Tag: সেলিম খান

  • শাস্তি দিয়েই সালমানকে শুধরে দিতে চান সেলিম খান

    বাবা সেলিম খানের সঙ্গে বড় ছেলে সালমান খানের সম্পর্ক একেবারে বন্ধুর মতো। ছেলের বয়স প্রায় ৬০ হতে চলল, কিন্তু বাবার কাছে এখনো আগের মতোই রয়েছেন। ছেলের যে কোনো কাজে সবসময় তার পাশে থেকে সমর্থন জোগান সেলিম খান। কিন্তু সত্যিই কি সালমানের সব কাজ মনের মতো হয় বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকারের? হয় না। 

    সম্প্রতি সেলিম খান নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে বলেছেন, ছেলের সব কাজ তাকে সন্তুষ্ট করতে পারে না। আর তখন তিনি ছেলেকে শাস্তি দিয়ে সঠিক পথে নিয়ে আসতে চান। কী করেন চিত্রনাট্যকার?

     সেলিন খান বলেন, ওর কোনো কাজ আমার অপছন্দ হলে কিংবা ও ভুল করেছে বলে মনে হলে, আমি কথা বলাই বন্ধ করে দিই। তিনি বলেন, হয়তো কোনো দিন আমি জানালার পাশে বসে আছি, সালমান পাশ দিয়ে হেঁটে চলে গেল। আমার সঙ্গে কথা না বলেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল।

    বাবা-ছেলের মধ্যে এই বাক্যালাপ বন্ধ থাকে প্রায় মাসখানেক। বলিউডে প্রায় সবাই জানেন সালমান বেশ একগুঁয়ে প্রকৃতির মানুষ। বাবার সঙ্গেও কি ঠিক তেমনই ব্যবহার করেন ভাইজান?

    সেলিম বলেন, একদিন ও আমার কাছে আসে। বলে, আমি যা করেছি ভুল করেছি, ক্ষমা করে দাও। সেলিম মনে করেন এটা মনুষ্যত্বের লক্ষণ। আর সেটাই তিনি ছেলেকে শেখাতে চান। তিনি বলেন, যখন কোনো মানুষ সাফল্য পায়, তখন তারা মানুষ হিসাবে নিজের উন্নতির কথা ভুলে যায়। এটা ঠিক নয়।

    ওই সাক্ষাৎকারে বাবা-ছেলের সম্পর্কের প্রসঙ্গে সেলিম খান তুলে ধরেন তার মনের কথা। প্রবীণ চিত্রনাট্যকার মনে করেন, বাবা-ছেলের সম্পর্কের মধ্যে ভয়ের কোনো জায়গা নেই। তার বাবার সঙ্গে অবশ্য সেলিমের এমন ভয়ের সম্পর্কই ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। সেলিম বলেন, মেঝেতে বাবার চামড়ার জুতার শব্দ পেলেই ভয়ে কাঠ হয়ে যেতাম। আমি নিজে এ রকম ‘বাবা’ হতে চাইনি। সন্তানদের বন্ধু হতেই চেয়েছিলাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হেলেনকে বিয়ে করে এসে সালমানকে যা বলেছিলেন সেলিম খান

    বলিউড অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার সেলিম খান-সালমা দম্পতির চার ছেলেমেয়ে— সালমান খান, আরবাজ খান, সোহেল খান ও অলিভিয়া খান অগ্নিহোত্রী। পরে ১৯৮০ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী হেলেনকে বিয়ে করেন সেলিম খান। এ চিত্রনাট্যকার দ্বিতীয় স্ত্রীকে বিয়ের পর যে কথা বলেছিলেন সন্তানদের।

