Tag: সৃজিত

  • সৃজিতের জীবনে নতুন নারী!

    টালিউডের পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে ঘিরে অনুরাগীদের কৌতূহলের শেষ নেই—চলচ্চিত্রের পর্দার বাইরেও তার ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে চলছে নানা গুঞ্জন। স্ত্রী অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জল্পনার শেষ নেই।

    এক সময় খবর রটে, সৃজিত-মিথিলার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। যদিও সে বিষয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি, বরং গুজব বলে উড়িয়ে দেন।

    সম্প্রতি এক ফিল্মি পার্টিতে অভিনেত্রী আলেকজান্দ্রা টেলরের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ঘুরে বেড়াচ্ছে নেটপাড়ায়। তারপর থেকেই শুরু হয় নতুন গুঞ্জন—তবে কি সৃজিতের জীবনে আবার বসন্ত?

    ভারতের আনন্দবাজার ডট কমকে সৃজিত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘প্রেম নয়, আলেকজান্দ্রা আমার খুব ভালো বন্ধু। ও অসম্ভব শিক্ষিত। আমাদের দুজনেরই সাপ খুব পছন্দ। একটা পেট শপে কাজও করেছে ও আগে।’

    তবে কি নতুন কোনো ছবিতে আলেকজান্দ্রাকে ভাবছেন সৃজিত? উত্তরে তিনি বলেন, ‘অনেক কিছু নিয়েই আলোচনা চলছে আমাদের মধ্যে। তবে ওর জন্য নির্দিষ্ট করে কোনো চরিত্র এখনো ভাবিনি।’

    পরিচালকের গেল জন্মদিন গেল বছরের ২৩ সেপ্টেম্বরও শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়নি মিথিলাকে। তখনও চাউর হয় তাদের সম্পর্ক অবনতির খবর। পাশাপাশাই মিথিলার দীর্ঘদিন কলকাতার বাইরে থাকাও জ্বালানীর যোগান দিচ্ছে এ গুঞ্জনে। 

    মিথিলার প্রথম স্বামী জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট বিয়ে করেন তারা। তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। এরপর ২০১৯ সালে ৬ ডিসেম্বর সৃজিত মুর্খাজীকে বিয়ে করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বস্তিকার সঙ্গে পরমব্রত ও আমার অন্য পর্যায়ের বোঝাপড়া রয়েছে: সৃজিত

    টালিউডের জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সিনেমায় এখন খুব বেশি বেশি করে দেখা যায় টালি অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে। যদিও অনেক আগে থেকেই, বলা যায়— তিন যুগের সম্পর্ক। সেই থেকে একে অন্যেকে চেনেন এবং জানেন। সৃজিত স্কুলে পরমব্রতের সিনিয়র ছিলেন। তখন থেকেই সম্পর্ক। পরে আবার সিনেমার সূত্রে তাদের বন্ধুত্ব। এ ছাড়া দুজনেরও প্রেমিকা একজন— জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

    তাই সৃজিতের সঙ্গে পরমব্রতের ভালোবাসার একটা সম্পর্ক রয়েছে, বন্ধুত্ব রয়েছে— নাকি ঘৃণার? এমন প্রশ্নের উত্তরে সৃজিত খোলাসা করে বললেন, ৩৭ বছরের একটা সম্পর্ককে ভালোবাসা বা ঘৃণা কিছু দিয়েই ব্যাখ্যা করা যায় না। পরমব্রত আর আমি বারবার কাছে এসেছি। আবার আমাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আবার কাছে এসেছি। এটুকু বলতে পারি— আমাদের একটা অন্য পর্যায়ের বোঝাপড়া রয়েছে।

    যদিও ব্যক্তিজীবনে তারা দুজনেই টালিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের প্রেমে পড়েছিলেন। তাই বলে কি তাদের মাঝে কখনো দূরত্ব তৈরি হয়েছিল? দুজনেই জানালেন—এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। সাবেক প্রেমিকা এক হওয়ার কারণে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। সময়টা ভিন্ন ছিল।

    সৃজিত আরও বলেন, সেই সময়ে আমি চার লাইনের বার্তা পাঠিয়েছি। তার তিন লাইন উত্তর এসেছে। এ রকম সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের মাধ্যমেই ভালো-মন্দ যেটাই হোক, সমাধান হয়ে গেছে।

    পরিচালক বলেন, অন্য কারও সঙ্গে দেখা হলে যেমন ‘কেমন আছেন’, ‘কী করছেন’— এসব বলি। কিন্তু পরমের সঙ্গে আমার সে রকম কোনো ব্যাপার নেই। আমরা কে কী করছি, অন্যজনের কাছে সেই খবর থাকে। এর বাইরে যতটুকু জানতে চাই, সেটি প্রশ্ন করে জেনে নিই।

    এদিকে সিনেমার ডাবিং নিয়ে সৃজিত মুখোপাধ্যায় নতুন খবর দিলেন। অভিনেতা পরমব্রতের থেকে ঠিক কী চাইছেন, সেটি বোঝানোর জন্য নাকি পুরো বাক্য খরচ করতে হয় না। তিনি বলেন, পরিচালক একটা শব্দ বললে, নায়ক বুঝে নেন— ঠিক কী চাইছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, যে সিদ্ধান্ত নিলেন কৌশানী

