেখেন, ‘বুঝলাম না’।

    rnrn

    অনেক প্রশ্নের পর অবশেষে নায়িকা জানালেন, এটি তার নতুন একটি সিনেমার স্ক্রিন টেস্টের ছবি।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় দেশের নতুন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিপুণ। সেখানেই তার কাছে সেই ফটোশুট সম্পর্কে জানতে চান সংবাদকর্মীরা। জবাবে নিপুণ বলেন, মাসখানেক আগে কলকাতায় এই ফটোশুট করেছিলাম। একটি সিনেমার জন্য স্ক্রিন টেস্ট দিয়েছি। চরিত্র অনুযায়ী শুট করেছিলাম। এই ছবি তখনকার।

    rnrn

    তবে সেই সিনেমা নিয়ে আপাতত মুখ খুলতে চাননি তিনি। নিপুন বলেন, আমার বলা বারণ আছে। সারপ্রাইজ হিসেবে থাকুক।

    বিনোদন ডেস্ক