    ছেলে সালমান খানকে নিয়ে প্রায়ই কথা বলেন সেলিম খান। নিজেই জানিয়েছেন, কেন বিয়ে করছেন না সালমান। নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কোনো রাখঢাক রাখেননি ভাইজানের বাবা। দুই স্ত্রী সালমা খান ও হেলেনকে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। দুই স্ত্রীর জন্য গর্বিত বোধও করেন এ চিত্রনাট্যকার। দুই স্ত্রীর জন্যই নাকি পরিবারে সম্প্রীতি বজায় থাকে তার।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেলিম খান বলেন, আমি সত্যিই সৌভাগ্যবান যে, আমার দুজন স্ত্রী খুব মিলেমিশে থাকেন। দুজনেই যথেষ্ট সুন্দরী। তার চেয়েও বড় কথা— সৌন্দর্য বজায় রেখেই তাদের বয়স বাড়ছে। তিনি বলেন, একসময়ে প্রথম স্ত্রী ও তার সন্তানদের তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন— হেলেনের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। প্রথমে বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করেননি প্রথম স্ত্রী সালমা খান। 

    সেলিম খান বলেন, প্রথম খবরটা দেওয়ার পর, সালমা কিন্তু আমার সঙ্গে হাত মেলায়নি। আমাকে খোঁচা দিয়ে বলেছিল— কী ভালো কাজই না আমি করছি। প্রথমে আমাদের সমস্যা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা খুবই অল্প দিনের জন্য। পরে সব কিছু মেনে নেওয়া হয়।

    সন্তানরাও কি মেনে নিয়েছিলেন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা বলেন, ওদের বলেছিলাম— আমার আর একটা ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে। আমি ওকে (হেলেন) বিয়ে করেছি। কিন্তু তোমাদের থেকে আমার কোনো প্রত্যাশা নেই। মায়ের মতো ওকে ভালোবাসবে— এমনটি আমি আশা করছি না। শুধু ওকে একই রকম সম্মান কর— এটুকুই চাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান বিনা কারণে কেন ক্ষমা চাইবেন, প্রশ্ন বাবার

    মুম্বাইয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সম্প্রতি খুন হন ভারতীয় রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি। এই হত্যার দায় স্বাকীর করেছেন ভারতের প্রভাবশালী গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই।

    এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সালমান খানে নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা অনিশ্চয়তা। প্রতিদিন নানাভাবে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ার চিঠি পাওয়ায় দু-চোখ এক করতে পারছেন না সালমানের ভাই আরবাজ, সোহেল। গোটা খান পরিবার রীতিমত আতঙ্কে কাটছে প্রতিটি মহুর্ত। 

    এমনকি ছেলেকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সালমানের বাবা সেলিম খান। ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে সালমানের বাবা জানান যে, কৃষ্ণসার হরিণ সালমান শিকার করেননি। তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছে বিনা কারণে ক্ষমা চাইবে কেন এমন প্রশ্ন করেছেন তিনি।

    সেলিম খান বলেন, যে কারণে সালমান বার বার প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছে, সে ঘটনার সঙ্গে সালমান যুক্ত না। সালমান অন্তত আমাকে মিথ্যা কথা বলবে না। কৃষ্ণসার হরিণ সালমান শিকার করেননি। আমার ছেলে পশু-পাখিদের খুবই ভালোবাসে।

    তিনি বলেন, এমন কাজ সে করতে পারেই না। তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছে বিনা কারণে ক্ষমা চাইবে কেন? আমার মনে হয় এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখা দরকার।

    প্রসঙ্গত, বাবা সিদ্দিকির খুনের দায় বিষ্ণোই গ্যাং নেওয়ার পর থেকেই সালমান খানের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। কারণ, সোশাল মিডিয়া পোস্টে তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যে বা যারা সালমান খানের ঘনিষ্ঠ, তাদের সকলকেই এর দাম দিতে হবে। 

    চলতি বছরেই সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণ করেছিল এ গ্যাং। এবার বাব সিদ্দিকির খুন, তারপর বৃহস্পতিবার মুম্বাই ট্র্যাফিক পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপে আবারও সালমান খানের নামে হুমকির চিঠি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে সালমানের জন্য স্ক্রিপ্ট লেখেন না সেলিম খান

    একসময় হিন্দি সিনেমার জগৎ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন লেখকজুটি সেলিম খান ও জাভেদ আখতার। ‘শোলে’, ‘দিওয়ার’, ‘জাঞ্জির’-এর মতো বহু সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখেছেন তারা। ১৯৮২ সালে তাদের জুটি ভেঙে যায়। এরপর সিনেমার গল্প লেখাও অনেকটা কমিয়ে দেন সেলিম খান।