    হলিউডের সেই ‘হিটম্যান সাগা’ এবার সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’তে। সিনেমাতে অভিনেত্রী হিসেবে দেখা যাবে কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার ট্রেলার প্রকাশ্যে আসতেই কৌশানীর চরিত্রের মধ্যে অ্যাঞ্জেলিনার ছায়া দেখা গেল।

    পূর্ণা আইচের ভূমিকায় কৌশানী। প্রেমিকের সঙ্গে কাটানো তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও পর্নসাইটে ভাইরাল। পারিবারিক অশান্তি তুঙ্গে। সমাজে মুখ দেখানো দায়! এদিকে নির্বিকার প্রেমিক। শেষমেশ নিজেকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পূর্ণা। 

    তবে আত্মহত্যা মহাপাপ ধর্মে সইবে না! তাই ‘কিলবিল সোসাইটি’র দ্বারস্থ হয় সে। নিজেই নিজের নামে ‘সুপারি’ দেয়। ঘটনাচক্রে আলাপ হয় ভাড়াটে খুনি মৃত্যুঞ্জয় করের সঙ্গে। যে চরিত্রে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সেই পরিচয় পরিণত হয় প্রেমে। 

    এবার ভাগ্যের চিত্রনাট্যে তাহলে ‘শেষের কবিতা’ লিখবে কে? প্রেম না মৃত্যু? উত্তর পেতে আগামী ১১ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে যেতে হবে। কারণ সেদিনই মুক্তি পাচ্ছে সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’। ট্রেলারের শেষপাতে ‘হেমলক সোসাইটি’র আইকনিক দৃশ্যের উলাট পুরাণ ঘটিয়েছেন পূর্ণা এবং মৃত্যুঞ্জয়। ট্যুইস্ট সেখানেই।

    ‘হেমলক সোসাইটি’র ১৩ বছর বাদে কেমন আছেন আনন্দ কর এবং তার আশেপাশের মানুষেরা? সেই গল্প নিয়েই সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’ আসছে। কাস্টিংয়ে নামজাদা তারকাদের ভিড় আর তাদের ফার্স্টলুক আগেই কৌতূহলের পারদ চড়িয়েছিল। এবার রোমাঞ্চকর ট্রেলার, অনুপম রায়ের গান আর রগরগে সংলাপ তার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিল, বললেও অত্যুক্তি হয় না।

    সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’র জন্য লুক বদলে ফেলেছেন পরমব্রত। প্রস্থেটিকে তিনি বিশ্বাসী নন। তাই চরিত্রের প্রয়োজনে মাথা কামিয়ে আনন্দ করকে নতুন লুক দিয়েছেন অভিনেতা। তার চরিত্রেও এবার বিশেষ চমক! 

    যে আনন্দর হাত ধরে জীবনমুখী হতে শিখেছিল অবসাদের কুয়াশায় জেরবার মানুষেরা, সেই আনন্দ কালের নিয়মে বদলে গিয়েছেন। এখন আর তিনি ‘হেমলক সোসাইটি’ পরিচালনা করেন না। পরিবর্তে ‘কিলবিল সোসাইটি’র দায়িত্ব নিয়ে সে এখন মৃত্যুঞ্জয় কর। 

    অন্যদিকে, পূর্ণা আইচের ভূমিকায় একেবারে ডিগ্ল্যাম লুকে ধরা দিলেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। বেপরোয়া জীবনযাপনে অভ্যস্ত সে। সমাজের মতামতের ধার ধারে না সে। নিন্দুক-সমালোচক, কাউকেই পরোয়া করে না পূর্ণা। যখন যা মন চেয়েছে, করেছে। সমাজের কাছে পূর্ণা দুঃসাহসী। লাগামছাড়া এক মেয়ে। কিন্তু পূর্ণার কাছে এটাই জীবন। 

    তবুও জীবনের এক পর্যায়ে এসে ওলট পালট হয়ে যায় পূর্ণার জীবন। সেই নির্ভীক পূর্ণা হয়ে ওঠে ভিতু। কোন পরিস্থিতিতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তার? ট্রেলারে সেই ঝলক দেখানো হয়েছে। তবে সে কি আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? সেই উত্তর মিলবে আগামী ১১ এপ্রিল।

    কিলবিল সোসাইটি’ সিনেমায় যুক্ত হওয়ার গল্প জানিয়ে কৌশানী বলেন, “সৃজিতদা আমাকে প্রথম ফোন করে ডাকেন। জিজ্ঞাসা করেন, তোর চুমু খেতে অসুবিধা আছে?’ আমি বলেছিলাম, ‘হ্যাঁ, অসুবিধা তো নিশ্চয়ই আছে।’ তারপর সৃজিতদা জানান, সিনেমায় চুমু খাওয়াটা চিত্রনাট্যের জন্য জরুরি। আমি চিত্রনাট্য শুনলাম, শুনে আর না বলার প্রশ্নই ছিল না। কী অসাধারণ গল্প! সৃজিতদার সঙ্গে আমিও সহমত, কিছু জায়গায় গল্পের খাতিরে ওই দৃশ্যটা প্রয়োজনীয়। আর চুমু খাওয়াটাই তো সব নয়। বুঝেছিলাম ওই চরিত্রের নিশ্চয়ই অন্য অনেক কিছু করার আছে, তারপর কথাবার্তা এগিয়ে যায়।

