Tag: সোনাপাচার

  • ১৩৮ কোটি রুপি দিয়ে কারখানা খুলতে চেয়েছিলেন সোনাপাচারে অভিযুক্ত অভিনেত্রী

    দুবাই থেকে ১২ কোটি টাকার সোনাপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও। গত রোববার রাতে বেঙ্গালুরুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও নিজেকে ব্ল্যাকমেইল করে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী।  আর এ বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর তদন্ত। এবার এ মামলা ঘিরে এলো আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    জানা গেছে, ভারতের কর্নাটক সরকার অভিনেত্রীর জন্য আলাদা করে জমি বরাদ্দ করেছিল, আর সেখানে একটি কারখানা খুলতে ১৩৮ কোটি রুপি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রানিয়া রাও।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ক্ষীরদা প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক হলেন রানিয়া রাও এবং তার ভাই ঋষভ। মূলত তাদের কোম্পানি একটি স্টিল টিএমটি বার উৎপাদন ইউনিট স্থাপনের জন্য ১৩৮ কোটি রুপি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন অভিনেত্রী। ২০২৩ সালে কর্নাটক শিল্প এলাকা উন্নয়ন বোর্ড ১২ একর শিল্প জমি বরাদ্দ করেছিল অভিনেত্রীকে। তবে বরাদ্দ জমি কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কিনা তা এখনো স্পষ্ট করেনি কর্নাটক শিল্প এলাকা উন্নয়ন বোর্ড।

    ১৯৬২ সালের কাস্টমস আইনের অধীনে রানিয়াকে ১৪ দিনের জন্য বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের জন্য অভিনেত্রীকে পরপ্পানা অগ্রহার কোয়ারেন্টাইন সেলে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এদিকে এ ঘটনার কথা জানার পরেই অভিনেত্রীর বাবা কন্নড় আইপিএস অফিসার ড. কে রামচন্দ্র রাও দাবি করে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মেয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো রকমের যোগ নেই। মাস চারেক আগে রানিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে। তার পর থেকে মেয়ের সঙ্গে তাদের আর কোনো যোগাযোগ নেই। রামচন্দ্র আরও বলেন, মেয়ে কিংবা তার স্বামী কী ব্যবসা করেন, সেই সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। যা ঘটেছে, তা আমাদের বড় ধাক্কা দিয়েছে। আমরা খুবই হতাশ। তবে আইন আইনের পথেই চলবে।

    এর আগে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রানিয়া রাওকে গ্রেফতারের পর লাভেল রোডের নন্দওয়ানি ম্যানশনে তার বাসভবনে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তল্লাশিতে ২.৬৭ কোটি রুপি ও ২.০৬ কোটি মূল্যের সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানের পর কর্মকর্তারা তার বাড়ি থেকে তিনটি বড় বাক্স উদ্ধার করেন। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১৭.২৯ কোটি রুপি। দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর রানিয়া পুলিশ কনস্টেবল বাসবরাজুর সাহায্যে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার কার্যকলাপ সম্পর্কে আগে থেকেই খবর ছিল ডিআরআইয়ের কাছে। ফলে অভিনেত্রীকে সোনাসহ হাতেনাতে ধরে ফেলা সম্ভব হয়। তল্লাশি করার সময় রানিয়ার জ্যাকেটের ভেতরে ১২.৫৬ কোটি রুপি মূল্যের ১৪.২ কেজি বিদেশি সোনা পাওয়া যায়। গ্রেফতারের পরে অভিনেত্রীকে বিশদ তদন্তের জন্য নাগাভারায় ডিআরআই অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

    এ ঘটনায় এক পুলিশ কনস্টেবলকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি অভিনেত্রীকে সোনা নিয়ে বিমানবন্দর থেকে নিরাপদে বের হয়ে যেতে সাহায্য করছিলেন।

    উল্লেখ্য, রানিয়া রাও বেশ কয়েকটি কন্নড় ও তামিল ছবিতে অভিনয় করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোনাপাচার করতে গিয়ে পুলিশের জালে অভিনেত্রী, যা বললেন বাবা

    ১২ কোটি টাকার সোনা নিয়ে বিমানে ওঠার পরিকল্পনা ছিল কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাওয়ের। সম্পর্কে তিনি আবার আইপিএস অফিসার ড. কে রামচন্দ্র রাওয়ের কন্যা। একেবারে শেষ মুহূর্তে তাকে গ্রেফতার করে রাজস্ব গোয়েন্দা বিভাগ (ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স, ডিআরআই)।

    এ ঘটনার কথা জানার পরেই অভিনেত্রীর বাবা কন্নড় আইপিএস অফিসার ড. কে রামচন্দ্র রাও দাবি করে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মেয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো রকমের যোগ নেই। মাস চারেক আগে রানিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে। তার পর থেকে মেয়ের সঙ্গে তাদের আর কোনো যোগাযোগ নেই। 

    রামচন্দ্র আরও বলেন, মেয়ে কিংবা তার স্বামী কী ব্যবসা করেন, সেই সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। যা ঘটেছে, তা আমাদের বড় ধাক্কা দিয়েছে। আমরা খুবই হতাশ। তবে আইন আইনের পথেই চলবে।

    উল্লেখ্য, রানিয়া যে সোনাপাচারের পরিকল্পনা করেছেন, তার খবর যায় ডিআরআইয়ের কাছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের একটি দল বেঙ্গালুরুর বিমানবন্দরে পৌঁছায়। ৩ মার্চ তাকে গ্রেফতার করা হয়। ৪ মার্চ তাকে আদালতে পেশ করা হয়। বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ১৮ মার্চ পর্যন্ত থাকবেন তিনি।

    রানিয়া জানিয়েছেন, তিনি ব্যবসাসংক্রান্ত একটি কাজে দুবাই যাচ্ছিলেন। নির্দিষ্ট সীমার থেকে অনেক বেশি সোনা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছে মোট ১৪.৮ কেজি সোনা ছিল।

    বিনোদন ডেস্ক