    সেলিম খানের তিন ছেলে সালমান খান, আরবাজ খান এবং সোহেল খান। তারা তিনজনই বলিউডে নিয়মিত অভিনয় করছেন। এর মধ্যে সালমান খানের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে এত বড় মাপের লেখক হওয়া সত্ত্বেও নিজের ছেলেদের জন্য খুব বেশিসংখ্যক সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখেননি তিনি।

    ২০১৪ সালে ইন্দু মিরানির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এর কারণ ব্যাখ্যা করেছিলেন প্রবীণ লেখক সেলিম খান। তিনি বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে সিনেমা বানাতে থাকলে একটা ঝুঁকি আছে। হিট হয়ে গেলে সিনেমা তার হয়ে যাবে, কিন্তু ফ্লপ হলে সেটা বাবার হবে।’

    নব্বইয়ের দশকে সালমান খান অভিনীত দুটি সিনেমায় লেখক হিসেবে ছিলেন সেলিম খান। ‘পাত্থর কে ফুল’ এবং ‘মাঝধার’ নামের সিনেমা দুটি লিখেছিলেন তিনি। এর মধ্যে ‘পাত্থর কে ফুল’ সিনেমায় সালমানের বিপরীতে ছিলেন নবাগত রাভিনা ট্যান্ডন। আর ‘মাঝধার’এ মনীষা কৈরালার সঙ্গে অভিনয় করেন সালমান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান খানের বাবাকে হুমকি

    বলিউড অভিনেতা সালমন খানের বাবা সেলিম খানকে হুমকি দিলেন এক ব্যক্তি। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম করে হুমকি দিয়েছেন তিনি। বান্দ্রা পুলিশের পক্ষ থেকে এদিন এক বাইক আরোহীকে আটক করা হয়। অভিযোগ উঠেছে সেই ব্যক্তিই নাকি ভাইজানের বাবা তথা বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খানকে খুনের হুমকি দিয়েছেন। যদিও পুলিশের অনুমান এটা নিছকই ভয় দেখানোর জন্যই।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার সকালে যখন কার্টার রোডে একটু হাঁটতে বেরিয়েছিলেন তখনই এক ব্যক্তি স্কুটারে করে আসেন। সঙ্গে এক মহিলাও ছিলেন। তারা সেলিম খানের কাছে এসে গাড়ি থামান এবং হুমকির সুরে বলেন, লরেন্স বিষ্ণোইকে পাঠাব নাকি? আর সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে পালিয়ে যান। সেলিম খান জানিয়েছেন, মহিলা ওই স্কুটারে ছিলেন তবে মুখ ঢাকা ছিল বোরখা দিয়ে।

    জানা গেছে, স্কুটারটি কার্টার রোড থেকে ব্যান্ডস্ট্যান্ড রোডের দিকে যাচ্ছিল। উল্লিখিত কথাটা বলেই তারা ইউ টার্ন নিয়ে বেরিয়ে যান। এ ঘটনার পরই পুলিশের দ্বারস্থ হন সেলিম খান। এবং অভিযোগ দেওয়ার করেন। তিনি ওই স্কুটারের নম্বরপ্লেট থেকে কেবল ৪টি সংখ্যা মনে রাখতে পেরেছিলেন, যা হল ৭৪৪৪। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন পুলিশ সেই ব্যক্তিকে আটক করে। এমনটা বান্দ্রা থানার এক পুলিশ কর্মী জানিয়েছেন। একাধিক ধারায় তাদের নামে মামলা রুজু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজও দেখছে পুলিশ।

    তবে কেবল এদিনের এ ঘটনা নয়, দুদিন আগেই একজন বাইক আরোহী দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে সালমান খানের গাড়ির কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন। এমনকি এর আগেও সেলিম খানকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। শুধুই কি তাই ১৪ এপ্রিল তো দুই ব্যক্তি বাইকে করে এসে সালমানের বাড়ি উদ্দেশ্য করে গুলি চালিয়ে যান। সেই ঘটনার পর একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং প্রায় ১৮০০ পাতার একটি চার্জশিট ফাইল করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গণপিটুনিতে অভিনেতা শান্ত খান নিহত, কলকাতায় শিল্পীদের শোক

    ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন সোমবার। এ ঘটনার পর চাঁদপুরে নিজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পথে বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন অভিনেতা শান্ত খান ও তার বাবা প্রয়োজক সেলিম খান। এ ঘটনায় বুধবার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কলকাতা চলচ্চিত্র শিল্পের সদস্যরা।

    rnrn

    হত্যার কারণ সম্পর্কে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা কেউ কথা না বলতে চাইলেও শান্ত ও সেলিম খানের জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তারা।

    rnrn

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা রজতভ দত্ত এ বিষয়ে বলেন, ‘সে এবং তার বাবাকে হত্যা করার খবর শুনে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমরা জানি না কোন পরিস্থিতি তাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে গেছে। তাদের হত্যা করা হয়েছে জেনে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। কারণ আমাদের মতো শিল্পীরা যারা শিল্প এবং সৃজনশীলতা নিয়ে কাজ করেন তাদের প্রত্যাশা থাকে শান্তি, বন্ধুত্ব এবং ভ্রাতৃত্বের।’

    rnrn

    ২০২২ সালে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র বিক্ষোভে শান্তর সঙ্গে কাজ করেছেন রজতভ। সেই স্মৃতি টেনে রজতভ বলেন, ‘চলচ্চিত্রের জন্য চাঁদপুরে আমাদের শুটিং চলাকালীন, সে ব্যক্তিগতভাবে আমার যত্ন নিতেন। এমনকি হোটেলেও আমার কোনো কিছু প্রয়োজন কিনা সে সম্পর্কে খোঁজ রাখতেন। আমি জানি না কিভাবে বা কেন তাকে এত অল্প বয়সে মারা যেতে হয়েছিল। তার কর্মজীবন লম্বা হতে পারত।’

    rnrn

    ২০১৯ সালে প্রেম চোর সিনেমা দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখেন শান্ত খান। এরপর ২০২১ সালে পিয়া রে, ২০২৩ সালে বুবুজান ও ২০২৪ সালে আন্তো নগর সিনেমায় অভিনয় করেছেন শান্ত। এর মধ্যে পিয়া রে তে শান্তর বিপরীতে অভিনয় করেছেন ভারতের অন্যতম অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। শান্তর এমন মৃত্যু তাই কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

    rnrn

    এ বিষয়ে কৌশানি বলেন, ‘সোমবার গভীর রাতে আমি উদ্বেগজনক এই খবরটি পেয়েছি এবং তখন থেকেই আমি ব্যথিত। যেহেতু আমি ইন্ডাস্ট্রিতে ওর সিনিয়র ছিলাম, শান্ত আমার প্রতি খুব শ্রদ্ধাশীল ছিল। সে অভিনেতা হিসেবে আরও অনেক কাজ করতে চেয়েছিল। আমি মানবতার জয়ে বিশ্বাস করি এবং আশা করি সেখানে খুব শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

    rnrn

    ২০২১ সালে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’ ছবিতে তরুণ শেখ মুজিবের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শান্ত। তার এমন মৃত্যু তাই ছুঁয়ে গেছে চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীকেও। যা নিয়ে তিনি বলেন, ‘যে কোনো মৃত্যু, হোক সেটা একজন প্রতিবাদী ছাত্রের, একজন পুলিশকর্মীর, একজন অভিনেতার, একজন প্রযোজক বা একজন রাজনৈতিক কর্মীরই হোক না কেন, তা মর্মান্তিক। বাংলাদেশে কাজ করার স্মৃতি আমাদের সবারই আছে। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একজন স্টেকহোল্ডার হওয়ায় আমি শুধু এটা বলছি না। একজন মানুষ এবং ভারতের নাগরিক হিসেবেও এমন মৃত্যু কাম্য নয় কারো।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে ভয়ে বিয়ে করছেন না সালমান, জানালেন বাবা সেলিম খান