    চুম্বন দৃশ্যে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন অনায়াসে বলতে পারি, আমার অভিনীত সেরা চরিত্র এটি। পর্দায় ঠোঁট ঠাসা চুমু খাওয়া নিয়ে আমার এত বিরোধিতা সেই জায়গায় নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি এই চরিত্রের জন্য। এর আগে কিন্তু বনির সঙ্গেও পর্দায় চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করিনি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার স্বামী ও আমি নিজের কাজ নিজে করতে পছন্দ করি: মিথিলা

    ঢালিউড অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার নতুন সিনেমা ‘জলে জ্বলে তারা’ মুক্তি পেয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভালোবাসা দিবসে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। নদী ও নারীবিষয়ক এ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিথিলা। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা, সংসার ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী।

    দীর্ঘদিন বড়পর্দায় ব্যস্ততা কম ছিল মিথিলার। তবে এবার নতুন সিনেমায় যোগ দিয়ে আবার সেই ব্যস্ততা জেগে উঠল অভিনেত্রীর। শুধু তাই নয়, বিনোদন জগতের পাশাপাশি অন্যান্য কাজেও নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন তিনি। শুধু অভিনেত্রী কিংবা মডেলই নন, শিক্ষকতা ও গবেষণায়ও সক্রিয় মিথিলা— যেখানে তার পরিচয় ও গুণের কথা উঠে আসে; আসে তার কাজ নিয়ে নানান ব্যস্ততার কথা।

    মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘জলে জ্বলে তারা’ -তে অভিনয় প্রসঙ্গে মিথিলা বলেন, গত পাঁচ বছরে আমি যে ধরনের চরিত্র করেছি, তার থেকে নিজেকে আলাদা করার চেষ্টা করেছি। নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, এই ‘তারা’ চরিত্রটি আমার অভিনয়জীবনে একটি নতুন সংযোজন। আমার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিংও ছিল চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে।

    এদিকে ক্যারিয়ার যুদ্ধের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও বেশি আলোচনায় থাকেন অভিনেত্রী। অভিনেতা-গায়ক তাহসান খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর টালিউড পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে বেশ সুখের সংসারই কাটছিল তাদের। কিন্তু অনেক দিন ধরেই আলাদা থাকছেন তারা; আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বিচ্ছেদ গুঞ্জন।

    নেটিজেনদের বিচ্ছেদ সমালোচনার বিষয়ে মিথিলা বলেন, এত ব্যস্ত থাকি, আমার সময় নেই এগুলো মাথায় নেওয়ার। নিজের কাজ নিজে করতে পছন্দ করি। আমার স্বামীও তাই। যারা কাজের মানুষ তারা ঠিকই বুঝে। তারা নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে, অন্যের কাজেও ঝামেলা করে না।

    অভিনেত্রী বলেন, যাদের কোনো কাজ নেই, তারাই সারাক্ষণ এসব নিয়ে মেতে থাকে। মানুষ কী ভাবছে সেগুলো নিয়ে আমি কখনই চিন্তিত না। তিনি বলেন, আমার পরিবার, আমার সন্তান এবং আশপাশের মানুষগুলোই আমার সাপোর্ট সিস্টেম, তারা সবাই আমাকে বোঝে বলে জানান সৃজিতপত্নী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সৃজিত-মিথিলার দাম্পত্য জীবন নিয়ে যে ইঙ্গিত দিলেন তসলিমা

    টালিউড পরিচালক সৃজিত ও অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সম্পর্ক এখনো ভাঙেনি। কিন্তু এ তারকার সংসার ভাঙার খবর বহুদিন ধরেই ডালপালা মেলছে। এবার দুই বাংলার তারকাদের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে কথা বললেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

    ভারত-বাংলাদেশের অনেক তারকা সম্পর্কে জড়ালেও বেশিরভাগই হেঁটেছেন বিচ্ছেদের পথে। সেটি বিয়ে হোক আর প্রেম হোক। সংগীতশিল্পী কবীর সুমন-সাবিনা ইয়াসমিন থেকে অর্ণব-সাহানা, সৃজিত-মিথিলা অনেকেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন। একছাদের নিচেই থাকতে চেয়েছেন বাকিটা জীবন। তবে হাতে হাত রেখে খুব বেশি দিন টিকতে পারেননি এ তারকারা।

    গত ৮ অক্টোবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। যেখানে দুই বাংলার শিল্পীদের দাম্পত্য জীবন কেন দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি সুমন-সাবিনার উদাহরণও টেনে এনেছেন এ লেখিকা। পাঠকদের জন্য সামাজিকমাধ্যমে তসলিমা নাসরিনের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    ‘বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের মধ্যে রোমান্টিক বা বৈবাহিক সম্পর্ক কেন টিকছে না? সাবিনা ইয়াসমিন আর কবীর সুমন বিয়ে করলেন। বিরাট হইচই হলো। দুজনে কিছুদিন একসঙ্গে গান গাইলেন। এরপর নিস্তব্ধতা। যে যার মতো যার যার দেশে জীবনযাপন করছেন। সাবিনা আর সুমনের মধ্যে কোনো সম্পর্ক অবশিষ্ট রয়েছে বলে মনে হয় না।

    এরপর সৃজিত আর মিথিলা বিয়ে করলেন। বিরাট হইচই হলো। দুজনে কিছুদিন একসঙ্গে চলাফেরা করলেন। এরপর নিস্তব্ধতা। যে যার মতো যার যার দেশে জীবনযাপন করছেন। সৃজিত তার ১০-১২টা সাপ নিয়ে আর মিথিলা তার কন্যা নিয়ে। মিলন থাকলে বিচ্ছেদ থাকে, এ নতুন কিছু নয়। কিন্তু তারপরও মনে হয়, দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদয়ের বন্ধন দৃঢ় হলে অসাম্প্রদায়িকতার নিদর্শন চমৎকার হতে পারত।‘

    বিনোদন ডেস্ক

  • সৃজিত আমার কাছে কোনো পরিচালক নয়: রুক্মিণী

    পূজায় মুক্তি পাচ্ছে টালিউড অভিনীত রুক্মিণী মৈত্রের ছবি ‘টেক্কা’। এ ছবি ছাড়াও তিনি কি প্রতিযোগীদের টেক্কা দিতে বিশ্বাসী? আনন্দবাজার অনলাইনের প্রশ্নের মুখোমুখি তিনি। এ অভিনেত্রী ফোন ধরেই জানালেন— মুম্বাই থেকে সবেমাত্র কলকাতায় ফিরেছেন। সাক্ষাৎকার দিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। 

    আপনি কি ক্লান্ত— আনন্দবাজারের এমন প্রশ্নের উত্তরে রুক্মিণী বলেন, একদমই নয়। ছবি মুক্তি পাচ্ছে, এখন বিশ্রামের প্রশ্নই আসে না। 

    প্রশ্ন: ‘পাসওয়ার্ড’-এর পাঁচ বছর পর আবার পূজায় আপনার অভিনীত ছবি ‘টেক্কা’ মুক্তি পাচ্ছে। আপনি নিশ্চয়ই উত্তেজিত?

    রুক্মিণী: (হেসে) তাই কি! সত্যি বলছি— আমি ততটা ভেবে দেখিনি। প্রশ্নটার পর উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। কারণ গত পাঁচ বছরে অনেক কিছু বদলে গেছে। সিনেমা জগৎ প্রত্যেক শুক্রবার বদলে যাচ্ছে। অভিনেত্রী হিসেবে আমিও প্রত্যেক ছবির সঙ্গে একটু একটু করে বদলে যাচ্ছি। কিন্তু পূজার ছবি নিয়ে উত্তেজনা এতটুকুও বদলায়নি। ব্যক্তি রুক্মিণী এখনো একই রয়ে গেছে।

    প্রশ্ন: অভিনেত্রী হিসেবে নিজের মধ্যে কী কী পরিবর্তন লক্ষ করেছেন?

    রুক্মিণী: আমি নিজের উন্নতিতে বিশ্বাস করি। পাঁচ বছর আগে আমি ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন এসেছিলাম। কোনো প্রশিক্ষণ ছিল না। ইচ্ছে বা আকাঙ্ক্ষাও সেই অর্থে ছিল না। তখন সব সময়েই বলতাম যে, আমার প্রথম প্রেম মডেলিং। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে করতে এখন বলতেই পারি— এখন অভিনয়ের প্রেমে পড়ে গেছি। অ্যাকশন আর কাটের মধ্যেই এখন ভালো লাগে। চরিত্রগুলোকে সম্মান করতে শিখেছি। হয়তো আগের মতো এখনো লিখতে পারি। কিন্তু এখন ভাষার ব্যাকরণটা আরও ভালো করে রপ্ত করতে পেরেছি।

    প্রশ্ন: এখন তা হলে প্রথম প্রেম অভিনয়?

    রুক্মিণী: মডেলিং প্রথম প্রেম। আর অভিনয় শেষ ভালোবাসা। কারণ প্রথম প্রেম অনেক হতে পারে। কিন্তু এই প্রেমটা রয়ে যাবে।

    প্রশ্ন: দেব শুনলে রেগে যাবে তো।

    রুক্মিণী: (হাসতে হাসতে) পরের প্রশ্ন।

    প্রশ্ন: ‘বুমেরাং’-এ ন্যাড়া মাথা। ‘টেক্কা’য় ছোট চুল। প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে অনেকেই কিন্তু লুক নিয়ে এতটা সাহস দেখাবেন না।

    রুক্মিণী: ধন্যবাদ। আমার মা তো মজা করে বলেছিলেন— আগের ছবিতে ন্যাড়া হয়েছিলি। এবার মাথায় একটু চুল গজিয়েছে। আসলে আমি নিজের মতো কাজ করতে পছন্দ করি। এমন চরিত্র, যা শুধু আমাকে নয় একই সঙ্গে দর্শককেও মজা দেবে। অনেকেই বারণ করেছিলেন। লুক যদি চরিত্রের ৫০ শতাংশ হয়, তা হলে বাকি ৫০ শতাংশ অভিনয়। আসলে একটাই তো জীবন। সবাই যেটা করছে, আমিও সেটি করলে নিজস্বতা হারিয়ে যায়। কার ভালো লাগছে বা কার ভালো লাগছে না, সেটি ভাবতে গেলে আমি তাদের মতো হয়ে যাব।

    প্রশ্ন: ‘টেক্কা’য় মায়া চরিত্রটি আপনার আগের চরিত্রগুলো থেকে কতটা আলাদা?