    বলিউডে ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। বয়স ৫৮ হলেও, বিয়ে নিয়ে বলিউড ভাইজানের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। অন্যদিকে, সালমানের অনুরাগীরা অধীর অপেক্ষায় বসে আছেন, তার বিয়ে দেখার জন্য। আদৌ কি বিয়ে করবেন সালমান? অভিনেতা তার বিয়ে নিয়ে কখনই কিছু বলেন না। 

    rnrn

    তবে এবার ছেলের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন বাবা সেলিম খান। তিনি জানান, আসলে সালমান খুবই সহজ সরল একজন মানুষ। খুব সহজেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিয়ে করতে ভয় পায়। সালমান মনে করেন, কোনো মেয়েই তার মায়ের মতো সংসার গোছাতে পারবে না। আসলে, সালমান সব মেয়ের মধ্যেই মায়ের কোয়ালিটিগুলো খুঁজতে শুরু করে।

    rnrn

    সেলিম বলেন, সালমান চায় ও যেই মেয়েকে বিয়ে করবে, সে যেন স্বামী ও সন্তানদের প্রতি গভীর ভালোবাসা রাখে। সে যেন প্রকৃত স্ত্রী হয়ে ওঠে। আসলে এমন মেয়ে পাওয়া আজকাল খুবই কঠিন। তাই সালমান বিয়ে করছেন না।

    rnrn

    কিন্তু অনেকেই জানতেন রোমানিয়ান মডেলের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। অনেকে তো আবার ভেবেই বসেছিলেন লুলিয়া ভান্তুরের সঙ্গেই বছরেই গাঁটছড়া বাঁধবেন। কিন্তু কয়েক বছর আগে সালমন নিজেই জানিয়ে ছিলেন ‘বিয়ে করবেন না’। বাবা সেলিমই যেন সালমানের গোপন কথা ফাঁস করলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বিবেক-সালমানের দ্বন্দ্ব, অনেক দিন পর মুখ খুললেন সেলিম খান

    ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির মাধ্যমে প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই। এখান থেকে প্রথম প্রেম শুরু এই জুটির। সেই প্রেমের পরিণতি প্রায় সবারই জানা। ২০০২ সালে সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক ভেঙে যায়। 

    শোনা যায়, সালমানকে ছেড়ে অভিনেতা বিবেক ও’বেরয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান এ অভিনেত্রী। 

    এবার সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন সালমানের বাবা সেলিম খান।

    ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বিবেকের সঙ্গে সম্মেলনে কথা কাটাকাটিও হয় সালমানের। সে সময় বিবেক জানিয়েছিলেন, সালমান নাকি তাকে হুমকি দিয়েছিলেন। 

    যদিও বিবেকের সঙ্গেও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। ২০০৭ সালে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে চার হাত এক হয় এ নায়িকার।

    সালমান ও বিবেকের কলহ নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সেলিম খান বলেন, আবেগ যেখানে আছে, সেখানে যুক্তি দিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না। অনেক বছর পর ওরা বুঝতে পারবে যে বোকার মতো একটা বিষয় নিয়ে ওরা ঝগড়া করেছে। যাকে নিয়ে সমস্যা, তাকে অন্য কেউ নিয়ে চলে গেল। আর এরা যেখানে ছিল, সেখানেই থেকে গেল।

    সালমানের সঙ্গে কলহে জড়ানোর পর অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন বিবেক ও’বেরয়। এ ঘটনার পর সেভাবে ছবিতে কাজও পাননি। 

    বিবেক বলেছিলেন, অনেক অবাঞ্ছনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমায় যেতে হয়েছিল তখন।

    এ ঘটনার পর সালমান ও ঐশ্বরিয়া আর একসঙ্গে কোনো ছবিতে কাজ করেননি। এমনকি মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়। ২০২৩ সালে নীতা আম্বানী ও মুকেশ আম্বানীর একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুজনই। তবে সেখানেও কোনো বাক্যবিনিময় হয়নি তাদের।

    বিনোদন ডেস্ক