    রুক্মিণী: খুব কঠিন চরিত্র। পুলিশ অফিসার। একটু পুরুষালি ভাব আছে। কথাও সেভাবে বলে। অ্যাকশনও করে। এখন আর বেশি বলতে চাই না। কিন্তু আমার ক্যারিয়ারের কঠিনতম তিনটি চরিত্রের মধ্যে মায়া একটি।

    প্রশ্ন: সৃজিত কতটা সাহায্য করেছিলেন?

    রুক্মিণী: সৃজিত আমার কাছে কোনো পরিচালক নয়, ও আমার কাছে একটা অভিজ্ঞতা। সৃজিতের সবচেয়ে বড় গুণ— একজন অভিনেতার থেকে ও কী চাইছে, সেটা ওর কাছে স্পষ্ট। আমার আগের ছবিগুলো শুটিংয়ের আগে পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা করতাম। কিন্তু এবারে ততটা সময় পাইনি। তাই ও ঠিক আমার কাছে কী চাইছে, সেটি সেটে গিয়েই বুঝতে পারি। একশ জন দর্শকের যদি মায়াকে পছন্দ না হয়, তার দায় আমার। কিন্তু একজনেরও ভালো লাগলে, সেই কৃতিত্ব কিন্তু সৃজিতের।

    প্রশ্ন: এই ছবিতে দেব একটি বাচ্চা মেয়েকে অপহরণ করছে। মায়ার কাঁধে মেয়েটিকে উদ্ধারের দায়িত্ব। দেবকে যদি কেউ অপহরণ করে, তা হলে আপনি উদ্ধার করতে যাবেন?

    রুক্মিণী: (হাসতে হাসতে) ওকে অপহরণ করলে আরও কয়েক দিন তার কাছে রেখে দিতে বলব। কারণ ও এতটাই ব্যস্ত যে, ছুটি পায় না। তাই অপহরণ করে ওকে এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে ওর কাছে কোনো ফোন থাকবে না। এক-দুই মাস কাজ থেকে দূরে থাকুক। তার পর আমি গিয়ে না হয় ছাড়িয়ে নিয়ে আসব।

    প্রশ্ন: ‘টেক্কা’র শুটিংয়ের সময়ে দেব নাকি ‘খাদান’-এর কাজেও ব্যস্ত ছিলেন। লোকসভা ভোটের পর ছবির কাজ। এখন ঘাটালে বন্যা পরিস্থিতি। দেব কি আপনাকে সময় দিতে পারেন?

    রুক্মিণী: আমার মনে হয়, ভগবান তাকেই দায়িত্ব দেন, যিনি সেগুলো পালন করতে পারেন। আর খুব কম মানুষই সেই সুযোগ পান। আমি খুব খুশি যে, দেব তাদের মধ্যে একজন। আমি তো মানুষটাকে চিনি। যে ওকে চিনতে পারবে, সে অভিযোগের তুলনায় ওকে নিয়ে বেশি গর্বিত হবে।

    প্রশ্ন: ‘বহুরূপী’ বা ‘শাস্ত্রী’র ট্রেলার দেখেছেন?

    রুক্মিণী: মিঠুন দার সঙ্গে তো সেদিন দেখা হলো। কিন্তু ‘শাস্ত্রী’র ট্রেলার এখনো দেখা হয়নি। তবে গল্পটা আমি শুনেছিলাম। খুব ভালো লেগেছিল। তার ওপর মিঠুন দা রয়েছেন। ‘বহুরূপী’র ট্রেলার দেখে শিবুকে (পরিচালক, অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়) মেসেজও করেছিলাম। আবীরের (আবীর চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে আমি খুব মজা করি। ওকে বলেছিলাম— তুমিও পুলিশ, আমিও পুলিশ। কিন্তু কে কাকে টেক্কা দেবে, সেটি যথাসময়েই বোঝা যাবে। আমি জানি না, ছেলেরা কোলো ভালো কিছু করলে আমি কেন যেন একটু প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ি। কিন্তু মেয়েরা হলে আমি তখন প্রশংসাই বেশি করি।

    প্রশ্ন: পূজার তিনটে ছবিকে সাজাতে বলা হলে আপনি কোন ছবিকে কোথায় রাখবেন।

    রুক্মিণী: নিজের ছবি। তাই ‘টেক্কা’ সব সময়েই প্রথমে থাকবে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান বলা খুব কঠিন। এই বছর যেহেতু মাত্র তিনটে ছবি, তাই প্রতিযোগিতার রেশটাও কম। ছবি কম বলে আশা করি প্রত্যেকেই ভালো শো পাবে। দর্শক বিভাজনের সম্ভাবনাও কম থাকবে। তাই ব্যবসার দিক থেকে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তিনটে ছবি পূজায় ভালো চললে কিন্তু এই পূজায় সবাই লাভ করবে।

    প্রশ্ন: ইন্ডাস্ট্রিতে রেষারেষির কথা শোনা যায়। এই যে নিজে থেকে অন্যের প্রশংসা করেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সামাজিকমাধ্যম ছাড়া ব্যক্তিগত স্তরে সবাই কি অন্যের প্রশংসা করেন?

    রুক্মিণী: কে কী করে, তা বলতে পারব না। তবে আমি এ রকমই। ‘প্রতিযোগী’ হলেও কারও ভালো কাজ দেখলে আমি প্রশংসা করি। প্রশংসা করলে তার যদি মুখে একটু হাসি ফোটে, তাতে তো আমার কোনো ক্ষতি নেই। ‘মির্জ়া’র সময়ে ঐন্দ্রিলাকে (ঐন্দ্রিলা সেন) ফোন করেছিলাম। কোয়েলের (কোয়েল মল্লিক) কোনো কিছু ভালো লাগলে ওকে মেসেজ করে জানাই। সামাজিকমাধ্যমে মিমির (মিমি চক্রবর্তী) কোনো ছবি হয়তো পছন্দ হয়েছে, সেটিও ওকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছি। দিনের শেষে তো আমরা সবাই একে অপরের বন্ধু।

    প্রশ্ন: এটা কিন্তু বড় গুণ।

    রুক্মিণী: ‘ভালো’কে ভালো বলার সাহস আমার রয়েছে। টেক্কার ট্রেলার যদি খারাপ হলো, তা হলে তো সবাই সামাজিকমাধ্যমে লিখে ভরিয়ে দিতেন! আসলে আমাদের একটা কোনো পদক্ষেপ ভুল হলে একশ জন সমালোচনা করতে হাজির হন। কিন্তু কিছু ভালো করলে, তখন একজনেরও প্রশংসা খুঁজতে হলে দুরবিনের প্রয়োজন হয়। এভাবে মানুষ হিসেবে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

    প্রশ্ন: পূজায় কি কলকাতায় থাকবেন?

    রুক্মিণী: ছবি মুক্তি পাচ্ছে, তাই শহরেই রয়েছি। তার পর দিল্লিতে দাদা-বৌদির কাছে যাব। ২০ অক্টোবর আমার ভাইঝি আমায়রার জন্মদিন। সেদিনটা ওর সঙ্গেই কাটানোর ইচ্ছে রয়েছে।

    প্রশ্ন: ‘বিনোদিনী: একটি নটীর উপাখ্যান’ ছবির মুক্তির দিন প্রকাশ্যে এসেছে। ‘দ্রৌপদী’র প্রস্তুতি কবে শুরু করবেন?

    রুক্মিণী: বিনোদিনী আমার ক্যারিয়ারের খুব গুরুত্বপূর্ণ ছবি। আর দ্রৌপদী আমার ক্যারিয়ারে স্বপ্নের চরিত্র। খুব বড় ভাবে ছবিটাকে ভাবা হয়েছে। ‘মহাভারত’-এর অংশ বলে সেভাবে কাস্টিংও করতে হবে। তাই আমরা একটু সময় নিয়ে কাজটা শুরু করতে চাই।

    প্রশ্ন: অনন্ত আম্বানির বিয়েতে আপনি অতিথি। মুম্বাই যাতায়াত বাড়িয়েছেন। ‘সনক’ আর ‘ক্র্যাক’-এর পর নতুন কোনো খবর?

    রুক্মিণী: (হেসে) এখন ‘টেক্কা’ নিয়েই ব্যস্ত। মাঝে বলিউডের বেশ কিছু প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু আমি পর পর শুটিংয়ের জন্য রাজি হতে পারিনি। নতুন কোনো খবর হলে যথাসময়ে সবাই জানতে পারবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও বিচ্ছেদের ইঙ্গিত সৃজিত-মিথিলার!

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে দাম্পত্য জীবনে নিয়ে ফের বিচ্ছেদের ইঙ্গিত শোনা যাচ্ছে। 

    সৃজিত ও মিথিলা ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু এক ছাদের নিচে তাদের দেখা হয় খুব কম। কাজ নিয়ে দুজনেই ভীষণ ব্যস্ত। চলতি মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর ছিল সৃজিতের জন্মদিন। 

    ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের সূত্রমতে, ওই দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় নানাজনের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন সৃজিত। তবে সৃজিতের উদ্দেশে মিথিলার কোনো শুভেচ্ছাবার্তা পাওয়া যায়নি। আর তাতেই ছড়িয়েছে বিচ্ছেদের গুঞ্জন।

    বিয়ের পর মেয়ে আইরাকে নিয়ে কলকাতাতেই থাকছিলেন মিথিলা। বছরখানেক পর মেয়েকে নিয়ে দেশে ফেরেন মিথিলা। ভর্তি করিয়েছেন বাংলাদেশের এক স্কুলে। কাজের সূত্রে কখনো আফ্রিকার তানজানিয়া তো কখনো ইউরোপে থাকেন মিথিলা। সময়-সুযোগ পেলে স্বল্প দিনের জন্য ফেরেন কলকাতায়। দুজনের এই দূরত্বের কারণেই সৃজিত-মিথিলার দাম্পত্য নিয়ে ফিসফিসানির শেষ নেই।

    মাঝেমধ্যেই শোনো গেছে, বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তারা। যদিও বরাবরই এসব গুঞ্জনকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে দুপক্ষই। তবে লং ডিসট্যান্স বিয়েটা টিকিয়ে রাখতে চান দুজনেই। বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে কোনো রকম মন্তব্য পাওয়া যায়নি সৃজিত বা মিথিলার পক্ষ থেকে। 

    মিথিলা-সৃজিতের পরিচয় হয় সংগীতশিল্পী অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের আগে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি যতবার মা হব, সৃজিত ততবার বাবা, কেন এ কথা স্বস্তিকার

    পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন সিনেমা ‘টেক্কা’র টিজার প্রকাশ্যে এসেছে। টিজারের শুরুতেই দেখা গেছে দেবকে। সাদামাটা চেহারায় শিষ্টাচার পালনের বার্তা দিতে দেখা যায় অভিনেতাকে। তিনি বলছেন—পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অপরাধ গরিব হওয়া। সমাজে ভূতের মতো ঘুরে বেড়ালেও যাদের খোঁজ কেউ রাখে না, কেউ চেনে না, তবে এবার চিনবে।

    টেক্কায় আছেন ঝাঁজালো এসিপি অফিসারের চরিত্রে রুক্মিনী মৈত্র। অন্যদিকে টিজারে দেখা যায় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। তিনি আছেন মায়ের চরিত্রে। স্বস্তিকা মেয়েকে বাঁচানোর লড়াইয়ে আইনকে যিনি পরোয়া করেন না এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দুই সাংবাদিকের চরিত্রে দেখা মিলল আরিয়ান ভৌমিক ও সৃজা দত্তকেও। 

    টিজার প্রকাশের অনুষ্ঠানে স্বস্তিকাকে দেখা যায় পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের পুরোনো প্রেম নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, এই ছবিতে আরও একবার আমাকে ‘মা’ বানিয়েছে সৃজিত। চিত্রনাট্য নিয়ে আমার কাছে যখন আসে, তখনই স্পষ্ট জানাই— এ বছর অনেকগুলো মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি, আর করব না। 

    স্বস্তিকা বলেন, কিন্তু সৃজিতের ছবি বলে কথা— আর অসম্ভব সুন্দর গল্প। তাই ছবিটা যদি সৃজিতের সন্তান মনে করি, তাহলে বলব— আমি যতবার মা হব, সৃজিত ততবার বাবা।

    স্বস্তিকা বলেন, এই ছবিতে আমাকে দেখা যাবে এক লড়াকু মায়ের চরিত্রে। পৃথিবীতে যত রকম মা রয়েছেন, প্রত্যেকের নিদর্শন হয়ে উঠছি আমি। এ ছবিতেও বেশ অন্যরকমভাবে সৃজিত আমার চরিত্রটা তৈরি করেছে। আশা করি দর্শকদের পছন্দ হবে।

    অনেক দিন পর সৃজিতের সঙ্গে কাজ এবং পরিচালক হিসেবে কতটা বদলেছেন— এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, এখন অনেকটা ঠান্ডা হয়েছে, বয়স হয়েছে তো! বেশ কিছু দৃশ্য দেখলাম নিজেই ক্যামেরা চালাচ্ছে। তার মানে টেকনিক্যালি স্ট্রং হয়েছে। ও এখন বড় ক্যানভাসের সিনেমা ভালোই সামলাতে পারে। তবে এখনো আগের মতোই হাড় জ্বালিয়েছে সৃজিত। হুটহাট সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এক্কেবারে মাস্টার।

    উল্লেখ্য, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় এবং দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স লিমিটেডের প্রযোজনায় ‘টেক্কা’ সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৮ অক্টোবর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মমতার প্রশংসা, ভুয়া খবর ছড়ানোয় সাংবাদিকদের যা বললেন সৃজিত

    আরজি করকাণ্ডে নারী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চেয়ে আন্দোলন চলছে পুরো ভারতজুড়ে। তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। একদিকে লালবাজারের সামনে চলছে ধর্না। অন্যদিকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান। মুখ্যমন্ত্রী দেখা করে কথা বলতে রাজি হলেও লাইভ ভিডিওতে তার আপত্তি। এদিকে নিজেদের জায়গায় অনড় চিকিৎসকরা। এমন পরিস্থিতিতে ‘টেক্কা’ সিনেমার প্রচারে সংবাদমাধ্যমে যে কথা বললেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

    সিনেমা টেক্কার প্রচারে গিয়ে এদিন নির্মাতা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি প্রথমেই প্রশংসা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সৃজিত বলেন, তিনি অন্তত কথা বলার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এটাও তো ঠিক যে, আমরা যদি পুরো দেশের প্রেক্ষাপটটা ভেবে দেখি, তাহলে উনি অন্তত কথা বলার চেষ্টা করেছেন। সেই চেষ্টা তো গোটা দেশের অনেক জায়গায় হয় না। মানে আলোচনাই হয় না। বসে কথা বলার কোনো স্কোপ থাকে না। প্রেস কনফারেন্স হয় না। তাই এখানে এ বিষয়টা নিয়ে এভাবে দেখলে চলবে না। 

    পরিচালক আরও বলেন, আশা রাখতে হবে প্রশাসন এবং আইন ব্যবস্থার ওপর। আর যেখানে যেখানে গাফিলতি হয়েছে, প্রমাণ পাওয়া গেছে, সেই গাফিলতির দায় স্বীকার যাতে করা হয়, সেটি দেখা উচিত। কিন্তু আমরা এটা বলতে পারি না যে, কিছুই তো হচ্ছে না।

    গণমাধ্যমকে ভুয়া খবর ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান সৃজিত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সঞ্জয় রায় একা নন, একাধিক ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। সৃজিত বলেন, মিডিয়ার এখানে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ রোল আছে। মিডিয়াকে সঠিক প্রশ্ন করতে হবে এবং চাপ বানিয়ে রাখতে হবে। ভুয়া খবর ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে, যাতে বিতর্ক না ছড়ায়। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি এর মধ্যে অনেক ফেক নিউজ ছড়িয়ে পড়েছে। যেমন ১৫-১৬ জন এ ঘটনা ঘটিয়েছে এটা অনুমান। কিন্তু নিশ্চিতভাবে জানি না। এবার কতটা অনুমান করব, কোথায় থামব, সেটা বুঝতে হবে।

    উল্লেখ্য, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় এবং দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স লিমিটেডের প্রযোজনায় ‘টেক্কা’ সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৮ অক্টোবর। এ সিনেমায় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে একজন সাংবাদিকের চরিত্রে দেখা যাবে। রুক্মিণী হবেন পুলিশ অফিসার। অন্যান্য চরিত্রে আছেন অনির্বাণ চক্রবর্তী প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‌‘খাদান’-এর টিজার দেখে আবেগে দেবকে যা বললেন সৃজিত

    টালিউড অভিনেতা দীপক অধিকারী দেবের সিনেমা ‘খাদান’-এর টিজার আজ মুক্তি পেতে চলেছে। এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় রিনো দত্ত। দেব ও যিশুকে একসঙ্গে দেখা যাবে এ সিনেমায়। নায়িকা হচ্ছেন ইধিকা পাল।

    হিন্দুস্তান টাইমস সূত্রে জানা গেছে, ‘খাদান’ সিনেমায় বাবা-ছেলের দুই ভূমিকাতেই থাকছেন দেব। এ ছবি নায়িকা থাকছেন ইধিকা পাল। কয়লা খনি অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে দুই বন্ধুর গল্প বলবে ‘খাদান’। শ্যাম মাহাতো ও মোহন দাসের বন্ধুত্ব ঘিরেই আবর্তিত হবে এ সিনেমা। যে চরিত্রে থাকছেন দেব ও যিশু। 

    আজ ২৯ আগস্ট ‘খাদান’ সিনেমার টিজার মুক্তি পেতে চলেছে। এই মর্মে বুধবারই অফিসিয়াল অ্যানাউন্সমেন্ট করে ফেলেন দেব। বেলা ১১টায় টিজার আসবে সামনে। তবে তার আগেই কাছের মানুষ পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে টিজারটি দেখিয়ে ফেলেছেন এ অভিনেতা। কী প্রতিক্রিয়া জানালেন সৃজিত।

    দেবকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সেই ভিডিও তৃণমূল সংসদ সদস্য-অভিনেতা নিজেই শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। রীতিমতো আপ্লুত তিনি খাদানের টিজার দেখে।

    সেই ভিডিওতে সৃজিতকে বলতে শোনা গেল—‘বাংলা কমার্শিয়াল ছবির এরকম টিজার আমি আগে কখনো দেখিনি। বাংলা কমার্শিয়াল সিনেমাকে যদি ফিরিয়ে আনতে হয়, তবে খাদানের মতো সিনেমা আরও বানানো দরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমার দুর্দান্ত লেগেছে। আমি তো ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখব।’

    সৃজিতের এই ভিডিওটি শেয়ার করে দেব লিখেছেন— ‘খাদানের টিজার নিয়ে আমাদের পাওয়া প্রথম রিভিউ। ধন্যবাদ সৃজিত মুখোপাধ্যায়। এবার আপনাদের দেখার অপেক্ষায় রইলাম। আগমীকাল দেখা হচ্ছে।’

    দেব-সৃজিতের সোশ্যাল পোস্টে সিনেমাপ্রেমী নেটিজেনদের একজন লিখেছেন— ‘খাদানের মতো সিনেমাই এখন দরকার। অনেক ধন্যবাদ দেবদা তোমাকে’। দ্বিতীয়জন লিখেছেন— ‘তাহলে কি পুজোতে টেক্কার বদলে খাদান?’ তৃতীয়জন লিখেছেন— ‘আমার তো উত্তেজনায় রাতে ঘুম আসবে না’।

    আরজি করকাণ্ড নিয়েও সমালোচিত হয়েছেন দেব। এক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এত কিছু হয়ে গেল, বান্ধবীর সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে এলেন। এবার ছবি মুক্তির আগে একটু ভাষণ তো দিতে হবে। তাই একদিন রাস্তায় নামো। কেন্দ্রীয় সরকার নতুন আইন আনবে, এসব ভুলভাল বলে, সবার নজর ঘোরানোর চেষ্টা করলেন। অভিনেতা হিসেবে না পারেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দেশের প্রতি এটুকু দায়িত্ব তো পালন করতেই পারেন।’

    বিনোদন ডেস্ক